কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
আবেশে সখীর অঙ্গে অঙ্গ হেলাইয়া
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৩১৭ বঙ্গাব্দে (১৯১০ সালে) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ১ম খণ্ড এর ৫২৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রূপানুরাগ
॥ বেহাগ - পিয়ারি তাল॥
আবেশে সখীর অঙ্গে অঙ্গ হেলাইয়া।
বৃন্দাবনে প্রবেশিল শ্যাম জয় জয় দিয়া॥
বৃন্দাবনে প্রবেশিয়া চারি পানে চায়।
মাধবী তরুর তলে দেখে শ্যাম রায়॥
দোঁহে দোঁহা দরশনে উপজিল প্রেম।
দারিদ পাইল যেন ঘট ভরা হেম॥
এস এস বিনোদিনী বৈস সিংহাসনে।
তোমা বিনে তিমির হেরি এই বৃন্দাবনে॥
করে ধরি লইয়া রাই বসাইল বামে।
পীত বাসে মোছই রাই-মুখ ঘামে॥
নিজ কর-কমলে চরণ-ধূলি ছাড়ে।
ললিতা মুচকি হাসে কুন্দলতার আড়ে॥
আনিয়া যমুনার বারি চরণ ধোয়ায়।
পীতবাস দিয়া নাগর যতনে মোছায়॥
ভাঙ্গিয়া চূড়ার ফুল হাতে করি নিল।
নম প্রেমময়ী বলে চরণেতে দিল॥
পন্থকি দুঃখ পুছত বরকান।
আনন্দে নিমগন কিছুই না জান॥
শ্যামের বামে বৈঠল রসেরমুঞ্জরী।
জ্ঞানদাস মাগে দোঁহার চরণ মাধুরী॥
এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদামৃত লহরী”, এর ৯৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অথ রূপানুরাগ
বংশী ধ্বনি শুনিয়া
॥ রাগিণী সুহই - তাল দাশপাহিড়া॥
আবেশে সখীর অঙ্গে অঙ্গ হেলাইয়া। বৃন্দাবনে প্রবেশিল
শ্যাম জয় জয় দিয়া॥ বৃন্দাবনে প্রবেশিয়া চারি পানে চায়।
মাধবী তরুর তলে দেখে শ্যাম রায়॥ নূপুরের রুনুঝুনু প'ড়ে
গেল সারা। নাগর উঠিয়া বলে রাই এল পারা॥ এস এস
ভাল হলো প্রেমময়ী রাধা। দরশনে দূরে গেল মনসিজ বাধা॥
নিজ কর-কমলে চরণের ধূলা ঝাড়ে। ললিতা মুচকি হাসে কুন্দ-
লতার আড়ে॥ আনিয়া যমুনার জল চরণ ধোয়ায়। নিজ পীত
বাস দিয়া চরণ মোছায়॥ শ্যাম বামে বৈঠল রসের মঞ্জরী।
জ্ঞানদাস মাগে রাঙ্গা চরণ মাধুরী॥
এই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের কন্যা অপর্ণা রায় সম্পাদিত “কীর্ত্তন পদাবলী” বৈষ্ণব পদ সংকলনের ১৮৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
যুগল মিলন
॥ বেহাগ - পিয়ারি তাল॥
আবেশে সখীর অঙ্গে অঙ্গ হেলাইয়া।
বৃন্দাবনে প্রবেশিল শ্যাম জয় দিয়া॥
বৃন্দাবনে প্রবেশিয়া চারি পানে চায়।
মাধবী তরুর তলে দেখে শ্যামরায়॥
দোঁহে দোঁহা দরশনে উপজিল প্রেম।
দারিদ পাইল যেন ঘট ভরা হেম॥
এস এস বিনোদিনী বৈস সিংহাসনে।
তোমা বিনে তিমির হেরি এই বৃন্দাবনে॥
করে ধরি লইয়া রাই বসাইল বামে।
পীত বাসে মোছই রাই-মুখ ঘামে॥
নিজ করকমলে চরণ-ধূলি ঝাড়ে।
ললিতা মুচকি হাসে কুন্দলতার আড়ে॥
আনিয়া যমুনার-বারি চরণ ধোয়ায়।
পীতবাস দিয়া নাগর যতনে মোছায়॥
ভাঙ্গিয়া চূড়ার ফুল হাতে করি নিল।
নম প্রেমময়ী বলে চরণেতে দিল॥
