কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
পরাণ কান্দে বন্ধু তোমা না দেখিয়া
পরাণ কান্দে বঁধু তোমা না দেখিয়া
পরাণ কাঁদে হে বঁধু তোমা না দেখিয়া

কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ১১শ পল্লব, আক্ষেপানুরাগ, ৮০৯- নং পদসংখ্যা, ১২১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

পরাণ কান্দে বন্ধু তোমা না দেখিয়া।
অন্তরে দগধে প্রাণ বিদরয়ে হিয়া॥
বারেক দেখিতে নাহি পাই সব দিনে।
কেমনে বা রবে প্রাণ দরশন বিনে॥
এ দুখ কাহারে কব কে আছে এমন।
তুমি সে পরাণ-বন্ধু জান মোর মন॥ ধ্রু॥
ছটফট করে প্রাণ রহিতে না পারি।
খেণে খেণে জীয়ে প্রাণ খেণে খেণে মরি॥
কুল গেল শীল গেল না রহিল জাতি।
জ্ঞানদাস কহে এই বিষম পিরিতি॥

ই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অনুরাগ---নায়ক সম্বোধনে
॥ সুহই॥

পরাণ কান্দে বন্ধু তোমা না দেখিয়া।
অন্তরে দগধে প্রাণ বিদরয়ে হিয়া॥
বারেক তোমার দেখা নাই সকল দিনে।
কেমনে বা রবে প্রাণ দরশন বিনে॥
এ দুখ কাহারে কব কে আছে এমন।
তুমি সে পরাণ বন্ধু জান মোর মন॥
ছটফট করে প্রাণ রহিতে না পারি।
ক্ষণে ক্ষণে জীয়ে প্রাণ ক্ষণে ক্ষণে মরি॥
কুল গেল শীল গেল না রহিল জাতী।
জ্ঞানদাস কহে এ বিষম পিরীতি॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২২২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়ক সম্বোধন।
॥ সুহই॥

পরাণ কান্দে বন্ধু তোমা না দেখিয়া।
অন্তরে দগধে প্রাণ বিদরয়ে হিয়া॥
বারেক তোমার দেখা নাই সকল দিনে।
কেমনে বা রবে প্রাণ দরশন বিনে॥
এ দুখ কাহারে কব কে আছে এমন।
তুমি সে পরাণ বন্ধু জান মোর মন॥
ছটফট করে প্রাণ রহিতে না পারি।
ক্ষণে ক্ষণে জীয়ে প্রাণ ক্ষণে ক্ষণে মরি॥
কুল গেল শীল গেল না রহিল জাতি।
জ্ঞানদাস কহে এ বিষম পিরীতি॥

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৬০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নায়ক সম্বোধন।
॥ সুহই॥

পরাণ কান্দে বন্ধু তোমা না দেখিয়া।
অন্তরে দগধে প্রাণ বিদরয়ে হিয়া॥ বারেক
তোমার দেখা নাই সকল দিনে। কেমনে
বা রবে প্রাণ দরশন বিনে॥ এ দুখ
কাহারে কব কে আছে এমন। তুমি
সে পরাণ বন্ধু জান মোর মন॥ ছটফট
করে প্রাণ রহিতে না পারি। ক্ষণে ক্ষণে
জীয়ে প্রাণ ক্ষণে ক্ষণে মরি॥ কুল গেল
শীল গেল না রহিল জাতি। জ্ঞানদাস
কহে এ বিষম পিরীতি॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অনুরাগ।
॥ সুহই॥

পরাণ কান্দে বন্ধু তোমা না দেখিয়া।
অন্তরে দগধে প্রাণ বিদরয়ে হিয়া॥
বারেক তোমার দেখা নাই সকল দিনে।
কেমনে বা রবে প্রাণ দরশন বিনে॥
এ দুখ কাহারে কব কে আছে এমন।
তুমি সে পরাণ বন্ধু জান মোর মন॥
ছটফট করে প্রাণ রহিতে না পারি।
ক্ষণে ক্ষণে জীয়ে প্রাণ ক্ষণে ক্ষণে মরি॥
কুল গেল শীল গেল না রহিল জাতি।
জ্ঞানদাস কহে এ বিষম পিরীতি॥

