কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জীর কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
ধৈর্য ধরো,ডাউনলোড চলছে এখন
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
ধৈর্য ধরো,ডাউনলোড চলছে এখন ;
অদেখা নৃত্যমুদ্রা,অশ্রুত গানের কিছু কলি
কারা যেন আপলোড করেই চলেছে-
এ মুহুর্তে আসছেনা,
অন্তর্জাল আজ কিছু ধীর।
তবু কারা এমন অস্থির
হ'য়ে কথা বলে,চিৎকার ক'রে ওঠে,কারা?
কারা ছবি আঁকে,আর কারা যেন দিচ্ছে পাহারা,
কারা যেন জাল কেটে বেরোবার পথ খুঁজে মরে,
কারা প্রাণ শোনে আজ হেমন্তের হাওয়ার মর্মরে
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
ধৈর্য ধরো,ডাউনলোড চলছে এখন ;
অদেখা নৃত্যমুদ্রা,অশ্রুত গানের কিছু কলি
কারা যেন আপলোড করেই চলেছে-
এ মুহুর্তে আসছেনা,
অন্তর্জাল আজ কিছু ধীর।
তবু কারা এমন অস্থির
হ'য়ে কথা বলে,চিৎকার ক'রে ওঠে,কারা?
কারা ছবি আঁকে,আর কারা যেন দিচ্ছে পাহারা,
কারা যেন জাল কেটে বেরোবার পথ খুঁজে মরে,
কারা প্রাণ শোনে আজ হেমন্তের হাওয়ার মর্মরে
ঘরেতে আঁধার ছিল, সন্ধ্যায় জ্বলেনি কোনো আলো
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
ঘরেতে আঁধার ছিল, সন্ধ্যায় জ্বলেনি কোনো আলো ;
আগুন জ্বেলেছি যেই,সে আগুনে চুরুট ধরালো
রাজা আর রাজার সেপাই,এই ভেবে-
যতদিন এ আগুন জ্বলে,
যতদিনে এ আগুন নেভে
ততদিন শান্তির বাণী তামাকের ধোঁয়ায় ধোঁয়ায়
আকাশ আচ্ছন্ন করে ,
মানুষেরা প্রেম ভুলে যায়।
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
ঘরেতে আঁধার ছিল, সন্ধ্যায় জ্বলেনি কোনো আলো ;
আগুন জ্বেলেছি যেই,সে আগুনে চুরুট ধরালো
রাজা আর রাজার সেপাই,এই ভেবে-
যতদিন এ আগুন জ্বলে,
যতদিনে এ আগুন নেভে
ততদিন শান্তির বাণী তামাকের ধোঁয়ায় ধোঁয়ায়
আকাশ আচ্ছন্ন করে ,
মানুষেরা প্রেম ভুলে যায়।
যেই দিয়েছি অন্ধকারে ডুব
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
যেই দিয়েছি অন্ধকারে ডুব,
অমনি যেন কোথার থেকে কারা,
আকাশ জুড়ে জ্বালিয়ে দিল তারা।
যেই হয়েছি নিজের মনে চুপ,
অমনি যেন কোথার থেকে এলো
কাদের কথা,ভাবনা,এলোমেলো।
লুকোই বলে ঘরের মধ্যে ঘর
যেই বেঁধেছি,দরজা ভেঙে ফেলে
হামলা করে লক্ষ দামাল ছেলে;
মাঠের মেয়ে আজকে স্বয়ম্বর,
খুলে ফেলছে যত্নে আঁটা তালা-
তার হাতে আজ শ্রাবণফুলের মালা।
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
যেই দিয়েছি অন্ধকারে ডুব,
অমনি যেন কোথার থেকে কারা,
আকাশ জুড়ে জ্বালিয়ে দিল তারা।
যেই হয়েছি নিজের মনে চুপ,
অমনি যেন কোথার থেকে এলো
কাদের কথা,ভাবনা,এলোমেলো।
লুকোই বলে ঘরের মধ্যে ঘর
যেই বেঁধেছি,দরজা ভেঙে ফেলে
হামলা করে লক্ষ দামাল ছেলে;
মাঠের মেয়ে আজকে স্বয়ম্বর,
খুলে ফেলছে যত্নে আঁটা তালা-
তার হাতে আজ শ্রাবণফুলের মালা।
আমারে বাঁধবি তোরা সেই বাঁধন কি তোদের আছে?
