কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
একসরি যাইতে যামুন তীর
একসরি যাইতে যামূন তীর
একসরি যাইতে যমুনা তীর
একেশ্বরী যাইতে যমুনা-তীর
কবি জ্ঞানদাস
একসরি যাইতে যামূন তীর
একসরি যাইতে যমুনা তীর
একেশ্বরী যাইতে যমুনা-তীর
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ৬ষ্ঠ পল্লব, রসোদগার, ৭৩৪-নং পদসংখ্যা, ৮৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
দিনান্তরে
॥ ভূপালী॥
একসরি যাইতে যামুন তীর।
অলখিতে আয়ল শ্যাম-শরীর॥
অসম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কত বেরি হেরি হেরি মৃদু হাস॥
এ সখি এ সখি অপরুপ কাজে।
দীঠহি দীঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়নে খণে বয়ন লাগায়॥
আন ছলে কত যে করয়ে পরিহাস।
হেন বুঝি কত কুলজা-কুল নাশ॥
শুনইতে মধুর মরলি-রব থোর।
খসয়ে কাখের কুম্ভ নীবি-নিচোল॥
কি দেখিলুঁ কি শুনিলুঁ কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরিতি যাহায়॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ৯২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সম্ভোগ মিলন
॥ ভূপালী॥
একসরি যাইতে যমুনা তীর।
অলখিতে আওল শ্যাম শরীর॥
অম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কত বেরি হেরি হেরি মৃদু মৃদু হাস॥
এ সখি এ সখি অপরুপ কাজে।
দিঠহি দিঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়ানে ক্ষণে বয়ান লাগায়॥
আনছলে কতয়ে কতয়ে পরিহাস।
হেন বুঝি কত কুলজা কুল নাশ॥
শুনইতে মধুর মুরলী রব থোর।
খসয়ে কাঁখের কুম্ভ নীবি নিচোর॥
কি দেখিনু কি শুনিনু কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরীতি যাহায়॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৯৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সম্ভোগ মিলন।
॥ ভূপালী॥
একসরি যাইতে যমুনা তীর।
অলখিতে আওল শ্যাম শরীর॥
অম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কত বেরি হেরি হেরি মৃদু মৃদু হাস॥
এ সখি এ সখি অপরুপ কাজে।
দিঠহি দিঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়ানে ক্ষণে বয়ান লাগায়॥
আনছলে কতয়ে কতয়ে পরিহাস।
হেন বুঝি কত কুলজা কুল নাশ॥
শুনইতে মধুর মুরলী রব থোর।
খসয়ে কাঁখের কুম্ভ নীবি নিচোর॥
কি দেখিনু কি শুনিনু কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরীতি যাহায়॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৪৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সম্ভোগ মিলন
॥ ভূপালী॥
একসরি যাইতে যমুনা তীর। অল-
খিতে আওল শ্যাম শরীর॥ অম্বরে ছিল
মোর অঙ্গ উদাস। কত বেরি হেরি হেরি
মৃদু মৃদু হাস॥ এ সখি এ সখি অপরুপ
কাজে। দিঠহি দিঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়ানে ক্ষণে বয়ান লাগায়॥ আন-
ছলে কতয়ে কতয়ে পরিহাস। হেন বুঝি
কত কুলজা কুল নাশ॥ শুনইতে মধুর
মুরলী রব থোর। খসয়ে কাঁখের কুম্ভ নীবি
নিচোর॥ কি দেখিনু কি শুনিনু কহনে না
যায়। জ্ঞানদাস কহে পিরীতি যাহার॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভূপালী॥
একসরি যাইতে যমুনাতীর।
অলখিতে আওল শ্যামশরীর॥
অম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কত বেরি হেরি হেরি মৃদু মৃদু হাস॥
এ সখি এ সখি অপরুপ কাজে।
দিঠহি দিঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়ানে ক্ষণে বয়ান লাগায়॥
আন ছলে কতয়ে কতয়ে পরিহাস।
হেন বুঝি কত কুলজা কুলনাশ॥
শুনইতে মধুর মুরলীরব থোর।
খসয়ে কাঁখের কুম্ভ নীবি-নিচোর॥
কি দেখিনু কি শুনিনু কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরীতি যাহায়॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, রসোদ্গার, ১৫৫ পৃষ্টায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রসোদ্গার
একসরি যাইতে যামুন তীর।
