মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
ব্যাকুলিত হিয়া নাথে সম্বোধিয়া
ভণিতা ভূপ
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার সাহিত্যসভা থেকে খাঁ
চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”,
১৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের ২৯ সংখ্যক গীত।

রামপ্রসাদী সুর ভবানী বিষয়।
আগমনী

ব্যাকুলিত হিয়া                        নাথে সম্বোধিয়া
কহিছে কান্দিয়া নগেন্দ্ররাণী
আজির শপনে                        দেখ্যাছি নয়নে
আমার ভবনে আইল ভবানী।
তার তৃনয়নেতে জলধারা আমায় বলে উঠ গো জননী। চিতাল
আমি আশ্বাছি জনম দুখিনী। ধুয়া
ত্রিভুবনে ধন্যা                        আমার সে কন্যা
রূপে শুলাবনা কি দশা তার
দিনান্তে আহার                           ফলমুল তার
বিধির অবিচার হে নগমনী
নারদে কি কব                        কিবা মতি তব
পিতা হৈয়া হত্যা করিলে নন্দিনী।১
জামতা পাগল                          কি আর সম্বঁল
খাএণ গরল অভরণ ফণী
নামে সূরধনী                              অপর রমণী
জটামাজে রাখেন এমণ শুনী
ভূপে ভাবিছেন                        শিবনিন্দা কেণ
করিতেছ মোহমণে মহারাণী। ২

.                             ****************                                
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
নীল ঘটা শ্রীঅঙ্গ ছটা ভেদি ব্রহ্মা কটাউশৃত
ভণিতা হরেন্দ্র
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার
সাহিত্যসভা থেকে খাঁ চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ
হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”, ২৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের
৬০ সংখ্যক গীত।

ভবানী বিষয় চৌপদী।

নীল ঘণ ঘটা শ্রীঅঙ্গ ছটা                ভেদি ব্রহ্মা কটাউশৃত।
সরূধির শিরে রূচির মালা আজঘন লম্বিঁত।
অমিতবিক্রমে আক্রমে অরি শুন্দরী ষোড়শী কে রণে। চিঃ।
দেখি নাঞি এমন রূপ ণয়ণে হের হর-উড়ে সমরাঙ্গণে। ধুয়া।
হায় তিমিরযামিনীযোগে দামিনী খেলে জেণ।
হসণে বামার দশণে কান্তি করিছেন হেণ।
তপন দহণ শশাঙ্ক শহ নয়নত্রয় শোভে।
বিমুক্ত কুন্তল শৌরভে অতি ভ্রোমরা ভ্রমে লোভে।
রথরথীরাজি গজ বাজিরে অদণ করিছে বদণে।
হায় অধরে রুধিরধারা ধারা সারা বহিছে
ত্রিনয়নে খেয়ে দহন দেখ দনুজ দহিতেছে
মরি ভয় হেরি বামার রূপ গ্রাশিছে বরূথিনী
প্রমাদঘটীনী রুধিরতটিনী বহিছে তরঙ্গিনী
শিবা শব করে অশিব রব পরাভব পাব এ রণে।
হায় কামান্তক-উরবাহিনী কালান্তক কালপ্রায়।
জিণি নীল সময় মহারাজ নাহি ত্রাণ আর প্রাণ যায়।
হরেন্দ্রে কহিছে শুণ হে শুম্ভ তেজ দম্ভ অভিমান।
কালীর চরণে শরণ পসি রক্ষা কর কুল প্রাণ।
ইনী ব্রহ্মমই বিশ্বজননী চিন না মূঢ় মোহমণে।

.                     ****************                                
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
হৃদে ভাব কালীরূপ মুখে বল ডাক্যা তারা
ভণিতা শ্রীহরেন্দ্র ভূপ
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার সাহিত্যসভা থেকে খাঁ
চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”,
২৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের ৫৯ সংখ্যক গীত।

ভবানীবিশয় সারঙ্গ

হৃদে ভাব কালীরূপ মুখে বল ডাক্যা তারা। ধুয়া।
অহিক পারত্রিক তবে না হইবে হারা। চিতাল।
ধর্ম অর্থ মোক্ষ কাম        চতুর্ব্বর্গপ্রদা নাম
ভোগ মোক্ষ করে তার ঐ নাম জপে জারা।
শ্রীহরেন্দ্র ভূপে কয়        অলশ উচিত নয়।
শিয়রে সমন তণু ত্বরা হবে সারা।

