কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
রূপ দেখিলে এমন হবে জানিব কেমনে
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ১০ম পল্লব, রূপানুরাগ, ৭৮৫- নং পদসংখ্যা, ১১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ তুড়ী॥
রূপ দেখিলে এমন হবে জানিব কেমনে।
এত কি সহিতে পারে অবলা পরাণে॥
দ্বিগুণ দহয়ে তনু মুরলীর স্বরে।
কুলিন সাপিনী যেন গরল উগারে॥
আর তাহে তাপ দিল পাপ ননদিনী।
ব্যাধের মন্দিরে যেন কম্পিত হরিণী॥
নিরবধি প্রাণ মোর শ্যাম-অনুরাগী।
যে মোরে ছাড়িতে বোলে হবে বধের ভাগী॥
জ্ঞান কহে যেই কহ সেই সে করিব।
শ্যাম বন্ধুর লাগি পরাণ হারাইব॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ৯১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চণ্ডীদাসের অনুসরণে জ্ঞানদাস
রূপ দেখিলে এমন হবে জানিব কেমনে।
এত কি সহিতে পারে অবলা পরাণে॥
দ্বিগুণ দহয়ে তনু মুরলীর স্বরে।
কুলিন সাপিণী যেন গরল উগারে॥
আর তাহে তাপ দিল পাপ ননদিনী।
ব্যাধের মন্দিরে যেন কম্পিত হরিণী॥
নিরবধি প্রাণ মোর শ্যাম-অনুরাগী।
যে মোরে ছাড়িতে বোলে হবে বধের ভাগী॥
জ্ঞান কহে যেই কহ সেই সে করিব।
শ্যাম বন্ধুর লাগি পরাণ হারাইব॥
টীকা--
কুলিন সাপিণী যেন গরল উগারে --- মুরলীর ধ্বনি রাধার সর্ব্বাঙ্গে বিষের জ্বালা ধরাইয়া দেয়, কেন না ইহা শুনিবামাত্র তিনি ছুটিয়া যাইতে পারেন না।
কুলিন সাপিণী --- জাত সাপের স্ত্রী -- বাঁশী যেন সেই রকম করিয়া গরল উদগীরণ করে।
ব্যাধের মন্দিরে কম্পিত হরিণী --- ব্যাধ কোন মুহূর্ত্তে বা কাটিয়া ফেলে এই ভয়ে হরিণী কম্পিত।
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪১৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
আক্ষেপানুরাগ
॥ তুড়ী॥
রূপ দেখিলে এমন হবে জানিব কেমনে।
এত কি সহিতে পারে অবলা পরাণে॥
দ্বিগুণ দহয়ে তনু মুরলীর স্বরে।
কুলিন সাপিনী যেন গরল উগরে॥
আর তাহে তাপ দিল পাপ ননদিনী।
ব্যাধের মন্দিরে যেন কম্পিত হরিণী॥
নিরবধি প্রাণ মোর শ্যামঅনুরাগী।
যে মোরে ছাড়িতে বলে হবে বধের ভাগী॥
জ্ঞান কহে যেই কহ সেই সে করিব।
শ্যামবন্ধুর লাগি পরাণ হারাইব॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১৯৩পৃষ্ঠায় দেওয়া রয়েছে
অনুরাগ
॥ তুড়ী॥
রূপ দেখিলে এমন হবে জানিব কেমনে।
এত কি সহিতে পারে অবলা-পরাণে॥
দ্বিগুণ দহয়ে তনু মুরলীর স্বরে।
কুলিন সাপিনী যেন গরল উগরে॥
আর তাহে তাপ দিল পাপ ননদিনী।
ব্যাধের মন্দিরে যেন কম্পিত হরিণী॥
নিরবধি প্রাণ মোর শ্যাম-অনুরাগী।
যে মোরে ছাড়িতে বোলে হবে বধের ভাগী॥
জ্ঞান কহে যেই কহ সেই সে করিব।
শ্যামবন্ধুর লাগি পরাণ হারাইব॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৫৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রূপ দেখিলে এমন হবে জানিব কেমনে।
এত কি সহিতে পারে অবলা পরাণে॥
দ্বিগুণ দহয়ে তনু মুরলীর স্বরে।
কুলিন সাপিনী যেন গরল উগরে॥
আর তাহে তাপ দিল পাপ ননদিনী।
ব্যাধের মন্দিরে যেন কম্পিত হরিণী॥
নিরবধি প্রাণ মোর শ্যামঅনুরাগী।
