কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
মানুষ বলিয়া একটি কথা
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৯৩২ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, অধ্যাপক মণীন্দ্রমোহন বসু সম্পাদিত “সহজিয়া সাহিত্য” সংকলনের ২২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মানুষ বলিয়া একটি কথা
বুঝিতে বিষম @@@।
মানুষ-ধরম মানুষ-করম
@@ @@ বড়।
সেই সে মানুষ কে?
প্রেমের বিচার পীরিতি আচার
রসের রসিক যে॥
@@ @@ বলি পীরিতি কেমন
কোন্ সে রসিক @।
প্রেমের পীরিতি--- রসে রহে স্থিতি
রসের @@ @@॥
রসিক রসিক অনেকে বলয়
কেহত রসিক নয়।
মরম বুঝিয়া বিচার করিলে
কোটিতে গুটিক হয়॥ ১
রসের মাধুরী পীরিতি চাতুরী
সদা করে আস্বাদন।
জ্ঞানদাসেতে ভণে মানুষ-লক্ষণে
দুর্ল্লভ মানুষ-আচরণ॥
বুঝিতে বিষম @@@।
মানুষ-ধরম মানুষ-করম
@@ @@ বড়।
সেই সে মানুষ কে?
প্রেমের বিচার পীরিতি আচার
রসের রসিক যে॥
@@ @@ বলি পীরিতি কেমন
কোন্ সে রসিক @।
প্রেমের পীরিতি--- রসে রহে স্থিতি
রসের @@ @@॥
রসিক রসিক অনেকে বলয়
কেহত রসিক নয়।
মরম বুঝিয়া বিচার করিলে
কোটিতে গুটিক হয়॥ ১
রসের মাধুরী পীরিতি চাতুরী
সদা করে আস্বাদন।
জ্ঞানদাসেতে ভণে মানুষ-লক্ষণে
দুর্ল্লভ মানুষ-আচরণ॥
টীকা ---
১। এই চারি পঙ্ক্তির সহিত চণ্ডীদাসের পদাবলীর ৭৭৭ সংখ্যাক পদের প্রথম @@@ (এর পর অপাঠ্য অংশ)
আমরা চণ্ডীদাসের এই পদটি এখানে সম্পূর্ণ নীচে তুলে দিচ্ছি।
@@ --- সম্ভবতঃ পাঠোদ্ধার করা যায় নি বলে গ্রন্থে এ যায়গাগুলিতে * চিহ্ন দেওয়া রয়েছে।
--- মিলন সেনগুপ্ত। মিলনসাগর॥
উপরোক্ত চণ্ডীদাসের পদটি শ্রীযুক্ত নীলরতন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, ১৩২১ বঙ্গাব্দে (১৯১৪ সালে) বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষৎ মন্দির থেকে প্রকাশিত, “চণ্ডীদাসের পদাবলী” সংকলনের ৩৩৪ পৃষ্ঠায় ৭৭৭ সংখ্যক পদ এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
১। এই চারি পঙ্ক্তির সহিত চণ্ডীদাসের পদাবলীর ৭৭৭ সংখ্যাক পদের প্রথম @@@ (এর পর অপাঠ্য অংশ)
আমরা চণ্ডীদাসের এই পদটি এখানে সম্পূর্ণ নীচে তুলে দিচ্ছি।
@@ --- সম্ভবতঃ পাঠোদ্ধার করা যায় নি বলে গ্রন্থে এ যায়গাগুলিতে * চিহ্ন দেওয়া রয়েছে।
--- মিলন সেনগুপ্ত। মিলনসাগর॥
উপরোক্ত চণ্ডীদাসের পদটি শ্রীযুক্ত নীলরতন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, ১৩২১ বঙ্গাব্দে (১৯১৪ সালে) বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষৎ মন্দির থেকে প্রকাশিত, “চণ্ডীদাসের পদাবলী” সংকলনের ৩৩৪ পৃষ্ঠায় ৭৭৭ সংখ্যক পদ এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রসিক রসিক সবাই কহয়ে
কেহ ত রসিক নয়।
ভাবিয়া গণিয়া বুঝিয়া দেখিলে
কোটিতে গোটিক হয়॥
সখি হে, রসিক বলিব কারে।
বিবিধ মশলা রসেতে মিশায়
রসিক বলি যে তারে॥
রস পরিপাটী সুবর্ণের ঘটী
সম্মুখে পূরিয়া রাখে।
খাইতে খাইতে পেট না ভরিবে
তাহাতে ডুবিয়া থাকে॥
সেই রস পান রজনী দিবসে
অঞ্জলি পূরিয়া খায়।
খরচ করিলে দ্বিগুণ বাড়ায়ে
উছলিয়া বহি যায়॥
চণ্ডীদাস কহে শুন রসবতি
তুমি সে রসের কূপ।
রসিক জনা রসিক না পাইলে
দ্বিগুণ বাড়য়ে দুখ॥
*********************
কেহ ত রসিক নয়।
ভাবিয়া গণিয়া বুঝিয়া দেখিলে
কোটিতে গোটিক হয়॥
সখি হে, রসিক বলিব কারে।
বিবিধ মশলা রসেতে মিশায়
রসিক বলি যে তারে॥
রস পরিপাটী সুবর্ণের ঘটী
সম্মুখে পূরিয়া রাখে।
খাইতে খাইতে পেট না ভরিবে
তাহাতে ডুবিয়া থাকে॥
সেই রস পান রজনী দিবসে
অঞ্জলি পূরিয়া খায়।
খরচ করিলে দ্বিগুণ বাড়ায়ে
উছলিয়া বহি যায়॥
চণ্ডীদাস কহে শুন রসবতি
তুমি সে রসের কূপ।
রসিক জনা রসিক না পাইলে
দ্বিগুণ বাড়য়ে দুখ॥
*********************