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
"আমারে বাঁধবি তোরা সেই বাঁধন কি তোদের আছে?"
আমি এক গল্পগরু চড়েছি অশথ গাছে।
আমি যে বটের শেকড়,আমি যে ঘাসের ছেলে,
সেটা কি মানবি তোরা? তাহ'লে অংক মেলে।
আমি তোর চাবুক মানি?মানি তোর চোখ রাঙানো?
আমি তোর শাসন মানি? জানি সব ঘর ভাঙানো
মিথ্যে ভীতি। আজ জেনে রাখ আমার ঘরে,
আমার বুকে,আমার ক্ষেতে ক্ষয়ভাঙানো বৃষ্টি পড়ে।
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
"আমারে বাঁধবি তোরা সেই বাঁধন কি তোদের আছে?"
আমি এক গল্পগরু চড়েছি অশথ গাছে।
আমি যে বটের শেকড়,আমি যে ঘাসের ছেলে,
সেটা কি মানবি তোরা? তাহ'লে অংক মেলে।
আমি তোর চাবুক মানি?মানি তোর চোখ রাঙানো?
আমি তোর শাসন মানি? জানি সব ঘর ভাঙানো
মিথ্যে ভীতি। আজ জেনে রাখ আমার ঘরে,
আমার বুকে,আমার ক্ষেতে ক্ষয়ভাঙানো বৃষ্টি পড়ে।
ফিরে এসে
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
আজ এতদিন পরে পা রেখেছি তোমার উঠোনে,
দেখো এই ভস্মমাখা লোকটিকে চেনা যায় কিনা।
আমি কিন্তু সবই চিনেছি-
ওই ঘর,লাউমাচা,গোয়ালে শান্ত গাভী,
স্থির ইঁদারার জলে মেঘের লাবণ্যছায়া,আহা!
এইসব এত পরিচিত, মায়াময় ;
তবু কেন এতদিন দীর্ঘ পরবাসে?
না,এখনি দরজা খুলোনা,আমি থাকতে আসিনি।
ফের সেই শ্মশানের পাশে নদীটির কাছে চলে যাব ;
স্নান সেরে বটের ছায়ায় ভাঙা হাটে
পুনর্বার পসরা সাজাবো।
আজ কোনো বিকিকিনি নয়,তাও এসো,
একা যদি ভয় করে,মিছিলের সঙ্গে এসো হেঁটে।
আমি নই,তোমার দরজায় কড়া নেড়ে গেছে অযুত মানুষ
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
আজ এতদিন পরে পা রেখেছি তোমার উঠোনে,
দেখো এই ভস্মমাখা লোকটিকে চেনা যায় কিনা।
আমি কিন্তু সবই চিনেছি-
ওই ঘর,লাউমাচা,গোয়ালে শান্ত গাভী,
স্থির ইঁদারার জলে মেঘের লাবণ্যছায়া,আহা!
এইসব এত পরিচিত, মায়াময় ;
তবু কেন এতদিন দীর্ঘ পরবাসে?
