কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
অহে কানাই বুঝিলুঁ তোমার চিত
অহে কানাই বুঝিলাম তোমার চিত
ওহে কানাই বুঝিনু তোমার চিত
ওহে কানাই বুঝিলুঁ তোমার চিত
ওহে শ্যাম বুঝিনু তোমার চিত

কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ১১শ পল্লব, আক্ষেপানুরাগ, ৮০৪- নং পদসংখ্যা, ১১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সিন্ধুড়া॥

অহে কানাই বুঝিলুঁ তোমার চিত।
আগে আহার দিয়া   মারয়ে বান্ধিয়া
এমতি তোমার রীত॥ ধ্রু॥
যখন আমাকে     সদয় আছিলা
পিরিতি করিলা বড়।
এখন কি লাগি     হইলা বিরাগী
নিদয় হইলা দড়॥
বুঝিলুঁ মরমে     যে ছিল করমে
সেই সে হইতে চায়।
নহিলে কে জানে     খলের বচনে
পরাণ সোঁপিলুঁ তায়॥
তোমার পিরিতি     দেখিতে শুনিতে
যে দুখ উঠিছে চিতে।
সে নারী মরুক     যে করে ভরসা
তোমার পিরিতি-রীতে॥
দেখিতে শুনিতে     মানুষ-আকার
আছি না আছিয়ে ঘরে।
হিয়ার ভিতরে     যেমত পুড়িছে
সে দুখ কহিব কারে॥
পুরুবে জানিতাম     হইবে এমতি
পাইব এতেক লাজে।
জ্ঞানদাস কহে     ধৈরজ ধরহ
আপন সুখের কাজে॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতী বাংলা-পুথিশালার "রতন লাইব্রেরী সংগ্রহ"-র অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ” পুথির ১৯৮২ সালে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত এবং তপনকুমার মুখোপাধ্যায়, অণিমা মুখোপাধ্যায় ও পরমেশ্বর মাহাতা দ্বারা সহ-সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন গ্রন্থের ২০২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

অহে কানাই বুঝিলাম তোমার চিত।
আগে আহার দিএ মারএ বান্ধিএ এমতি তোমার রিত॥ ধ্রু॥
জখন আমাকে সদয় আছিলা পিরিতি করিলে বড়।
এখন কি লাগি হইলে বিবাগী নিদয় হৈলে দড়॥
বুঝিল মরমে যে ছিল করমে সেই সে হৈতে চায়।
নইলে কে জানে খলের বচনে পরাণ সুপিনু তায়॥
তোমার পিরিতি দেখিতে শুনিতে যে দুখ উঠিত চিতে।
সে নারী মরুক যে করে ভরসা তোমার পিরিতি রীতে॥
দেখিতে সুনিতে মানুষ আকার আছিএ না আছি ঘরে।
হিআর ভিতরে যেমত পুড়িছে সে দুখ কহিব কারে॥
পুরূবে জানিতাম হইবে এমতি পাইব এতেক লাজে।
জ্ঞানদাস কয় ধৈরজ ধরহ আপন সুখের কাজে॥

ই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৫৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সিন্ধুড়া॥

ওহে কানাই বুঝিনু তোমার চিত।
আগে আহার দিয়া,   মারয়ে বান্ধিয়া,
এমতি তোমার রীত॥ ধ্রু।
যখন আমাকে     সদয় আছিলা,
পিরীতি করিলা বড়।
এখন কি লাগি,     হইলা বিরাগী,
নিদয় হইলা দড়॥
বুঝিনু মরমে,     যে ছিল করমে,
সেই সে হইতে চায়।
নহিলে কে জানে,     খলের বচনে,
পরাণ সোঁপিনু তায়॥
তোমার পিরীতি,     দেখিতে শুনিতে,
যে দুঃখ উঠেছে চিতে।
সে নারী মরুক,     যে করে ভরসা,
তোমার পিরীতি রীতে॥
দেখিতে শুনিতে,     মানুষ আকার,
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
হিয়ার ভিতরে,     যেমন পুড়িছে,
সে দুঃখ কহিব কারে॥
পূরুবে জানিতাঙ,     হইবে এমতি,
পাইব এতেক লাজে।
জ্ঞানদাস কহে,     ধৈরজ ধরি রহ,
আপন সুখের কাজে॥


ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২২২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়ক সম্বোধন।
॥ সিন্ধুড়া॥

ওহে কানাই বুঝিনু তোমার চিত।
আগে আহার দিয়া,     মারয়ে বান্ধিয়া,
এমতি তোমার রীত॥
যখন আমাকে,     সদয় আছিলা,
পিরীতি করিলা বড়।
এখন কি লাগি,     হইয়া বিরাগী,
নিদয় হইলা দড়॥
বুঝিনু মরমে,     যে ছিল করমে,
সেই সে হইতে চায়।
নহিলে কে জানে,     খলের বচনে,
পরাণ সোঁপিনু তায়॥
তোমার পিরীতি,     দেখিতে শুনিতে,
যে দুখ উঠেছে চিতে।
সে নারী মরুক,     যে করে ভরসা,
তোমার পিরীতি রীতে॥
দেখিতে শুনিতে,     মানুষ আকার,
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
হিয়ার ভিতরে,     যেমত পুড়িছে,
সে দুঃখ কহিব কারে॥
পূরুবে জানিতাঙ,     হইবে এমতি,
পাইব এতেক লাজে।
জ্ঞানদাস কহে,     ধৈর্য্য ধরি রহ,
আপন সুখের কাজে॥

