কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্তর কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
পৃথিবী ভ্রমণ
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
শোকসন্তপ্ত ভাস্কর ঘোষকে বন্ধুবর রজতশুভ্র সেনগুপ্ত। পুত্রসম টিকুর অকাল প্রয়াণে আজ পয়লা শ্রাবণ ১৪২৭।
আকাশ পানে মিলিয়ে গেল
জীবনের সব গাঁথা,
ভেবেছিলি জড়িয়ে ধরে থাকবি তারে
পারলি কি তা?
যদি পারতি তা হতো
ঈশ্বরের উপর খবরদারি,
জীবন তোদের শিখিয়ে দিল
তোরা পুতুল তাঁর হাতেই দড়ি।
এ একপ্রকার পৃথিবী ভ্রমণ,
যার পকেট যত ভারি তার তত বাড়াবাড়ি,
ওর পকেটের রেস্ত ছিল কম, তাই
ফেরার টিকিট কাটতে হলো তারাতারি।
চিন্তা করিস না -
হয়তো ওপাড়েতে কোনো বাড়িতে
আজ আনন্দ উৎসব,
তাদের সন্তান ফিরে এসেছে
একত্রিশ বছর পর।
সেই বাবা মা'র কথা ভেবে,
এত শোকের মাঝেও,
তোরাও না হয় আজ একটু
অন্যরকম ভাব..............
অনিচ্ছাসত্ত্বেও।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
শোকসন্তপ্ত ভাস্কর ঘোষকে বন্ধুবর রজতশুভ্র সেনগুপ্ত। পুত্রসম টিকুর অকাল প্রয়াণে আজ পয়লা শ্রাবণ ১৪২৭।
আকাশ পানে মিলিয়ে গেল
জীবনের সব গাঁথা,
ভেবেছিলি জড়িয়ে ধরে থাকবি তারে
পারলি কি তা?
যদি পারতি তা হতো
ঈশ্বরের উপর খবরদারি,
জীবন তোদের শিখিয়ে দিল
তোরা পুতুল তাঁর হাতেই দড়ি।
এ একপ্রকার পৃথিবী ভ্রমণ,
যার পকেট যত ভারি তার তত বাড়াবাড়ি,
ওর পকেটের রেস্ত ছিল কম, তাই
ফেরার টিকিট কাটতে হলো তারাতারি।
চিন্তা করিস না -
হয়তো ওপাড়েতে কোনো বাড়িতে
আজ আনন্দ উৎসব,
তাদের সন্তান ফিরে এসেছে
একত্রিশ বছর পর।
সেই বাবা মা'র কথা ভেবে,
এত শোকের মাঝেও,
তোরাও না হয় আজ একটু
অন্যরকম ভাব..............
অনিচ্ছাসত্ত্বেও।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
অন্তহীন প্রতিক্ষা
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
রচনা ১১ই বৈশাখ ১৪২৬ (২৪শে এপ্রিল ২০১৯)।
অন্তহীন প্রতিক্ষায় অপেক্ষারত আমি কখন আসবে সেই সুসংবাদ,
রাত কেটে দিন, দিন কেটে বছর গড়িয়ে গেল তবুও এলো না তোমার আশীর্বাদ।
তোমার প্রতি আমার বিশ্বাস তবু টলেনি এতটুকু প্রভু,
ঠিক জানি একদিন তোমার কৃপা বর্ষিত হবে, হব না বঞ্চিত কভু।
ভয়ে ভয়ে থাকি কখন হারিয়ে যাবে তুমি
এ জীবন থেকে,
তুমি ছাড়া এ জীবন তখন কেবলই বিবর্ণ
ফ্যাকাশে ঠেকবে।
যদি মনে হয় তোমার অভয় ভর্তি হাতের
প্রয়োজন অন্য কারুর অনেক বেশি,
অনায়াসে তুমি বিলিয়ে দিতে পারো আমি থাকব অপেক্ষায় হবোনা অখুশি।
জীবন আমায় শিখিয়েছে থাকতে খুশি সব অবস্থায় সকল কাজে,
সর্বদাই চেয়েছি সবার ভালো, থেকেছি সর্বদা খোশমেজাজে।
আজ কেন তবে অন্যথা হবে হলই বা দেরি, থাকব ভুলে সব বিষাদ,
