কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
কেনে গেলাম জল ভরিবারে
কেনে গেলাঙ জল ভরিবারে
কেনে গেলেম জল ভরিবারে
আলো সই! কেনে গেলাঙ জল ভরিবারে

কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে গোকুলানন্দ সেন (বৈষ্ণবদাস) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের ( ১৯১৫ সাল ) ১ম খণ্ড, ১ম শাখা, ৬ষ্ঠ পল্লব, শ্রীরাধার পূর্ব্বরাগ--- প্রকারান্তর, ১২০ নং পদসংখ্যায়, ৮৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ি॥

কেনে গেলাম জল ভরিবারে।
যাইতে যমুনার ঘাটে  সেখানে ভুলিলু বাটে
তিমিরে গরাসিল মোরে॥ ধ্রু॥
রসে তনু ঢর ঢর   তাহে নব কৈশোর
আর তাহে নটবর বেশ।
চূড়ার টালনি বামে   মউর-চন্দ্রিকা ঠামে
ললিত লাবণ্য রূপ-শেষ॥
ললাটে চন্দন-পাঁতি   নব-গোরোচনা কাঁতি
তার মাঝে পূনিমক চাঁদ।
অলকা-বলিত মুখ   ত্রিভঙ্গ-ভঙ্গিমা রূপ
কামিনী জনের মন ফান্দ॥
লোকে তারে কাল কয়   সহজে সে কাল নয়
নীলমণি মুকুতার পাঁতি।
চাহনি চঞ্চল বাঁকা   কদম্ব গাছেত ঠেকা
ভুবন-মোহন রূপ-ভাঁতি॥
সঙ্গে ননদিনী ছিল   সে সকল দেখি গেল
অঙ্গ কাঁপে থরহরি ডরে।
জ্ঞানদাসেতে কয়  তারে তোমার কিবা ভয়
সে কি সতী বোলাইতে পারে॥

ই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের নায়িকার পূর্ব্বরাগ, ৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ি॥

কেনে গেলাঙ জল ভরিবারে।
যাইতে যমুনার ঘাটে,  সেখানে ভুলিনু বাটে,
তিমিরে গরাসিল মোরে॥ ধ্রু
রসে তনু ঢর ঢর,   তাহে নব কৈশোর,
আর তাহে নটবর বেশ।
চূড়ায় টালনী বামে,   ময়ূর চন্দ্রিকা ঠামে,
ললিত লাবণ্য রূপ শেষ॥
ললাটে চন্দন-পাঁতি  নব গোরোচনা ভাতি,
তার মাঝে পূনিমক চান্দ।
অলকা বলিত মুখ,   ত্রিভঙ্গ ভঙ্গিম রূপ,
কামিনী জনের মন ফাঁদ॥
লোকে তারে কাল কয়,   সহজে সে কাল নয়,
নীলমণি মুকুতার পাঁতি।
চাহনি চঞ্চল বাঁকা,   কদম্ব গাছেত ঠেকা,
ভুবন মোহন রূপ ভাতি॥
সঙ্গে ননদিনী ছিল,   সকল দেখিয়া গেল,
অঙ্গ কাঁপে থরহরি ডরে।
জ্ঞানদাসেতে কয়,   তারে তোমার কিবা ভয়,
সেকি সতি বোলাইতে পারে॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, সংগীত-সার-সংগ্রহ, ১ম খণ্ড, ১৭১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ তুড়ি॥

কেনে গেলাঙ জল ভরিবারে।
যাইতে যমুনার ঘাটে,
সেখানে ভুলিনু বাটে,
তিমিরে গরাসিল মোরে॥
রসে তনু ঢর ঢর,
তাহে নব কৈশোর,
আর তাহে নটবর বেশ।
চূড়ায় টালনী বামে,
ময়ূর চন্দ্রিকা ঠামে,
ললিত লাবণ্য রূপ শেষ॥
ললাটে চন্দন-পাঁতি
নব গোরোচনা ভাতি,
তার মাঝে পূণমিক চান্দ।
অলকা বলিত মুখ,
ত্রিভঙ্গ ভঙ্গিম রূপ,
কামিনী জনের মন ফাঁদ॥
লোকে তারে কাল কয়,
সহজে সে কাল নয়,
নীলমণি মুকুতার পাঁতি।
চাহনি চঞ্চল বাঁকা,
কদম্ব গাছেত ঠেকা,
@@ @@ @@ @@
সঙ্গে ননদিনী ছিল,
সকল দেখিয়া গেল,
অঙ্গ কাঁপে থরহরি ডরে।
জ্ঞানদাসেতে কয়,
তারে তোমার কিবা ভয়,
সে কি সতি বোলাইতে পারে॥