না,এখনি দরজা খুলোনা,আমি থাকতে আসিনি।
ফের সেই শ্মশানের পাশে নদীটির কাছে চলে যাব ;
স্নান সেরে বটের ছায়ায় ভাঙা হাটে
পুনর্বার পসরা সাজাবো।
আজ কোনো বিকিকিনি নয়,তাও এসো,
একা যদি ভয় করে,মিছিলের সঙ্গে এসো হেঁটে।
আমি নই,তোমার দরজায় কড়া নেড়ে গেছে অযুত মানুষ
বৃক্ষশাখা শুনলেই মনে হয় সারে সারে পাখি ব'সে আছে
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
বৃক্ষশাখা শুনলেই মনে হয় সারে সারে পাখি ব'সে আছে ;
কাকলী ও মায়াবিনী বাঁশরীর সুর।
বৃক্ষশাখা,ঝুলনপূর্ণিমা, আহা, শ্রীরাধিকা ,যমুনার ডাক।
গাছের ডালেতে তত মায়া নেই এরকম লাগে ;
তবু ওই পাখিগুলো বিবাহবন্ধনে বাঁধা হ'লে
ভাঙা ডাল খড়কুটো ছেঁড়াতার ফেলে দেয়া রুপোলি চামচ
সযত্নে কুড়িয়ে আনে,বাসা বোনে আশা বোনে-
"তাদের প্রথম ডিম জন্মিবার এসেছে সময়।"
ও পাখি, ও পাখিনীরা
আমার অক্ষরগুলো তোদের বাসায় রেখে আসি।
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
বৃক্ষশাখা শুনলেই মনে হয় সারে সারে পাখি ব'সে আছে ;
কাকলী ও মায়াবিনী বাঁশরীর সুর।
বৃক্ষশাখা,ঝুলনপূর্ণিমা, আহা, শ্রীরাধিকা ,যমুনার ডাক।
গাছের ডালেতে তত মায়া নেই এরকম লাগে ;
তবু ওই পাখিগুলো বিবাহবন্ধনে বাঁধা হ'লে
ভাঙা ডাল খড়কুটো ছেঁড়াতার ফেলে দেয়া রুপোলি চামচ
সযত্নে কুড়িয়ে আনে,বাসা বোনে আশা বোনে-
"তাদের প্রথম ডিম জন্মিবার এসেছে সময়।"
ও পাখি, ও পাখিনীরা
আমার অক্ষরগুলো তোদের বাসায় রেখে আসি।
এই তুচ্ছ যাতনাসমূহ, এইসব মৃদু কাতরতা
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
এই তুচ্ছ যাতনাসমূহ, এইসব মৃদু কাতরতা,
এইসব ছিন্নভিন্ন কবিতার দুখি পাণ্ডুলিপি
হাওয়ায় হাওয়ায় উড়ে যাক,
ভিজে যাক, ধুয়ে যাক জলে।
ও আমার পৃথিবীরাধিকা,
এই বাঁশি যেন একবারও
বেজে ওঠে দেশাতীত সুরে ;
ও আমার প্রাণের মানুষ,
কোন্ যমুনার তীরে বাসা বেঁধে আছো-
আমি যাব
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
এই তুচ্ছ যাতনাসমূহ, এইসব মৃদু কাতরতা,
এইসব ছিন্নভিন্ন কবিতার দুখি পাণ্ডুলিপি
হাওয়ায় হাওয়ায় উড়ে যাক,
ভিজে যাক, ধুয়ে যাক জলে।
ও আমার পৃথিবীরাধিকা,
এই বাঁশি যেন একবারও
বেজে ওঠে দেশাতীত সুরে ;
ও আমার প্রাণের মানুষ,
কোন্ যমুনার তীরে বাসা বেঁধে আছো-
আমি যাব
কিছুকিছু রাগ দুঃখ ফেলে যাবো পথের দু'ধারে
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
কিছুকিছু রাগ দুঃখ ফেলে যাবো পথের দু'ধারে,
সর্বস্ব দেয়ার মতো মহত্ব আজও অনর্জিত।
যেটুকু ভ্রান্তি আছে,শরীরে যেটুকু আছে ক্ষত,
তাই নিয়ে হেঁটে যাই।কোন্ দূরে রাখালের বাঁশি
শুশ্রূষার কথা বলে,কোথায় এখনো ঝরে ভোরে
কিশোর ধানের ঠোঁটে শিশিরের নম্র কিছু ফোঁটা ;
যেইখানে ঘরে ফেরা মানুষেরা ভাঙাঘর ছায় খড়ে প্রেমে,
মাটি লেপে দেয়ালের ফুটোফাটা দিতে চায় ঢেকে,
সেখানে অভ্রান্ত কিছু পাপমুক্ত জীবনের খোঁজ
যদি পাই, চলো,সঙ্গে যাবে?
