জানিস তো কেউ আজকাল হাসতে চায় না। কাল যে মেয়েটি কথায় কথায় খিলখিল করে হেসে উঠতো- জীবনের যাঁতাকলে পড়ে আজ সে হাসতে ভুলে গেছে। হ্যাঁ, কথায় কথায় কান্নাটা ঠিক চলে আসে।
জানিস তো, কিছু কিছু কথারা শুধুই কথা। যেমন ধর - ছেলেদের নাকি চোখে জল আসতে নেই। অথচ দেখ - ছেলেগুলোকেও হাসতেই দেখি না। ছুটছে তো ছুটছেই পিষছে তো পিষছেই। দিনান্তে জামার কলারে দীর্ঘশ্বাস মুছে গোপনে জলটাও মুছে রাখে।
জানিস তো সবাই এখন অভিনয়টা ভাল শিখে গেছে। প্রতিটা বাড়ি - যেন এক একটি রঙ্গমঞ্চ। আজ আর রিহার্সালের প্রয়োজন পড়ে না। হ্যাঁ, হাসির জন্য শুধু রিহার্সাল দরকার। তাই আজ পাড়ায় পাড়ায় লাফিং ক্লাব। . **************** . সূচীতে . . .
নির্জনের কাছে ক্রমশঃ হেরে যাই - জেনেছ কী তার শৈল্পিক আত্মদর্শন এই যে নিশ্চুপ নিরহঙ্কার এই যে স্তব্ধ ঔজ্জ্বল্য মাথা নুইয়ে বসে থাকি তার নীরব দম্ভের কাছে।
ক্রমশঃ সোচ্চার হতে চাওয়ার অভিলাষ নির্বিবাদে জলাঞ্জলি দিয়ে মুখ গুঁজি অলস বাতায়নে। এই যে মুগ্ধতা এই যে নির্জন অভিসার অব্যক্ত সুন্দর আলোকিত আবাহন ক্রমশঃ ডুবে যাই মৌনতার অবগাহনে।