অন্তহীন প্রতিক্ষায় অপেক্ষারত আমি কখন আসবে সেই সুসংবাদ।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
রচনা ১১ই বৈশাখ ১৪২৬ (২৪শে এপ্রিল ২০১৯)।
অন্তহীন প্রতিক্ষায় অপেক্ষারত আমি কখন আসবে সেই সুসংবাদ,
রাত কেটে দিন, দিন কেটে বছর গড়িয়ে গেল তবুও এলো না তোমার আশীর্বাদ।
তোমার প্রতি আমার বিশ্বাস তবু টলেনি এতটুকু প্রভু,
ঠিক জানি একদিন তোমার কৃপা বর্ষিত হবে, হব না বঞ্চিত কভু।
ভয়ে ভয়ে থাকি কখন হারিয়ে যাবে তুমি
এ জীবন থেকে,
তুমি ছাড়া এ জীবন তখন কেবলই বিবর্ণ
ফ্যাকাশে ঠেকবে।
যদি মনে হয় তোমার অভয় ভর্তি হাতের
প্রয়োজন অন্য কারুর অনেক বেশি,
অনায়াসে তুমি বিলিয়ে দিতে পারো আমি থাকব অপেক্ষায় হবোনা অখুশি।
জীবন আমায় শিখিয়েছে থাকতে খুশি সব অবস্থায় সকল কাজে,
সর্বদাই চেয়েছি সবার ভালো, থেকেছি সর্বদা খোশমেজাজে।
আজ কেন তবে অন্যথা হবে হলই বা দেরি, থাকব ভুলে সব বিষাদ,
অন্তহীন প্রতিক্ষায় অপেক্ষারত আমি কখন আসবে সেই সুসংবাদ।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
আগামী
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
রচনা ১৪ই কার্তিক ১৪২৬ (২৯শে অক্টোবর ২০১৯)।
সূর্য ডুবছে, দিন ফুরোচ্ছে, আসছে নতুন দিন সামনে,
আমরা সবাই তাকিয়ে আছি আগামীর শুভ আগমনে।
আগামী আনবে মনের মানুষ থাকবে কাছাকাছি,
তার সাথে মোর থাকবে যে অনেক হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি।
সে স্মৃতির রোমন্থনে থাকব আমি আনন্দে বিভোর-
ফিরে পাব শিশুর সারল্য কিছুতেই পার হব না কৈশোর।
যখন আমি ফুরিয়ে যাব সকল কাজের শেষে,
ভাগ করে নেব সেই ভালোলাগা হৃদয় বীণায় অনায়াসে।
থাকব চনমনে সে সুধার পরশে কখনো হব না ক্লান্ত-
আগামী থাকবে আমার কাছে হয়ে চিরবসন্ত।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
রচনা ১৪ই কার্তিক ১৪২৬ (২৯শে অক্টোবর ২০১৯)।
সূর্য ডুবছে, দিন ফুরোচ্ছে, আসছে নতুন দিন সামনে,
আমরা সবাই তাকিয়ে আছি আগামীর শুভ আগমনে।
আগামী আনবে মনের মানুষ থাকবে কাছাকাছি,
তার সাথে মোর থাকবে যে অনেক হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি।
সে স্মৃতির রোমন্থনে থাকব আমি আনন্দে বিভোর-
ফিরে পাব শিশুর সারল্য কিছুতেই পার হব না কৈশোর।
যখন আমি ফুরিয়ে যাব সকল কাজের শেষে,
ভাগ করে নেব সেই ভালোলাগা হৃদয় বীণায় অনায়াসে।
থাকব চনমনে সে সুধার পরশে কখনো হব না ক্লান্ত-
আগামী থাকবে আমার কাছে হয়ে চিরবসন্ত।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
রাত্রি শেষে
রচনা ১৬ই শ্রাবণ ১৪২৩ (৩১শে জুলাই ২০১৬)।
রাতের শেষে খুজে পেলাম আমার ঠিকানা
যা রয়েছিলো অগোচরে,
ভোর হতেই সে আবার হারিয়ে গেল
অকূল পারাবারে।