পন্থকি দুখ পুছত বরকান।
আনন্দে নিমগন কিছুই না জান॥
শ্যামের বামে বৈঠল রসের মঞ্জরী।
জ্ঞানদাস মাগে দোঁহার চরণ মাধুরী॥
*********************
॥ বেহাগ - পিয়ারি তাল॥
আবেশে সখীর অঙ্গে অঙ্গ হেলাইয়া।
বৃন্দাবনে প্রবেশিল শ্যাম জয় জয় দিয়া॥
বৃন্দাবনে প্রবেশিয়া চারি পানে চায়।
মাধবী তরুর তলে দেখে শ্যাম রায়॥
দোঁহে দোঁহা দরশনে উপজিল প্রেম।
দারিদ পাইল যেন ঘট ভরা হেম॥
এস এস বিনোদিনী বৈস সিংহাসনে।
তোমা বিনে তিমির হেরি এই বৃন্দাবনে॥
করে ধরি লইয়া রাই বসাইল বামে।
পীত বাসে মোছই রাই-মুখ ঘামে॥
নিজ কর-কমলে চরণ-ধূলি ছাড়ে।
ললিতা মুচকি হাসে কুন্দলতার আড়ে॥
আনিয়া যমুনার বারি চরণ ধোয়ায়।
পীতবাস দিয়া নাগর যতনে মোছায়॥
ভাঙ্গিয়া চূড়ার ফুল হাতে করি নিল।
নম প্রেমময়ী বলে চরণেতে দিল॥
পন্থকি দুঃখ পুছত বরকান।
আনন্দে নিমগন কিছুই না জান॥
শ্যামের বামে বৈঠল রসেরমুঞ্জরী।
জ্ঞানদাস মাগে দোঁহার চরণ মাধুরী॥
এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদামৃত লহরী”, এর ৯৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অথ রূপানুরাগ
বংশী ধ্বনি শুনিয়া
॥ রাগিণী সুহই - তাল দাশপাহিড়া॥
আবেশে সখীর অঙ্গে অঙ্গ হেলাইয়া। বৃন্দাবনে প্রবেশিল
শ্যাম জয় জয় দিয়া॥ বৃন্দাবনে প্রবেশিয়া চারি পানে চায়।
মাধবী তরুর তলে দেখে শ্যাম রায়॥ নূপুরের রুনুঝুনু প'ড়ে
গেল সারা। নাগর উঠিয়া বলে রাই এল পারা॥ এস এস
ভাল হলো প্রেমময়ী রাধা। দরশনে দূরে গেল মনসিজ বাধা॥
নিজ কর-কমলে চরণের ধূলা ঝাড়ে। ললিতা মুচকি হাসে কুন্দ-
লতার আড়ে॥ আনিয়া যমুনার জল চরণ ধোয়ায়। নিজ পীত
বাস দিয়া চরণ মোছায়॥ শ্যাম বামে বৈঠল রসের মঞ্জরী।
জ্ঞানদাস মাগে রাঙ্গা চরণ মাধুরী॥
এই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের কন্যা অপর্ণা রায় সম্পাদিত “কীর্ত্তন পদাবলী” বৈষ্ণব পদ সংকলনের ১৮৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
যুগল মিলন
॥ বেহাগ - পিয়ারি তাল॥
আবেশে সখীর অঙ্গে অঙ্গ হেলাইয়া।
বৃন্দাবনে প্রবেশিল শ্যাম জয় দিয়া॥
বৃন্দাবনে প্রবেশিয়া চারি পানে চায়।
মাধবী তরুর তলে দেখে শ্যামরায়॥
দোঁহে দোঁহা দরশনে উপজিল প্রেম।
দারিদ পাইল যেন ঘট ভরা হেম॥
এস এস বিনোদিনী বৈস সিংহাসনে।
তোমা বিনে তিমির হেরি এই বৃন্দাবনে॥
করে ধরি লইয়া রাই বসাইল বামে।
পীত বাসে মোছই রাই-মুখ ঘামে॥
নিজ করকমলে চরণ-ধূলি ঝাড়ে।
ললিতা মুচকি হাসে কুন্দলতার আড়ে॥
আনিয়া যমুনার-বারি চরণ ধোয়ায়।
পীতবাস দিয়া নাগর যতনে মোছায়॥
ভাঙ্গিয়া চূড়ার ফুল হাতে করি নিল।
নম প্রেমময়ী বলে চরণেতে দিল॥
পন্থকি দুখ পুছত বরকান।
আনন্দে নিমগন কিছুই না জান॥
শ্যামের বামে বৈঠল রসের মঞ্জরী।
জ্ঞানদাস মাগে দোঁহার চরণ মাধুরী॥
*********************