যে মোরে ছাড়িতে বলে হবে বধের ভাগি॥
জ্ঞান কহে যেই কহ সেই সে করিব।
শ্যামবন্ধুর লাগি পরাণ হারাইব॥
*********************
॥ তুড়ী॥
রূপ দেখিলে এমন হবে জানিব কেমনে।
এত কি সহিতে পারে অবলা পরাণে॥
দ্বিগুণ দহয়ে তনু মুরলীর স্বরে।
কুলিন সাপিনী যেন গরল উগারে॥
আর তাহে তাপ দিল পাপ ননদিনী।
ব্যাধের মন্দিরে যেন কম্পিত হরিণী॥
নিরবধি প্রাণ মোর শ্যাম-অনুরাগী।
যে মোরে ছাড়িতে বোলে হবে বধের ভাগী॥
জ্ঞান কহে যেই কহ সেই সে করিব।
শ্যাম বন্ধুর লাগি পরাণ হারাইব॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ৯১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চণ্ডীদাসের অনুসরণে জ্ঞানদাস
রূপ দেখিলে এমন হবে জানিব কেমনে।
এত কি সহিতে পারে অবলা পরাণে॥
দ্বিগুণ দহয়ে তনু মুরলীর স্বরে।
কুলিন সাপিণী যেন গরল উগারে॥
আর তাহে তাপ দিল পাপ ননদিনী।
ব্যাধের মন্দিরে যেন কম্পিত হরিণী॥
নিরবধি প্রাণ মোর শ্যাম-অনুরাগী।
যে মোরে ছাড়িতে বোলে হবে বধের ভাগী॥
জ্ঞান কহে যেই কহ সেই সে করিব।
শ্যাম বন্ধুর লাগি পরাণ হারাইব॥
টীকা--
কুলিন সাপিণী যেন গরল উগারে --- মুরলীর ধ্বনি রাধার সর্ব্বাঙ্গে বিষের জ্বালা ধরাইয়া দেয়, কেন না ইহা শুনিবামাত্র তিনি ছুটিয়া যাইতে পারেন না।
কুলিন সাপিণী --- জাত সাপের স্ত্রী -- বাঁশী যেন সেই রকম করিয়া গরল উদগীরণ করে।
ব্যাধের মন্দিরে কম্পিত হরিণী --- ব্যাধ কোন মুহূর্ত্তে বা কাটিয়া ফেলে এই ভয়ে হরিণী কম্পিত।
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪১৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
আক্ষেপানুরাগ
॥ তুড়ী॥
রূপ দেখিলে এমন হবে জানিব কেমনে।
এত কি সহিতে পারে অবলা পরাণে॥
দ্বিগুণ দহয়ে তনু মুরলীর স্বরে।
কুলিন সাপিনী যেন গরল উগরে॥
আর তাহে তাপ দিল পাপ ননদিনী।
ব্যাধের মন্দিরে যেন কম্পিত হরিণী॥
নিরবধি প্রাণ মোর শ্যামঅনুরাগী।
যে মোরে ছাড়িতে বলে হবে বধের ভাগী॥
জ্ঞান কহে যেই কহ সেই সে করিব।
শ্যামবন্ধুর লাগি পরাণ হারাইব॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১৯৩পৃষ্ঠায় দেওয়া রয়েছে
অনুরাগ
॥ তুড়ী॥
রূপ দেখিলে এমন হবে জানিব কেমনে।
এত কি সহিতে পারে অবলা-পরাণে॥
দ্বিগুণ দহয়ে তনু মুরলীর স্বরে।
কুলিন সাপিনী যেন গরল উগরে॥
আর তাহে তাপ দিল পাপ ননদিনী।
ব্যাধের মন্দিরে যেন কম্পিত হরিণী॥
নিরবধি প্রাণ মোর শ্যাম-অনুরাগী।
যে মোরে ছাড়িতে বোলে হবে বধের ভাগী॥
জ্ঞান কহে যেই কহ সেই সে করিব।
শ্যামবন্ধুর লাগি পরাণ হারাইব॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৫৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রূপ দেখিলে এমন হবে জানিব কেমনে।
এত কি সহিতে পারে অবলা পরাণে॥
দ্বিগুণ দহয়ে তনু মুরলীর স্বরে।
কুলিন সাপিনী যেন গরল উগরে॥
আর তাহে তাপ দিল পাপ ননদিনী।
ব্যাধের মন্দিরে যেন কম্পিত হরিণী॥
নিরবধি প্রাণ মোর শ্যামঅনুরাগী।
যে মোরে ছাড়িতে বলে হবে বধের ভাগি॥
জ্ঞান কহে যেই কহ সেই সে করিব।
শ্যামবন্ধুর লাগি পরাণ হারাইব॥
*********************
