কবি কামিনী রায় - মহিলা কবিদের মধ্যে অন্যতম | তিনি জন্মগ্রহণ করেন অবিভক্ত বাংলার বাখরগঞ্জ
জেলা (পরবর্ত্তিতে বরিশাল জেলার) বাসণ্ডা গ্রামে। তাঁর পিতা চন্ডীচরণ সেন একজন ব্রাহ্মধর্মাবলম্বী, বিচারক
ও ঐতিহাসিক লেখক ছিলেন। তিনি ব্রাহ্ম সমাজের বিশিষ্ট নেতা ছিলেন। তাঁর বোন যামিনী সেন লেডি
ডাক্তার হিসাবে খ্যাতিলাভ করেছিলেন। কবি স্থানীয় স্কুল কলেজের পাঠ শেষ করে কলকাতার
বেথুন কলেজে ভর্তী হন। পরবর্ত্তিতে তিনি বেথুন কলেজে অধ্যাপনাও করেন।

তাঁর মাত্র ১৫ বছর বয়সে প্রথম কাব্য গ্রন্থ "আলো ও ছায়া" ১৮৯৯ সালে প্রকাশিত হয় | এ গ্রন্থটির ভূমিকা
লিখেছিলেন
কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় | কবিতার বই প্রকাশের সাথে সাথেই তা পাঠকের দৃষ্টি আকর্শণ
করে | এ ছাড়া "মাল্য ও নির্মাল্য" (১৯১৩),"অশোক সংগীত" (১৯১৪), "জীবন পথে" (১৯৩০), শিশুদের জন্য
লিখিত কবিতা "পৌরাণিকী" (১৮৯৭), “গুঞ্জন” (১৯০৫), টলস্টয়ের গল্পের অনুবাদ “ধর্মপুত্র” (১৯০৭), নাট্যকাব্য
“অম্বা” (১৯১৫) প্রভৃতি |

তাঁর কবিতা পড়ে বিমোহিত হয়ে সিভিলিয়ান কেদারনাথ রায় তাঁকে বিয়ে করেন ১৮৯৪ সালে। ১৯০৯
খ্রীস্টাব্দে কামিনী রায়ের স্বামীর অপঘাতে মৃত্যু হয়।

সেই শোক ও দুঃখ তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে, যা তাঁর কবিতায় প্রকাশ পায়। তিনি
ব্যক্তিগত বেদনা, দেশ প্রেম, জীবন চিন্তার নানাভাব বিভিন্ন রূপকল্পনা ও প্রতিমার মধ্য দিয়ে তাঁর কাব্যে
নতুন রূপে প্রকাশ করেছেন | মানবতাবোধ এবং নৈতিকতা নিয়েও তাঁর কবিতায় সোচ্চার হয়েছিলেন |

তাঁর "চন্দ্রাপীড়ের জাগরণ" নাট্যকাব্যটি বিশেষ জনপ্রিয় হয়েছিল |

আমরা
মিলনসাগরে  কবি কামিনী রায়ের কবিতা তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে
পারলে আমাদের এই প্রচেষ্টা সার্থক মনে করবো।


উত্স :      ডঃ শিশির কুমার দাশ, সংসদ সাহিত্য সঙ্গী ২০০৩
.              তুষার ভট্টাচার্য, বহরমপুর, জনমত, বর্তমান, ২৪.০৩.২০১৮  
.              
উইকিপেডিয়া  


কবি কামিনী রায়ের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।    


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ২০০৫
পরিব
র্ধিত সংস্করণ - ২৪.৩.২০১৪
...