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৫৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়ক সম্বোধন।
॥ সিন্ধুড়া॥

ওহে কানাই বুঝিনু তোমার চিত।
আগে আহার দিয়া, মারয়ে বান্ধিয়া, এমতি
তোমার রীত॥ যখন আমাকে, সদয়
আছিলা, পিরীতি করিলা বড়। এখন কি
লাগি, হইলা বিরাগী, নিদয় হইলা দড়॥
বুঝিনু মরমে, যে ছিল করমে, সেই সে
হইতে চায়। নহিলে কে জানে খলের
বচনে, পরাণ সোঁপিনু তায়॥ তোমার
পিরীতি, দেখিতে শুনিতে, যে দুঃখ উঠেছে
চিতে। সে নারী মরুক, যে করে ভরসা,
তোমার পিরীতি রীতে॥ দেখিতে শুনিতে,
মানুষ আকার, আছিতে আছিয়ে ঘরে।
হিয়ার ভিতরে, যেমত পুড়িছে, সে দুঃখ
কহিব কারে॥ পূরুবে জানিতাঙ, হইবে
এমতি, পাইব এতেক লাজে। জ্ঞানদাস
কহে, ধৈরয ধরি রহ, আপন সুখের
কাজে॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৩৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অনুরাগ।
॥ সিন্ধুড়া॥

ওহে কানাই বুঝিনু তোমার চিত।
আগে আহার দিয়া,     মারয়ে বাঁধিয়া,
এমতি তোমার রীত॥
যখন আমাকে,     সদয় আছিলা,
পিরীতি করিলা বড়।
এখন কি লাগি,     হইয়া বিরাগী,
নিদয় হইলা দড়॥
বুঝিনু মরমে,     যে ছিল করমে,
সেই সে হইতে চায়।
নহিলে কে জানে,     খলের বচনে,
পরাণ সোঁপিনু তায়॥
তোমার পিরীতি,     দেখিতে শুনিতে,
যে দুখ উঠেছে চিতে।
সে নারী মরুক,     যে করে ভরসা,
তোমার পিরীতি-রীতে॥
দেখিতে শুনিতে,     মানুষ আকার,
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
হিয়ার ভিতরে,     যেমত পুড়িছে,
সে দুঃখ কহিব কারে॥
পূরুবে জানিতাঙ,     হইবে এমতি,
পাইব এতেক লাজে।
জ্ঞানদাস কহে,     ধৈর্য্য করি রহ,
আপন সুখের কাজে॥

ই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ৮৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

ওহে শ্যাম বুঝিনু তোমার চিত ।
আগে আহার দিয়া মারয়ে বাঁধিয়া
      এমতি তোমার রীত॥
যখন আমাকে সদয় আছিলা
      পীরিতি করিতা বড়।
এখন কি লাগে হইলা বিরাগী নিদয় হইলা দড় ॥
বুঝিনু মরমে যে ছিল করমে সেই সে হইতে চায় ।
নহিলে কে জানে খলের বচনে পরাণ সঁপিনু তায়॥
তোমার পীরিতি, আরতি দেখিতে
      যে দুখ উঠিছে চিতে।
সে নারী মুরুখ যে করে ভরসা
      তোমার পীরিতি রীতে॥
দেখিতে শুনিতে মানুষ আকার
      আছি না আছিলে ঘরে।
হিয়ার ভিতরে যেমত পুড়িছে সে দুখ কহিব কারে॥
পুরুবে জানিতাম হইবে এমতি
      পাইব এতেক লাজে।
জ্ঞানদাস কহ ধৈর্য্য করি রহু
      আপন সুখের কাজে॥

টীকা ---
আগে আহার দিয়া ইত্যাদি---তুমি ব্যাধের মতন প্রথমে আহার দিয়া তারপর বাঁধিয়া মার। নিদয় হইল-দড়--অবিচল নিষ্ঠুরতা দেখাইতেছে, কখনও ভুলিয়াও সদয় সদয় হও না ( দড় শব্দের ইহাই ব্যঞ্জনা )। দেখিতে শুনিতে মানুষ আকার আছি না আছিরে ঘরে--- বাহিরটা আমার মানুষের মতন দেখিতে দেখায় বটে, কিন্তু ভিতরটা পুড়িয়া ছারখার হইয়াছে। ঘরে থাকিতে হয় তাই থাকি।

ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২২৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

