কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
চরণ তলেতে শ্যামনাম দেখি তাহার পানেতে চায়
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, নাপিতানীবেশে মিলন, ৬১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। সজনীকান্ত দাসের পুথি, ৯৩-৯৪ পৃষ্ঠা।

চরণ তলেতে, শ্যামনাম দেখি, তাহার পানেতে চায়।
মুখেতে বসন, দিয়া যে তখন, আধ আধ হাসি তায়॥
হাসি বিনোদিনী, কহে নাপিতানি, ভাল সে কামাহ তুমি।
বয়সে অধিক, তুমি সে আমার, পরণাম করি আমি॥
ইঙ্গিতে কহিল, সূর্য্যপূজা ছলে, এখনি যাইব আমি।
রাধাকুণ্ডতীরে, নিভৃত কুঞ্জেতে, বসিয়া রহ গা তুমি॥
এতেক বলিয়া, বিদায় করিল, বাহির হইঞা জায়।
হেনই সময়ে, দুয়ারে তাহারে, জটিলা দেখিতে পায়॥
জটিলা কহিল, কে তুমি এখানে, আস্যাছিলা কি কারণ।
কোথা তোমার ঘর, কিবা কর্ম্ম কর, কহ দেখি বিবরণ॥
তোমার ঘরেতে, আইলাম কামাতে, মথুরা নগরে ঘর।
ঘরে বৃদ্ধপতি, রাখিয়া আস্যাছি, তেঞি যাই তৎপর।
এতেক বলিয়া, চলিল ধাইয়া, সুবলের কাছে আসি।
জ্ঞানদাস কহে, সব বিবরণ, সুবলেরে কহে হাসি॥

টীকা ---
জানদাস কহে সব বিবরণ সুবলেরে কহে হাসি - জ্ঞানদাস এই লীলা প্রত্যক্ষ করিয়া আসিয়া সখ্যভাবে বিভাবিত হইয়া সুবলকে হাসিয়া হাসিয়া সব কথা বলিলেন।

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^