মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
*
দিগ্ বাস গলিত কেশ
ভণিতা ভূপ
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, ২২৭ জন গীতিকারের লেখা ৫৬৬৩টি
গানের সংকলন “বাঙ্গালীর গান” থেকে নেওয়া। এই গীতটি শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত,
কোচবিহার সাহিত্যসভা থেকে খাঁ চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত,
“মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী, ১ম খণ্ড, গীতাবলী” তে নেই।

॥ টোড়ি---ঢিমাএকতালা॥

দিগ্ বাস গলিত কেশ |
মরি ঘোর সমরে বামা কে রে |
কে রে সুন্দর হরহৃদিসরোবর
রক্তোত্পল পদে প্রকাশ ||
তাই এ তনু ধারণে, এ তিন ভুবনে,
এমন মূর্তি দেখি নাই |
ভূপে কয় মোর মনে লয়
বটে বটে বটেরে ভাই
এমন মূর্তি দেখি নাই |
মায়ের ওষ্ঠাধর নব দিবাকর
বদনাঙ্কিতে তিমির নাশ |
ভয়ে দিতিসুতকুল সব চেয়ে রইল,
ভাবে ছলছল, সজল আঁখি, |
ভূপে কয়, মোর মনে লয়,
তারার বরণ তারায় রাখি
তারার বরণতারায় রাখি |
কীবা ত্বঞ্চলাকুল দন্ত উজ্জ্বল অ
তার্ণব অট্ট হাস

.               ****************                                
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
ভুবন ভুলালে রে কার কামিনী ওই রমণী
ভণিতা শ্রীহরেন্দ্র
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, ২২৭ জন গীতিকারের লেখা ৫৬৬৩টি
গানের সংকলন “বাঙ্গালীর গান” থেকে নেওয়া।

॥ বেহাগ---ঢিমেএকতালা॥

ভুবন ভুলালে রে কার কামিনী ওই রমণী |
বামার করে করাল শোভিছে ভাল
করবাল যেন দামিনী ||
সজল জলদ শোণিত অঙ্গে
নাচে ত্রিভঙ্গে তাল বিভঙ্গে রে
মায়ের শিরে শিশু শশী ,ষোড়শী রূপসি
শশিমুখী কাশীবাসিনী ||
অট্ট অট্ট অট্ট হাসিছে রে
নাশিছে  দনুজ মাভৈ ভাষিছে রে,
শ্রীহরেন্দ্র কহিছে হৃদি প্রকাশিছে
তব রূপে ভবজননি ||

ই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার  
সাহিত্যসভা থেকে খাঁ চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ  
হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”, ৬৭-পৃষ্ঠায় রয়েছে। এটি গ্রন্থের ১৩৭
সংখ্যক গীত। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে আমাদের সংগ্রহের গ্রন্থে ওই পাতাটি নেই।

ই গীতটি ১৯৪২ খৃষ্টাব্দে (১ম সংস্করণ) অমরেন্দ্রনাথ রায় সম্পাদিত, কলিকাতা
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত "শাক্ত পদাবলী" সংকলনে ৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে প্রকাশিত
হয়েছে।

ভুবন ভুলালে রে কার কামিনী ঐ রমণী!
বামার করে করাল শোভিছে ভাল করবাল যেন দামিনী॥
.                সজল জলদ শোণিত অঙ্গে,
.                নাচে ত্রিভঙ্গে তাল বিভঙ্গে রে।
মায়ের শিরে শিশুশশী ষোড়শী রূপসী
.                শশিমুখী কাশীবাসিনী॥
.                অট্ট অট্ট অট্ট হাসিছে রে,
.                নাশিছে দনুজ মাভৈ ভাষিছে রে,
শ্রীহরেন্দ্র কহিছে                        হৃদি প্রকাশিছে
.                তব রূপে ভব-জননী॥

