তোমার সন্দিগ্ধ চোখে দেখেছি যে মৃত্যুর উচ্চার তুমি সেই শিলালেখ চেয়ে আছ সময় ওপারে আমি খুঁজে ফিরি তাকে দেখে নিতে কালের প্রচার #### তোমার বিরল জিভ মূর্ছাপতনের ঠিক পরে শব্দরহিত কিছু তথ্যের ভাঁড়ার দিয়েছিল সৃজনধর্মিতা দোষে স্থান পেল মুগ্ধ কারাগারে #### সমরাকাঙ্ক্ষিণী ঠোঁট অনস্তিত্বে এসে জায়গা পেল জায়গা নিল সে উচ্চার আহত না অনাহত নাদে দুই লক্ষ কোটি বর্ষ আলোপথ দূরে দেখা গেল #### দেখা গেল অস্ত্র শস্ত্র চৌষট্টি কলায় অনুবাদে কেমন মূর্ছনা নিয়ে মূর্ছাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে আছে যেখানে সে স্রোতোধারা মূলাধার ছাড়ে প্রতিবাদে #### তোমার সন্দিগ্ধ চোখ ঘুরে ফিরে যায় পাছে পাছে দেখে সব চেনা ছবি ঝুলে আছে যেন গাছে গাছে ! . **************** . সূচীতে . . .
চোখে নাহারির আলো অথচ উদাস ভোর ১৮ ঘন্টা পরে পথে নেমে এলে যা হওয়ার তা-ই হয়, মেঘ নামে হলুদ বাগানে! গুম্ফবিহীন এক সাদা শ্মশ্ম্রুময়তায় শব্দের শাসন দেখে দেখে কাল যায়, দরজা ধরে থাকে দুঃশাসন!
তাম্রশাসনে আঁকা যা ছিল সে মৃত এক স্থবির ফলক চোখের অতীতপ্রায় কিছু বর্ণ ধোঁয়া ধোঁয়া অজানা লিপির --- "মহান পবিত্রতম শ্রেষ্ঠতম সুখ 'আশা' সর্বকালের তিনিই সে সুখী আত্মা ভেসেছে যে পবিত্রতায় " --- * এটা সেই হ্রস্বতম আভেস্তান প্রার্থনার কিছু অংশভাক ভিড় করে এল মনে; আর আলোচক নাকের উপর থেকে মাছির মতোন সে তাচ্ছিল্যে তাড়াল --কী যে ছাইপাশ লেখে কুমার প্রণব !কবিগুরু, কী স্বদেশ দিয়েছ এমন ব্যাঙাচিও ডানা মেলে আকাশে মাখায় সে অক্ষরের স্বরলিপি ! চোখে নাহারির আলো গুম্ফবিহীন সাদা শ্মশ্রুময়তায় একটা আলোর রেখা আমোদে ভাসায় জাগে প্রাণে আহিরভৈরব!
যে আমি সমুদ্রদষ্ট ব্যর্থ আশাবরি তাকেই বিভাসে মরি শিশিরে ফেরারি মুখের আদলরে নীল কাঠিন্য পারদে এমতেহান তাম্রবর্ণ প্রভাত শারদে
লিঙ্গ এঁকে অধিষ্ঠান ভরে বীজ নাম মেঘের তাজ্জব ঢেউ তখন তামাম জমানো শক্তির পুঞ্জে আহ্লাদে আহ্লাদে কখনও মাটিকে ছোঁয় কখনও প্রমাদে জলের উপরে ঝাঁপ ; আত্মহনন কী কেলো করেছে এ তো নরক গমন!
তবুতো সপাং ধাঁই চাবুক জিভের থামাওনি বাছা কেউ,লক্ষ আমাদের কোমল স্বরের ওঠা মৃদু আলোড়ন ঢেকে দিচ্ছ বারবার তুচ্ছ অগণন তাচ্ছিল্যেরা বলে যাচ্ছে সময় সময় না মিললেই সবকিছু পূতিগন্ধময় ! একেই বিভাসে আঁকি একে আশাবরি সে যে সমুদ্রদগ্ধ ধর্ম স্বেচ্ছাচারী ! . **************** . সূচীতে . . .