কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
একে দেখি অতি চিতের আরতি
এবে দেখি অতি চিতের আরতি
কবি জ্ঞানদাস
এবে দেখি অতি চিতের আরতি
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ১১শ পল্লব, আক্ষেপানুরাগ, ৯৪৬- নং পদসংখ্যা, ১৭৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভাটিয়ারী॥
একে দেখি অতি চিতের আরতি
পহিলে না ছিল এত।
ঘরে গুরুজন- গঞ্জনা না মানি
নিতি নিবারিব কত॥
সই ঠেকিলুঁ বিষম ফাঁদে।
কানুর পিরিতি তিলেক বিরতি
হইলে পরাণ কাঁদে॥
সহজে মধুর শ্যামের মুরতি
পিরিতি বুঝিবে কে।
সে সব আদর ভাদর-বাদর
কেমনে ধরিব দে॥
চিতের বিচার উচিত কহিতে
জগত ভরিয়া লাজ।
জ্ঞানদাস কহে ইহার অধিক
রসিক গোপত কাজ॥
একে দেখি অতি চিতের আরতি
পহিলে না ছিল এত।
ঘরে গুরুজন- গঞ্জনা না মানি
নিতি নিবারিব কত॥
সই ঠেকিলুঁ বিষম ফাঁদে।
কানুর পিরিতি তিলেক বিরতি
হইলে পরাণ কাঁদে॥
সহজে মধুর শ্যামের মুরতি
পিরিতি বুঝিবে কে।
সে সব আদর ভাদর-বাদর
কেমনে ধরিব দে॥
চিতের বিচার উচিত কহিতে
জগত ভরিয়া লাজ।
জ্ঞানদাস কহে ইহার অধিক
রসিক গোপত কাজ॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ---সখী সম্বোধনে।
॥ ভাটিয়ারী॥
একে দেখি অতি, চিতের আরতি,
পহিলে না ছিল এত।
ঘরে গুরুজন, গঞ্জনা না মানে,
নিতি নিবারিব কত॥
সই ঠেকিনু বিষম ফাঁদে।
কানুর পিরীতি তিলেক বিরতি,
তিলেক পরাণ কাঁদে॥
সহজে মধুর, শ্যামের মূরতি,
পিরীতি বুঝিবা কে।
সে সব আদর, ভাদর বাদর,
কেমনে ধরিব দে॥
চিতের বিচার, উচিত করিতে,
জগত ভরিয়া লাজ।
জ্ঞানদাস কহে, ইহার অধিক,
রসিক গোপত কাজ॥
॥ ভাটিয়ারী॥
একে দেখি অতি, চিতের আরতি,
পহিলে না ছিল এত।
ঘরে গুরুজন, গঞ্জনা না মানে,
নিতি নিবারিব কত॥
সই ঠেকিনু বিষম ফাঁদে।
কানুর পিরীতি তিলেক বিরতি,
তিলেক পরাণ কাঁদে॥
সহজে মধুর, শ্যামের মূরতি,
পিরীতি বুঝিবা কে।
সে সব আদর, ভাদর বাদর,
কেমনে ধরিব দে॥
চিতের বিচার, উচিত করিতে,
জগত ভরিয়া লাজ।
জ্ঞানদাস কহে, ইহার অধিক,
রসিক গোপত কাজ॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২২৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী সম্বোধন।
॥ ভাটিয়ারী॥
একে দেখি অতি, চিতের আরতি,
পহিলে না ছিল এত।
ঘরে গুরুজন, গঞ্জনা না মানে,
নিতি নিবারিব কত॥
সই ঠেকিনু বিষম ফাঁদে।
কানুর পিরীতি তিলেক বিরতি,
তিলেক পরাণ কাঁদে॥
সহজে মধুর, শ্যামের মূরতি,
পিরীতি বুঝিবা কে।
সে সব আদর, ভাদর বাদর,
কেমনে ধরিব দে॥
চিতের বিচার, উচিত করিতে,
জগত ভরিয়া লাজ।
জ্ঞানদাস কহে, ইহার অধিক,
রসিক গোপত কাজ॥
॥ ভাটিয়ারী॥
একে দেখি অতি, চিতের আরতি,
পহিলে না ছিল এত।
ঘরে গুরুজন, গঞ্জনা না মানে,
নিতি নিবারিব কত॥
সই ঠেকিনু বিষম ফাঁদে।
কানুর পিরীতি তিলেক বিরতি,
তিলেক পরাণ কাঁদে॥
সহজে মধুর, শ্যামের মূরতি,
পিরীতি বুঝিবা কে।
সে সব আদর, ভাদর বাদর,
কেমনে ধরিব দে॥
চিতের বিচার, উচিত করিতে,
জগত ভরিয়া লাজ।
জ্ঞানদাস কহে, ইহার অধিক,
রসিক গোপত কাজ॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৬১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী-সম্বোধন।