ই গীতটি কমলকুমার গঙ্গোপাধ্যায় সম্পাদিত, “শাক্ত-পদ সাহিত্য ও শাক্ত-
পদাবলী চয়ন” সংকলনের ১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

ভুবন ভুলালে রে কার কামিনী ঐ রমণী।
বামার করে করাল শোভিছে ভাল করবাল যেন দামিনী॥
.                সজল জলদ শোণিত অংগে,
.                নাচে ত্রিভংগে তাল বিভংগে রে।
.                মায়ের শিরে শিশুশশী ষোড়শী রূপসী
.                শশীমুখী কাশীবাসিনী॥
.                অট্ট অট্ট অট্ট হাসিছে রে,
.                নাশিছে দনুজ মাভৈ ভাষিছে রে,
শ্রীহরেন্দ্র কহিছে                        হৃদি প্রকাশিছে
.                তব রূপে ভব-জননী॥

.               ****************                                
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
তার কী শমনে ভয় মা যার শ্যামা
হায় তার কী শমনে ভয় মা যার শ্যামা
ভণিতা শ্রীহরেন্দ্র ভূপ
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, ২২৭ জন গীতিকারের লেখা ৫৬৬৩টি
গানের সংকলন “বাঙ্গালীর গান” থেকে নেওয়া।

॥ খাম্বাজ---একতালা॥

তার কী শমনে ভয় মা যার শ্যামা  |
শ্রীহরেন্দ্র ভূপে কয়, ভবে কী আর আছে ভয়,
অন্তে যাব তাঁর ধামে বাজাইয়ে দামা  ||

ই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার  
সাহিত্যসভা থেকে খাঁ চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ  
হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”, ৪৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের
৯০ সংখ্যক গীত।

ভবানী বিশয়

হায় তার কি সমণের ভয় মা জার শ্যামা হয়। ধুয়া।
অতুল অপ্রাপ্য চরণ তার কি উপমা হয়। চিতান।
কিবা দিবাবিভাবরি        ঐ নাম স্মরণ করি
অন্তরে বিরাজে আমার শ্যামা গুণধামা হয়।
শ্রীহরেন্দ্র ভূপে কয়        ভবে কিবা আছে ভয়
অন্তে জাব তারাধামে বাজাইয়া দামা॥

.               ****************                                
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
শুন গিরীরাজ গগণপরে উমা জয়দ্ধুনী করে অমরে
ভণিতা শ্রীহরেন্দ্র
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার সাহিত্যসভা থেকে খাঁ
চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”,
১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের ১নং গীত।

আগমনী

শুন গিরীরাজ গগণপরে                উমা জয়দ্ধুনী করে অমরে
বাজে শজল জলদ গভীর দেব দুন্দুভি বিনা মুরজ শপ্তশ্বরা। চি
আশীতেছেন ভবরাণী ভবনন্দিনী তব নন্দিনী জিনী। ধুয়া
চল চল সুমঙ্গল সকল সহকারে                কুলপুরোহিত পূরস্বরে
বর জাইয়া হকপৃয়া উমা মারে
চিরদিনান্তরে                                আণ তারে ঘরে
কর ধন্য ধরা হে নগমনী
হবে ধন্য তব এ ভবন
হবে ধন্য তুমি আল্যে ব্রঁহ্মশনাতনী।

তখন নগেন্দ্রনিকেতণে                        ভবানী-আগমণে
মাএর এরূপ অপরূপ হেব়্যা পরে
ভাবনা জা মণে                                সেইরূপ দর্শণে
শ্রীহরেন্দ্র চায়্যা রৈল অমনী
বহে নয়ণে নীর ধারা শারা প্রেমে হাশে কান্দে কত লোটায়া অবনী। ২

.           ****************            
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
কান্দ্যা গিরিরাণী কহিছে উমা দিণান্ধ হৈয়াছি ণা দেখ্যা তোমা
ভণিতা ভূপ
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার সাহিত্যসভা থেকে খাঁ
চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”,
২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের ২ সংখ্যক গীত।

