কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
একে কুলবতী চিতের আরতি
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭০০ খৃষ্টাব্দে, হরিবল্লভ বা বল্লভ ভণিতার পদকর্তা বিশ্বনাথ চক্রবর্তী দ্বারা সংকলিত এবং ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯৩৮ খৃষ্টাব্দ) রাধানাথ কাবাসী দ্বারা সম্পাদিত "শ্রীশ্রীক্ষণদা-গীতচিন্তামণি" গ্রন্থের, ৫ম ক্ষণদা---কৃষ্ণা পঞ্চমী, ৩৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধা প্রাহ
॥ তথা রাগ॥
একে কুলবতী চিতের আরতি
বিধি বিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম-সুনাগর- পিরীতি-কণ্টক
ফুটল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই মর্ম্ম কহই
পড়িনু বিষম ফান্দে।
অমূল্য রতন বেঢ়ি ফণিগণ
দেখিয়া পরাণ কান্দে॥
গুরু গরবিত বোলে অবিরত
সে সব বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল দু কুল চাহিতে
সংশয়ে পড়ল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ান না যায় সে জন
পরাণ অধিক বড়।
জ্ঞান দাস কহে সে হেন সম্পদ
কাহার ডরে বা এড়॥
॥ তথা রাগ॥
একে কুলবতী চিতের আরতি
বিধি বিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম-সুনাগর- পিরীতি-কণ্টক
ফুটল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই মর্ম্ম কহই
পড়িনু বিষম ফান্দে।
অমূল্য রতন বেঢ়ি ফণিগণ
দেখিয়া পরাণ কান্দে॥
গুরু গরবিত বোলে অবিরত
সে সব বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল দু কুল চাহিতে
সংশয়ে পড়ল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ান না যায় সে জন
পরাণ অধিক বড়।
জ্ঞান দাস কহে সে হেন সম্পদ
কাহার ডরে বা এড়॥
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ১১শ পল্লব, আক্ষেপানুরাগ, ৯৪১- নং পদসংখ্যা, ১৭৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ তুড়ী॥
একে কুলবতী চিতের আরতি
বিধি-বিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম সুনাগর- পিরিতি-কণ্টক
ফুটিল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই মর্ম্ম তোরে কই
পড়িলুঁ বিষম ফাঁদে।
অমূল্য রতন বেড়ি ফণিগণ
দেখিয়া পরাণ কান্দে॥ ধ্রু॥
গুরু গরবিত বোলে অবিরত
এ বড়ি বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল দু কুল চাহিতে
সংশয় পড়ল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ান না যায় সে লোক
পরাণ-অধিক বড়।
জ্ঞানদাস কহে এমন সম্পদ
কাহার ডরে বা এড়॥
একে কুলবতী চিতের আরতি
বিধি-বিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম সুনাগর- পিরিতি-কণ্টক
ফুটিল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই মর্ম্ম তোরে কই
পড়িলুঁ বিষম ফাঁদে।
অমূল্য রতন বেড়ি ফণিগণ
দেখিয়া পরাণ কান্দে॥ ধ্রু॥
গুরু গরবিত বোলে অবিরত
এ বড়ি বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল দু কুল চাহিতে
সংশয় পড়ল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ান না যায় সে লোক
পরাণ-অধিক বড়।
জ্ঞানদাস কহে এমন সম্পদ
কাহার ডরে বা এড়॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৬২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ --- সখী সম্বোধনে
॥ তুড়ী॥
একে কুলবতী, চিতের আরতি,
বিধি বিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম সুনাগর, পিরীতি কণ্টক,
ফুটিল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই, মরম তোমারে কই,
