কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
কানু সে জীবন জাতি প্রাণ ধন
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ১১শ পল্লব, আক্ষেপানুরাগ, ৮৯৮-নং পদসংখ্যা, ১৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সুহই॥
কানু সে জীবন জাতি প্রাণ-ধন
এ দুটি আঁখির তারা।
পরাণ-অধিক হিয়ার পুতলী
নিমিখে নিমিখে হারা॥
তোরা কুলবতী ভজ নিজ পতি
যার যেবা মনে লয়।
ভাবিয়া দেখিলুঁ শ্যামবন্ধু বিনু
আর কেহো মোর নয়॥
কি আর বুঝাও কুলের ধরম
মন স্বতন্তর নয়।
কুলবতী হৈয়া রসের পরাণ
আর কার জনি হয়॥
যে মোর করমে লিখন আছিল
বিহি ঘটায়ল মোরে।
তোমরা কুলবতী দেখিলে কুমতি
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥
গুরু দুরুজন বলু কুবচন
না যাব সে লোক-পাড়া।
জ্ঞানদাস কয় কানুর পিরিতি
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
কানু সে জীবন জাতি প্রাণ-ধন
এ দুটি আঁখির তারা।
পরাণ-অধিক হিয়ার পুতলী
নিমিখে নিমিখে হারা॥
তোরা কুলবতী ভজ নিজ পতি
যার যেবা মনে লয়।
ভাবিয়া দেখিলুঁ শ্যামবন্ধু বিনু
আর কেহো মোর নয়॥
কি আর বুঝাও কুলের ধরম
মন স্বতন্তর নয়।
কুলবতী হৈয়া রসের পরাণ
আর কার জনি হয়॥
যে মোর করমে লিখন আছিল
বিহি ঘটায়ল মোরে।
তোমরা কুলবতী দেখিলে কুমতি
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥
গুরু দুরুজন বলু কুবচন
না যাব সে লোক-পাড়া।
জ্ঞানদাস কয় কানুর পিরিতি
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৭৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ---সখী সম্বোধনে।
॥ সুহই॥
কানু সে জীবন, জাতি প্রাণ ধন,
এ দুটী আঁখির তারা।
পরাণ অধিক, হিয়ার পুতলী,
নিমিখে নিমিখে হারা॥
তোরা কুলবতী, ভজ নিজপতি,
যার যেবা মনে লয়।
ভাবিয়া দেখিনু, শ্যাম বন্ধু বিনু,
আর কেহ মোর নয়॥
কি আর বুঝাও, কুলের ধরম,
মন স্বতন্তর নয়।
কুলবতী হৈয়া, রসের পরাণ,
আর কার জানি হয়॥
যে মোর করমে, লিখন আছিল,
বিহি ঘটাওল মোরে।
তোমরা কুলবতী, দেখিনু চুকতি,
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥
গুরু দুরজন, বলু কুবচন,
না যাব সে লোক পাড়া।
জ্ঞানদাস কয়, কানুর পিরীতি,
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
॥ সুহই॥
কানু সে জীবন, জাতি প্রাণ ধন,
এ দুটী আঁখির তারা।
পরাণ অধিক, হিয়ার পুতলী,
নিমিখে নিমিখে হারা॥
তোরা কুলবতী, ভজ নিজপতি,
যার যেবা মনে লয়।
ভাবিয়া দেখিনু, শ্যাম বন্ধু বিনু,
আর কেহ মোর নয়॥
কি আর বুঝাও, কুলের ধরম,
মন স্বতন্তর নয়।
কুলবতী হৈয়া, রসের পরাণ,
আর কার জানি হয়॥
যে মোর করমে, লিখন আছিল,
বিহি ঘটাওল মোরে।
তোমরা কুলবতী, দেখিনু চুকতি,
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥
গুরু দুরজন, বলু কুবচন,
না যাব সে লোক পাড়া।
জ্ঞানদাস কয়, কানুর পিরীতি,