আগমনী

কান্দ্যা গিরিরাণী কহিছে উমা                দিণান্ধ হৈয়াছি ণা দেখ্যা তোমা
আমার দেহ হৈয়াছে প্রাণছাড়া         হারা হৈয়াছি নয়নের তারা। চিতাল॥
শুণ ভিকারী শঙ্করদারা। ধুয়া॥
ভব বিভববিহিন তপে তনু ক্ষিণ নিশীদিণ শ্মশাণেতে
জটাকেশ যোগীর বেশ মাখে চিতা ভষ্ম অঙ্গেতে
নবনী কোমলা     কোটী চন্দ্র কলা     মা তুমি অবলা     জন্ম শুখিনী।
তোমার কপালে লিপী এই ধারা দুষ্ খে আমী হইলাম মাত্র সারা।
নারদের বাক্যে ভুল্যা               মা তোমায় হাতে তুল্যা
কব়্যাছি নিক্ষেপণ যেমণ অনলে পতি পাগল তোমার তোমায় দিলেণ পাগলে
ভূপে কহে রানী                            তুমি কি অজ্ঞানী
জান যোগদ্বারা                                  ধ্যাণ ধারনে
ইনি আদ্যাশক্তি পরাত্পরা                        জিনী ব্রহ্মময়ি কালী তারা।

.           ****************            
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
মনবাঞ্চা তোমার কেমন কও হৈলে কেণ এমন
ভণিতা শ্রীহরেন্দ্র
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার সাহিত্যসভা থেকে খাঁ
চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”,
২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের ৩ সংখ্যক গীত।

ভবানীবিশয় টপ্পা।

মনবাঞ্চা তোমার কেমন কও হৈলে কেণ এমন। ধুয়া।
পাশরিলে শ্রীনাথ বল্যাছে জেমোণ জেমোণ। চিতাল।
বিশয়মদেতে অন্ধ                        না বুঝিলে ভাল মন্দ
পরিনাম মাত্র ডুবাইলে
কর্ত্তব্য তোমার জাহা        মন না করিলে তাহা
হিতে বিপরিত জ্ঞাণ এ আর কেমোণ।
কালী জদি দেয় কুল                        অকুল পাথারে কুল
তবে কি করিতে পারে কালে
জপ এহি কালী নাম                     জপে পাবে মোক্ষধাম
শ্রীহরেন্দ্র কহে তারা কপাল কি এমন।

.           ****************            
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
শারদে শারদারূপ হের নয়নে
ভণিতা জানা নেই কারণ পদটির শেষাংশ পাওয়া যায় নি।
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার সাহিত্যসভা থেকে খাঁ
চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”,
৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের ৪ সংখ্যক গীত।

ভবানীবিশয়।

শারদে শারদারূপ হের নয়নে
দ্বিজরাজে দিচ্ছে লাজ চন্দ্রমাবদনে।
দানদলনী উমা মানব ভবনে হায়। চিতান।
হেব়্যা প্রাণ জুড়ায় নয়নেতে কত সুখ পায়। ধুয়া।
হায় মহিষমর্দ্দিনী মহাদেবমহিলা
পূরূষ প্রকৃতিরূপা অচিন্তলীলা
হরিহর বিরিঞ্চিতে নারে বুঝিতে।
অনন্ত সহস্রমুখে নারে কহিতে
ভক্তজনে ভাব দ্বারা ভাব্যা কিছু বুঝিতে পায়। ১

এরপরের পৃষ্ঠা ৪ ও ৫ নেই। তাই ণিতা সহ এই পদের শেষটা দেওয়া সম্ভব হলো না।

.           ****************            
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
ধন্য শরদ রিতু হৈল ধন্যতরা ধরা
ভণিতা হরেন্দ্র
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার
সাহিত্যসভা থেকে খাঁ চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ
হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”, ৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের
৭ সংখ্যক গীত।