ই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অনুরাগ ও আক্ষেপানুরাগ, ১৯৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

পরাণ কাঁদে বঁধু তোমা না দেখিয়া।
অন্তর দগধে প্রাণ বিদরয়ে হিয়া॥
বার এক দেখা নাই সকল দিনে।
কেমনে রহিবে প্রাণ দরশন বিনে॥
এ দুখ কাহারে কব কে আছে এমন।
তুমি সে পরাণ বঁধু জান মোর মন॥
ছটফট করে প্রাণ রহিতে না পারি।
খেনে খেনে জীয়ে প্রাণ খেনে খেনে মরি॥
কুল গেল শীল গেল না রহিল জাতি।
জ্ঞানদাস কহে কালা কানুর পীরিতি॥

ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২২৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

অনুরাগ।
॥ সুহই॥

পরাণ কান্দে বন্ধু তোমা না দেখিয়া।
অন্তরে দগধে প্রাণ বিদরয়ে হিয়া॥
বারেক তোমার দেখা নাই সকল দিনে।
কেমনে বা রবে প্রাণ দরশন বিনে॥
এ দুখ কাহারে কব কে আছে এমন।
তুমি সে পরাণবন্ধু জান মোর মন॥
ছটফট করে প্রাণ রহিতে না পারি।
ক্ষণে ক্ষণে জীয়ে প্রাণ ক্ষণে ক্ষণে মরি॥
কুল গেল শীল গেল না রহিল জাতি।
জ্ঞানদাস কহে এ বিষম পিরীতি॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদামৃত লহরী”, এর ১২১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ সাক্ষাৎ আক্ষেপ
॥ রাগিণী সিন্ধুড়া - তাল মধ্যম একতালী॥

পরাণ কাঁদে হে বঁধু তোমা না দেখিয়া। অন্তর দগধে
প্রাণ বিদরয়ে হিয়া॥ বারেক তোমার দেখা নাই সকল দিনে।
কেমনে বা রবে প্রাণ দরশন বিনে॥ এ দুঃখ কাহারে কব কে
আছে এমন। তুমি সে পরাণ বঁধু জান মোর মন॥ ছট্ ফট্
করে প্রাণ রহিতে না পারি। ক্ষণে ক্ষণে জীয়ে প্রাণ ক্ষণে ক্ষণে
মরি॥ কুল গেল শীল গেল না রহিল জাতি। জ্ঞানদাস কহে
এই বিষম পীরিতি॥

ই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, আক্ষেপানুরাগ (শ্রীকৃষ্ণ প্রতি), ৩৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

পরাণ কান্দে বঁধু তোমা না দেখিয়া।
অন্তরে দগধে প্রাণ বিদরয়ে হিয়া॥
বারেক তোমার দেখা নাই সকল দিনে।
কেমনে বা রবে প্রাণ দরশন বিনে॥
এ দুখ কাহারে কব কে আছে এমন।
তুমি সে পরাণ বঁধু জান মোর মন॥
ছট ফট করে প্রাণ রহিতে না পারি।
খনে খনে জীয়ে প্রাণ খনে খনে মরি॥
কুল গেল শীল গেল না রহিল জাতি।
জ্ঞানদাস কহে এই বিষম পিরীতি॥

ই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, আক্ষেপানুরাগ, ৪১৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

পরাণ কান্দে বন্ধু তোমা না দেখিয়া।
অন্তরে দগধে প্রাণ বিদরয়ে হিয়া॥
বারেক তোমার দেখা নাই সকল দিনে।
কেমনে বা রবে প্রাণ দরশন বিনে॥
এ দুখ কাহারে কব কে আছে এমন।
তুমি সে পরাণ-বন্ধু জান মোর মন॥
ছট ফট করে প্রাণ রহিতে না পারি।
ক্ষণে ক্ষণে জীয়ে প্রাণ ক্ষণে ক্ষণে মরি॥
কুল গেল শীল গেল না রহিল জাতি।
জ্ঞানদাস কহে এই বিষম পিরীতি॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪২২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