.                     ****************                                
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
ও মন কালী ব্রঁহ্মময়ী নাম মুখে জেণ সদা বলে
ভণিতা শ্রীহরেন্দ্র
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার সাহিত্যসভা থেকে খাঁ
চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”,
৪৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের ৯৩ সংখ্যক গীত।

ভবানী বিশয়

ও মন কালী ব্রঁহ্মময়ী নাম মুখে জেণ সদা বলে। ধুয়া।
কালীপদাম্বুজ হনে        মন জেণ নাহি টলে। চিতান।
ও নামে অজ্ঞাণ হরে          ভবশিন্ধু ত্রাণ করে
বেদাগমে প্রমাণ ইহার দেখ লিখা আছে
ত্যজ মন অন্য কাম        জপ নাম অবিশ্রাম
দেহান্তে পাইবে স্থান ঐ রাজার পদতলে।
জন্ম মৃত্যু বারম্বার        তবে না হইবে আর
এড়াবে সকল দুয্খ হনে        ইহা দেড় জান্য
তবে কুল দিল কালী        কালে দিয়া হাতাতালী
শ্রীহরেন্দ্রে কহে কালীপুরে জাবে কতুহলে।

.                     ****************                     
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
অহিক পারত্রিকপ্রদা তারা তোমার কিবা নাম
ভণিতা শ্রীহরেন্দ্র
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার সাহিত্যসভা থেকে খাঁ
চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”,
৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের ১৭ সংখ্যক গীত।

ভবানী বিশয়

অহিক পারত্রিকপ্রদা তারা তোমার কিবা নাম। ধুয়া
ত্বরিত দুরিত হরে পূর্ণ করে মনস্কাম। চিতান
বিষমে দুর্গ্গমে তারা                 রক্ষ বাক্য বলে জারা
ঐ নামে সে বিষমে রাখেন সে জনে।
ও নামের মহিমা যত                তারা তা বলিব কত
দুর্দ্দিনগহনহুতাশন নাম অনুপাম॥ ১
ও নামে অজ্ঞান হয়ে                  বৈরাগ্য প্রদান করে
ভক্ত নরে মুক্ত করে ভববন্দ হনে
শ্রীহরেন্দ্রে কহে তারা           কি আছে ও নামের বাড়া
ঐ নাম লইয়া সারা হৈ জেন পরিনামে॥ ২

.                     ****************                     
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
আমার অন্তরে সদা বিরাজ করে মুক্তকেশী
ভণিতা হরেন্দ্র
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার সাহিত্যসভা থেকে খাঁ
চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”,
৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের ১৮ সংখ্যক গীত।

ভবানীবিশয় বিহাগ।

আমার অন্তরে সদা বিরাজ করে মুক্তকেশী।
বাম করে অশী মাএর ভালে ভাল শিশুশশী।
কৈলে ও রুপ মনন                        পুলকে পুরয় মন
মা আমি হই ধন্য                            দুরে জায় দন্য
আনন্দসাগরে ভাশী। ১
বহুশাস্ত্রে বহুধর্ম্ম                        লিখে নানাবিধ কর্ম্ম
মা কিন্তু পরম আয়াষে সিদ্ধি অতঃপর ভাল না বাশী ২
কহিছে হরেন্দ্র মর্ম্ম                   শ্যামা আমার সর্ব্বধর্ম্ম
ঐ পাদপদ্মেঁ আমার গয়া গঙ্গা বারানশী। ৩

.                     ****************                     
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
আমার যত ধর্ম্ম যত কর্ম্ম যত অভিপ্রায়
ভণিতা শ্রীহরেন্দ্র রায়
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার সাহিত্যসভা থেকে খাঁ
চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”,
৪৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের ৮৮ সংখ্যক গীত।