অলখিতে আয়ল শ্যাম শরীর॥
অসম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কতবেরি হেরি হেরি মৃদু হাস॥
এ সখি এ সখি অপরূপ কাজে।
দীঠহি দীঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়নে খণে বয়ন লাগায়॥
আন ছলে কত যে করয়ে পরিহাস।
হেন বুঝি কত কুলজা কুল-নাশ॥
শুনইতে মধুর মুরলি-রব থোর।
খসয়ে কাখের কুম্ভ নীবি নিচোল॥
কি দেখুলুঁ কি শুনিলুঁ কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরিতি যাহায়॥
টীকা ---
অসম্বরে --- (সম্বরণ হীন অবস্থায়) অসাবধানে।
উদাস --- উন্মুক্ত।
কুলজা কুল নাশ --- কুলবতীর কুলনাশ করে।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ১৯২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ।
॥ ভূপালী॥
একসরি যাইতে যমুনাতীর।
অলখিতে আয়ল শ্যামশরীর॥
অম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কত বেরি হেরি হেরি মৃদু মৃদু হাস॥
এ সখি এ সখি অপরূপ কাজে।
দিঠহি দিঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়ানে ক্ষণে বয়ান লাগায়॥
আন ছলে কতয়ে করয়ে পরিহাস।
হেন বুঝি কত কুলজা কুলনাশ॥
শুনইতে মধুর মুরলী-রব থোর।
খসয়ে কাঁখের কুন্দ নীবি-নিচোর॥
কি দেখিনু কি শুনিনু কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরীতি যাহার॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রসোদ্গার, সংক্ষিপ্ত সম্ভোগ, ১৪৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভূপালী॥
একেশ্বরী যাইতে যমুনা-তীর।
অলখিতে আয়ল শ্যাম-শরীর॥
অম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কত বেরি হেরি হেরি মৃদু মৃদু হাস॥
এ সখি এ সখি অপরূপ কাজে।
দিঠহি দিঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়ানে খনে বয়ান লাগায়॥
আন ছলে কতয়ে করয়ে পরিহাস।
হেন বুঝি কত কুলজা-কুল নাশ॥
শুনইতে মধুর মুরলী-রব থোর।
খসয়ে কাঁখের কুম্ভ পরাণ বিভোর॥
কি দেখিলুঁ কি শুনিলুঁ কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরীতি যাহায়॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৩৯৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রসোদ্গার
সখীর উক্তি
॥ ভূপালী॥
একসরি যাইতে যামূন তীর।
অলখিতে আয়ল শ্যামশরীর॥
অসম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কত বেরি বেরি হেরি হেরি মৃদুহাস॥
এ সখি এ সখি অপরূপ কাজে।
দিঠহি দিঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়ানে ক্ষণে বয়ন লাগায়॥
আন ছলে কত যে করয়ে পরিহাস।
যে বুঝিয়ে ভালে সে কুলজা কুলনাশ॥
শুনইতে মধুর মুরলিরব থোর।
খসয়ে কাঁখের কুম্ভ নীবি নিচোর॥
কি দেখিলুঁ কি শুনিলুঁ কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরীতি জুয়ায়॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রসোদ্গার
॥ ভূপালী॥
একসরি যাইতে যামূন তীর।
অলখিতে আয়ল শ্যাম-শরীর॥
অসম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কত বেরি বেরি হেরি হেরি মৃদুহাস॥
এ সখি এ সখি অপরুপ কাজে।
দীঠহি দীঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়নে ক্ষণে বয়ন লাগায়॥
আন ছলে কত যে করয়ে পরিহাস।
যে বুঝিয়ে ভালে সে কুলজা-কুলনাশ॥
শুনইতে মধুর মুরলি-রব থোর।
খসয়ে কাঁখের কুম্ভ নীবি-নিচোর॥
কি দেখিলুঁ কি শুনিলুঁ কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরিতি জুয়ায়॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬০০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
একসরি যাইতে যামূন তীর।
অলখিতে আয়ল শ্যামশরীর॥
অসম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কত বেরি বেরি হেরি হেরি মৃদুহাস॥
এ সখি এ সখি অপরূপ কাজে।
দীঠহি দীঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়নে ক্ষণে বয়ন লাগায়॥
আন ছলে কত যে করয়ে পরিহাস।
