কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
রাই কেন বা এমন হৈলা
রাই এমন কেনে বা হইলা
রাই কেনে বা এমন হৈলা
(রাই) কেনে বা এমন হইলা

কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), প্রথম খণ্ড প্রথম ও দ্বিতীয় শাখার ১১৯-নং পদসংখ্যা, ৮৮-নং পৃষ্ঠা থেকে নেওয়া।

॥ সুহই॥

রাই, কেন বা এমন হৈলা।
কি রূপ দেখিয়া আইলা॥
মরম কহ না মোয়।
বেয়াধি ঘুচাঙ তোয়॥
না পারি বুঝিতে রীত।
সব দেখি বিপরীত॥
সোনার বরণ তনু।
কাজর ভৈ গেল জনু॥
নয়ানে বহয়ে ধারা।
কহিতে বচন হারা॥
জ্ঞানদাস মনে জাপ।
কহিলে ঘুচিবে তাপ॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), প্রথম খণ্ড প্রথম ও দ্বিতীয় শাখার ১৩৭-নং পদসংখ্যা, ৯৭-নং পৃষ্ঠায় এই রূপে দেয়া রয়েছে।

শ্রীরাধার পূর্ব্বরাগ---সবিস্তার
সখী-উক্তি
॥ সুহই॥

রাই এমন কেন বা হৈলা।
কি রূপ দেখিয়ে আইলা॥
মরম না কহ মোয়।
বেয়াধি ঘুচাঙ তোয়॥
না পারি বুঝিতে রীত।
সব দেখি বিপরীত॥
সোনার বরণ তনু।
কাজর ভৈগেল জনু॥
নয়ানে বহয়ে ধারা।
কহিতে বচন হারা॥
জ্ঞানদাস মনে জাপ।
কহিলে ঘুচিবে তাপ॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতী বাংলা-পুথিশালার "রতন লাইব্রেরী সংগ্রহ"-র অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ” পুথির ১৯৮২ সালে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত এবং তপনকুমার মুখোপাধ্যায়, অণিমা মুখোপাধ্যায় ও পরমেশ্বর মাহাতা দ্বারা সহ-সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন গ্রন্থের ১৮ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

। সখী-উক্তি। ॥ সুহই॥

রাই এমন কেনে বা হইলা। কিরূপ দেখিয়া আইলা॥
মরম না কহ মোয়। বেয়াধি ঘুচাব তোয়॥
না পারি বুঝিতে রীত। সব দেখি বিপরীত॥
সোনার বরণ তনু। কাজর ভৈ গেল জনু॥
নয়নে বহএ ধারা। কহিতে বচনহারা॥
জ্ঞানদাস মনে জাপ। কহিলে ঘুচিবে তাপ॥


ই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের নায়িকার পূর্ব্বরাগ, ৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ সুহই॥

রাই কেনে বা এমন হৈলা।
কি রূপ দেখিয়া আইলা॥
মরম কহ না মোয়।
বেয়াধি ঘুচাব তোয়॥
না পারি বুঝিতে রীত।
সব দেখি বিপরীত॥
সোণার বরণ তনু।
কাজর ভৈ গেল জনু॥
নয়ানে বহয়ে ধারা।
কহিতে বচন হারা॥
জ্ঞানদাস মনে জাপ।
কহিলে ঘুচিবে তাপ॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, সংগীত-সার-সংগ্রহ, ১ম খণ্ড, ১৬৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ সুহই॥

রাই কেনে বা এমন হৈলা।
কি রূপ দেখিয়া আইলা॥
মরম কহ না মোয়।
বেয়াধি ঘুচাব তোয়॥
না পারি বুঝিতে রীত।
সব দেখি বিপরীত॥
সোণার বরণ তনু।
কাজর ভৈ গেল জনু॥
নয়ানে বহয়ে ধারা।
কহিতে বচন হারা॥
জ্ঞানদাস মনে জাপ।
কহিলে ঘুচিবে তাপ॥

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১২১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ সুহই॥

রাই কেনে বা এমন হৈলা। কি রূপ
দেখিয়া আইলা॥ মরম কহ না মোয়।
বেয়াধি ঘুচাব তোয়॥ না পারি বুঝিতে
রীত। সব দেখি বিপরীত॥ সোণার বরণ
তনু। কাজর ভৈ গেল জনু॥ নয়ানে
বহয়ে ধারা। কহিতে বচন হারা॥
জ্ঞানদাস মনে জাপ। কহিলে ঘুচিবে
তাপ॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