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২২৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী সম্বোধন।
॥ সুহই॥
কানু সে জীবন, জাতি প্রাণ ধন,
এ দুটী আঁখির তারা।
পরাণ অধিক, হিয়ার পুতলী,
নিমিখে নিমিখে হারা॥
তোরা কুলবতী, ভজ নিজপতি,
যার যেবা মনে লয়।
ভাবিয়া দেখিনু, শ্যাম বন্ধু বিনু,
আর কেহ মোর নয়॥
কি আর বুঝাও, কুলের ধরম,
মন সতন্তর নয়।
কুলবতী হৈয়া, রসের পরাণ,
আর কার জানি হয়॥
যে মোর করমে, লিখন আছিল,
বিহি ঘটাওল মোরে।
তোমরা কুলবতী, দেখিনু চুকতি,
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥
গুরু দুরজন, বলু কুবচন,
না যাব সে লোক পাড়া।
জ্ঞানদাস কয়, কানুর পিরীতি,
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
॥ সুহই॥
কানু সে জীবন, জাতি প্রাণ ধন,
এ দুটী আঁখির তারা।
পরাণ অধিক, হিয়ার পুতলী,
নিমিখে নিমিখে হারা॥
তোরা কুলবতী, ভজ নিজপতি,
যার যেবা মনে লয়।
ভাবিয়া দেখিনু, শ্যাম বন্ধু বিনু,
আর কেহ মোর নয়॥
কি আর বুঝাও, কুলের ধরম,
মন সতন্তর নয়।
কুলবতী হৈয়া, রসের পরাণ,
আর কার জানি হয়॥
যে মোর করমে, লিখন আছিল,
বিহি ঘটাওল মোরে।
তোমরা কুলবতী, দেখিনু চুকতি,
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥
গুরু দুরজন, বলু কুবচন,
না যাব সে লোক পাড়া।
জ্ঞানদাস কয়, কানুর পিরীতি,
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৬৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী-সম্বোধন।
॥ সুহই॥
কানু সে জীবন, জাতি প্রাণ ধন, এ
দুটী আঁখির তারা। পরাণ অধিক, হিয়ার
পুতলী, নিমিখে নিমিখে হারা॥ তোরা
কুলবতী, ভজ নিজপতি, যার যেবা মনে
লয়। ভাবিয়া দেখিনু, শ্যাম বন্ধু বিনু, আর
কেহ মোর নয়॥ কি আর বুঝাও, কুলের
ধরম, মন স্বতন্তর নয়। কুলবতী হৈয়া,
রসের পরাণ, আর কার জানি হয়॥ যে
মোর করমে, লিখন আছিল, বিহি ঘটাওল
মোরে। তোমরা কুলবতী, দেখিনু চুকতি,
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥ গুরু দুরজন, বলে
কুবচন, না যাব সে লোক পাড়া। জ্ঞানদাস
কয়, কানুর পিরীতি, জাতি কুল শীল
ছাড়া॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৩৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী-সম্বোধন।
॥ সুহই॥
কানু সে জীবন, জাতি প্রাণ ধন, এ
দুটী আঁখির তারা। পরাণ অধিক, হিয়ার
পুতলী, নিমিখে নিমিখে হারা॥ তোরা
কুলবতী, ভজ নিজপতি, যার যেবা মনে
লয়। ভাবিয়া দেখিনু, শ্যাম বন্ধু বিনু, আর
কেহ মোর নয়॥ কি আর বুঝাও, কুলের
ধরম, মন স্বতন্তর নয়। কুলবতী হৈয়া,
রসের পরাণ, আর কার জানি হয়॥ যে
মোর করমে, লিখন আছিল, বিহি ঘটাওল
মোরে। তোমরা কুলবতী, দেখিনু চুকতি,
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥ গুরু দুরজন, বলে
কুবচন, না যাব সে লোক পাড়া। জ্ঞানদাস
কয়, কানুর পিরীতি, জাতি কুল শীল