পড়িনু বিষম ফাঁদে।
অমূল রতন, বেড়ি ফণীগণ,
দেখিয়া পরাণ কাঁদে॥
গুরু গরবিত, বোলে অবিরত,
এ বড়ি বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল, দুকুলে চাহিতে,
সংশয় পড়িল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ল, এলোক সে লোক,
পরাণ অধিক বড়।
জ্ঞানদাস কহে, এমন সম্পদ,
কাহার ডরে বা এড়॥
॥ তুড়ী॥
একে কুলবতী, চিতের আরতি,
বিধি বিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম সুনাগর, পিরীতি কণ্টক,
ফুটিল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই, মরম তোমারে কই,
পড়িনু বিষম ফাঁদে।
অমূল রতন, বেড়ি ফণীগণ,
দেখিয়া পরাণ কাঁদে॥
গুরু গরবিত, বোলে অবিরত,
এ বড়ি বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল, দুকুলে চাহিতে,
সংশয় পড়িল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ল, এলোক সে লোক,
পরাণ অধিক বড়।
জ্ঞানদাস কহে, এমন সম্পদ,
কাহার ডরে বা এড়॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২২৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী সম্বোধন।
॥ তুড়ি॥
একে কুলবতী, চিতের আরতি,
বিধি বিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম সুনাগর, পিরীতি কণ্টক,
ফুটিল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই, মরম তোমারে কই,
পড়িনু বিষম ফাঁদে।
অমূল রতন, বেড়ি ফণীগণ,
দেখিয়া পরাণ কাঁদে॥
গুরু গরবিত, বোলে অবিরত,
এ বড়ি বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল, দুকুলে চাহিতে,
সংশয় পড়িল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ল, এলোক সে লোক,
পরাণ অধিক বড়।
জ্ঞানদাস কহে, এমন সম্পদ,
কাহার ডরে বা এড়॥
॥ তুড়ি॥
একে কুলবতী, চিতের আরতি,
বিধি বিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম সুনাগর, পিরীতি কণ্টক,
ফুটিল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই, মরম তোমারে কই,
পড়িনু বিষম ফাঁদে।
অমূল রতন, বেড়ি ফণীগণ,
দেখিয়া পরাণ কাঁদে॥
গুরু গরবিত, বোলে অবিরত,
এ বড়ি বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল, দুকুলে চাহিতে,
সংশয় পড়িল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ল, এলোক সে লোক,
পরাণ অধিক বড়।
জ্ঞানদাস কহে, এমন সম্পদ,
কাহার ডরে বা এড়॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৬১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী-সম্বোধন।
॥ তুড়ী॥
একে কুলবতী, চিতের আরতি, বিধি
বিড়ম্বিত কাজে। শ্যাম সুনাগর, পিরীতি
কণ্টক, ফুটিল হিয়ার মাঝে॥ শুন শুন
সই, মরম তোমারে কই, পড়িনু বিষম
ফাঁদে। অমূল রতন, বেড়ি ফণীগণ,
দেখিয়া পরাণ কাঁদে॥ গুরু গরবিত, বোলে
অবিরত, এ বড়ি বিষম বাধা। এ কুল ও
কুল, দুকুলে চাহিতে, সংশয় পড়িল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ল, এলোক সে লোক, পরাণ
অধিক বড়। জ্ঞানদাস কহে, এমন সম্পদ,
কাহার ডরে বা এড়॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৩৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী-সম্বোধন।
॥ তুড়ী॥
একে কুলবতী, চিতের আরতি, বিধি
বিড়ম্বিত কাজে। শ্যাম সুনাগর, পিরীতি
কণ্টক, ফুটিল হিয়ার মাঝে॥ শুন শুন
সই, মরম তোমারে কই, পড়িনু বিষম
ফাঁদে। অমূল রতন, বেড়ি ফণীগণ,
দেখিয়া পরাণ কাঁদে॥ গুরু গরবিত, বোলে
অবিরত, এ বড়ি বিষম বাধা। এ কুল ও
কুল, দুকুলে চাহিতে, সংশয় পড়িল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ল, এলোক সে লোক, পরাণ
