কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি
কি ঘর বাহিরে লোকে বলে দিবা রাতি
কবি জ্ঞানদাস
কি ঘর বাহিরে লোকে বলে দিবা রাতি
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ১১শ পল্লব, আক্ষেপানুরাগ, ৯২২- নং পদসংখ্যা, ১৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ তুড়ী॥
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিল নহে বন্ধুর পিরিতি॥
দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না কহে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে হাম সেই পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি গো কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরম কথা না করে প্রবেশ॥
গৃহকাজ করিতে আউলায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড় বিষম শ্যাম-লেহ॥
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিল নহে বন্ধুর পিরিতি॥
দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না কহে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে হাম সেই পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি গো কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরম কথা না করে প্রবেশ॥
গৃহকাজ করিতে আউলায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড় বিষম শ্যাম-লেহ॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৮১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ---সখী সম্বোধনে
॥ তুড়ি॥
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিতে নহে বন্ধুর পিরীতি॥
অন্তর বাহির চিতে অবিরত জাগ।
না জানি কি লাগি তাহে এত অনুরাগ॥
সই বড়ি পরমাদ।
শয়নে স্বপনে সঙ্গ মনে নাহি অবসাদ॥ ধ্রু।
দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না কহে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে হাম সেই পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরম কথা না করে প্রবেশ॥
গৃহ কাজ করিতে আউলয়ে সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড়ি বিষম শ্যাম লেহ॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৩০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী সম্বোধন।
॥ তুড়ি॥
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিতে নহে বন্ধুর পিরীতি॥
অন্তর বাহির চিতে অবিরত জাগ।
না জানি কি লাগি তাহে এত অনুরাগ॥
সই বড়ি পরমাদ।
শয়নে স্বপনে সঙ্গ মনে নাহি অবসাদ॥
দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না কহে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে হাম সেই পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরম কথা না করে প্রবেশ॥
গৃহ কাজ করিতে আউলয়ে সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড়ি বিষম শ্যাম লেহ॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৬৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী-সম্বোধন।
॥ তুড়ী॥
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিতে নহে বন্ধুর পিরীতি॥
অন্তর বাহির চিতে অবিরত জাগ। না
জানি কি লাগি তাহে এত অনুরাগ॥ সই
বড়ি পরমাদ। শয়নে স্বপনে সঙ্গ মনে নাহি
অবসাদ॥ দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম
বিনে আন। ভরমে আনের কথা না কহে
বয়ান॥ শুনিতে শুনিয়ে হাম সেই পর-
সঙ্গ। সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি কহিতে নাহি দেশ। মরমে
ধরম কথা না করে প্রবেশ॥ গৃহ কাজ
করিতে আউলয়ে সব দেহ। জ্ঞানদাস কহে
বড়ি বিষম শ্যাম লেহ॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৪১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ।
॥ তুড়ি॥
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিতে নহে বন্ধুর পিরীতি॥
অন্তর বাহির চিতে অবিরত জাগ।
না জানি কি লাগি তাহে এত অনুরাগ॥
সই, বড়ি পরমাদ।
শয়নে স্বপনে সঙ্গে মনে নাহি অবসাদ॥ ধ্রু
দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না কহে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে হাম সেই পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরমকথা না করে প্রবেশ॥
গৃহকাজ করিতে আউলয়ে সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড়ি বিষম শ্যামলেহ॥
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৩৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ
॥ তুড়ি॥
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিতে নহে বন্ধুর পিরীতি॥
অন্তর বাহির চিতে অবিরত জাগ।
না জানি কি লাগি তাহে এত অনুরাগ॥
সই, বড়ি পরমাদ।
শয়নে স্বপনে সঙ্গে মনে নাহি অবসাদ॥
দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না কহে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে হাম সেই পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরমকথা না করে প্রবেশ॥
গৃহকাজ করিতে আউলয়ে সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড়ি বিষম শ্যামলেহ॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রূপানুরাগ, ২২৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ তুড়ি॥
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিল নহে বন্ধুর পিরীতি॥
