আলোর বিপরিতে অন্ধকার হিজল তলায় আমাদের পা থাকলেও ঘৃণা থাকে হিজড়াদের জন্য ; নগণ্য মানুষ হয়েও অসাধারণ হওয়ার অভিনয়ে ব্যাস্ত আমাদের দেহ। ভালোবাসার রঙ থাকুক আর নাই বা থাকুক থাকে কষ্টের রসদ সীমাহীন; থাকে বেদনার রাশভারি রোদ; থাকে কলুষিত বর্তমান।
অতিতের রাস্তা দিয়ে এগিয়ে আসা সর্বনাশকে প্রতিরোধ করতে পারুক আর না পারুক অসংখ্য সর্বনাশের জন্ম দিতে তৈরি রাজনৈতিক ভ্রুণ।
দু’জনের ডিম্ব থলিতে থাকে কালোর আবাদ থাকে কষ্টের রিবন ; থাকে কালের রঙ্গলীলা থাকে কংশ বণিকের রাত ; এর বাইরে বেরুতে হবে আজ ; জাগতে হবে বিনম্র ভালোবাসায়- শ্রদ্ধায়-চেতনায় আরো একবার।
যাতে করে রোদ আসে আলো আসে ; স্বেচ্ছা শ্রমের টানে। যাতে তীর গড়ার রঙিন নেশায় আরো একধাপ এগিয়ে যেতে পারে রোদের পাঞ্জেরী... . **************** . সূচীতে . . .
তাকে বলেছি, থেমে থেকো না ভয়ে আমাদের রাত শেষে আলো আসবেই ভালো হাসবেই বরাবরের মত অতএব, অবিরত তৈরি থাকো লড়ে যাও ; গড়ে যাও ফুল গড়ে যাও ঘ্রাণ ; গড়ে যাও স্বাদ গড়ে যাও জীবনের পথ...
তাকে বলেছি, থেমে থেকো না ভয়ে আমাদেরকে করে যেতে হবে বাংলাদেশের কাজ আজ জীবনের চেয়ে আরো বেশি প্রয়োজন মাটি প্রয়োজন দেশ; প্রয়োজন নতুনের ভাজ আমাদের হাতে হবে ইতিহাস তৈরি পরিবেশ হোক যত প্রতিকূল বৈরি অতএব, বলে যাও বিনম্রতায় আরো জোড়ে আরো জোড়ে বিজয়ের কথা বুনে যাও আরো আরো বিজয়ের বীজ...
মিলেমিশে নেই আজ কেউ ; বাতাসে লাশের গন্ধটা মিলেমিশে থাকে না আজ ; জীবনের রাস্তায় আর নেই সুখ। দুখের ঘাণি টানে ছোট থেকে বড় সব দেহ ; কারো সাথে কারো নেই মিল ; আকাশের নীল দেখে হিংসায় ছুড়ে মারে ঢিল। ফুলেদের ঘ্রাণ দেখে তুলে নেয় আতরের শিশি ; সেন্টের বোতলে খোঁজে নিজের সুবাশ। ঢেকে দিতে চায় রোজ মিথ্যের চোখ ; মুছে দিতে চায় রোজ সূর্যের দেহ ; মিলেমিশে নেই আজ চারপাশে কেহ।
‘আ’ থেকে ‘ব’ সব বরবাদ হতে হতেও খুঁজে চলে ভাগ চিহ্ন আমাদের রাজনীতি রাজতন্ত্র হতে চলেছে আবার; যে কারনে মিল করেছে সাবার সেই পুরোনো চুড়াল ; লোভের চুড়াল আজ মানুষের মাঝে শুধু এনেছে বিবাদ। বুঝেও বোঝে না সেই শিয়াল বিবেক ; মাঝখানে প্রাণ যায় আমাদের শুধু প্রাণ দেয় অকাতরে অশেষ সাহস। তবু বারবার ঘুড়ে দাঁড়াবার চেষ্টায় আমি থাকি থাকে সেই সে ; আমাকে তোমাকে দেখে ; দেখে রাখে যে... . **************** . সূচীতে . . .