@@ - এই পংক্তিটি গ্রন্থে নেই। মুদ্রণ প্রমাদ হতে পারে।

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১২২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ তুড়ি॥

কেনে গেলাঙ জল ভরিবারে। যাইতে
যমুনার ঘাটে, সেখানে ভুলিনু বাটে, তিমিরে
গরাসিল মোরে॥ রসে তনু ঢর ঢর, তাহে
নব কৈশোর, আর তাহে নটবর বেশ।
চূড়ার টালনী বামে, ময়ূর চন্দ্রিকা ঠামে,
ললিত লাবণ্য রূপ শেষ॥ ললাটে চন্দন
পাঁতি, নব গোরোচনা ভাতি, তার মাঝে
পূণমিক চান্দ। অলকা বলিত মুখ, ত্রিভঙ্গ
ভঙ্গিম রূপ, কামিনী জনের মন ফাঁদ॥
লোকে তারে কাল কয়, সহজে সে কাল
নয়, নীলমণি মুকুতার পাঁতি। চাহনি
চঞ্চল বাঁকা, কদম্ব গাছেত ঠেকা, ভুবন-
মোহন রূপ ভাতি॥ সঙ্গে ননদিনী ছিল,
সকল দেখিয়া গেল, অঙ্গ কাঁপে থরহরি
ডরে। শ্রীজ্ঞানদাসেতে কয়, তারে তোমার
কিবা ভয়, সে কি সতি বোলাইতে পারে॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ী॥

কেনে গেলাঙ জল ভরিবারে।
যাইতে যমুনার ঘাটে,   সেখানে ভুলিনু বাটে
তিমিরে গরাসিল মোরে॥
রসে তনু ঢর ঢর,   তাহে নব কৈশোর
আর তাহে নটবর বেশ।
চূড়ায় টালনি বামে,   মউর চন্দ্রিকা ঠামে
ললিত লাবণ্য রূপ শেষ॥
ললাটে চন্দনপাঁতি,   নবগোরোচনা-ভাতি
তার মাঝে পূণিমক চাঁদ।
অলকা-বলিত মুখ,   ত্রিভঙ্গ ভঙ্গিম রূপ
কামিনী জনের মন ফাঁদ॥
লোকে তারে কাল কয়,   সহজে সে কাল নয়
নীলমণি মুকুতার পাঁতি।
চাহনি চঞ্চল বাঁকা,   কদম্বগাছেতে ঠেকা
ভুবনমোহন রূপ-ভাতি॥
সঙ্গে ননদিনী ছিল   সকল দেখিয়া গেল
অঙ্গ কাঁপে থরহরি ডরে।
শ্রীজ্ঞানদাসেতে কয়,   তারে তোমার কিবা ভয়
সেকি সতী বোলাইতে পারে॥

ই পদটি ১৩১৭ বঙ্গাব্দে (১৯১০ সালে) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ১ম খণ্ড এর ১১২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধিকার পূর্ব্বরাগ
॥ সুহই - গঞ্জল॥

কেনে গেলাম জল ভরিবারে।
যাইতে যমুনার ঘাটে   সেখানে ভুলিলুঁ বাটে
মিরে @ গরাসিল মোরে॥
রসে তনু ঢর ঢর   তাহে নব কৈশোর
আর তাহে নটবর বেশ।
চূড়ায় টালনি বামে   মউর চন্দ্রিকা ঠামে
ললিত-লাবণ্য-রূপ-শেষ॥
ললাটে চন্দন পাঁতি   নব গোরোচনা কাঁতি
তার মাঝে পূনমিক চাঁদ।
অলকা-বলিত মুখ   ত্রিভঙ্গ-ভঙ্গিমা রূপ
কামিনী জনের মন ফাঁদ॥
লোকে তারে কাল কয়   সহজে সে কাল নয়
নীলমণি-মুকুতার পাঁতি।
চাহনি চঞ্চল বাঁকা    কদম্ব গাছেতে ঠেকা
ভুবন-মোহন রূপ ভাঁতি॥
সঙ্গে ননদিনী ছিল   সকল দেখিয়া গেল
অঙ্গ কাঁপে থরহরি ডরে।
শ্রীজ্ঞানদাসেতে কয়  তারে তোমার কিবা ভয়
সেকি সতী বোলাইতে পারে॥

@ - মিরে - তিমির এর তি অক্ষরটি সম্ভবত মুদ্রিত হয়নি। --- মিলন সেনগুপ্ত। মিলনসাগর॥

ই পদটি চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা তাঁর সারা জীবন ধরে, আনুমানিক ১৮৮০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত ও সংকলিত এবং তাঁর মৃত্যুর প্রায় ৫০ বছর পরে তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু" এর ১৬০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ী॥

