এই পদটি প্রকাশিত, চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সমস্ত জীবন ধরে, ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, ৪৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এখানে কবির ভণিতা "নশী রাম" রয়েছে।
এই পদটি ১৯০৪ সালে প্রকাশিত ব্রজসুন্দর সান্যাল সম্পাদিত, মূলত আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ ও রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সংগৃহীত, “মুসলমান বৈষ্ণব কবি, ৩য় খণ্ড”, ২৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
টীকা - একখানি হস্তলিখিত প্রাচীন পুঁথিতে এই পদটীর শেষে জ্ঞানদাসের ভণিতি সংযুক্ত হইয়াছে। প্রকৃত পক্ষে পদটী কাহার রচিত তাহা জানিবার জন্য গত বত্সর আমি এই দুইটী পদই অবিকল উদ্ধৃত করিয়া শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া ও আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশ করি। কিন্তু কেহই এপর্য্যন্ত তৎ নির্ণয়ে অগ্রসর হন নাই। নিম্নে জ্ঞান দাসের ভণিতি সংযুক্ত পদটী হইতে পাঠান্তরাদি প্রদর্শিত হইল।---ব্রজসুন্দর সান্যাল, মুসলমান বৈষ্ণব কবি, ৩য় খণ্ড॥
এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত, আবদুল কাদির ও রেজাউল করীম সম্পাদিত, বাঙ্গালী মুসলমান কবিদের রচিত কবিতাবলীর সংকলন “কাব্য-মালঞ্চ”, ৩০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। তাঁরা পদটি পদকল্পতরু থেকে পেয়েছিলেন।