কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
ত্রেতায় অনুজরূপে শ্রীরাম সঙ্গতি
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের, অসম্পূর্ণ পদাবলী, ৩০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভাটিয়ালি॥
ত্রেতায় অনুজরূপে শ্রীরাম সঙ্গতি।
বধিলে রাবণ জত রাখিলে খিআতি॥
গোকুলে গোপাল সঙ্গে নব বলরাম (?)।
কেবল কৃপায় হরে মোচানন্দ নাম॥
অতি অপরূপ নিতাইর করুণা।
আনন্দে পুরিল লোক পাসরে আপনা॥
গোলোকের সম্পদ কীর্তন চিন্তামণি।
জাহার পরসে ধন্য ধন্য ধরনি॥
প্রেম-ভকতি-সুধা জগতে বিলায়।
ধর্ম্ম অর্থ কাম মোক্ষ কেহো নাহি চায়॥
জীবের ভাগ্যে গৌরচান্দ পরকাশ।
কলি ঘোর তিমির তিলেকে (করে?) নাশ॥
অপার মহিমা প্রভুর কে কহিতে পারে।
জ্ঞানদাস না ভজিল হেন অবতারে॥
এই পদটি এই গ্রন্থের “অসম্পূর্ণ পদাবলী” অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। অধ্যায়ের শুরুতে লেখা আছে --- “এই অসম্পূর্ণ পদগুলি বিভিন্ন পুঁথি হইতে সংগৃহিত ও সর্বপ্রথম প্রকাশিত হইল। দুঃখের বিষয়, ইহাদের পূর্ণ রূপটি উদ্ধার করিতে পারা গেল না।”
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, নিত্যানন্দের বন্দনা, ৫১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ত্রেতায় অনুজরূপে শ্রীরাম সঙ্গতি।
বধিলে রাবণ জত রাখিলে খিআতি॥
গোকুলে গোপাল সঙ্গে নব বলরাম (?)
কেবল কৃপায় হরে, মোচানন্দ নাম॥
অতি অপরূপ নিতাইর করুণা।
আনন্দে পুরিল লোক পাসরে আপনা॥
গোলোকের সম্পদ কীর্তন চিন্তামণি।
যাহার পরশে ধন্য ধন্য ধরনি॥
প্রেম-ভকতি-সুধা জগতে বিলায়।
ধর্ম্ম অর্থ কাম মোক্ষ কেহো নাহি চায়॥
জীবের ভাগ্যে গৌর চান্দ পরকাশ।
কলি ঘোর তিমির তিলেকে (করে?) নাশ॥
অপার মহিমা প্রভুর কে কহিতে পারে।
জ্ঞানদাস না ভজিল হেন অবতারে॥
টীকা --- এটা নিত্যানন্দ প্রভুর বন্দনা। ইনি ত্রেতায় শ্রীরামের অনুজ লক্ষণ এবং দ্বাপরে বলরাম ছিলেন।
‘হরে মোচানন্দ নাম’ বাক্যটি বোধ হয় মোচনানন্দ নাম হইবে। জীবের ভববন্ধন মোচনে যাঁহার আনন্দ।
*********************
ত্রেতায় অনুজরূপে শ্রীরাম সঙ্গতি।
বধিলে রাবণ জত রাখিলে খিআতি॥
গোকুলে গোপাল সঙ্গে নব বলরাম (?)।
কেবল কৃপায় হরে মোচানন্দ নাম॥
অতি অপরূপ নিতাইর করুণা।
আনন্দে পুরিল লোক পাসরে আপনা॥
গোলোকের সম্পদ কীর্তন চিন্তামণি।
জাহার পরসে ধন্য ধন্য ধরনি॥
প্রেম-ভকতি-সুধা জগতে বিলায়।
ধর্ম্ম অর্থ কাম মোক্ষ কেহো নাহি চায়॥
জীবের ভাগ্যে গৌরচান্দ পরকাশ।
কলি ঘোর তিমির তিলেকে (করে?) নাশ॥
অপার মহিমা প্রভুর কে কহিতে পারে।
জ্ঞানদাস না ভজিল হেন অবতারে॥
এই পদটি এই গ্রন্থের “অসম্পূর্ণ পদাবলী” অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। অধ্যায়ের শুরুতে লেখা আছে --- “এই অসম্পূর্ণ পদগুলি বিভিন্ন পুঁথি হইতে সংগৃহিত ও সর্বপ্রথম প্রকাশিত হইল। দুঃখের বিষয়, ইহাদের পূর্ণ রূপটি উদ্ধার করিতে পারা গেল না।”
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, নিত্যানন্দের বন্দনা, ৫১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ত্রেতায় অনুজরূপে শ্রীরাম সঙ্গতি।
বধিলে রাবণ জত রাখিলে খিআতি॥
গোকুলে গোপাল সঙ্গে নব বলরাম (?)
কেবল কৃপায় হরে, মোচানন্দ নাম॥
অতি অপরূপ নিতাইর করুণা।
আনন্দে পুরিল লোক পাসরে আপনা॥
গোলোকের সম্পদ কীর্তন চিন্তামণি।
যাহার পরশে ধন্য ধন্য ধরনি॥
প্রেম-ভকতি-সুধা জগতে বিলায়।
ধর্ম্ম অর্থ কাম মোক্ষ কেহো নাহি চায়॥
জীবের ভাগ্যে গৌর চান্দ পরকাশ।
কলি ঘোর তিমির তিলেকে (করে?) নাশ॥
অপার মহিমা প্রভুর কে কহিতে পারে।
জ্ঞানদাস না ভজিল হেন অবতারে॥
টীকা --- এটা নিত্যানন্দ প্রভুর বন্দনা। ইনি ত্রেতায় শ্রীরামের অনুজ লক্ষণ এবং দ্বাপরে বলরাম ছিলেন।
‘হরে মোচানন্দ নাম’ বাক্যটি বোধ হয় মোচনানন্দ নাম হইবে। জীবের ভববন্ধন মোচনে যাঁহার আনন্দ।
*********************