রাই কেনে বা এমন হৈলা।
কিরূপ দেখিয়া আইলা॥
মরম কহ না মোয়।
বেয়াধি ঘুচাব তোয়॥
না পারি বুঝিতে রীত।
সব দেখি বিপরীত॥
সোণার বরণ তনু।
কাজর ভৈ গেল জনু॥
নয়ানে বহয়ে ধারা।
কহিতে বচন হারা॥
জ্ঞানদাস মনে জাপ।
কহিলে ঘুচিবে তাপ॥

ই পদটি ১৩১৭ বঙ্গাব্দে (১৯১০ সালে) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ১ম খণ্ড এর ৬৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধিকার পূর্ব্বরাগ
॥ সুহই - দশকুশী॥

(রাই) কেনে বা এমন হইলা।
কি রূপ দেখিয়া আইলা॥
মরম কহ না মোয়।
বেয়াধি ঘুচায়ব তোয়॥
না পারি বুঝিতে রীত।
সব দেখি বিপরীত॥
সোণার বরণ তনু।
কাজর ভৈগেল জনু॥
নয়ানে বহয়ে ধারা।
কহিতে বচন হারা॥
জ্ঞান দাস মনে জাপ।
কহিলে ঘুচিবে তাপ॥

ই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, শ্রীরাধার পূর্বরাগ, ১১৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাই ! এমন কেনে বা হইলা।
কিরূপ দেখিয়া আইলা॥
মরম কহ না মোয়।
বিয়াধি ঘূচাঙ তোয়॥
না পারি বুঝিতে রীত।
সব দেখি বিপরীত॥
সোনার বরণ তনু।
কাজর ভৈ গেল জনু॥
নয়ানে বহয়ে ধারা।
কহিতে বচন হারা॥
জ্ঞানদাস মনে জাপ।
কহিলে ঘুচিবে তাপ॥

টীকা ---
কহিতে বচন হারা --- কথা বলিতে বলিতে কথার খেই হারাইয়া যায়।
জ্ঞানদাস মনে জাপ --- জ্ঞানদাস মনে মনে জপ বা আলোচনা করিতেছেন।
কহিলে ঘুচিবে তাপ --- মর্ম্মের কথা যদি সখীজনকে বল তাহা হইলে মনের তাপ ঘুচিবে।

ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ১৮৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ।
॥ সুহই॥

রাই কেনে বা এমন হইলা।
কিরূপ দেখিয়া আইলা॥
মরম কহ না মোয়।
বিয়াধি ঘুচাব তোয়॥
না পারি বুঝিতে রীত।
সব দেখি বিপরীত॥
সোণার বরণ তনু।
কাজর ভৈ গল জনু॥
নয়ানে বহয়ে ধারা।
কহিতে বচন হারা॥
জ্ঞানদাস মনে জাপ।
কহিলে ঘুচিবে তাপ॥

ই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রাধার পূর্ব্বরাগ, ২১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

[ সাক্ষাৎ রাধা-পরিচয় ]
॥ সুহই॥

রাই কেনে বা এমন হৈলা
কি রূপ দেখিয়া আইলা॥
মরম কহ না মোয়
বেয়াধি ঘুচাঙ তোয়॥
না পারি বুঝিতে রীত
সব দেখি বিপরীত॥
সোনার বরণ তনু
কাজর ভৈ গেল জনু॥
নয়ানে বহয়ে ধারা
কহিতে বচন হারা॥
জ্ঞানদাস মনে জাপ
কহিলে ঘুচিবে তাপ॥

ইপদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের কন্যা অপর্ণা রায় সম্পাদিত “কীর্ত্তন পদাবলী” বৈষ্ণব পদ সংকলনের ৬১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

পূর্ব্বরাগ খণ্ড
॥ সুহই - দশকুসী॥

(রাই) কেনে বা এমন হইলা।
কিরূপ দেখিয়া আইলা॥
মরম কহ না মোয়।
বিয়াধি ঘুচায়ব তোয়॥
না পারি বুঝিতে রীত।
সব দেখি বিপরীত॥
সোনার বরণ তনু।
কাজর ভৈগল জনু॥
নয়ানে বহয়ে ধারা।
কহিতে বচন হারা॥
জ্ঞানদাস মনে জাপ।
কহিলে ঘুচিবে তাপ॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৪৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধিকার রূপানুরাগ
শ্রীরাধার প্রতি সখীর উক্তি
॥ সুহই॥

রাই, কেন বা এমন হৈলা।
কি রূপ দেখিয়া আইলা॥
মরম কহ না মোয়।
বেয়াধি ঘুচাঙ তোয়॥
না পারি বুঝিতে রীত।
সব দেখি বিপরীত॥
সোনার বরণ তনু।
কাজর ভৈ গেল জনু॥
নয়ানে বহয়ে ধারা।
কহিতে বচন হারা॥
জ্ঞানদাস মনে জাপ।
কহিলে ঘুচিবে তাপ॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^