॥ ভাটিয়ারী॥
একে দেখি অতি, চিতের আরতি,
পহিলে না ছিল এত। ঘরে গুরুজন,
গঞ্জনা না মানে, নিতি নিবারিব কত॥ সই
ঠেকিনু বিষম ফাঁদে। কানুর পিরীতি
তিলেক বিরতি, তিলেক পরাণ কাঁদে॥
সহজে মধুর, শ্যামের মূরতি, পিরীতি বুঝিবা
কে। সে সব আদর, ভাদর বাদর, কেমনে
ধরিব দে॥ চিতের বিচার, উচিত করিতে,
জগত ভরিয়া লাজ। জ্ঞানদাস কহে, ইহার
অধিক, রসিক গোপত কাজ॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৩৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী-সম্বোধন।
॥ ভাটিয়ারী॥
একে দেখি অতি, চিতের আরতি,
পহিলে না ছিল এত। ঘরে গুরুজন,
গঞ্জনা না মানে, নিতি নিবারিব কত॥ সই
ঠেকিনু বিষম ফাঁদে। কানুর পিরীতি
তিলেক বিরতি, তিলেক পরাণ কাঁদে॥
সহজে মধুর, শ্যামের মূরতি, পিরীতি বুঝিবা
কে। সে সব আদর, ভাদর বাদর, কেমনে
ধরিব দে॥ চিতের বিচার, উচিত করিতে,
জগত ভরিয়া লাজ। জ্ঞানদাস কহে, ইহার
অধিক, রসিক গোপত কাজ॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৩৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ।
॥ ভাটিয়ারী॥
একে দেখি অতি, চিতের আরতি,
পহিলে না ছিল এত।
ঘরে গুরুজন, গঞ্জনা না মানে,
নিতি নিবারিব কত॥
সই, ঠেকিনু বিষম ফাঁদে।
কানুর পিরীতি, তিলেক বিরতি,
তিলেক পরাণ কাঁদে॥
সহজে মধুর, শ্যামের মূরতি,
পিরীতি বুঝিবা কে।
সে সব আদর, ভাদর বাদর,
কেমনে ধরিব দে॥
চিতের বিচার, উচিত করিতে,
জগত ভরিয়া লাজ।
জ্ঞানদাস কহে, ইহার অধিক,
রসিক গোপত কাজ॥
॥ ভাটিয়ারী॥
একে দেখি অতি, চিতের আরতি,
পহিলে না ছিল এত।
ঘরে গুরুজন, গঞ্জনা না মানে,
নিতি নিবারিব কত॥
সই, ঠেকিনু বিষম ফাঁদে।
কানুর পিরীতি, তিলেক বিরতি,
তিলেক পরাণ কাঁদে॥
সহজে মধুর, শ্যামের মূরতি,
পিরীতি বুঝিবা কে।
সে সব আদর, ভাদর বাদর,
কেমনে ধরিব দে॥
চিতের বিচার, উচিত করিতে,
জগত ভরিয়া লাজ।
জ্ঞানদাস কহে, ইহার অধিক,
রসিক গোপত কাজ॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অনুরাগ ও আক্ষেপানুরাগ, ১৭৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে
একে দেখি অতি চিতের আরতি
পহিলে না ছিল এত।
ঘরে গুরুজন গঞ্জনা না মানি
নিতি নিবারিব কত॥
সই ঠেকিলুঁ বিষম ফাঁদে।
কানুর পিরিতি তিলেক বিরতি
হইলে পরাণ কাঁদে॥
সহজে মধুর শ্যামের মূরতি
পিরিতি বুঝিবে কে।
সে সব আদর ভাদর-বাদর
কেমনে ধরিব দে॥
চিতের বিচার উচিত কহিতে
জগত ভরিয়া লাজ।
জ্ঞানদাস কহে ইহার অধিক
রসিক গোপত কাজ॥
পহিলে না ছিল এত।
ঘরে গুরুজন গঞ্জনা না মানি
নিতি নিবারিব কত॥
সই ঠেকিলুঁ বিষম ফাঁদে।
কানুর পিরিতি তিলেক বিরতি
হইলে পরাণ কাঁদে॥
সহজে মধুর শ্যামের মূরতি
পিরিতি বুঝিবে কে।
সে সব আদর ভাদর-বাদর
কেমনে ধরিব দে॥
চিতের বিচার উচিত কহিতে
জগত ভরিয়া লাজ।
জ্ঞানদাস কহে ইহার অধিক
রসিক গোপত কাজ॥
টীকা ---
একে দেখি অতি ইত্যাদি --- একদিকে দেখিতেছি চিত্তের আর্ত্তি বাড়িয়াই চলিয়াছে --- আগে তো এতটা ছিল না --- অন্যদিকে ঘরে ঘরে গুরুজনের গঞ্জনা গ্রাহ্য করি না। ঐ গঞ্জনাকে আর রোজ রোজ ঠেকানো যায় কি করিয়া?
