অরিন্দম মুখোপাধ্যায় - জন্মগ্রহণ করেন কলকাতায়। পিতা অমিতাভ মুখোপাধ্যায় ও মাতা পার্বতী দেবী। তাঁদের আদি নিবাস ছিল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত বাদুড়িয়ায়। বর্তমানে কবির নিবাস কলকাতার টালিগঞ্জে। ২০০৪ সালে কবি মৌমিতা দেবীর সঙ্গে বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হন। তাঁদের একই কন্যা প্রার্থনা।

কবি ১৯৮৯ সালে কলকাতার সাউথ পয়েন্ট স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করে, নৃপেন্দ্রনাথ ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৯১ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। এর পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি স্নাতক হন ১৯৯৪ সালে। ছাত্র অবস্থায় এরনেস্ত চে গেভারার ভাবনায় প্রভাবিত হয়ে মার্ক্সবাদী কমিউনিস্ট পার্টির ছাত্র ইউনিয়ন SFI তে যোগদান করেন। বর্তমানে অর্থাৎ এই পাতাটির প্রকাশকালে কবি, কমিউনিস্ট পার্টি ওফ ইন্ডিয়া মার্ক্সিস্ট এর এরিয়া ৩ এর সদস্য।

কবির প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় ১৯৮৯ সালে “রোদ্দুর” পত্রিকায়। এরপর প্রায় দুবছরের বিরতি। এই সময়ে কবির বন্ধু বা পাড়াতুতো দাদা বা সুহৃদ, কবি দীপঙ্কর বাগচী যিনি সন্দীপ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন “শব্দযাপন” পত্রিকার, তিনি নিজে কবিকে হাত ধরে নিয়ে এসে তাঁর পত্রিকা “শব্দযাপন” এর সহ-সম্পাদক নিযুক্ত করেন। কবির কবিতার ব্যাকরণ শিক্ষা কবি দীপঙ্কর বাগচীর কাছেই।

তারপর দেশ সহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও অবাণিজ্যিক পত্রিকায় কবির কবিতা ও গদ্য প্রকাশিত হতে শুরু হয়। কমবেশি ৩৫০-র ও বেশি পত্র-পত্রিকায় কবির কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। সঙ্গে গদ্যও প্রকাশিত হয়েছে কমবেশি ১০ টি পত্রিকায়।

নানা বহুচর্চিত ও বিতর্কিত কারণে ২০০৬ সালের শেষের দিকে বাংলা সাহিত্য জগৎ থেকে নির্বাসিত থেকেছেন। এই সময় একমাত্র তৃতীয় বইয়ের প্রকাশ ছাড়া কোন পত্র-পত্রিকা তাঁর লেখা নিয়েও প্রকাশ করেনি।

এই সময় কবির, কমিউনিস্ট পার্টিতে অংশগ্রহণ বেড়েছিল কারণ কোনো পত্রিকা বা সাহিত্য সংগঠন তাঁদের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে আহ্বান করতো না। এই অবস্থা কাটে ২০১৮ সালে "সোঁতা" পত্রিকার সম্পাদক সংহিতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও "সান্নিধ্য" পত্রিকার সম্পাদক পলাশ গঙ্গোপাধ্যায়ের হাত ধরে। এই সময়ে আরও একজন যিনি কবির পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, যাঁর কথা কবি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন, তিনি হলেন রাইটার্স ওয়ার্ল্ড এর প্রধান কাণ্ডারি সুরঙ্গমা ভট্টাচার্য। এঁরা না থাকলে তাঁর পুনরায় সাহিত্য-জগতে ফিরে আসা আদৌ সম্ভব ছিলনা বলেই কবির নিজেরই মনে হয়।

কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ “পরিক্রমা” প্রকাশিত হয় কাল ২০০০ সালে, “প্রমা” প্রকাশনী থেকে। এই কাব্যগ্রন্থটি “প্রমা”-র সম্পাদক সুরোজিৎ ঘোষ মহাশয়, এক তরুণ কবিতা লেখকের পান্ডুলিপি বলে কবি নবারুণ ভট্টাচার্য মহাশয় কে পড়তে দেন। তিনি সুরজিৎ বাবু কে বলেন বই টা করার জন্য, কারণ তাঁর মনে হয়েছিলো যে বইটা বাংলা সাহিত্যে অনেক দিন টিকে থাকবে, মানে বইটা পড়ার চাহিদা থাকবে।

এরপর প্রকাশিত হয় কাব্যগ্রন্থ “জীর্ণ ডায়েরির পাতা থেকে” (২০০৫) ও “এক প্রেমিকের আত্মকথন”(২০১০)। এই দুটি কাব্যগ্রন্থও প্রমা প্রকাশনী থেকেই প্রকাশিত হয়। কবির চতুর্থ কাব্যগ্রন্থ “বিপ্লবের কবিতা” (২০২০) প্রকাশিত হয় ভাষালিপি প্রকাশনা থেকে।

মিলনসাগরে কবি অরিন্দম মুখোপাধ্যায়ের কবিতার পাতা তৈরী করে আমরা আনন্দিত।


কবি অরিন্দম মুখোপাধ্যায়ের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন


কবির সঙ্গে যোগাযোগ -
হোয়াটসঅ্যাপ : +৯১ ৮৯১০৩৮৪৯৮৮




উৎস :
  • কবি অরিন্দম মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ইমেল ও চলভাষে যোগাযোগ।" ।


         





আমাদের ই-মেল
: srimilansengupta@yahoo.co.in
হোয়াটসঅ্যাপ
: +৯১ ৯৮৩০৬৮১০১৭       



এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ১৪.৮.২০২৩
^^ উপরে ফেরত