ছাড়া॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৩৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ।
॥ সুহই॥
কানু সে জীবন, জাতি প্রাণ ধন,
এ দুটী আঁখির তারা।
পরাণ-অধিক, হিয়ার পুতলী,
নিমিখে নিমিখে হারা॥
তোরা কুলবতী, ভজ নিজপতি,
যার যেবা মনে লয়।
ভাবিয়া দেখিনু, শ্যাম বন্ধু বিনু,
আর কেহ মোর নয়॥
কি আর বুঝাও, কুলের ধরম,
মন স্বতন্তর নয়।
কুলবতী হৈয়া, রসের পরাণ,
আর কার জানি হয়॥
যে মোর করমে, লিখন আছিল,
বিহি ঘটাওল মোরে।
তোমরা কুলবতী, দেখিনু চুকতি,
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥
গুরু দুরজন, বলু কুবচন,
না যাব সে লোক পাড়া।
জ্ঞানদাস কয়, কানুর পিরীতি,
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
॥ সুহই॥
কানু সে জীবন, জাতি প্রাণ ধন,
এ দুটী আঁখির তারা।
পরাণ-অধিক, হিয়ার পুতলী,
নিমিখে নিমিখে হারা॥
তোরা কুলবতী, ভজ নিজপতি,
যার যেবা মনে লয়।
ভাবিয়া দেখিনু, শ্যাম বন্ধু বিনু,
আর কেহ মোর নয়॥
কি আর বুঝাও, কুলের ধরম,
মন স্বতন্তর নয়।
কুলবতী হৈয়া, রসের পরাণ,
আর কার জানি হয়॥
যে মোর করমে, লিখন আছিল,
বিহি ঘটাওল মোরে।
তোমরা কুলবতী, দেখিনু চুকতি,
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥
গুরু দুরজন, বলু কুবচন,
না যাব সে লোক পাড়া।
জ্ঞানদাস কয়, কানুর পিরীতি,
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ৮৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
কানু সে জীবন জাতি প্রাণ-ধন
এ দুটি আঁখির তারা।
পরাণ-অধিক হিয়ার পুতলী
নিমিখে নিমিখে হারা॥
তোরা কুলবতী ভজ নিজ পতি
যার যেবা মনে লয়।
ভাবিয়া দেখিলুঁ শ্যাম বন্ধু বিনু
আর কেহো মোর নয়॥
(কি আর বুঝাও কুলের ধরম
মন স্বতন্তর নয়।
কুলবতী হৈয়া রসের পরাণ
আর কার জানি হয় ॥)
সে মোর করমে লিখন আছিল
বিহি ঘটায়ল মোরে।
তোরা কুলবতী দেখিলে কুমতি
কুল লৈয়া থাক ঘরে ॥
গুরু দুরুজন বলু কুবচন
না যাব সে লোক-পাড়া।
জ্ঞানদাস কয় কানুর পিরীতি
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
এ দুটি আঁখির তারা।
পরাণ-অধিক হিয়ার পুতলী
নিমিখে নিমিখে হারা॥
তোরা কুলবতী ভজ নিজ পতি
যার যেবা মনে লয়।
ভাবিয়া দেখিলুঁ শ্যাম বন্ধু বিনু
আর কেহো মোর নয়॥
(কি আর বুঝাও কুলের ধরম
মন স্বতন্তর নয়।
কুলবতী হৈয়া রসের পরাণ
আর কার জানি হয় ॥)
সে মোর করমে লিখন আছিল
বিহি ঘটায়ল মোরে।
তোরা কুলবতী দেখিলে কুমতি
কুল লৈয়া থাক ঘরে ॥
গুরু দুরুজন বলু কুবচন
না যাব সে লোক-পাড়া।
জ্ঞানদাস কয় কানুর পিরীতি
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
টীকা--
তোরা কুলবতী দেখিলে কুমতি--- তোমরা আমার কুমতি দেখিলে তো? আমি কুল ছাড়িয়া শ্যামকে বরণ করিয়া লইলাম ! তোমাদের যেন এমন না হয়। তোমরা কুল বজায় করিয়া করিয়া ঘরে থাক। আমি থাকিতে পারিলাম না।