একটা গোলাপ ফুটলো বনে মনে মনে আরেক গোলাপ হাসে এমনি করে সততা তার স্বপ্ন বোনে নিজের হাতে দেয় তুলে দেয় আনন্দমন ভাসে ; ভালোবাসে সকাল দুপুর সন্ধ্যাজুড়ে রোজ। কেউ রাখে খুব যত করে খোঁজ। জীবন নিয়ে আরেক গোলাপ প্রলেপ আঁকে কষ্ট যেন দূর হয়ে যায় লক্ষ্যে।
ভালোবাসা-স্বপ্ন নিয়ে অনেক দূরের মাঝি যায় এগিয়ে নিজ ঠিকানায় ; অন্যলোকের টানে এসব কথা একটা গোলাপ ঘ্রাণের তানে জানে অন্য গোলাপ নিজের মত অবিরত ঘ্রাণ ছড়িয়ে থাকে গোলাপ ঘ্রাণে মুগ্ধ সকাল নিজের কাছে ডাকে। . **************** . সূচীতে . . .
অনেক দূরের মেয়ে একলা চলে হেসে অনেক দূরের ছেলে চলছে হৃদয় মেলে
দেয় মেলে দেয় মনের ডানা ছেলে মেয়েটি দেয় হাসি; হাসির সাথে জোয়ার ; জোয়ার ভরা জল। এমনি করে আর কতকাল চলবে বলো দিন চলবে অনর্গল? প্রশ্নবোধক কষ্ট আঁকে কেউ কেউ গুণে যায় অঢেল নদীর ঢেউ।
স্বপ্ন গড়ে সেই গাড়িয়াল যাকে ভুলতে বসে সাহসহারা তাকে তারাই এখন নিত্য আঁকে সুখ যাচ্ছে ভুলে মঙ্গামাখা দুঃখ।
প্রোজেষ্টিনের রাস্তা থেকে সরে এসে স্বাধীনভাবে ভাবতে হবে বুকের কথা বুকের ভেতর দুঃখের কথা জমাটবাঁধা দালাই লামা জমাটবাঁধা বুদ্ধ থাকে বুদ হয়ে সেই স্পার্মসাইডজুড়ে।
আমি আঁকি আল্ট্রাসনোগ্রাম আমি আঁকি রোজ অটিজি আমি আঁকি কষ্ট এবং সুখ।
আমার আঁকা ইন্টারকোর্স স্বপ্ন নিয়ে হাঁটে ; দোকানপাটে নিত্য থাকে কালকেউটে তাই আমার কাছে কথার-ই দাম নাই আমার কাছে কাজ-ই কেবল ঠিক কাজের জন্য বাঁচি কাজের জন্য নিবেদিত থাকি চালাই মেধার কাচি
কাচি চালাই রোদের ভেতর বোধের ভেতর হাটি আমার প্রিয় এই পৃথিবী এই যে দোয়াশ মাটি... . **************** . সূচীতে . . .
কোথায় থাকে মেয়ে কোথায় থাকে চেয়ে চেয়ে চেয়ে কি যে বলে রোজ কোথায় থাকে কোথায় আঁকে কি যে করে খোঁজ
রোজ করে যায় চোখ ঠিক যেন সেই শক্ত কালো জোঁক চোখের কোণে জল স্বপ্ন অনর্গল গলতে থাকে কষ্টগুলো সাদা হুলোর রঙচটা সেই পা আজকে যেমন নিবেদিত থাকে তেমন করে অন্য কেউ আর এগিয়ে আসবে না।
নাইবা এলো জাগৎ নাইবা হলো লোভের কৃতকার্য আর্য্য যুগের রঙিন ভূবন নিয়ে আর হবে না নিয়ন সাইন নীল তোমার সাথে সবার হবে মিল... . **************** . সূচীতে . . .