একা পড়তে চেয়েছি বোঝাপড়া; সারকথা . ভীতি ও প্রলাপ একটি বাকরুদ্ধ-কথা আমি লিখে রাখলেই কৌতূহল যারা আমাকে দেখে গেছে পরজন্মে পরশু-তরশুদের . বাড়ি যদিও ঘটনাচক্রে তেমন কিছু পাওয়ার নেই আজ শুধু এসো, পাশাপাশি বসি
আঙুলফুল গুনে আমার পতন ঠেকানো যাবে না কারণও খোলাসা; বলছি আঙুলফল চাষে সমাসবদ্ধ-আমিও আত্মীয়জীবনী বহুদিন যে তাকে বুকে টানিনি।
অসাড় হাওয়ায় কী অদ্ভুত কাণ্ডে এসব ঘটল কাল ওই ধাক্কাটা সহসা বেগে ব্যথা পেল কী অলক্ষণে তা স্থানচ্যুত হল শেষ পর্যন্ত সিঁড়ি বেয়ে পায়ের সাথে জোড়ায় জোড়ায় শব্দগুলো উপরে উঠল শরীরে হাত দিয়ে ধাক্কাটা অনুভব হয়নি কোথায় হারালো— যে যাই বলো; সেদিন কেন এমন হল ধাক্কাটা বুকের ভেতর ঘূর্ণির মতো নাড়াল
গতি-দাহ নিয়ে সন্দিহান চোখে; সেও আসতে পারে এমন কথা কাউকে বলা যাবে না দু-জনের সন্দেহে; এরকম চিন্তায় আমাদের সম্পর্ক মিশে যেতে পারে আ-ছোঁয়া ভ্রমর বাতাসে রূপকথার স্মৃতি বলতে আসিনি যা বলবো শুধু, শুধুই নিজের কাহিনী
খুব কাছাকাছি চলে এসেছেন দেখে আমার দুঃখরা খুব একা একা থাকে কি আর বলিব : জোড়াচোখ জানে— কপোলের নিচে আপনিও জেগে আছেন মনের ব্যথা… জমানো আরো কিছু কথা লুকোচুরি খেলছে জেনে আপনি হাসছেন! আর জানতে চাচ্ছেন মোহাবহ আমি ঘুমিয়ে পড়ার আগে ঘুমিয়ে থাকেন চোখে আহা'রে, আমার খুব হাসি পাচ্ছে এখন আপনাকে আপসকামী দেখে
যদি কথাই হয়; সারা দিয়ে যাবো প্রয়োজনে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে র’বো . —আড়াআড়ি শুধু অপেক্ষা একটি শোবার ঘরে চারটি দেয়াল খাড়া তিনটি অন্ধঘড়ির কাঁটায় লাফিয়ে উঠছে নিঝুম-অন্ধকার; অন্ধহাওয়া
দৃষ্টি আমার জন্য কিছু না-কিছু জমিয়ে রাখে সরে দাঁড়ায়; সেও কথা শোনে না… কোথায় যে উড়াল দিয়ে যাবো; কোন রাত্তিতে একা জাগিয়াছো অন্ধফুলকলি; জ্যোৎস্নাহীন নিশ্চয়তা শেষরাতে কিচিরমিচির শব্দেও মিলে গভীর নীরবতা
মোহরস গিলে জাগাতে পারো বিষব্যথা শোধ দেবার আগে বাতি নেভানো সহ্য করতে পারি না; জল পানে তৃষ্ণা নেই যখন ঘুমাই সাধারণ অভিমানে ঘুমাই . বুঝলে... প্লীজ! তথাগত নিয়মে চ্যাঁচামেচি করো না সংকোচ থাকলে রাত্রিঠোঁট খুলে নিতে পারো পুরো অনুভব... তোমার কৃপায় দাঁড়ায় যদি অনিদ্রিতচোখ তাই কি ভালো নয় কিছুই বললে না অপূর্ণ প্রাণসুরা— সে আর ফিরবে না জেনে পোড়া দেহে বিষব্যথা থেকেই যাচ্ছে; আর ভাবাচ্ছে চেনা, অচেনা টানে তুমি দুষ্টুমি করো না মনে-মনে নীরব অভিমানে
আর ক’টা দিন পর পূর্ণতা পাবে, পূর্ণ হবে ষোলকলা; সেদিন তোমার শোকাচ্ছন্ন হাসির উপর দাঁড়িয়ে রবে আমার কান্না... কথা বলার আগে গাথা-গল্পকথা শুনে শুকিয়ে যাচ্ছে গলা। যদি বলি পুরোটাই ভুল টার্মের হাত ধরে ঘুরে আসা লতানো কথা-টথা। অন্য ধারাবাহিকতা। আর ক’টা দিন পর আমিও হারাবো পাঁচ-দশ-বিশ পয়সার মত অঙ্গের সচলতা। তুমি তাকালেই দেখবে জল থেকে উড়ে আসা হিমেল বাতাস, তিন টুকরো সিগারেটের ছাই, অঙ্গে চেপে ধরা অসুখ-বিসুখ কিংবা ঘুমের রেনেসাঁ... ভিনদেশে মায়ের কথা আজ বেশি মনে পড়ছে। কারণ নিরানন্দে সময় কাটে প্যান্ট পকেটে চাবি-শব্দের গান শুনে, হবো অধিকার বিনয়! মূল্যবান নিঃসঙ্গতায়... তাই মনগড়া শরীর ঘেঁসে বসা প্রগলভ সমঝোতা। আর ক’টা দিন পর আসা যাওয়া পশ্চ্যাত ব্যাকুলতা