তোরা কুলবতী দেখিলে কুমতি--- তোমরা আমার কুমতি দেখিলে তো? আমি কুল ছাড়িয়া শ্যামকে বরণ করিয়া লইলাম ! তোমাদের যেন এমন না হয়। তোমরা কুল বজায় করিয়া করিয়া ঘরে থাক। আমি থাকিতে পারিলাম না।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৩১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ
॥ সুহই॥
কানু সে জীবন, জাতি প্রাণ ধন,
এ দুটি আঁখির তারা।
পরাণ-অধিক, হিয়ার পুতলী,
নিমিখে নিমিখে হারা॥
তোরা কুলবতী, ভজ নিজপতি,
যার যেবা মনে লয়।
ভাবিয়া দেখিনু, শ্যাম বন্ধু বিনু,
আর কেহ মোর নয়॥
কি আর বুঝাও, কুলের ধরম,
মন স্বতন্তর নয়।
কুলবতী হৈয়া, রসের পরাণ,
আর কার জানি হয়॥
যে মোর করমে, লিখন আছিল,
বিহি ঘটাওল মোরে।
তোমরা কুলবতী, দেখিনু চুকতি,
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥
গুরু দুরজন, বলু কুবচন,
না যাব সে লোক-পাড়া।
জ্ঞানদাস কয়, কানুর পিরীতি,
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
॥ সুহই॥
কানু সে জীবন, জাতি প্রাণ ধন,
এ দুটি আঁখির তারা।
পরাণ-অধিক, হিয়ার পুতলী,
নিমিখে নিমিখে হারা॥
তোরা কুলবতী, ভজ নিজপতি,
যার যেবা মনে লয়।
ভাবিয়া দেখিনু, শ্যাম বন্ধু বিনু,
আর কেহ মোর নয়॥
কি আর বুঝাও, কুলের ধরম,
মন স্বতন্তর নয়।
কুলবতী হৈয়া, রসের পরাণ,
আর কার জানি হয়॥
যে মোর করমে, লিখন আছিল,
বিহি ঘটাওল মোরে।
তোমরা কুলবতী, দেখিনু চুকতি,
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥
গুরু দুরজন, বলু কুবচন,
না যাব সে লোক-পাড়া।
জ্ঞানদাস কয়, কানুর পিরীতি,
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
এই পদটি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (১৯৪১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, চাঁদপুর ও মেছড়া স্কুলের ভূতপূর্ব্ব হেডমাস্টার মহাশয় হরিলাল চট্টোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত ও প্রকাশিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্নমালা” ৪র্থ সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৩২৩ বঙ্গাব্দ বা ১৯১৬ খৃষ্টাব্দ) গ্রন্থের ১৮২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
আক্ষেপানুরাগ
(প্রকারান্তর)
॥ সুহিনী॥
কানু সে জীবন জাতি প্রাণধন
এ দুটি আঁখির তারা।
পরাণ-অধিক হিয়ার পুতলী
নিমিখে নিমিখে হারা॥
তোরা কুলবতী ভজ ভজ পতি
যার যেবা মনে লয়।
ভাবিয়া দেখিনু শ্যাম বন্ধু বিনু
আর কেহ মোর নয়॥
কি আর বুঝাও কুলের ধরম
মন সতন্তর নয়।
কুলবতী হৈয়া রসের পরাণ
আর কার জনি হয়॥
যে মোর করমে লিখন আছিল
বিহি ঘটাওল মোরে।
তোমরা কুলবতী দেখিনু মূরতি
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥
গুরু দুরুজন বলু কুবচন
না যাব সে লোক পাড়া।
জ্ঞান দাস কয় কানুর পিরীতি
জাতি কুলশীল ছাড়া॥
(প্রকারান্তর)
॥ সুহিনী॥
কানু সে জীবন জাতি প্রাণধন
