কবি প্রণবেন্দু দাশগুপ্তর কবিতা
|
ঋণী আমি তবু রইলাম এই মুহূর্তের জন্যে--- যখন বাইরের গরম, আর
. ভেতরের শীত
সবকিছু মিলেমিশে পৃথিবীকে রেফ্রিজারেটারের মতো তৈরি করেছিল।
একবার ভাবলাম, মহামান্য পোপের মতো মাটিকে চুম্বন করে বলি
“হে পৃথিবী, ভালবাসা নাও।” কিন্তু আমি নিজেই তো কৃপাপ্রার্থী, প্রেমের
. কাঙাল,
এক জাঙ্গাল বন-বাদাড় ভেঙে এসে যেখানে দাঁড়িয়ে আছি
তার কাছাকাছি আরো মানুষেরা কী যেন খুঁজছে, চাইছে,
প্রায় ঠিক যুবকবেলার আমার ধরণে। মনে যতটুকু ধরে,
থরে থরে তাকে বাইরে সাজিয়ে রাখতে গিয়ে দেখি
ঢিবির-ওপরে বসা ঐ দেহাত মেয়েটা কখন হারিয়ে গেছে---
স্কার্ট-পরা একটা বড়লোকদের বাড়ির এক সুঠাম তরুণী
সূর্যাস্তের দিকে তার সাদা কুকুরটাকে ছুটিয়ে ছুটিয়ে
যখন আমার দিকে টাল খেয়ে তাকাল, তখন সাতটা ঘড়িতে।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
বাবলি আরও বেশি চেনা, রানির মতো রানি,
চাবুকে নয় থাকবে সুখে এখন জনপ্রাণী।
বাবলু তুই রাজা হলে ভুলবি না তো আমায় ?
ছোট একটা তালি আমি দিয়েছি তোর জামায়।
বাবলি, তুই বড্ড রোগা, ঘুমকাতুরে বড়---
রাত না হতে তুই কেবলই খিদেয় জড়সড় ;
এখন তোরা রাজারানি, খাওয়াবি আর খাবি।
একটা টাকা ওদের দিলে দশটা টাকা পাবি।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
হাওয়া কি জানাতে চায় তাকে কিছু ? পাখি কি জানায় ?
মানুষশাসিত এই পৃথিবীতে সে একটু ঠাঁই চেয়েছিল।
এখন অবাক চোখে সে কেবল অন্ধকারে তাকিয়ে রয়েছে॥
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
থাকেতে চাই,
রাজারানি
কবি প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত
বাবলু, তুই রাজা হবি, বাবলি তুই রানি ?
গা থেকে সব ফেলব ঝেড়ে নোংরা কাঁথাখানি।
নীলচে রঙের পাখিরা সব সাদা নোলক পরে
চীনের দেশে তখন মেলে একটু বা উত্তরে।