কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
তুয়া রূপ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪৩৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

মান
দূতীর প্রতি শ্রীকৃষ্ণ
॥ কেদার॥

তুয়া রূপ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়নঅঞ্জন তুয়া পরচিত-চোর॥
প্রতি অঙ্গ অখিল অনঙ্গ সুখনিধি।
না জানি কি লাগি পরশন না দেয় বিধি॥
রাই নহিয় বিমুখ।
অনুগত জনেরে না দিএ এত দুখ॥ ধ্রু॥
অলপ অধিক সঙ্গে হয় বহুমূল।
কাঞ্চনের সনে কাচ মরকততুল॥
এত অনুনয় করি আমি নিজ জনা।
দুরদিন হয় যদি চাঁদে হরে জ্যোনা॥
এত ধনে ধনি যেহ সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস বলে কেবা জানে কার মন॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৬৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মান
॥ কেদার॥

তুয়া রূপ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়ন-অঞ্জন তুয়া পরচিত-চোর॥
প্রতি অঙ্গ অখিল-অনঙ্গ-সুখনিধি।
না জানি কি লাগি পরশন না দে বিধি॥
রাই নহিয় বিমুখ।
অনুগত জনেরে না দিএ এত দুখ॥ ধ্রু॥
আলপ অধিক সঙ্গে হয় বহুমূল।
কাঞ্চনের সনে কাচ মরকততুল॥
এত অনুনয় করি আমি নিজ জনা।
দুরদিন হয় যদি চাঁদে হরে জ্যোনা॥
রূপে গুণে যৌবনে ভুবনে আগলি।
অমিয়া-মজিল যেন পিরিতি-পুতলি॥
এত ধনে ধনি যেহ সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস বলে কেবা জানে কার মন॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬২৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

তুয়া রূপ নিরখিতে আঁখি ভেল ভোর।
নয়নঅঞ্জন তুয়া পরচিত চোর॥
প্রতি অঙ্গ অখিল অনঙ্গ সুখনিধি।
না জানি কি লাগি পরশন না দেয় বিধি॥
রাই নহিয় বিমুখ।
অনুগত জনেরে না দিএ এত দুখ॥
অলপ অধিক সঙ্গে হয় বহুমূল।
কাঞ্চনের সনে কাচ মরকততুল॥
এত অনুনয় করি আমি নিজ জনা।
দুরদিন হয় যদি চাঁদে হরে জ্যোনা॥
এত ধনে ধনি যেহ সে কেনে কৃপণ।
জ্ঞানদাস বলে কেবা জানে কার মন॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^