অধিক বড়। জ্ঞানদাস কহে, এমন সম্পদ,
কাহার ডরে বা এড়॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৩৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ।
॥ তুড়ী॥
একে কুলবতী, চিতের আরতি,
বিধি বিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম সুনাগর, পিরীতি-কণ্টক,
ফুটিল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই, মরম তোমারে কই,
পড়িনু বিষম ফাঁদে।
অমূল রতন, বেড়ি ফণীগণ,
দেখিয়া পরাণ কাঁদে॥
গুরু-গরবিত- বোলে অবিরত,
এ বড়ি বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল, দুকুলে চাহিতে,
সংশয় পড়িল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ল, এলোক সে লোক,
পরাণ অধিক বড়।
জ্ঞানদাস কহে, এমন সম্পদ,
কাহার ডরে বা এড়॥
॥ তুড়ী॥
একে কুলবতী, চিতের আরতি,
বিধি বিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম সুনাগর, পিরীতি-কণ্টক,
ফুটিল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই, মরম তোমারে কই,
পড়িনু বিষম ফাঁদে।
অমূল রতন, বেড়ি ফণীগণ,
দেখিয়া পরাণ কাঁদে॥
গুরু-গরবিত- বোলে অবিরত,
এ বড়ি বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল, দুকুলে চাহিতে,
সংশয় পড়িল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ল, এলোক সে লোক,
পরাণ অধিক বড়।
জ্ঞানদাস কহে, এমন সম্পদ,
কাহার ডরে বা এড়॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অনুরাগ ও আক্ষেপানুরাগ, ১৭৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে
একে কুলবতী চিতের আরতি
বিধি বিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম-সুনাগর পিরীতি কণ্টক
ফুটল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই মরম কহই
পড়িনু বিষম ফান্দে।
অমূল্য রতন বেঢ়ি ফণিগণ
দেখিয়া পরাণ কান্দে॥
গুরু গরবিত বলে অবিরত
সে সব বিষম বাধা।
এ কুল ওকুল দু কুল চাহিতে
সংশয়ে পড়ল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ান না যায় সে জন
পরাণ অধিক বড়।
জ্ঞানদাস কহে সে হেন সম্পদ
কাহার ডরে বা এড়॥
বিধি বিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম-সুনাগর পিরীতি কণ্টক
ফুটল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই মরম কহই
পড়িনু বিষম ফান্দে।
অমূল্য রতন বেঢ়ি ফণিগণ
দেখিয়া পরাণ কান্দে॥
গুরু গরবিত বলে অবিরত
সে সব বিষম বাধা।
এ কুল ওকুল দু কুল চাহিতে
সংশয়ে পড়ল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ান না যায় সে জন
পরাণ অধিক বড়।
জ্ঞানদাস কহে সে হেন সম্পদ
কাহার ডরে বা এড়॥
টীকা ---
একে কুলবতী ইত্যাদি --- আমি কুলের বধূ, অথচ যে কাজ লোক বিধিরদ্বারা বিড়ম্বিত সেই কাজে আমার মনের আগ্রহ (চিতের আরতি বা আর্ত্তি)। শ্যামের মতন সুনাগরের প্রেম আমার হৃদয়ের ভিতর যেন কাঁটার মতন বিঁধিয়া আছে।
অমূল্য রতন বেঢ়ি ফণিগণ দেখিয়া পরাণ কান্দে --- সেই শ্যামের প্রেম যেন এক অমূল্য নিধি, কিন্তু তাহা পাইবার উপায় নাই, কেননা সাপেরা উহা বেড়িয়া আছে, সেইজন্য আমার পরাণ কাঁদিতেছে।
গুরু গরবিত --- গুরুজন এবং গরবিত অর্থাত্ মান্য সম্পর্কযুক্ত লোক।
কাহার ভয়ে বা এড় --- কাহার ভয়ে এমন সম্পদ ত্যাগ করিবে।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২২৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