যে বুঝিয়ে ভালে সে কুলজা কুলনাশ॥
শুনইতে মধুর মুরলিরব থোর।
খসয়ে কাঁখের কুম্ভ নীবি নিচোর॥
কি দেখিলুঁ কি শুনিলুঁ কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরীতি জুয়ায়॥
*********************
দিনান্তরে
॥ ভূপালী॥
একসরি যাইতে যামুন তীর।
অলখিতে আয়ল শ্যাম-শরীর॥
অসম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কত বেরি হেরি হেরি মৃদু হাস॥
এ সখি এ সখি অপরুপ কাজে।
দীঠহি দীঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়নে খণে বয়ন লাগায়॥
আন ছলে কত যে করয়ে পরিহাস।
হেন বুঝি কত কুলজা-কুল নাশ॥
শুনইতে মধুর মরলি-রব থোর।
খসয়ে কাখের কুম্ভ নীবি-নিচোল॥
কি দেখিলুঁ কি শুনিলুঁ কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরিতি যাহায়॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ৯২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সম্ভোগ মিলন
॥ ভূপালী॥
একসরি যাইতে যমুনা তীর।
অলখিতে আওল শ্যাম শরীর॥
অম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কত বেরি হেরি হেরি মৃদু মৃদু হাস॥
এ সখি এ সখি অপরুপ কাজে।
দিঠহি দিঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়ানে ক্ষণে বয়ান লাগায়॥
আনছলে কতয়ে কতয়ে পরিহাস।
হেন বুঝি কত কুলজা কুল নাশ॥
শুনইতে মধুর মুরলী রব থোর।
খসয়ে কাঁখের কুম্ভ নীবি নিচোর॥
কি দেখিনু কি শুনিনু কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরীতি যাহায়॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৯৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সম্ভোগ মিলন।
॥ ভূপালী॥
একসরি যাইতে যমুনা তীর।
অলখিতে আওল শ্যাম শরীর॥
অম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কত বেরি হেরি হেরি মৃদু মৃদু হাস॥
এ সখি এ সখি অপরুপ কাজে।
দিঠহি দিঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়ানে ক্ষণে বয়ান লাগায়॥
আনছলে কতয়ে কতয়ে পরিহাস।
হেন বুঝি কত কুলজা কুল নাশ॥
শুনইতে মধুর মুরলী রব থোর।
খসয়ে কাঁখের কুম্ভ নীবি নিচোর॥
কি দেখিনু কি শুনিনু কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরীতি যাহায়॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৪৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সম্ভোগ মিলন
॥ ভূপালী॥
একসরি যাইতে যমুনা তীর। অল-
খিতে আওল শ্যাম শরীর॥ অম্বরে ছিল
মোর অঙ্গ উদাস। কত বেরি হেরি হেরি
মৃদু মৃদু হাস॥ এ সখি এ সখি অপরুপ
কাজে। দিঠহি দিঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়ানে ক্ষণে বয়ান লাগায়॥ আন-
ছলে কতয়ে কতয়ে পরিহাস। হেন বুঝি
কত কুলজা কুল নাশ॥ শুনইতে মধুর
মুরলী রব থোর। খসয়ে কাঁখের কুম্ভ নীবি
নিচোর॥ কি দেখিনু কি শুনিনু কহনে না
যায়। জ্ঞানদাস কহে পিরীতি যাহার॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভূপালী॥
একসরি যাইতে যমুনাতীর।
অলখিতে আওল শ্যামশরীর॥
অম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কত বেরি হেরি হেরি মৃদু মৃদু হাস॥
এ সখি এ সখি অপরুপ কাজে।
দিঠহি দিঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়ানে ক্ষণে বয়ান লাগায়॥
আন ছলে কতয়ে কতয়ে পরিহাস।
হেন বুঝি কত কুলজা কুলনাশ॥
শুনইতে মধুর মুরলীরব থোর।
খসয়ে কাঁখের কুম্ভ নীবি-নিচোর॥
কি দেখিনু কি শুনিনু কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরীতি যাহায়॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, রসোদ্গার, ১৫৫ পৃষ্টায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রসোদ্গার
একসরি যাইতে যামুন তীর।
অলখিতে আয়ল শ্যাম শরীর॥
অসম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কতবেরি হেরি হেরি মৃদু হাস॥
এ সখি এ সখি অপরূপ কাজে।
