আগে ছিল বিনি সুতোর মালা এখন চেয়ার চেয়ার সুতোয় গাঁথা কখনও এ পাশে পড়ে টান চোখঢেকে কেঁদে ওঠে সে কখনও ওপাশে ডুকরে কেঁদে ভাসায় ফুলের বরাত নিয়ে সুতোয় সুতোয় হাসাহাসি রেষারেষি বেশ ছিল ,বেশ ছিল--- হঠাৎ ফুল-সুতোর সম্পর্ক মাঝরাতে হাত ধুতে গেল গঙ্গায় –পদ্মায় এতো আলতা ঢাললো কে? নাকি অনুরাগ? নাকি সিঁথির সিঁদুর? পদ্মা আর গঙ্গা হাত ধরে লাফিয়ে বেড়ায় সমুদ্র তরঙ্গে সমুদ্রের নীল ঢেউ এ হাঙর হয়ে যায় সুতো। . **************** . সূচীতে . . .
মানুষকে শিখতে হয়,থামতে হবে কোথায় এক নদী জল পেলেই সে ফল ফলাতে পারে না,শিখতে হয় আমরা শিখছি এখন পাহাড়ে চড়া সাঁৎরে পেরিয়ে যাওয়া নদী, সাগর,সময় সাঁতরাচ্ছি,সাঁতরাচ্ছি তারপর--- কোথায় সমুদ্রের শেষ জানতে হয়- নইলে শুধুই বালি বালি বালি পাহাড়ের শেষে গিয়ে থামতে হয় নইলে খাদ খাদ খাদ এখন এক পাহাড় থেকে আর একপাহাড়- আমরা লাফাচ্ছি; আমাদের ডানায় আণবিক বোমা,কোষাগার ইন্টারনেট ভাবছি চকমক করছে সোনা
এখন মানুষকে শিখতে হবে থামতে হবে, কোথায়---- . **************** . সূচীতে . . .
বাবা দিয়ে যান সত্যের দীর্ঘ তরবারি শানানো সে তরবারি ঘরের দেওয়ালে আছে ঝুলে বাইরে অজস্র কাঁটা-ঘরের ভেতরে ওম শান্তি ওম মানুষ কাঁদছে বড়;উচ্চারণ শুনে আগে দৃষ্টি যেত চলে হৃদয়ের গরম ঘামসহানুভূতির টীকা পেলে পৃথিবীটা দান করা যেত এখন কথার রাজ্যে শুধু কথা শল্কপত্র তুললেই পেঁয়াজের উগ্রগন্ধের মতো বের হয়ে আসে বাস্তব। খাদ্য বস্ত্র নিয়ে যারা ভাবে তারা বড় ক্ষীণ দুর্বল অহরহ টানাটানি কুর্সি কিসসা খাদ্যে তার টান কতটুকু? যে আলোর নিচে থেকে আলোকিত আমি কী কাজ সে আলোয় আনা তীক্ষ্ণ তরবারি আলোকপ্রত্যাশী আমি স্বস্তি অন্ধকারে অন্ধকার দেয়ালেই ঝুলে থাকে আঁধার বিনাশী ঘর থেকে বের হই হাতে লাল গোলাপের দল। ভয়ের জাঙাল ভেঙে মানুষ বেরোতে গিয়ে ভাবে কার হাতে হাত! বিশ্বাসে ঘর থেকে নেমে ঘর ছাড়া হতে সাধ্য আছে কার!! . **************** . সূচীতে . . .
কিছু দায় থাকে সাগরের মতো লোনা কিছু দায় থাকে শক্ত সুপুরী শক্ত কিছু দায় থাকে জন্মলব্ধ দেনা কিছু কিছু দায় আজীবন সংরক্ত। বুকেতে যতই ডাক দিয়ে যাক টিয়া কন্ঠে মৃত্যু ওষ্ঠে বিষাদ ওষ্ঠে বিদ্যুৎ দায় তীব্র কশায় ছায়া— ইতিহাস করি তোমাকেই অতি কষ্টে। . **************** . সূচীতে . . .
বিষের পাত্র মুঠোর মধ্যে আমি কি তবে সক্রেতিস? বিষপাথরটা কোথায় রাখি –বিষে কিংবা প্রজন্মে চেতনা আমার হেমলক ম্লান; সত্তা মলিন অহর্নিশ বিশ্বাস তবে হারাতে কি হবে মানুষের পরে এ জন্মে? জোনাকীর আলো চোখের তারায়;হৃদয়ে তবে কি পূর্ণিমা? শ্রেণীময় উট এখানে দাঁড়ায় ;এটাই হবে বা মরুদ্যান! কাঁটাগাছে মুখ ক্ষতবিক্ষত সেটাও তো তবু কষ্ট না হাতে গর্জায় অস্ত্র যখন মানুষ যখন পশুও না! . **************** . সূচীতে . . .
মানুষকে ভালোবাসো একদিন বিশ্বাস করো একদিন তারপর,বুঝে নিও ভালোবাসা বুঝে নিও বিশ্বাস কি! তোমার রক্তে যদি জবাফুল ফুটে ওঠে চোখেতে পদ্ম তবে ফুটবে না কেন? মনে করো হিংসা দ্বেষ ঈর্ষা থাকে ভিন গাঁয়ে এ গাঁয়ে শুধুই আলো- পারিজাত যেমন নন্দনে।। সুখ পাওয়া ,সুখে থাকা, ব্যাকরণ মেনে চলা জীবনে শৃঙ্খল তার চেয়ে একদিন ভুঁইচাঁপা তুলে নিও হেঁট হয়ে পথ থেকে তুলে নিও ঝরন্ত শিউলি। . **************** . সূচীতে . . .
জ্ঞানের আলো জ্বালার জন্য কক্ষ চাই সে কক্ষের মধ্যে সজাগ কানের সারি আর উৎসুক চোখ তবেই না বিদ্যুতের তরঙ্গের ধুন পৌঁছবে তার মনে! দীপশলাকা হাতে কক্ষে দাঁড়িয়ে কেউ হতাশ, কেউ চোখ আর কান জাগিয়ে বসে আছে না কোনো তরঙ্গের ধুন না বিদ্যুতের ঝলকানি! এ সময়ের নিদান এটাই, হাজার আলোর ঝলকানিতে বিভ্রান্ত একটু জাগ্রত হতে হবে অভিভাবকদের ,যাঁরা স্কুলে পৌঁছে দিয়ে যান আগামীকে। কেটে যাবে এই দোটানা একদিন আলো জ্বলবে পূর্ব থেকে পশ্চিমে- সকালের স্নিগ্ধ হাওয়ায় আনন্দে মাথা দোলাবে মাঠভরা সবুজ ধান। . **************** . সূচীতে . . .