কবি ভবানীবিশয়।

ধন্য শরদ রিতু হৈল ধন্যতরা ধরা
মনূজপুরে দেখ বিরাজে দনুজহরা॥ চিতাল।
আশ্যাছ জদি তবে পুরাওগো বাশনা তারা। ধু।
আমি আকৃতি আমা প্রতি হের হরজায়া
ভাব্যাঁ সুকর্ম্ম     দহে মর্ম্ম     শুন মহামায়া
.        বিশয়মদেতে অন্ধ হৈয়াছি ভজনহারা
ভবজলধি অতি দেখিতেছি শুদস্তরা।
কি মন্দমতি নাহি মতি আমার তোমার পদে
হরেন্দ্রে কহে দিন গওাইলাম (গওয়াইলাম) না মোহমদে
জিবন জলের বিম্ব তরা তনু হবে সারা
কোন রূপেতে তারা মুক্ত কব়্যো ভবকারা

.           ****************            
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
জেমত অঞ্জণ জিমুত সবিদ্যুত গগণে
ভণিতা শ্রীহরেন্দ্র
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার
সাহিত্যসভা থেকে খাঁ চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ
হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”, ৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের
৮ সংখ্যক গীত।

ভবানীবিশয়
বসন্তরাগ

জেমত অঞ্জণ জিমুত সবিদ্যুত গগণে
তেমনী রমণীরূপা কে রণাঙ্গনে
বিবশনা কে লোলরশনা সমরে একায়
কালান্তক কালরূপা কালান্তক---উরে হায়। ধুয়া
তড়িত জড়িত হাসী তড়িতগামিনী
নধরনিকরে জেন নিশাকরশ্রেনী
নৃকরকিঙ্কিনী ক্ষিন কঙ্কালে বিরাজে
বামে অশী ভালে শশী                কি শোভা হইয়াছে তায়। ১
গভির গরজে জেন অসনী সম্পাত
বিদির্ন্ন করিছে ধরা পরিছে নির্ঘাত
ফুটীল ব্রঁহ্মাণ্ড বুঝি ঘটীল প্রমাদ
টুটীল বিবাদের সাধ বামায় হেব়্যা প্রাণ যায়। ২
নিবেদী দনুজরাজ জানিবে নিশ্চয়
পাব পরাভব রণে জাব যমালয়
শ্রীহরেন্দ্রে কহে ওহে দিতীসুতচয়
কব়্যা ত্যজ কক্ষা হবে শরন পস শ্যামাপায়। ৩

.           ****************            
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
অজ্ঞান-অঞ্জনহরা জ্ঞানপ্রদা শক্তি পরাত্পরা
ভণিতা ভূপ
কবি মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
এই গীতটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দে (১৯২০ খৃষ্টাব্দে) শরচ্চন্দ্র ঘোষাল সম্পাদিত, কোচবিহার  
সাহিত্যসভা থেকে খাঁ চৌধুরী আমানতউল্ল্যা আহমদ কর্ত্তৃক প্রকাশিত, “মহারাজ  
হরেন্দ্রনারায়ণের গ্রন্থাবলী। ১ম খণ্ড গীতাবলী”, ৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থের
৯ সংখ্যক গীত।

ভবানীবিশয়

অজ্ঞান-অঞ্জনহরা জ্ঞানপ্রদা শক্তি পরাত্পরা
জার নাম নইলে মুক্তি মিলে     ভবার্ন্নব জায় তরা। চি
ঐ কালীর নামটী জপ্যা মন হৈয়াছে মোর পাগলপারা
হৈয়াছে ভাল গড়ন     মন হৈয়না ও নামছাড়া। ধু
জদি কত ভাগ্যে     ঐ অনুরাগে     হৈছ খাড়া॥
তবে হবে পুর্ন্ন আসা বুঝ আর কি আছে ইহার বাড়া। ১
দেইখতেছ অনিত্য এ শংসার জেমন ধারা
ভূপে ভাষে ভয় কি কালীর নামে দিবে যমে তরা। ২

.           ****************            
.                                                                                
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*