দীঠহি দীঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়নে খণে বয়ন লাগায়॥
আন ছলে কত যে করয়ে পরিহাস।
হেন বুঝি কত কুলজা কুল-নাশ॥
শুনইতে মধুর মুরলি-রব থোর।
খসয়ে কাখের কুম্ভ নীবি নিচোল॥
কি দেখুলুঁ কি শুনিলুঁ কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরিতি যাহায়॥
টীকা ---
অসম্বরে --- (সম্বরণ হীন অবস্থায়) অসাবধানে।
উদাস --- উন্মুক্ত।
কুলজা কুল নাশ --- কুলবতীর কুলনাশ করে।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ১৯২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ।
॥ ভূপালী॥
একসরি যাইতে যমুনাতীর।
অলখিতে আয়ল শ্যামশরীর॥
অম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কত বেরি হেরি হেরি মৃদু মৃদু হাস॥
এ সখি এ সখি অপরূপ কাজে।
দিঠহি দিঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়ানে ক্ষণে বয়ান লাগায়॥
আন ছলে কতয়ে করয়ে পরিহাস।
হেন বুঝি কত কুলজা কুলনাশ॥
শুনইতে মধুর মুরলী-রব থোর।
খসয়ে কাঁখের কুন্দ নীবি-নিচোর॥
কি দেখিনু কি শুনিনু কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরীতি যাহার॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রসোদ্গার, সংক্ষিপ্ত সম্ভোগ, ১৪৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভূপালী॥
একেশ্বরী যাইতে যমুনা-তীর।
অলখিতে আয়ল শ্যাম-শরীর॥
অম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কত বেরি হেরি হেরি মৃদু মৃদু হাস॥
এ সখি এ সখি অপরূপ কাজে।
দিঠহি দিঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়ানে খনে বয়ান লাগায়॥
আন ছলে কতয়ে করয়ে পরিহাস।
হেন বুঝি কত কুলজা-কুল নাশ॥
শুনইতে মধুর মুরলী-রব থোর।
খসয়ে কাঁখের কুম্ভ পরাণ বিভোর॥
কি দেখিলুঁ কি শুনিলুঁ কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরীতি যাহায়॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৩৯৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রসোদ্গার
সখীর উক্তি
॥ ভূপালী॥
একসরি যাইতে যামূন তীর।
অলখিতে আয়ল শ্যামশরীর॥
অসম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কত বেরি বেরি হেরি হেরি মৃদুহাস॥
এ সখি এ সখি অপরূপ কাজে।
দিঠহি দিঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়ানে ক্ষণে বয়ন লাগায়॥
আন ছলে কত যে করয়ে পরিহাস।
যে বুঝিয়ে ভালে সে কুলজা কুলনাশ॥
শুনইতে মধুর মুরলিরব থোর।
খসয়ে কাঁখের কুম্ভ নীবি নিচোর॥
কি দেখিলুঁ কি শুনিলুঁ কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরীতি জুয়ায়॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রসোদ্গার
॥ ভূপালী॥
একসরি যাইতে যামূন তীর।
অলখিতে আয়ল শ্যাম-শরীর॥
অসম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কত বেরি বেরি হেরি হেরি মৃদুহাস॥
এ সখি এ সখি অপরুপ কাজে।
দীঠহি দীঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়নে ক্ষণে বয়ন লাগায়॥
আন ছলে কত যে করয়ে পরিহাস।
যে বুঝিয়ে ভালে সে কুলজা-কুলনাশ॥
শুনইতে মধুর মুরলি-রব থোর।
খসয়ে কাঁখের কুম্ভ নীবি-নিচোর॥
কি দেখিলুঁ কি শুনিলুঁ কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরিতি জুয়ায়॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬০০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
একসরি যাইতে যামূন তীর।
অলখিতে আয়ল শ্যামশরীর॥
অসম্বরে ছিল মোর অঙ্গ উদাস।
কত বেরি বেরি হেরি হেরি মৃদুহাস॥
এ সখি এ সখি অপরূপ কাজে।
দীঠহি দীঠ পড়ল রহি লাজে॥
আগে আগে অনুসরি ফিরি ফিরি চায়।
বিহসি বয়নে ক্ষণে বয়ন লাগায়॥
আন ছলে কত যে করয়ে পরিহাস।
যে বুঝিয়ে ভালে সে কুলজা কুলনাশ॥
শুনইতে মধুর মুরলিরব থোর।
খসয়ে কাঁখের কুম্ভ নীবি নিচোর॥
কি দেখিলুঁ কি শুনিলুঁ কহনে না যায়।
জ্ঞানদাস কহে পিরীতি জুয়ায়॥
*********************