কেনে গেলেম জল ভরিবারে। যাইতে যমুনা-ঘাটে, সেখানে ভুলিল বাটে,
তিমিরে গরাসিল মোরে॥ রসে তনু ঢর ঢর, তাহে নব কৈশোর, আর তাহে
নটবর বেশ। চূড়ার টাননি বামে, ময়ূর চন্দ্রিকা ঠামে, ললিত লাবণ্য রূপ শেষ॥
ললাটে চন্দনপাঁতি, নব গোরোচনা ভাতি, তার মাঝে পূর্ণিমিক চান্দ। অলকা
বলিত মুখ, ত্রিভঙ্গ ভঙ্গিমা রূপ, কামিনী জনের মন ফান্দ॥ লোকে তারে
কাল কয়, সহজে সে কাল নয়, নীলমণি মুকুতার পাঁতি। চাহনি চঞ্চল বাঁকা,
কদম্ব গাছেতে ঠেকা, ভুবনমোহন রূপ ভাতি॥ সঙ্গে ননদিনী ছিল, সকল
দেখিয়া গেল, অঙ্গ কাঁপে থরহরি ডরে। জ্ঞান দাসেতে কয়, তারে তোমার
কিবা ভয়, সে কি সতী বোলাইতে পারে॥

ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ১৮৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ।
॥ তুড়ী॥

কেনে গেলাঙ জল ভরিবারে।
যাইতে যমুনার ঘাটে, সেখানে ভুলিনু বাটে,
তিমিরে গরাসিল মোরে॥
রসে তনু ঢর ঢর, তাহে নব কৈশোর,
আর তাহে নটবর বেশ।
চূড়ার টালনি বামে, ময়ূর চন্দ্রিকা ঠামে,
ললিত লাবণ্য রূপ শেষ॥
ললাটে চন্দনপাঁতি, নব গোরোচনা-ভাতি,
তার মাঝে পুনমিক চাঁদ।
অলকা-বলিত মুখ, ত্রিভঙ্গ ভঙ্গিম রূপ,
কামিনী জনের মন ফাঁদ॥
লোকে তারে কাল কয়, সহজে সে কাল নয়,
নীলমণি মুকুতার পাঁতি।
চাহনি চঞ্চল বাঁকা, কদম্বগাছেতে ঠেকা,
ভুবনমোহন রূপ-ভাতি॥
সঙ্গে ননদিনী ছিল, সে সকল দেখিয়া গেল,
অঙ্গ কাঁপে থরহরি ডরে।
শ্রীজ্ঞানদাসেতে কয়, তারে তোমার কিবা ভয়,
সে কি সতী বোলাইতে পারে॥
ই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রাধার পূর্ব্ব-রাগ, ৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ি॥

আলো সই! কেনে গেলাঙ জল ভরিবারে।
যাইতে যমুনার ঘাটে   সেখানে ভুলিলুঁ বাটে
তিমিরে গরাসল মোরে॥

রসে তনু ঢর ঢর   তাহে নব কৈশোর
আর তাহে নটবর বেশ।
চূড়ায় টালনি বামে   ময়ূর-চন্দ্রিকা ঠামে
ললিত লাবণ্য রূপ-শেষ॥

ললাটে চন্দন-পাঁতি   নব গোরোচনা ভাতি
তার মাঝে পুণমিক চান্দ।
অলকা-বলিত মুখ   ত্রিভঙ্গ-ভঙ্গিম রূপ
কামিনী জনের মন ফান্দ॥

লোকে তারে কাল কয়   সহজে সে কাল নয়
নীল মণি-মুকুতার পাঁতি।
চাহনি চঞ্চল বাঁকা   কদম্ব গাছেত ঠেকা
ভুবন-মোহন রূপ ভাতি॥

সঙ্গে ননদিনী ছিল   সকল দেখিয়া গেল
অঙ্গ কাঁপে থরহরি ডরে।
জ্ঞানদাসেতে কয়   তারে তোমার কিবা ভয়
সে কি সতী বোলাইতে পারে॥

ই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, শ্রীরাধার পূর্ব্বরাগ, ৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ী॥

কেনে গেলাঙ জল ভরিবারে।
যাইতে যমুনার ঘাটে,   সেখানে ভুলিনু বাটে
তিমিরে গরাসিল মোরে॥
রসে তনু ঢর ঢর,   তাহে নব কৈশোর
আর তাহে নটবর বেশ।
চূড়ার টালনী বামে,   ময়ূর চন্দ্রিকা ঠামে,
ললিত লাবণ্য রূপ শেষ॥
ললাটে চন্দন-পাতি,   নব গোরোচনা ভাতি,
তার মাঝে পূনিমক @ চাঁদ।
অলকা বলিত মুখ,   ত্রিভঙ্গভঙ্গিম রূপ,
কামিনী জনের মন-ফাঁন্দ॥
লোকে তারে কাল কয়,   সহজে সে কাল নয়,
নীলমণি মুকুতার ভাতি।
চাহনি চঞ্চল বাঁকা,   কদম্ব গাছেতে ঠেকা,
ভুবন-মোহন রূপ ভাতি॥
সঙ্গে ননদিনী ছিল,   সে সকল দেখি গেল,
অঙ্গ কাঁপে থরহরি ডরে।
জ্ঞানদাসেতে কয়,   তারে তোমার কিবা ভয়
সে কি সতী বোলাইতে পারে॥

