দুলে উঠল বান্ধবীটির নাভি এবং স্বর তার ওপারে মধুর ধু ধু জ্বলছে ভয়ংকর
সেই খতাটা বোঝাতে চাই রোজ রূপকথা বা রূপোকথার খোঁজ বন্ধ রেখে আয়না দু’পা হাঁটি ঘায় হয়ে চ’ শান্ত গাঢ় মাটির বুকের নীচে কিছু শিকড় ছাড়াই
কিংবা ভাঙি তুমুল কিছু চড়াই না, তারা না, ছোঁব পাহাড়-শেষ ওটাও কোনো অহংকারী রেশ তবুও চূড়া নিপাট ধরাতল আকাশ ভালো, পাহাড় ভালো, তারা অমঙ্গল।
তারা সে খসবেই অন্ধকারের মরণ তাকে নিয়ত টানবেই জলের পরী উড়তে চাইছে তবু সয় না বাধা, সয় না কোনো সবুর শ্যাওলা হয়ে তাকে যখন বাঁধি প্রাণের আকুল প্রবণতায় জলের জীবন সাধি
জ্বলছে আজও বান্ধবীটির নাভিক্ষরা স্বর সে বুঝছে না তারার আলো মধুর ভয়ংকর।
জোকারদের রংচঙে কুর্তার মত রঙিন আমার চুল, . চওড়া স্থায়ী হাসির মত ঝিলমিলে ত্বক।
. স্বেচ্ছায় বেছেছি জোকারগিরি, কে চায় পিপীলিকার মত পাখাওয়ালাদের সহানুভূতি!
. জোকারের কোনো দায় নেই বিশেষ কিছু করার . সে যাই করুক লোকে হাসে। এমন কী আসে পাশের পিপীলিকারা . রামচিমটি শ্যামচিমটি কাটলে . ভেউ ভেউ কেঁদে নিতেও পারে . একান্তর
স্থায়ী অন্তরায় হয় না . এই সব মৌলিক সঞ্চারীর মত জলের উত্স।
কত মেয়েই তো কাটাচ্ছে এই জোকারজীবন আলাদা করে তাই আর মেয়ে জোকার পাওয়া যায় না।