সরস্বতী বর্ণ্ণনা।

আমার যত ধর্ম্ম যত কর্ম্ম যত অভিপ্রায়
তোমার চরণে সমর্প্পণ সমুদায়।
তোমার ণাম লইয়া জদি আমার এ জে প্রাণ জায়
তবে কি করিবে বেদসাস্ত্রে গয়া আর গঙ্গায়। ১
শুণ রে মন বর্ব্বর             ইহাই ভাল কর দেড়
তবে কি না হবে কহে শ্রীহরেন্দ্র রায়।

.                     ****************                     
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
তুমি ভালবাশ বা না বাশ এহি দুরাত্মমায়
ভণিতা শ্রীহরেন্দ্র ভূপ
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার
সাহিত্যসভা থেকে খাঁ চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ
হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”, ৫২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের
১০৫ সংখ্যক গীত।

ভবানীবিশয়

তুমি ভালবাশ বা না বাশ এহি দুরাত্মমায়
আমি ভালবাসি জেন সদা কাল মা তোমায়। ধুয়া।
জখন রাখ যে ভাবেতে       শুখেতে কিম্বাঁ দুষ্ খেতে
কিঞ্চিত চলিত চিত হয় জেণ না তারা তায়।
শ্রীহরেন্দ্র ভূপে ভণে           য়ন্য আশা নাঞিক মনে
এ দেহপতনে স্থাণ পাই জেণ ঐ রাঙ্গা পায়।

.                     ****************                     
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
তৃগুণাত্মীকা ত্রিলোকমাতা তুমি কালী ব্রঁহ্ম শনাতনী
ভণিতা হরেন্দ্র
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার
সাহিত্যসভা থেকে খাঁ চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ
হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”, ৮৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের
১৭৩ সংখ্যক গীত।

কবি ভবানী বিশয়

তৃগুণাত্মীকা ত্রিলোকমাতা তুমি কালী ব্রঁহ্ম শনাতনী
বেদজননী বিশ্বরূপা মহামায়া নারায়নী।
অনাদি অচিন্ত তুমী তোমায় কে জানিতে পারে। ধুয়া।
অনন্ত মহিমা তোমার তাকি ব্রঁহ্মা বিষ্ণু বুঝিতে পারে। চিঃ।
তৃতা যুগেতে সূর্য্যবংশে অবতীর্ন্ন হৈলে
বিখ্যাত হৈছিল তোমার নাম তারা শ্রীরাম নারায়ণ বল্যে
পামর অমরকণ্ঠক        সেহি দশানন দূরাত্মারে
সংহারিলা করি লীলা উদ্ধারিলা জানকীরে। ১
দ্বাপরে শ্রীনন্দনন্দন হৈয়্যা বৃঁন্দাবনে
নাশীলে কংশাশূরে অন্য দুষ্ট বহুজনে
যুগে যুগেতে এইরূপেতে তুমী পুরূষ প্রিকৃতি হৈয়া
খণ্ডিছ ভূমীভার হরেন্দ্রে এ পদ প্রচারে।

.                     ****************                     
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
শুন মন শুমন্ত্রণা যম যন্ত্রণা এড়াইতে চাও জদি
ভণিতা কবি ভূপ
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার সাহিত্যসভা থেকে খাঁ
চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”,
৭৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের ১৬১ সংখ্যক গীত।

কবি।

শুন মন শুমন্ত্রণা     যম যন্ত্রণা     এড়াইতে চাও জদি
জদি পার হৈতে আর        চাহ ভবনদী
তবে তেজ্যা দম্ভে অবিলম্বেঁ বাঞ্চা কর বারানশী। চিং
চল মণ কাশী হও        অবিরত কাশীবাশী। ধুয়া।
কাশী মহাষ্মশাণ জথা     ইশাণ     বিরাজমাণ সর্ব্বদা।
অন্নপূর্ণারূপে জথা বিরাজেণ মুক্ষদা
চল এ মণ ধামে মণ রে আমার মুক্তিকামে পাবে কীর্ত্তী অবিনাশী।
জাবে সকল দন্য     হবে ধন্য     পাবে পূণ্যরাশী।
তুমি আপনে তরিবে      কুলকে তারিবে      কাটীবে কর্ম্মফাশী।
কবি ভুপে ভাষে      আয়ুর শেষে      মুক্তি তোমার হবে দাশী।

.                     ****************                     
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*