কবি সুব্রত রুদ্র-র জন্ম ১৯শে আগস্ট ১৯৪৭সালে কলকাতায় |
কবি সুব্রত রুদ্র সর্বক্ষণের জন্য সাহিত্যমনস্ক | সাহিত্যের জন্যই কবি অন্য কোন জীবিকার সন্ধান করেন
নি | তিনি প্রধানত কবি, এছাড়া প্রচুর প্রবন্ধ, অনুবাদ,বই সম্পাদনা করেছেন | সব মিলিয়ে তার বইয়ের
সংখ্যা আশি পেরিয়ে গেছে |
কবির উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলি হলো গাঢ়তম ছায়া, বেঁচে থাকবে কেন, যমপুরীতে কবিতা, হাসতে শিখেছে
গম্বুজ, আগুনে কে পোড়াবে তোমাকে, পিঠফেরানো ময়ূর, আত্মাহুতির দিন, দেশ তো একটা বাড়ি,
জলফড়িঙের চোখে, ওই দেখা যায় বাড়ি আমার, হাসি-হাসি বাজার |
কবির উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধের বই,কাদম্বরী দেবী, ক্ষণকালের ছন্দ, প্রবন্ধকার জীবনানন্দ , ও প্রমথেশ বড়ুয়ার
জীবনচরিত |
কবির উল্লেখযোগ্য অনুবাদ কর্ম, চৈতন্যদেবের কবিতা, বিদ্রোহের গান | এছাড়া সম্পাদিত বইয়ের মধ্যে
বিশেষ কয়েকটি হল : মহাত্মা, প্রেমিক সন্ন্যাসী, রবীন্দ্রসংগীত চিন্তা, কমলকুমার রচনা ও স্মৃতি,
রবীন্দ্রনাথকে কৌতুক, গণসংগীত-সংগ্রহ, লালনের গৌরগান, সত্যজিৎ : জীবন আর শিল্প, জীবনানন্দ : জীবন
আর সৃষ্টি, রেখো মা দাসেরে মনে |
কবি ‘গণসংগীত সংগ্রহ’ সম্পাদনা করবার জন্য অনেক পরিশ্রম করেছেন | গণসংগীত-সংগ্রহের পরিকল্পনা
কবির ছিল কবির অনেকদিনের পুরনো | যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে কবিকে হেমাঙ্গ বিশ্বাসের
সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন প্রখ্যাত কবি শঙ্খ ঘোষ | ওখানেই তিনি হেমাঙ্গ বিশ্বাসের গান শোনেন |
হেমাঙ্গ বিশ্বাসের প্রেরনায় তিনি গণসংগীত বিষয়ে এই পূর্ণাঙ্গ সংগ্রহ প্রস্ত্তত করেন |
কবি অনেক সম্মান ও পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন | এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য, গান্ধী মেমোরিয়াল কমিটি প্রদত্ত
২রা অক্টোবর, ১৯৭৫ সালে “গান্ধী স্মারক সম্মান” ১৯৯১ সালে “বীরেন্দ্র পুরস্কার,” ১৯৯৬ সালে “দেবাঞ্জলি
মুখোপাধ্যায় স্মৃতি পুরস্কার”, ১৭ই ফেব্রুয়ারী ২০০৫ তারিখে “কবিসত্র পুরস্কার” এবং ২০০৯ সালে “
মাইকেল মধুসূদন পুরস্কার” |
কবির সাথে যোগাযোগের ঠিকানা
পি-- ৩৬, সি. আই. টি. স্কিম ১১৪ এ, লেক গার্ডেন্স , কলিকাতা --৭০০০৪৫.
কবির কলকাতার বাসভবনে সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছেন মিলনসাগরের পক্ষে মানস গুপ্ত, ২৯.০৩.২০১১
তারিখে |
আমাদের যোগাযোগের ঠিকানা :-
মিলনসাগর
srimilansengupta@yahoo.co.in
.