কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
হেদে হে নন্দের সুত কে তোমায়
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪০৫-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
দানখণ্ড ও নৌকাখণ্ড
শ্রীকৃষ্ণের প্রতি সখীর উক্তি
॥ বরাড়ী॥
হেদে হে নন্দের সুত কে তোমায়
করিলে মহাদানী।
দণ্ডে কাচ নানা কাচ না ছাড় রমণীপাছ
বুঝালে না বুঝ হিতবাণী॥ ধ্রু॥
শুনিয়াছি শিশুকাল পূতনা বধেছ হেলে
তৃণাবর্তের লয়েছ পরাণ।
এখনি নন্দের বাড়ি দেখিয়াছি গড়াগড়ি
এখনি সাধিতে আইলা দান॥
কাড়ি নিব পীতধড়া আউলাইয়া ফেলিব চূড়া
বাঁশীটি ভাসাইয়া দিব জলে।
কুবোল বলিবা যদি মাথায় ঢালিব দধি
বসিতে না দিব তরুতলে॥
মোহন চাতুরী করি বাঁশীতে সন্ধান পূরি
বুকে হান মনমথবাণ।
রমণীমণ্ডলী করি আভরণ নিব কাড়ি
ভালমতে সাধাইব দান॥
রাখাল বর্বর জাতি গোঠে ফির দিবারাতি
মহিষ গোধন বংস লইয়া।
কূলবধূ সনে হাস ইথে নাহি লাজ বাস
জ্ঞানদাস কংসে দিবে কইয়া॥
শ্রীকৃষ্ণের প্রতি সখীর উক্তি
॥ বরাড়ী॥
হেদে হে নন্দের সুত কে তোমায়
করিলে মহাদানী।
দণ্ডে কাচ নানা কাচ না ছাড় রমণীপাছ
বুঝালে না বুঝ হিতবাণী॥ ধ্রু॥
শুনিয়াছি শিশুকাল পূতনা বধেছ হেলে
তৃণাবর্তের লয়েছ পরাণ।
এখনি নন্দের বাড়ি দেখিয়াছি গড়াগড়ি
এখনি সাধিতে আইলা দান॥
কাড়ি নিব পীতধড়া আউলাইয়া ফেলিব চূড়া
বাঁশীটি ভাসাইয়া দিব জলে।
কুবোল বলিবা যদি মাথায় ঢালিব দধি
বসিতে না দিব তরুতলে॥
মোহন চাতুরী করি বাঁশীতে সন্ধান পূরি
বুকে হান মনমথবাণ।
রমণীমণ্ডলী করি আভরণ নিব কাড়ি
ভালমতে সাধাইব দান॥
রাখাল বর্বর জাতি গোঠে ফির দিবারাতি
মহিষ গোধন বংস লইয়া।
কূলবধূ সনে হাস ইথে নাহি লাজ বাস
জ্ঞানদাস কংসে দিবে কইয়া॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৭১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
হেদে হে নন্দের সুত কে তোমায়
করিলে মহাদানী।
দণ্ডে কাচ নানা কাচ না ছাড় রমণীপাছ
বুঝালে না বুঝ হিতবাণী॥
শুনিয়াছি শিশুকালে পূতনা বধেছ
হেলে তৃণাবর্তের লয়েছ পরাণ।
এখনি নন্দের বাড়ি দেখিয়াছি গড়াগড়ি
এখনি সাধিতে আইলা দান॥
কাড়ি নিব পীতধড়া আউলাইয়া ফেলিব
চূড়া বাঁশীটি ভাসাইয়া দিব জলে।
কুবোল বলিবা যদি মাথায় ঢালিব দধি
বসিতে না দিব তরুতলে॥
মোহন চাতুরী করি বাঁশীতে সন্ধান
পূরি বুকে হান মনমথবাণ।
রমণীমণ্ডলী করি আভরণ নিব কাড়ি
ভালমতে সাধাইব দান॥
রাখাল বর্বর জাতি গোঠে ফির দিবারাতি
মহিষ গোধন বংস লইয়া।
কুলবধূ সনে হাস ইথে নাহি লাজ বাস
জ্ঞানদাস কংসে দিবে কইয়া॥
*********************
হেদে হে নন্দের সুত কে তোমায়
করিলে মহাদানী।
দণ্ডে কাচ নানা কাচ না ছাড় রমণীপাছ
বুঝালে না বুঝ হিতবাণী॥
শুনিয়াছি শিশুকালে পূতনা বধেছ
হেলে তৃণাবর্তের লয়েছ পরাণ।
এখনি নন্দের বাড়ি দেখিয়াছি গড়াগড়ি
এখনি সাধিতে আইলা দান॥
কাড়ি নিব পীতধড়া আউলাইয়া ফেলিব
চূড়া বাঁশীটি ভাসাইয়া দিব জলে।
কুবোল বলিবা যদি মাথায় ঢালিব দধি
বসিতে না দিব তরুতলে॥
মোহন চাতুরী করি বাঁশীতে সন্ধান
পূরি বুকে হান মনমথবাণ।
রমণীমণ্ডলী করি আভরণ নিব কাড়ি
ভালমতে সাধাইব দান॥
রাখাল বর্বর জাতি গোঠে ফির দিবারাতি
মহিষ গোধন বংস লইয়া।
কুলবধূ সনে হাস ইথে নাহি লাজ বাস
জ্ঞানদাস কংসে দিবে কইয়া॥
*********************
