কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
এক কথা বড় মনেতে হইল
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১৫২-পৃষ্ঠায়, শারদ রাস, অন্যভাবে মিলন, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ তুড়ী॥
এক কথা বড় মনেতে হইল নাপিতানী বেশ ধরি।
যাইয়া জাবটে রাধার আগেতে কামার চরণ তারি॥
জল দিয়া তাহে পাখালিয়া পায়ে যতনে আলতা দিব।
সে রাঙ্গা চরণ- কমল-তলেতে আপন নাম লিখিব॥
শুনিয়া সুবল কহয়ে তখন কি বলিতে পারি আমি।
যাহাই করিলে আনন্দ পাইবে তাহাই কর তুমি॥
নাপিতিনী বেশ ধরিতে তখন সুরঞ্জ বসন পরে।
চুড়াটি এলায়া লোটন বান্ধিল পিঠের উপরে দুলে॥
সিঁথাএ সিন্দূর নাসাতে বেশর কিবা অপরূপ হৈল।
শঙ্খ তাড়বালা গজমতি মালা সুবল পরায়ে দিল॥
রমণীয় বেশ ধরেন তখন লয়া নাপিতানী সাজ।
কহে জ্ঞানদাস চলিল তখন রসিক নাগররাজ॥
এক কথা বড় মনেতে হইল নাপিতানী বেশ ধরি।
যাইয়া জাবটে রাধার আগেতে কামার চরণ তারি॥
জল দিয়া তাহে পাখালিয়া পায়ে যতনে আলতা দিব।
সে রাঙ্গা চরণ- কমল-তলেতে আপন নাম লিখিব॥
শুনিয়া সুবল কহয়ে তখন কি বলিতে পারি আমি।
যাহাই করিলে আনন্দ পাইবে তাহাই কর তুমি॥
নাপিতিনী বেশ ধরিতে তখন সুরঞ্জ বসন পরে।
চুড়াটি এলায়া লোটন বান্ধিল পিঠের উপরে দুলে॥
সিঁথাএ সিন্দূর নাসাতে বেশর কিবা অপরূপ হৈল।
শঙ্খ তাড়বালা গজমতি মালা সুবল পরায়ে দিল॥
রমণীয় বেশ ধরেন তখন লয়া নাপিতানী সাজ।
কহে জ্ঞানদাস চলিল তখন রসিক নাগররাজ॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, নাপিতানীবেশে মিলন, ৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। সজনীকান্ত দাসের পুথি, ৯০-পৃষ্ঠা।
এক কথা বড় মনেতে হইল
নাপিতানী বেশ করি।
যাইয়া জাবটে রাধার আগেতে
কামাব চরণ ধরি॥
জল দিয়া তাহে পাখালিয়া পায়ে
আলতা পরঞা দিব।
সে রাঙ্গা চরণ কমল-তলেতে
নিজ নাম লেখ্যা দিব॥
শুনিয়া সুবল কহয়ে তখন
কি বলিতে পারি আমি।
যাহাই করিলে আনন্দ হইব
তাহাই করহ তুমি॥
নাপিতানী বেশ ধরিতে তখন
সুরঞ্জ বসন পরে।
চূড়াটি এলায়া লোটন বান্ধিল
পিঠের উপরে দুলে॥
সিঁথায়ে সিন্দূর নাসায়ে বেশর
কিবা অপরূপ হৈল।
শঙ্খ তাড় আর করে অভরণ
সুবল পরায়ে দিল॥
রমণীর বেশ ধরেন তখন
লয়া নাপিতানী সাজ।
কহে জ্ঞানদাস চলিল তখন
রসিক নাগররাজ॥
*********************
নাপিতানী বেশ করি।
যাইয়া জাবটে রাধার আগেতে
কামাব চরণ ধরি॥
জল দিয়া তাহে পাখালিয়া পায়ে
আলতা পরঞা দিব।
সে রাঙ্গা চরণ কমল-তলেতে
নিজ নাম লেখ্যা দিব॥
শুনিয়া সুবল কহয়ে তখন
কি বলিতে পারি আমি।
যাহাই করিলে আনন্দ হইব
তাহাই করহ তুমি॥
নাপিতানী বেশ ধরিতে তখন
সুরঞ্জ বসন পরে।
চূড়াটি এলায়া লোটন বান্ধিল
পিঠের উপরে দুলে॥
সিঁথায়ে সিন্দূর নাসায়ে বেশর
কিবা অপরূপ হৈল।
শঙ্খ তাড় আর করে অভরণ
সুবল পরায়ে দিল॥
রমণীর বেশ ধরেন তখন
লয়া নাপিতানী সাজ।
কহে জ্ঞানদাস চলিল তখন
রসিক নাগররাজ॥
*********************