একে কুলবতী ইত্যাদি --- আমি কুলের বধূ, অথচ যে কাজ লোক বিধিরদ্বারা বিড়ম্বিত সেই কাজে আমার মনের আগ্রহ (চিতের আরতি বা আর্ত্তি)। শ্যামের মতন সুনাগরের প্রেম আমার হৃদয়ের ভিতর যেন কাঁটার মতন বিঁধিয়া আছে।
অমূল্য রতন বেঢ়ি ফণিগণ দেখিয়া পরাণ কান্দে --- সেই শ্যামের প্রেম যেন এক অমূল্য নিধি, কিন্তু তাহা পাইবার উপায় নাই, কেননা সাপেরা উহা বেড়িয়া আছে, সেইজন্য আমার পরাণ কাঁদিতেছে।
গুরু গরবিত --- গুরুজন এবং গরবিত অর্থাত্ মান্য সম্পর্কযুক্ত লোক।
কাহার ভয়ে বা এড় --- কাহার ভয়ে এমন সম্পদ ত্যাগ করিবে।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২২৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ
॥ তুড়ী॥
একে কুলবতী, চিতের আরতি,
বিধি বিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম সুনাগর, পিরীতি-কণ্টক,
ফুটিল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই, মরণ তোমারে কই,
পড়িনু বিষম ফাঁদে।
অমূল রতন, বেড়ি ফণীগণ,
দেখিয়া পরাণ কাঁদে॥
গুরু-গরবিত, বোলে অবিরত,
এ বড়ি বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল, দুকুলে চাহিতে,
সংশয় পড়িল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ল, এলোক সে লোক,
পরাণ অধিক বড়।
জ্ঞানদাস কহে, এমন সম্পদ,
কাহার ডরে বা এড়॥
॥ তুড়ী॥
একে কুলবতী, চিতের আরতি,
বিধি বিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম সুনাগর, পিরীতি-কণ্টক,
ফুটিল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই, মরণ তোমারে কই,
পড়িনু বিষম ফাঁদে।
অমূল রতন, বেড়ি ফণীগণ,
দেখিয়া পরাণ কাঁদে॥
গুরু-গরবিত, বোলে অবিরত,
এ বড়ি বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল, দুকুলে চাহিতে,
সংশয় পড়িল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ল, এলোক সে লোক,
পরাণ অধিক বড়।
জ্ঞানদাস কহে, এমন সম্পদ,
কাহার ডরে বা এড়॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, আক্ষেপানুরাগ, ৪১৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ তুড়ী॥
একে কুলবতী চিতের আরতি
বিহি বিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম সুনাগর পিরীতি কণ্টক
ফুটিল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই মরম তোমারে কই
পড়িলুঁ বিষম ফান্দে।
অমূল্য রতন বেড়ি ফণিগণ
দেখিয়া পরাণ কান্দে॥
গুরু গরবিত বোলে অবিরত
এ বড়ি বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল দু কুল চাহিতে
সংশয় পড়ল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়িল এ লোক সে লোক
পরাণ অধিক দড়।
জ্ঞানদাস কহে এমন সম্পদ
কাহার ডরে বা এড়॥
একে কুলবতী চিতের আরতি
বিহি বিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম সুনাগর পিরীতি কণ্টক
ফুটিল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই মরম তোমারে কই
পড়িলুঁ বিষম ফান্দে।
অমূল্য রতন বেড়ি ফণিগণ
দেখিয়া পরাণ কান্দে॥
গুরু গরবিত বোলে অবিরত
এ বড়ি বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল দু কুল চাহিতে
সংশয় পড়ল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়িল এ লোক সে লোক
পরাণ অধিক দড়।
জ্ঞানদাস কহে এমন সম্পদ
কাহার ডরে বা এড়॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪১৮-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
আক্ষেপানুরাগ
॥ তুড়ী॥
একে কুলবতী চিতের আরতি
বিধিবিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম সুনাগর- পিরীতিকণ্টক
