| মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি |
| শুন গিরীরাজ গগণপরে উমা জয়দ্ধুনী করে অমরে ভণিতা শ্রীহরেন্দ্র কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার সাহিত্যসভা থেকে খাঁ চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”, ১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের ১নং গীত। আগমনী শুন গিরীরাজ গগণপরে উমা জয়দ্ধুনী করে অমরে বাজে শজল জলদ গভীর দেব দুন্দুভি বিনা মুরজ শপ্তশ্বরা। চি আশীতেছেন ভবরাণী ভবনন্দিনী তব নন্দিনী জিনী। ধুয়া চল চল সুমঙ্গল সকল সহকারে কুলপুরোহিত পূরস্বরে বর জাইয়া হকপৃয়া উমা মারে চিরদিনান্তরে আণ তারে ঘরে কর ধন্য ধরা হে নগমনী হবে ধন্য তব এ ভবন হবে ধন্য তুমি আল্যে ব্রঁহ্মশনাতনী। তখন নগেন্দ্রনিকেতণে ভবানী-আগমণে মাএর এরূপ অপরূপ হেব়্যা পরে ভাবনা জা মণে সেইরূপ দর্শণে শ্রীহরেন্দ্র চায়্যা রৈল অমনী বহে নয়ণে নীর ধারা শারা প্রেমে হাশে কান্দে কত লোটায়া অবনী। ২ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| কান্দ্যা গিরিরাণী কহিছে উমা দিণান্ধ হৈয়াছি ণা দেখ্যা তোমা ভণিতা ভূপ কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার সাহিত্যসভা থেকে খাঁ চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”, ২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের ২ সংখ্যক গীত। আগমনী কান্দ্যা গিরিরাণী কহিছে উমা দিণান্ধ হৈয়াছি ণা দেখ্যা তোমা আমার দেহ হৈয়াছে প্রাণছাড়া হারা হৈয়াছি নয়নের তারা। চিতাল॥ শুণ ভিকারী শঙ্করদারা। ধুয়া॥ ভব বিভববিহিন তপে তনু ক্ষিণ নিশীদিণ শ্মশাণেতে জটাকেশ যোগীর বেশ মাখে চিতা ভষ্ম অঙ্গেতে নবনী কোমলা কোটী চন্দ্র কলা মা তুমি অবলা জন্ম শুখিনী। তোমার কপালে লিপী এই ধারা দুষ্ খে আমী হইলাম মাত্র সারা। নারদের বাক্যে ভুল্যা মা তোমায় হাতে তুল্যা কব়্যাছি নিক্ষেপণ যেমণ অনলে পতি পাগল তোমার তোমায় দিলেণ পাগলে ভূপে কহে রানী তুমি কি অজ্ঞানী জান যোগদ্বারা ধ্যাণ ধারনে ইনি আদ্যাশক্তি পরাত্পরা জিনী ব্রহ্মময়ি কালী তারা। . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| মনবাঞ্চা তোমার কেমন কও হৈলে কেণ এমন ভণিতা শ্রীহরেন্দ্র কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার সাহিত্যসভা থেকে খাঁ চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”, ২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের ৩ সংখ্যক গীত। ভবানীবিশয় টপ্পা। মনবাঞ্চা তোমার কেমন কও হৈলে কেণ এমন। ধুয়া। পাশরিলে শ্রীনাথ বল্যাছে জেমোণ জেমোণ। চিতাল। বিশয়মদেতে অন্ধ না বুঝিলে ভাল মন্দ পরিনাম মাত্র ডুবাইলে কর্ত্তব্য তোমার জাহা মন না করিলে তাহা হিতে বিপরিত জ্ঞাণ এ আর কেমোণ। কালী জদি দেয় কুল অকুল পাথারে কুল তবে কি করিতে পারে কালে জপ এহি কালী নাম জপে পাবে মোক্ষধাম শ্রীহরেন্দ্র কহে তারা কপাল কি এমন। . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| শারদে শারদারূপ হের নয়নে ভণিতা জানা নেই কারণ পদটির শেষাংশ পাওয়া যায় নি। কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার সাহিত্যসভা থেকে খাঁ চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”, ৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের ৪ সংখ্যক গীত। ভবানীবিশয়। শারদে শারদারূপ হের নয়নে দ্বিজরাজে দিচ্ছে লাজ চন্দ্রমাবদনে। দানদলনী উমা মানব ভবনে হায়। চিতান। হেব়্যা প্রাণ জুড়ায় নয়নেতে কত সুখ পায়। ধুয়া। হায় মহিষমর্দ্দিনী মহাদেবমহিলা পূরূষ প্রকৃতিরূপা অচিন্তলীলা হরিহর বিরিঞ্চিতে নারে বুঝিতে। অনন্ত সহস্রমুখে নারে কহিতে ভক্তজনে ভাব দ্বারা ভাব্যা কিছু বুঝিতে পায়। ১ এরপরের পৃষ্ঠা ৪ ও ৫ নেই। তাই ণিতা সহ এই পদের শেষটা দেওয়া সম্ভব হলো না। . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |