কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
জলের ঘুরণী বড় তরণী আমার দড়
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪০৮-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

দানখণ্ড ও নৌকাখণ্ড
যমুনায় নৌবিহার
॥ বরাড়ী॥

জলের ঘুরণী বড়     তরণী আমার দড়
অশ্ব গজ কত নরনারী ।
দেবতা গন্ধর্ব যত     পার করি শত শত
যুবতীযৌবন এত ভারি॥
ভুবনমোহন শ্যামচন্দ।
ভানুসুতা পানে চেয়ে     হাসি হাসি কথা কহে
শুন শুন যুবতীর ছন্দ॥
উমড়িয়া শ্যাম মেঘে     ঘিরি নিল চারিদিকে
পবনে কাঁপায় সব তনু।
ঘন উছলিছে জল     নৌকা করে টলমল
তরুণী তরণী ভার দুনু॥
আমার বচন ধর     হাতে কেরোয়াল কর
ছাড় সবে বসন ভূষণ।
নেয়ের বেতন দাও     সঘনে তরণী বাও
নহে স্মর শ্রীমধুসূদন ॥
শুনি সুবদনী কয়     আগে পার করি দাও
পাছে দিব যে হয় বিহিত।
জ্ঞানদাস কহে বাণী     আগে দিলে ভালে জানি
পাছে হিতে হয় বিপরীত॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১২১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দানখণ্ড ও নৌকাখণ্ড
॥ বরাড়ী॥

জলের ঘুরণী বড়   তরণী আমার দড়   অশ্ব গজ কত নরনারী।
দেবতা গন্ধর্ব যত   পার করি শত শত   যুবতী যৌবন ইযে ভারি॥
ভুবনমোহন শ্যামচন্দ।
ভানুসুতা পানে চেয়ে   হাসি হাসি কথা কহে   শুন শুন যুবতীর ছন্দ॥
উমড়িয়া শ্যাম মেঘে   ঘিরি নিল চারিদিকে   পবনে কাঁপায় সব তনু।
ঘন উছলিছে জল   নৌকা করে টলমল   তরুণী তরণী ভার দুনু॥
আমার বচন ধর   হাতে কেরোয়াল কর   ছাড় সবে বসন ভূষণ।
নেয়ের বেতন দাও   সঘনে তরণী বাও   নহে স্মর শ্রীমধুসূদন॥
শুনি সুবদনী কয়   আগে পার করি দাও   পাছে দিব যে হয় বিহিত।
জ্ঞানদাস কহে বাণী   আগে দিলে ভালে জানি   পাছে হিতে হয় বিপরীত॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬২২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

জলের ঘুরণী বড় তরণী আমার দড়
        অশ্ব গজ কত নরনারী।
দেবতা গন্ধর্ব্ব যত পার করি শত শত
        যুবতীযৌবন এত ভারি॥
ভুবনমোহন শ্যামচন্দ।
ভানুসুতা পানে চেয়ে হাসি হাসি কথা
        কহে শুন শুন যুবতীর ছন্দ॥
উমড়িয়া শ্যাম মেঘে ঘিরি নিল চারি-
        দিকে পবনে কাঁপায় সব তনু।
ঘন উছলিছে জল নৌকা করে টলমল
        তরুণী তরণী ভার দুনু॥
আমার বচন ধর হাতে কেরোয়াল কর
        ছাড় সবে বসন ভূষণ।
নেয়ের বেতন দাও সঘনে তরণী বাও
        নহে স্মর শ্রীমধুসূদন॥
শুনি সুবদনী কয় আগে পার করি দাও
        পাছে দিব যে হয় বিহিত।
জ্ঞানদাস কহে বাণী আগে দিলে ভালে
        জানি পাছে হিতে হয় বিপরীত॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^