ফুটিল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই মর্ম তোরে কই
পড়িলুঁ বিষম ফাঁদে।
অমূল্য রতন বেড়ি ফণিগণ
দেখিয়া পরাণ কান্দে॥ ধ্রু॥
গুরু গরবিত বোলে অবিরত
এ বড়ি বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল দু কুল চাহিতে
সংশয় পড়ল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ান না যায় সে লোক
পরাণ অধিক বড়।
জ্ঞানদাস কহে এমন সম্পদ
কাহার ডরে বা এড়॥
॥ তুড়ী॥
একে কুলবতী চিতের আরতি
বিধিবিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম সুনাগর- পিরীতিকণ্টক
ফুটিল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই মর্ম তোরে কই
পড়িলুঁ বিষম ফাঁদে।
অমূল্য রতন বেড়ি ফণিগণ
দেখিয়া পরাণ কান্দে॥ ধ্রু॥
গুরু গরবিত বোলে অবিরত
এ বড়ি বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল দু কুল চাহিতে
সংশয় পড়ল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ান না যায় সে লোক
পরাণ অধিক বড়।
জ্ঞানদাস কহে এমন সম্পদ
কাহার ডরে বা এড়॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ
॥ তুড়ী॥
একে কুলবতী চিতের আরতি
বিধি-বিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম সুনাগর- পিরিতি-কণ্টক
ফুটিল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই মর্ম তোরে কই
পড়িলুঁ বিষম ফাঁদে।
অমূল্য রতন বেড়ি ফণিগণ
দেখিয়া পরাণ কান্দে॥ ধ্রু॥
গুরু গরবিত বোলে অবিরত
এ বড়ি বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল দু কুল চাহিতে
সংশয় পড়ল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ান না যায় সে লোক
পরাণ-অধিক বড়।
জ্ঞানদাস কহে এমন সম্পদ
কাহার ডরে বা এড়॥
॥ তুড়ী॥
একে কুলবতী চিতের আরতি
বিধি-বিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম সুনাগর- পিরিতি-কণ্টক
ফুটিল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই মর্ম তোরে কই
পড়িলুঁ বিষম ফাঁদে।
অমূল্য রতন বেড়ি ফণিগণ
দেখিয়া পরাণ কান্দে॥ ধ্রু॥
গুরু গরবিত বোলে অবিরত
এ বড়ি বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল দু কুল চাহিতে
সংশয় পড়ল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ান না যায় সে লোক
পরাণ-অধিক বড়।
জ্ঞানদাস কহে এমন সম্পদ
কাহার ডরে বা এড়॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬০১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
একে কুলবতী চিতের আরতি
বিধিবিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম সুনাগর পিরীতিকণ্টক
ফুটিল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই মর্ম তোরে কই
পড়িলুঁ বিষম ফাঁদে।
অমূল্য রতন বেড়ি ফণিগণ
দেখিয়া পরাণ কান্দে॥
গুরু গরবিত বোলে অবিরত
এ বড়ি বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল দু কুল চাহিতে
সংশয় পড়ল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ান না যায় সে লোক
পরাণ অধিক বড়।
জ্ঞানদাস কহে এমন সম্পদ
কাহার ডরে বা এড়॥
*********************
একে কুলবতী চিতের আরতি
বিধিবিড়ম্বিত কাজে।
শ্যাম সুনাগর পিরীতিকণ্টক
ফুটিল হিয়ার মাঝে॥
শুন শুন সই মর্ম তোরে কই
পড়িলুঁ বিষম ফাঁদে।
অমূল্য রতন বেড়ি ফণিগণ
দেখিয়া পরাণ কান্দে॥
গুরু গরবিত বোলে অবিরত
এ বড়ি বিষম বাধা।
এ কুল ও কুল দু কুল চাহিতে
সংশয় পড়ল রাধা॥
ছাড়িলে ছাড়ান না যায় সে লোক
পরাণ অধিক বড়।
জ্ঞানদাস কহে এমন সম্পদ
কাহার ডরে বা এড়॥
*********************