@ - পূণমিক – পূর্ণিমার

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৩৭৮-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ী॥

কেনে গেলাম জল ভরিবারে।
যাইতে যমুনার ঘাটে   সেখানে ভুলিলুঁ বাটে
তিমিরে গরাসিল মোরে॥ ধ্রু॥
রসে তনু ঢর ঢর   তাহে নব কৈশোর
আর তাহে নটবর বেশ।
চূড়ায় টালনি বামে   মউর চন্দ্রিকা ঠামে
ললিত লাবণ্য রূপশেষ॥
ললাটে চন্দনপাঁতি   নবগোরোচনা কাঁতি
তার মাঝে পূনিমক চাঁদ।
অলকাবলিত মুখ   ত্রিভঙ্গভঙ্গিমা রূপ
কামিনী জনের মনফান্দ॥
লোকে তারে কাল কয়   সহজে সে কাল নয়
নিন্দে ইন্দ্রনীলমণি কাঁতি।
চাহনি চঞ্চল বাঁকা    কদম্ব গাছেতে ঠেকা
ভুবনমোহন রূপভাতি॥
সঙ্গে ননদিনী ছিল   সে সকল দেখি গেল
অঙ্গ কাঁপে থরহরি ডরে।
জ্ঞানদাসেতে কয়   তারে তোমার কিবা ভয়
সে কি সতী বোলাইতে পারে॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ওসম্পাদিত “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধিকার রূপানুরাগ
॥ তুড়ি॥

কেনে গেলাম জল ভরিবারে।
যাইতে যমুনার ঘাটে   সেখানে ভুলিলুঁ বাটে
তিমিরে গরাসিল মোরে॥ ধ্রু॥
রসে তনু ঢর ঢর   তাহে নব কৈশোর
আর তাহে নটবর বেশ।
চূড়ায় টালনি বামে   মউর-চন্দ্রিকা ঠামে
ললিত লাবণ্য রূপ-শেষ॥
ললাটে চন্দন-পাঁতি   নব-গোরোচনা কাঁতি
তার মাঝে পূনিমক চাঁদ।
অলকা-বলিত মুখ   ত্রিভঙ্গ-ভঙ্গিমা রূপ
কামিনী জনের মন-ফান্দ॥
লোকে তারে কাল কয়   সহজে সে কাল নয়
নিন্দে ইন্দ্রনীলমণি কাঁতি।
চাহনি চঞ্চল বাঁকা    কদম্ব গাছেত ঠেকা
ভুবন-মোহন রূপ-ভাতি॥
সঙ্গে ননদিনী ছিল   সে সকল দেখি গেল
অঙ্গ কাঁপে থরহরি ডরে।
জ্ঞানদাসেতে কয়   তারে তোমার কিবা ভয়
সে কি সতী বোলাইতে পারে॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬১৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কেনে গেলাম জল ভরিবারে।
যাইতে যমুনার ঘাটে সেখানে ভুলিলুঁ
      বাটে তিমিরে গরাসিল মোরে॥
রসে তনু ঢর ঢর তাহে নব কৈশোর
      আর তাহে নটবর বেশ।
চূড়ার টালনি বামে মউর চন্দ্রিকা ঠামে
      ললিত লাবণ্য রূপ শেষ॥
ললাটে চন্দন-পাঁতি নবগোরোচনা কাঁতি
      তার মাঝে পূণিমক চাঁদ।
অলকাবলিত মুখ ত্রিভঙ্গভঙ্গিমা রূপ
      কামিনী জনের মনফান্দ॥
লোকে তারে কাল কয় সহজে সে কাল
      নয় নিন্দে ইন্দ্রনীলমণি কাঁতি।
চাহনি চঞ্চল বাঁকা কদম্ব গাছেত ঠেকা
      ভুবনমোহন রূপভাতি॥
সঙ্গে ননদিনী ছিল সে সকল দেখি গেল
      অঙ্গ কাঁপে থরহরি ডরে।
জ্ঞানদাসেতে কয় তারে তোমার কিবা
      ভয় সে কি সতী বোলাইতে পারে॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^
সূচীতে . . .

মিলনসাগর