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
কিছুকিছু রাগ দুঃখ ফেলে যাবো পথের দু'ধারে,
সর্বস্ব দেয়ার মতো মহত্ব আজও অনর্জিত।
যেটুকু ভ্রান্তি আছে,শরীরে যেটুকু আছে ক্ষত,
তাই নিয়ে হেঁটে যাই।কোন্ দূরে রাখালের বাঁশি
শুশ্রূষার কথা বলে,কোথায় এখনো ঝরে ভোরে
কিশোর ধানের ঠোঁটে শিশিরের নম্র কিছু ফোঁটা ;
যেইখানে ঘরে ফেরা মানুষেরা ভাঙাঘর ছায় খড়ে প্রেমে,
মাটি লেপে দেয়ালের ফুটোফাটা দিতে চায় ঢেকে,
সেখানে অভ্রান্ত কিছু পাপমুক্ত জীবনের খোঁজ
যদি পাই, চলো,সঙ্গে যাবে?
তুমি বললে, আমার জন্যে একটা গান লিখে দাও
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
তুমি বললে,"আমার জন্যে একটা গান লিখে দাও,
কতসব মিথ্যে পদ্য লিখে রাখো তোমার খাতায়।"
কিন্তু আমিতো,শোনো,লালন রবীন্দ্রনাথ ছাড়া
অন্য কোনো ভাষাই জানিনা।
জলের বুকেতে জল, হাওয়ার চোখেতে কার চাওয়া,
খাঁচার ভিতরে এক অচিন পাখির আসা যাওয়া।
এইসব শুনে নাও,ভেবে নাও আমিই লিখেছি।
প্রসন্ন দৃষ্টি মেলো শরতের আকাশে তোমার।
অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দমধুর হাওয়া
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
তুমি বললে,"আমার জন্যে একটা গান লিখে দাও,
কতসব মিথ্যে পদ্য লিখে রাখো তোমার খাতায়।"
কিন্তু আমিতো,শোনো,লালন রবীন্দ্রনাথ ছাড়া
অন্য কোনো ভাষাই জানিনা।
জলের বুকেতে জল, হাওয়ার চোখেতে কার চাওয়া,
খাঁচার ভিতরে এক অচিন পাখির আসা যাওয়া।
এইসব শুনে নাও,ভেবে নাও আমিই লিখেছি।
প্রসন্ন দৃষ্টি মেলো শরতের আকাশে তোমার।
অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দমধুর হাওয়া
স্বপ্নে তোর একটু নয় বৃষ্টি থাক
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
স্বপ্নে তোর একটু নয় বৃষ্টি থাক,
কাজল মেঘ, সজল মেঘ বুক ভরাক-
এইটুকুই।
প্রখর দিন, প্রখরতর হয়তো রাত,
তবু্ও তোর কলাপাতায় অল্প ভাত-
এইটুকুই।
হয়তো প্রাণে মৃদু বাতাস,হয়তো ঝড়,
তাও তো তোর পথের সাথে স্বয়ম্বর -
এইটুকুই।
মলিন পথ,রুখা মাটি তৃষ্ণাতুর,
বুকেতে তাও নীল আকাশ,সমুদ্দুর -
এইটুকুই।
এবার তোর বন্ধ মুখ কথা বলুক,
ওই দু'চোখ প্রেমে এবং ক্রোধে জ্বলুক-
এইটুকুই।
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
স্বপ্নে তোর একটু নয় বৃষ্টি থাক,
কাজল মেঘ, সজল মেঘ বুক ভরাক-
এইটুকুই।
প্রখর দিন, প্রখরতর হয়তো রাত,
তবু্ও তোর কলাপাতায় অল্প ভাত-
এইটুকুই।
হয়তো প্রাণে মৃদু বাতাস,হয়তো ঝড়,
তাও তো তোর পথের সাথে স্বয়ম্বর -
এইটুকুই।
মলিন পথ,রুখা মাটি তৃষ্ণাতুর,
বুকেতে তাও নীল আকাশ,সমুদ্দুর -
এইটুকুই।
এবার তোর বন্ধ মুখ কথা বলুক,
ওই দু'চোখ প্রেমে এবং ক্রোধে জ্বলুক-
এইটুকুই।