অনুরাগ।
॥ সিন্ধুড়া॥

ওহে কানাই, বুঝিনু তোমার চিত।
আগে আহার দিয়া     মারয়ে বান্ধিয়া
এমতি তোমার রীত॥
যখন আমাকে     সদয় আছিলা
পিরীতি করিলা বড়।
এখন কি লাগি     হইয়া বিরাগী
নিদয় হইলা দড়॥
বুঝিনু মরমে     যে ছিল করমে
সেই সে হইতে চায়।
নহিলে কে জানে     খলের বচনে
পরাণ সোঁপিনু তায়॥
তোমার পিরীতি     দেখিতে শুনিতে
যে দুখ উঠেছে চিতে।
সে নারী মরুক     যে ভরসা করে
তোমার পিরীতি রীতে॥
দেখিতে শুনিতে     মানুষ আকার
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
হিয়ার ভিতরে     যেমত পুড়িছে
সে দুঃখ কহিব কারে॥
পূরুবে জানিতাঙ,     হইবে এমতি
পাইব এতেক লাজে।
জ্ঞানদাস কহে     ধৈরজ করি রহ
আপন সুখের কাজে॥

ই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, আক্ষেপানুরাগ, ৩৫৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সিন্ধুড়া॥

ওহে কানাই বুঝিলুঁ তোমার চিত।
আগে আহার দিয়া   মারয়ে বান্ধিয়া
এমতি তোমার রীত॥
যখন আমাকে     সদয় আছিলা
পিরীতি করিলা বড়।
এখন কি লাগি     হইয়া বিরাগী
নিদয় হইলা দড়॥
বুঝিলুঁ মরমে     যে ছিল করমে
সেই সে হইতে চায়।
নহিলে কে জানে     খলের বচনে
পরাণ সোঁপিলুঁ তায়॥
তোমার পিরীতি     দেখিতে শুনিতে
যে দুখ উঠেছে চিতে।
সে নারী মরুক     যে করে ভরসা
তোমার পিরীতি রীতে॥
দেখিতে শুনিতে     মানুষ আকার
আছি না আছিয়ে ঘরে।
হিয়ার ভিতরে     যেমন পুড়িছে
সে দুখ কহিব কারে॥
পূরুবে জানিতাঙ     হইবে এমতি
পাইব এতেক লাজে।
জ্ঞানদাস কহে     ধৈরজ ধরি ধরহ
আপন সুখের কাজে॥

ই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, আক্ষেপানুরাগ (নায়ক সম্বোধনে), ১৪২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সিন্ধুড়া॥

ওহে কানাই বুঝিনু তোমার চিত।
আগে আহার দিয়া,     মারয়ে বান্ধিয়া,
এমতি তোমার রীত॥
যখন আমাকে,     সদয় আছিলা,
পিরীতি করিলা বড়।
এখন কি লাগি,     হইয়া বিরাগী,
নিদয় হইলা দড়॥
বুঝিনু মরমে,     যে ছিল করমে,
সেই সে হইতে চায়।
নহিলে কে জানে,     খলের বচনে,
পরাণ সঁপিনু তায়॥
তোমার পিরীতি,     দেখিতে শুনিতে,
যে দুঃখ উঠিতে চিতে।
সে নারী মরুক,     যে করে ভরসা,
তোমার পিরীতি রীতে॥
দেখিতে শুনিতে,     মানুষ আকার,
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
হিয়ার ভিতরে,     যেমন পুড়িছে,
সে দুঃখ কহিব কারে॥
পূরুবে জানিতাঙ,     হইবে এমতি,
পাইব এতেক লাজে।
জ্ঞানদাস কহে,     ধৈরয ধরি রহ,
আপন সুখের কাজে॥

ই পদটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ২য় খণ্ড এর ৬৯৯ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

আক্ষেপানুরাগ
॥ গান্ধার - মধ্যম দশকুশী॥

অহে কানাই বুঝিলুঁ তোমার চিত।
আগে আহার দিয়া   মারয়ে বান্ধিয়া
এমতি তোমার রীত॥ ধ্রু।
যখন আমাকে     সদয় আছিলা
পিরিতি করিলা বড়।
এখন কি লাগি     হইলা বিরাগী
নিদয় হইলা দড়॥
বুঝিলুঁ মরমে     যে ছিল করমে
সেই সে হইতে চায়।
নহিলে কে জানে     খলের বচনে
পরাণ সোঁপিলুঁ তায়॥
তোমার পিরিতি     দেখিতে শুনিতে
যে দুখ উঠেছে চিতে।
সে নারী মরুক     যে করে ভরসা
তোমার পিরুতি-রীতে॥
দেখিতে শুনিতে     মানুষ আকার
আছিতে আছিয়ে ঘরে।
হিয়ার ভিতরে     যেমন পুড়িছে
সে দুখ কহিব কারে॥
পূরুবে জানিতাম     হইবে এমতি
পাইব এতেক লাজে।
জ্ঞানদাস কহে     ধৈরজ ধরহ
আপন সুখের কাজে॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^