কবি দীপন মিত্র – জন্মগ্রহণ করেন কলকাতায়। পিতা রবীন্দ্রলাল মিত্র কাজ করতেন পাটনা হাইকোর্টে।
৯ বছর বয়সে তিনি পিতাকে হারান। মাতা বীণা দেবী ছিলেন অত্যন্ত ভালো মানুষ। কখনও বকতেন পর্যন্ত
না। একেবারেই সংসারগ্রস্ত ছিলেন না। পিতার অবসর গ্রহণ করার ঠিক পূর্বে কবির বড়দি হাই-স্কুলে
শিক্ষিকা হন। তাঁরই অভিভাবকত্বে এবং অন্যান্য দাদা-দিদিদের আদরে বড় হন।
কবির শিক্ষাজীবন পাটনা শহরেই কাটে। বিদ্যাবীথি স্কুল ও পাটনা কলেজিয়েট স্কুল থেকে স্কুলজীবন শেষ
করে পাটনা সায়েন্স কলেজ থেকে স্নাতক হন। কবির কর্মজীবন কাটে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকে। সেখান
থেকেই ২০১৫ সালে অবসর গ্রহণ করেন।
স্কুলে পড়াকালীনই কবি বাংলায় সাহিত্য পত্রিকা “কিশলয়”বের করেন কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সঙ্গে। তাঁর
চেয়ে বয়সে প্রায় ১৫ বছর বড় রবিন দত্ত তাঁর বন্ধু ও গুরু ছিলেন। তাঁরই দেখানো পথে সাহিত্য ও
রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তখন থেকেই।
ধীরে ধীরে হিন্দি কবিতার অনেক স্বনামধন্য কবি আলোক ধনবা, মঙ্গলেশ ডবরাল ও বিরেন ডংওয়াল,
অরুণ কমলদের সংগে পরিচয় ঘটে। আলোক ধনবা একজন অতি সৎ এবং শক্তিশালী কবি ছিলেন। ছিলেন
ঘোর বামপন্থী। কবির আরেক বামপন্থী বন্ধু বিদ্যুৎ পাল একজন শক্তিশালী কবি ছিলেন। তাঁরা তিন জন
অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন।
মৈথিলি ভাষার কবি হরেকৃষ্ণ ঝা-এর সঙ্গে অন্তরঙ্গতা ঘটে। কবি ফাল্গুনী রায়ের দিদি জামাইবাবু থাকতেন
পাটনা শহরে। নকশাল রাজনীতির সময় ফাল্গুনী রায় পাটনায় চলে আসেন। এঁদের সবার সান্নিধ্যে তিনি
ক্রমশ কবিতার জগতে ঢুকে পড়েন। সেই গাঢ় নেশা আজ এই প্রৌঢ় বয়সে আরও প্রগাঢ় হয়েছে।
মিলনসাগরের সঙ্গে কবি দীপন মিত্রর যোগাযোগ বেশ কিছুদিন আগেই হয়েছিলো। কবি সুব্রত চক্রবর্তীর
পাতা তৈরী করার সময় তিনি কবির ছবি এবং তাঁর ফেসবুকের দেওয়ালে লেখা "আমার প্রিয় কবি সুব্রত
চক্রবর্তীকে নিয়ে দু-চার কথা" আলেখ্যটি মিলনসাগরে প্রকাশিত করার অনুমতি দিয়েছিলেন। এই জন্যও
মিলনসাগরে আমরা তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ।
মিলনসাগরে কবি দীপন মিত্রর কবিতা তুলে আমরা আনন্দিত।
কবির সঙ্গে যোগাযোগ -
ইমেল : dipon.mitra1954@gmail.com
ফেসবুক : https://www.facebook.com/dipon.mitra1900
উত্স -
- কবির সঙ্গে ইমেলে যোগাযোগ।
কবি দীপন মিত্রর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।
আমাদের ই-মেল : srimilansengupta@yahoo.co.in
হোয়াটসঅ্যাপ : +91 9830681017
এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ৩১.১২.২০২২
. ^^ উপরে ফেরত
...