কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
কালিয়া বরণ এক নাগর এসেছে গো
কালিয়া বরণ নাগর সুজন
কবি জ্ঞানদাস
কালিয়া বরণ নাগর সুজন
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা তাঁর সারা জীবন ধরে, আনুমানিক ১৮৮০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত ও সংকলিত এবং তাঁর মৃত্যুর প্রায় ৫০ বছর পরে তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু" এর ১১৯ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
কালিয়া বরণ এক নাগর এসেছে গো, কদম্ব তলাতে সদাই থাকে। যে
ধনি যমুনা যায়, নাগর পানে ফিরে চায়, তার জাতি-কুল নাহি রাখে। আর
এক অসম্ভব শুনি মুরলীর রব, সদাই রাধা রাধা বলে বাঁশী। সে ধনি শুনিয়া
কানে, বিকাইলাম শ্রীচরণে, বিনি মূলে মোরে কৈল দাসী॥ তাহার মধুর স্বরে,
ভুবন ভুলাইতে পারে, ইথে কি আর কুলশীল রয়। শুনিয়া বাঁশীর গান,
উচাটন করে প্রাণ, যমুনার বেগ ধীরে বয়। বরণ চিকণ কালা, ত্রিভূবন করেছে
আলা, কি করিবেক পূর্ণিমার চাঁদে। ভূবনমোহন ছাঁদ, মূরলীতে দশ চাঁদ, দশ চাঁদ
চরণতলে কাঁদে॥ চরণে চরণ ছান্দা, বামে চূড়া ঢলে বান্ধা, তার মাঝে
বনমাল ছান্দা। তাপরে বকুলের ফুল, মজাইতে অবলা কুল, জ্ঞান দাস তাহ
রৈল বান্ধা ॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রাধার পূর্ব্ব-রাগ, ৫৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
[রাধা-উক্তি]
কালিয়া বরণ নাগর সুজন
কদম্ব-তলাতে সদাই থাকে।
যে ধনী যমুনা যায় চার পানে ফিরে চায়
তার জাতি কুল নাহি রাখে॥
আর এক অসম্ভব শুনি মিরলির রব
সদাই রাধা রাধা বলে বাঁশী।
সে ধ্বনি শুনিয়া কাণে বিকাইলাম শ্রীচরণে
বিনি মূলে মোরে কৈল দাসী॥
তাহার মধুর স্বরে ভুবন ভুলাইতে পারে
ইথে কি আর কুল শীল রয়।
শুনিয়া বাঁশীর গান উচাটন করে প্রাণ
যমুনার বেগ ধীরে বয়॥
বরণ চিকন কালা ত্রিভুবন করে গো আলা
কি করিবেক পূর্ণিমার চাঁদে।
ভুবন-মোহন ছাঁদ মুরলিতে দশ চাঁদ
দশ চাঁদ চরণ-তলে কাঁদে॥
চরণে চরণ ছাঁদা বামে চূড়া ঢলে বাঁধা
তার মাঝে বনমালা ছাঁদা।
তাপরে বকুলের ফুল মজাইতে অবলা কুল
জ্ঞানদাস তাহে কৈল বান্ধা॥
*********************
কালিয়া বরণ নাগর সুজন
কদম্ব-তলাতে সদাই থাকে।
যে ধনী যমুনা যায় চার পানে ফিরে চায়
তার জাতি কুল নাহি রাখে॥
আর এক অসম্ভব শুনি মিরলির রব
সদাই রাধা রাধা বলে বাঁশী।
সে ধ্বনি শুনিয়া কাণে বিকাইলাম শ্রীচরণে
বিনি মূলে মোরে কৈল দাসী॥
তাহার মধুর স্বরে ভুবন ভুলাইতে পারে
ইথে কি আর কুল শীল রয়।
শুনিয়া বাঁশীর গান উচাটন করে প্রাণ
যমুনার বেগ ধীরে বয়॥
বরণ চিকন কালা ত্রিভুবন করে গো আলা
কি করিবেক পূর্ণিমার চাঁদে।
ভুবন-মোহন ছাঁদ মুরলিতে দশ চাঁদ
দশ চাঁদ চরণ-তলে কাঁদে॥
চরণে চরণ ছাঁদা বামে চূড়া ঢলে বাঁধা
তার মাঝে বনমালা ছাঁদা।
তাপরে বকুলের ফুল মজাইতে অবলা কুল
জ্ঞানদাস তাহে কৈল বান্ধা॥
*********************