দেখিলে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না কহে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে হাম সেই পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি মোর কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরম কথা না করে প্রবেশ॥
গৃহকাজ করিতে আউলায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড় বিষম শ্যাম-লেহ॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, আক্ষেপানুরাগ, ৩৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিলে নহে বন্ধুর পিরীতি॥
দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না কহে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে হাম সেই পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরম কথা না করে প্রবেশ॥
গৃহকাজ করিতে আউলায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড় বিষম শ্যাম-লেহ॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪২১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
আক্ষেপানুরাগ
॥ তুড়ী॥
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিল নহে বন্ধুর পিরীতি॥
দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না কহে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে সই শ্যাম পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি গো কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরম কথা না করে প্রবেশ॥
গৃহকাজ করিতে অবশ সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড় বিষম শ্যামনেহ॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ
॥ তুড়ী॥
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিল নহে বন্ধুর পিরীতি॥
দেখিতে না দেখি আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না কহে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে হাম সেই পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি গো কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরম কথা না করে প্রবেশ॥
গৃহকাজ করিতে অবশ সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড় বিষম শ্যাম-নেহ॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য” এর ৩৮৯ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
কি ঘর বাহিরে লোকে বলে দিবা রাতি।
জীতে পাসরিতে নারি বন্ধুর পিরিতি॥
(অন্তর বাহিরে চিতে অবিরত জাগে।
না জানি কি লাগি তাহে এত অনুরাগে॥)
বড়ি পরমাদ সই বড় পরমাদ।
শয়নে সপনে মনে নাহি অবসাদ॥
দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না বলে বয়ান॥
শুনিতে শুনিতে কানে সেই পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরম কথা না করে প্রবেশ॥
গৃহকাজ করিতে সব আউলায় দেহ।
জ্ঞানদাস কহে সে বিষম শ্যাম নেহ॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬১১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
কি ঘর বাহিরে লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিল নহে বন্ধুর পিরীতি॥
দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না বলে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে সই শ্যাম পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি গো কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরম কথা না করে প্রবেশ॥
গৃহকাজ করিতে অবশ সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড় বিষম শ্যামনেহ॥
*********************
অনুরাগ---সখী সম্বোধনে
॥ তুড়ি॥
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিতে নহে বন্ধুর পিরীতি॥
অন্তর বাহির চিতে অবিরত জাগ।
না জানি কি লাগি তাহে এত অনুরাগ॥
সই বড়ি পরমাদ।
শয়নে স্বপনে সঙ্গ মনে নাহি অবসাদ॥ ধ্রু।
দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না কহে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে হাম সেই পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরম কথা না করে প্রবেশ॥
গৃহ কাজ করিতে আউলয়ে সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড়ি বিষম শ্যাম লেহ॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৩০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী সম্বোধন।
॥ তুড়ি॥
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিতে নহে বন্ধুর পিরীতি॥
অন্তর বাহির চিতে অবিরত জাগ।
না জানি কি লাগি তাহে এত অনুরাগ॥
সই বড়ি পরমাদ।
শয়নে স্বপনে সঙ্গ মনে নাহি অবসাদ॥
দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না কহে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে হাম সেই পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরম কথা না করে প্রবেশ॥
গৃহ কাজ করিতে আউলয়ে সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড়ি বিষম শ্যাম লেহ॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৬৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী-সম্বোধন।
॥ তুড়ী॥
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিতে নহে বন্ধুর পিরীতি॥
অন্তর বাহির চিতে অবিরত জাগ। না
জানি কি লাগি তাহে এত অনুরাগ॥ সই
বড়ি পরমাদ। শয়নে স্বপনে সঙ্গ মনে নাহি
অবসাদ॥ দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম
বিনে আন। ভরমে আনের কথা না কহে