তিলেক বিরতি --- এক তিল সময়ের জন্যও যদি সেই প্রেমের নিবৃত্তি হয়।
সে সব আদর ভাদর-বাদর --- ভাদ্রমাসের বৃষ্টির মত কানুর আদর অনবরত বর্ষিত হয়।
রসিক গোপত কাজ --- শ্রীরাধা বলিতেছেন যে তাঁহার জগত ভরিয়া লজ্জা হইল।
জ্ঞানদাস তাহার উত্তরে বলিতেছেন সে লজ্জার চেয়েও বড় হইতেছে গুপ্ত কাজ অর্থাৎ প্রেম।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২২৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
একে দেখি অতি ইত্যাদি --- একদিকে দেখিতেছি চিত্তের আর্ত্তি বাড়িয়াই চলিয়াছে --- আগে তো এতটা ছিল না --- অন্যদিকে ঘরে ঘরে গুরুজনের গঞ্জনা গ্রাহ্য করি না। ঐ গঞ্জনাকে আর রোজ রোজ ঠেকানো যায় কি করিয়া?
তিলেক বিরতি --- এক তিল সময়ের জন্যও যদি সেই প্রেমের নিবৃত্তি হয়।
সে সব আদর ভাদর-বাদর --- ভাদ্রমাসের বৃষ্টির মত কানুর আদর অনবরত বর্ষিত হয়।
রসিক গোপত কাজ --- শ্রীরাধা বলিতেছেন যে তাঁহার জগত ভরিয়া লজ্জা হইল।
জ্ঞানদাস তাহার উত্তরে বলিতেছেন সে লজ্জার চেয়েও বড় হইতেছে গুপ্ত কাজ অর্থাৎ প্রেম।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২২৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ
॥ ভাটিয়ারী॥
একে দেখি অতি, চিতের আরতি,
পহিলে না ছিল এত।
ঘরে গুরুজন, গঞ্জনা না মানে,
নিতি নিবারিব কত॥
সই, ঠেকিনু বিষম ফাঁদে।
কানুর পিরীতি, তিলেক বিরতি,
তিলেক পরাণ কাঁদে॥
সহজে মধুর, শ্যামের মূরতি,
পিরীতি বুঝিবা কে।
সে সব আদর, ভাদর বাদর,
কেমনে ধরিব দে॥
চিতের বিচার, উচিত করিতে,
জগত ভরিয়া লাজ।
জ্ঞানদাস কহে, ইহার অধিক,
রসিক গোপতকাজ॥
॥ ভাটিয়ারী॥
একে দেখি অতি, চিতের আরতি,
পহিলে না ছিল এত।
ঘরে গুরুজন, গঞ্জনা না মানে,
নিতি নিবারিব কত॥
সই, ঠেকিনু বিষম ফাঁদে।
কানুর পিরীতি, তিলেক বিরতি,
তিলেক পরাণ কাঁদে॥
সহজে মধুর, শ্যামের মূরতি,
পিরীতি বুঝিবা কে।
সে সব আদর, ভাদর বাদর,
কেমনে ধরিব দে॥
চিতের বিচার, উচিত করিতে,
জগত ভরিয়া লাজ।
জ্ঞানদাস কহে, ইহার অধিক,
রসিক গোপতকাজ॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, আক্ষেপানুরাগ, ৪১৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভাটিয়ারি॥
এবে দেখি অতি চিতের আরতি
পহিলে না ছিল এত।
ঘরে গুরুজন গঞ্জনা না মানে
নিতি নিবারিব কত॥
সই ঠেকিলুঁ বিষম ফান্দে।
কানুর পিরিতি তিলেক যে রীতি
তিলেকে পরাণ কান্দে॥
সহজে মধুর শ্যামের মূরতি
পিরীতি বুঝিবে কে।
সে সব আদর ভাদর-বাদর
কেমনে ধরিব দে॥