এ দুটি আঁখির তারা।
পরাণ-অধিক হিয়ার পুতলী
নিমিখে নিমিখে হারা॥
তোরা কুলবতী ভজ ভজ পতি
যার যেবা মনে লয়।
ভাবিয়া দেখিনু শ্যাম বন্ধু বিনু
আর কেহ মোর নয়॥
কি আর বুঝাও কুলের ধরম
মন সতন্তর নয়।
কুলবতী হৈয়া রসের পরাণ
আর কার জনি হয়॥
যে মোর করমে লিখন আছিল
বিহি ঘটাওল মোরে।
তোমরা কুলবতী দেখিনু মূরতি
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥
গুরু দুরুজন বলু কুবচন
না যাব সে লোক পাড়া।
জ্ঞান দাস কয় কানুর পিরীতি
জাতি কুলশীল ছাড়া॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রূপানুরাগ, ২২৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
কানু সে জীবন জাতি প্রাণ ধন
এ দুটী আঁখির তারা।
পরাণ অধিক হিয়ার পুতলি
নিমিখে নিমিখ হারা॥
তোরা কুলবতী ভজ নিজ পতি
যার যেবা মনে লয়।
ভাবিয়া দেখিলুঁ শ্যাম বন্ধু বিনু
আর কেহ মোর নয়॥
কি আর বুঝাও কুলের ধরম
মন সতন্তর নয়।
কুলবতী হৈয়া রসের পরাণ
আর কার জনি হয়॥
যে মোর করমে লিখন আছিল
বিহি ঘটাওল মোরে।
তোমরা কুলবতী দেখিলুঁ যুকতি
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥
গুরু দুরজন বলে কুবচন
না যাব সে লোক পাড়া।
জ্ঞানদাস কয় কানুর পিরীতি
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
এ দুটী আঁখির তারা।
পরাণ অধিক হিয়ার পুতলি
নিমিখে নিমিখ হারা॥
তোরা কুলবতী ভজ নিজ পতি
যার যেবা মনে লয়।
ভাবিয়া দেখিলুঁ শ্যাম বন্ধু বিনু
আর কেহ মোর নয়॥
কি আর বুঝাও কুলের ধরম
মন সতন্তর নয়।
কুলবতী হৈয়া রসের পরাণ
আর কার জনি হয়॥
যে মোর করমে লিখন আছিল
বিহি ঘটাওল মোরে।
তোমরা কুলবতী দেখিলুঁ যুকতি
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥
গুরু দুরজন বলে কুবচন
না যাব সে লোক পাড়া।
জ্ঞানদাস কয় কানুর পিরীতি
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, আক্ষেপানুরাগ (প্রেম প্রতি), ৩৯১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সুহই॥
কানু সে জীবন জাতি প্রাণ-ধন
এ দুটি আঁখির তারা।
পরাণ অধিক হিয়ার পুতলী
নিমিখে নিমিখে হারা॥
তোরা কুলবতী ভজ নিজ পতি
যার যেবা মনে নয়।
ভাবিয়া দেখিলুঁ শ্যামবন্ধু বিনু
আর কেহ মোর নয়॥
কি আর বুঝাও কুলের ধরম
মন সতন্তর নয়।
কুলবতী হৈয়া রসের পরাণ
আর কার জনি হয়॥
যে মোর করমে লিখন আছিল
বিহি ঘটাওল মোরে।
তোমরা কুলবতী দেখিলুঁ যুকতি
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥
গুরু দুরুজন বলু কুবচন
না যাব সে লোক পাড়া।
জ্ঞানদাস কয় কানুর পিরীতি
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
কানু সে জীবন জাতি প্রাণ-ধন
এ দুটি আঁখির তারা।
পরাণ অধিক হিয়ার পুতলী
নিমিখে নিমিখে হারা॥
তোরা কুলবতী ভজ নিজ পতি
যার যেবা মনে নয়।
ভাবিয়া দেখিলুঁ শ্যামবন্ধু বিনু
আর কেহ মোর নয়॥
কি আর বুঝাও কুলের ধরম
মন সতন্তর নয়।