কানু সম্বোধনে
॥ সুহই॥

পরাণ কান্দে বন্ধু তোমা না দেখিয়া।
অন্তরে দগধে প্রাণ বিদরয়ে হিয়া॥
বারেক দেখিতে নাই পাই সব দিনে।
কেমনে বা রবে প্রাণ দরশন বিনে॥
এ দুখ কাহারে কব কে আছে এমন।
তুমি সে পরাণবন্ধু জান মোর মন॥
ছটফট করে প্রাণ রহিতে না পারি।
খেণে খেণে জীয়ে প্রাণ খেণে খেণে মরি॥
কুল গেল শীল গেল না রহিল জাতি।
জ্ঞানদাস কহে এই বিষম পিরীতি॥

ই পদটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ২য় খণ্ড এর ৭০২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

আক্ষেপানুরাগ
॥ বালা ধানশী - জপতাল॥

পরাণ কান্দে বন্ধু তোমা না দেখিয়া।
অন্তরে দগধে প্রাণ বিদরয়ে হিয়া॥
বারেক দেখিতে নাহি পাই সব দিনে।
কেমনে বা রবে প্রাণ দরশন বিনে॥
এ দুখ কাহারে কব কে আছে এমন।
তুমি সে পরাণ বন্ধু জান মোর মন॥ ধ্রু॥
ছটফট করে প্রাণ রহিতে না পারি।
খেণে খেণে জীয়ে প্রাণ খেণে খেণে মরি॥
কুল গেল শীল গেল না রহিল জাতি।
জ্ঞানদাস কহে এই বিষম পিরিতি॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২১৬-পৃষ্ঠায় দেওয়া রয়েছে।

আক্ষেপানুরাগ
॥ সুহই॥

পরাণ কান্দে বন্ধু তোমা না দেখিয়া।
অন্তরে দগধে প্রাণ বিদরয়ে হিয়া॥
বারেক দেখিতে নাই পাই সব দিনে।
কেমনে বা রবে প্রাণ দরশন বিনে॥
এ দুখ কাহারে কব কে আছে এমন।
তুমি সে পরাণ-বন্ধু জান মোর মন॥
ছটফট করে প্রাণ রহিতে না পারি।
খেণে খেণে জীয়ে প্রাণ খেণে খেণে মরি॥
কুল গেল শীল গেল না রহিল জাতি।
জ্ঞানদাস কহে এই বিষম পিরিতি॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য” এর ৪০২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

আক্ষেপানুরগ।

পরাণ কান্দে বন্ধু তোমা না দেখিয়া।
অন্তরে দগধে প্রাণ বিদরয়ে হিয়া॥
বারেক দেখিতে নাহি পাই সব দিনে।
কেমনে বা রবে প্রাণ দরশন বিনে॥
এ দুখ কাহারে কব কে আছে এমন।
তুমি সে পরাণবন্ধু জান মোর মন॥
ছটফট করে প্রাণ রহিতে না পারি।
খেনে খেনে জীয়ে প্রাণ খেনে খেনে মরি॥
কুল গেল শীল গেল না রহিল জাতি।
জ্ঞানদাস কহে এই বিষম পিরিতি॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৩৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

পরাণ কান্দে বন্ধু তোমা না দেখিয়া।
অন্তরে দগধে প্রাণ বিদরয়ে হিয়া॥
বারেক দেখিতে নাহি পাই সব দিনে।
কেমনে বা রবে প্রাণ দরশন বিনে॥
এ দুখ কাহারে কব কে আছে এমন।
তুমি সে পরাণবন্ধু জান মোর মন॥
ছটফট করে প্রাণ রহিতে না পারি।
খেণে খেণে জীয়ে প্রাণ খেণে খেণে মরি॥
কুল গেল শীল গেল না রহিল জাতি।
জ্ঞানদাস কহে এই বিষম পিরীতি॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^