চিতের বিচার উচিত কহিতে
জগত ভরিয়া লাজ।
জ্ঞানদাস কহে ইহার অধিক
রসিক গোপত কাজ॥
এবে দেখি অতি চিতের আরতি
পহিলে না ছিল এত।
ঘরে গুরুজন গঞ্জনা না মানে
নিতি নিবারিব কত॥
সই ঠেকিলুঁ বিষম ফান্দে।
কানুর পিরিতি তিলেক যে রীতি
তিলেকে পরাণ কান্দে॥
সহজে মধুর শ্যামের মূরতি
পিরীতি বুঝিবে কে।
সে সব আদর ভাদর-বাদর
কেমনে ধরিব দে॥
চিতের বিচার উচিত কহিতে
জগত ভরিয়া লাজ।
জ্ঞানদাস কহে ইহার অধিক
রসিক গোপত কাজ॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অনুরাগ।
॥ সুহই॥
এবে দেখি অতি চিতের আরতি
পহিলে না ছিল এত।
ঘরে গুরুজন--- গঞ্জন না মানি
নিতি নিবারিব কত॥
সই ঠেকিলুঁ বিষম ফাঁদে।
কানুর পিরিতি তিলেক বিরতি
হইলে পরাণ কাঁদে॥
সহজে মধুর শ্যামের মূরতি
পিরিতি বুঝিবে কে।
সে সব আদর ভাদর-বাদর
কেমনে ধরিব দে॥
চিতের বিচার উচিত কহিতে
জগত ভরিয়া লাজ।
জ্ঞানদাস কহে ইহার অধিক
রসিক গোপত কাজ॥
॥ সুহই॥
এবে দেখি অতি চিতের আরতি
পহিলে না ছিল এত।
ঘরে গুরুজন--- গঞ্জন না মানি
নিতি নিবারিব কত॥
সই ঠেকিলুঁ বিষম ফাঁদে।
কানুর পিরিতি তিলেক বিরতি
হইলে পরাণ কাঁদে॥
সহজে মধুর শ্যামের মূরতি
পিরিতি বুঝিবে কে।
সে সব আদর ভাদর-বাদর
কেমনে ধরিব দে॥
চিতের বিচার উচিত কহিতে
জগত ভরিয়া লাজ।
জ্ঞানদাস কহে ইহার অধিক
রসিক গোপত কাজ॥
টীকা ---
এখন দেখিতেছি মনের আরতি বাড়িয়াই চলিয়াছে, প্রথমে তো এমন ছিল না। ঘরে গুরুজনের গঞ্জনা না মানিয়া নিত্য আর (চিত্তকে) কত নিবারণ করিব (মনকে কিরূপে বুঝাইব)? সই বিষম ফান্দে ঠেকিলাম। কানুর পিরিতির তিলেক বিরতি ঘটিলেই প্রাণ কান্দে। সহজেই তো শ্যামের মূর্তি মধুমাখা তাহার প্রীতিকে কে বুঝিবে? ভাদ্রের বৃষ্টিধারার মত সে সব আদর (স্মরণে) কেমনে দেহ ধরিব? চিত্তের বিচারের কথা ঠিকমত বলিতে গেলেই জগৎ ভরিয়া লজ্জা পাইব। জ্ঞানদাস বলিতেছেন, গুপ্ত কাজ ইহার অধিক রসপূর্ণ।
*********************
এখন দেখিতেছি মনের আরতি বাড়িয়াই চলিয়াছে, প্রথমে তো এমন ছিল না। ঘরে গুরুজনের গঞ্জনা না মানিয়া নিত্য আর (চিত্তকে) কত নিবারণ করিব (মনকে কিরূপে বুঝাইব)? সই বিষম ফান্দে ঠেকিলাম। কানুর পিরিতির তিলেক বিরতি ঘটিলেই প্রাণ কান্দে। সহজেই তো শ্যামের মূর্তি মধুমাখা তাহার প্রীতিকে কে বুঝিবে? ভাদ্রের বৃষ্টিধারার মত সে সব আদর (স্মরণে) কেমনে দেহ ধরিব? চিত্তের বিচারের কথা ঠিকমত বলিতে গেলেই জগৎ ভরিয়া লজ্জা পাইব। জ্ঞানদাস বলিতেছেন, গুপ্ত কাজ ইহার অধিক রসপূর্ণ।
*********************