কুলবতী হৈয়া রসের পরাণ
আর কার জনি হয়॥
যে মোর করমে লিখন আছিল
বিহি ঘটাওল মোরে।
তোমরা কুলবতী দেখিলুঁ যুকতি
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥
গুরু দুরুজন বলু কুবচন
না যাব সে লোক পাড়া।
জ্ঞানদাস কয় কানুর পিরীতি
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রূপানুরাগ, ২২৫-পৃষ্ঠায় পূর্ব পদের পাঠান্তর চণ্ডীদাসের ভণিতায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ শ্রীরাগ॥
কানু সে জীবন জাতি প্রাণ ধন
এ দুটী নয়ানতারা।
হিয়ার মাঝারে পরাণ পুতলি
নিমিখে নিমিখ হারা॥
তোরা কুলবতী ভজ নিজ পতি
যার মনে যেবা লয়।
ভাবিয়া দেখিলুঁ শ্যাম বন্ধু বিনে
আর কেহ মোর নয়॥
কি আর বুঝাও ধরম করম
মন স্বতন্তরী নয়।
কুলবতী হৈয়া পিরীতি আরতি
আর কার জনি হয়॥
যে মোর করম কপালে আছিল
বিহি মিলাওল তায়।
তোরা কুলবতী ভজ নিজ পতি
থাক ঘরে কুল লই॥
গুরু দুরজন বলে কুবচন
সে মোর চন্দন চুয়া।
শ্যাম অনুরাগে এ তনু বেচিলুঁ
তিল তুলসী দিয়া॥
পড়সি দুর্জ্জন বলে কুবচন
না যাব সে লোক পাড়া।
চণ্ডীদাসে কয় কানুর পিরীতি
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
কানু সে জীবন জাতি প্রাণ ধন
এ দুটী নয়ানতারা।
হিয়ার মাঝারে পরাণ পুতলি
নিমিখে নিমিখ হারা॥
তোরা কুলবতী ভজ নিজ পতি
যার মনে যেবা লয়।
ভাবিয়া দেখিলুঁ শ্যাম বন্ধু বিনে
আর কেহ মোর নয়॥
কি আর বুঝাও ধরম করম
মন স্বতন্তরী নয়।
কুলবতী হৈয়া পিরীতি আরতি
আর কার জনি হয়॥
যে মোর করম কপালে আছিল
বিহি মিলাওল তায়।
তোরা কুলবতী ভজ নিজ পতি
থাক ঘরে কুল লই॥
গুরু দুরজন বলে কুবচন
সে মোর চন্দন চুয়া।
শ্যাম অনুরাগে এ তনু বেচিলুঁ
তিল তুলসী দিয়া॥
পড়সি দুর্জ্জন বলে কুবচন
না যাব সে লোক পাড়া।
চণ্ডীদাসে কয় কানুর পিরীতি
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ
॥ সুহই॥
কানু সে জীবন জাতি প্রাণ-ধন
এ দুটি আঁখির তারা।
পরাণ-অধিক হিয়ার পুতলী
নিমিখে নিমিখে হারা॥
তোরা কুলবতী ভজ নিজ পতি
যার যেবা মনে লয়।
ভাবিয়া দেখিলুঁ শ্যামবন্ধু বিনু
আর কেহো মোর নয়॥
যে মোর করমে লিখন আছিল
বিহি ঘটায়ল মোরে।
তোমরা কুলবতী দেখিলে কুমতি
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥
গুরু দুরুজন বলু কুবচন
না যাব সে লোক-পাড়া।
জ্ঞানদাস কয় কানুর পিরিতি
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
*********************
॥ সুহই॥
কানু সে জীবন জাতি প্রাণ-ধন
এ দুটি আঁখির তারা।
পরাণ-অধিক হিয়ার পুতলী
নিমিখে নিমিখে হারা॥
তোরা কুলবতী ভজ নিজ পতি
যার যেবা মনে লয়।
ভাবিয়া দেখিলুঁ শ্যামবন্ধু বিনু
আর কেহো মোর নয়॥
যে মোর করমে লিখন আছিল
বিহি ঘটায়ল মোরে।
তোমরা কুলবতী দেখিলে কুমতি
কুল লৈয়া থাক ঘরে॥
গুরু দুরুজন বলু কুবচন
না যাব সে লোক-পাড়া।
জ্ঞানদাস কয় কানুর পিরিতি
জাতি কুল শীল ছাড়া॥
*********************