বয়ান॥ শুনিতে শুনিয়ে হাম সেই পর-
সঙ্গ। সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি কহিতে নাহি দেশ। মরমে
ধরম কথা না করে প্রবেশ॥ গৃহ কাজ
করিতে আউলয়ে সব দেহ। জ্ঞানদাস কহে
বড়ি বিষম শ্যাম লেহ॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৪১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ।
॥ তুড়ি॥
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিতে নহে বন্ধুর পিরীতি॥
অন্তর বাহির চিতে অবিরত জাগ।
না জানি কি লাগি তাহে এত অনুরাগ॥
সই, বড়ি পরমাদ।
শয়নে স্বপনে সঙ্গে মনে নাহি অবসাদ॥ ধ্রু
দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না কহে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে হাম সেই পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরমকথা না করে প্রবেশ॥
গৃহকাজ করিতে আউলয়ে সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড়ি বিষম শ্যামলেহ॥
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৩৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ
॥ তুড়ি॥
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিতে নহে বন্ধুর পিরীতি॥
অন্তর বাহির চিতে অবিরত জাগ।
না জানি কি লাগি তাহে এত অনুরাগ॥
সই, বড়ি পরমাদ।
শয়নে স্বপনে সঙ্গে মনে নাহি অবসাদ॥
দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না কহে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে হাম সেই পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরমকথা না করে প্রবেশ॥
গৃহকাজ করিতে আউলয়ে সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড়ি বিষম শ্যামলেহ॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রূপানুরাগ, ২২৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ তুড়ি॥
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিল নহে বন্ধুর পিরীতি॥
দেখিলে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না কহে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে হাম সেই পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি মোর কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরম কথা না করে প্রবেশ॥
গৃহকাজ করিতে আউলায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড় বিষম শ্যাম-লেহ॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, আক্ষেপানুরাগ, ৩৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিলে নহে বন্ধুর পিরীতি॥
দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না কহে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে হাম সেই পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরম কথা না করে প্রবেশ॥
গৃহকাজ করিতে আউলায় সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড় বিষম শ্যাম-লেহ॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪২১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
আক্ষেপানুরাগ
॥ তুড়ী॥
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিল নহে বন্ধুর পিরীতি॥
দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না কহে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে সই শ্যাম পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি গো কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরম কথা না করে প্রবেশ॥
গৃহকাজ করিতে অবশ সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড় বিষম শ্যামনেহ॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ
॥ তুড়ী॥
কি ঘর বাহির লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিল নহে বন্ধুর পিরীতি॥
দেখিতে না দেখি আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না কহে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে হাম সেই পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি গো কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরম কথা না করে প্রবেশ॥
গৃহকাজ করিতে অবশ সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড় বিষম শ্যাম-নেহ॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য” এর ৩৮৯ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
কি ঘর বাহিরে লোকে বলে দিবা রাতি।
জীতে পাসরিতে নারি বন্ধুর পিরিতি॥
(অন্তর বাহিরে চিতে অবিরত জাগে।
না জানি কি লাগি তাহে এত অনুরাগে॥)
বড়ি পরমাদ সই বড় পরমাদ।
শয়নে সপনে মনে নাহি অবসাদ॥
দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না বলে বয়ান॥
শুনিতে শুনিতে কানে সেই পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরম কথা না করে প্রবেশ॥
গৃহকাজ করিতে সব আউলায় দেহ।
জ্ঞানদাস কহে সে বিষম শ্যাম নেহ॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬১১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
কি ঘর বাহিরে লোকে বলে একি রীতি।
জীতে পাসরিল নহে বন্ধুর পিরীতি॥
দেখিতে না দেখে আঁখি শ্যাম বিনে আন।
ভরমে আনের কথা না বলে বয়ান॥
শুনিতে শুনিয়ে সই শ্যাম পরসঙ্গ।
সোঙরি সঘনে মোর পুলকিত অঙ্গ॥
হিয়ার আরতি গো কহিতে নাহি দেশ।
মরমে ধরম কথা না করে প্রবেশ॥
গৃহকাজ করিতে অবশ সব দেহ।
জ্ঞানদাস কহে বড় বিষম শ্যামনেহ॥
*********************