যতই খুজি কেবলি হারায় পারিনা
ধরে রাখতে,
মনে হয় সে ছিলই না আমার
বৃথাই চেষ্টা আটকাতে।
হারিয়ে যাবার ছিল তাড়া,
আমার খোঁজা দিশেহারা।
দিনের শেষে পেলেম তারে,
হলাম আমি আত্মহারা।
সাগরের তটে ঢেউ ভেঙে, আবার ফিরে যায় জলে,
ভোলে না সে, ঢেউ নিয়ে আবার আসে ফিরে, খানিক অন্তরালে-
আমার খোঁজা হল সারা, পেলেম সত্য জানতে অবশেষে,
ঠিকানা আমার নেই কোনো জেনো,
পেয়েও হারাবো ঠিক যুদ্ধশেষে।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
রচনা ১৬ই শ্রাবণ ১৪২৩ (৩১শে জুলাই ২০১৬)।
রাতের শেষে খুজে পেলাম আমার ঠিকানা
যা রয়েছিলো অগোচরে,
ভোর হতেই সে আবার হারিয়ে গেল
অকূল পারাবারে।
যতই খুজি কেবলি হারায় পারিনা
ধরে রাখতে,
মনে হয় সে ছিলই না আমার
বৃথাই চেষ্টা আটকাতে।
হারিয়ে যাবার ছিল তাড়া,
আমার খোঁজা দিশেহারা।
দিনের শেষে পেলেম তারে,
হলাম আমি আত্মহারা।
সাগরের তটে ঢেউ ভেঙে, আবার ফিরে যায় জলে,
ভোলে না সে, ঢেউ নিয়ে আবার আসে ফিরে, খানিক অন্তরালে-
আমার খোঁজা হল সারা, পেলেম সত্য জানতে অবশেষে,
ঠিকানা আমার নেই কোনো জেনো,
পেয়েও হারাবো ঠিক যুদ্ধশেষে।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
উপরিপাওনা
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
রচনা ১৬ই শ্রাবণ ১৪২৭ (৩১ জুলাই ২০২০)
তোমার ফুলের ডালি ভাসিয়ে দেয় আমার মনের যত জমে থাকা অপূর্ণ ইচ্ছা,
অসহায় আমি পারিনা ধরে রাখতে কেবলই বয়ে বেড়াই তোমারি শুভেচ্ছা।
আমার স্মৃতির সিঁড়ি বেয়ে তোমার উত্তরণ যেদিন ঘটালে অকস্মাৎ,
মূর্খ আমি চেয়ে থাকি নির্নিমেষ নয়নে নিমেষে হয়ে যাই স্থবির তৎক্ষনাৎ।
‘ভালো আছো’, ‘ভালো থেকো’, এটুকুই শুধু বলতে পারে আমার এই অবুঝ মন,
তুমি বুঝলেও বুঝতে চাওনা সবটাই অলীক এই ভেবে হয়ে থাকো মুক্তমন।
আমার মনের আকাশে ভেসে আসা তারারা কখনো উজ্জ্বল কখনো অন্ধকারাচ্ছন্ন,
তোমার সাথে একসঙ্গে পথচলা কখনো কি সম্ভব এ জীবনে সেটাই একমাত্র প্রশ্ন।
কিন্তু থামলে তো চলবেনা, এগোতে হবে অসম্ভব কে সম্ভব করেই বাকি পথটুকু অবশেষে,
তোমার ফুলের বাগান যদি পথে পরে সেটুকু হবে আমার উপরিপাওনা পরিশেষে।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
রচনা ১৬ই শ্রাবণ ১৪২৭ (৩১ জুলাই ২০২০)
তোমার ফুলের ডালি ভাসিয়ে দেয় আমার মনের যত জমে থাকা অপূর্ণ ইচ্ছা,
অসহায় আমি পারিনা ধরে রাখতে কেবলই বয়ে বেড়াই তোমারি শুভেচ্ছা।
আমার স্মৃতির সিঁড়ি বেয়ে তোমার উত্তরণ যেদিন ঘটালে অকস্মাৎ,
মূর্খ আমি চেয়ে থাকি নির্নিমেষ নয়নে নিমেষে হয়ে যাই স্থবির তৎক্ষনাৎ।
‘ভালো আছো’, ‘ভালো থেকো’, এটুকুই শুধু বলতে পারে আমার এই অবুঝ মন,
তুমি বুঝলেও বুঝতে চাওনা সবটাই অলীক এই ভেবে হয়ে থাকো মুক্তমন।
আমার মনের আকাশে ভেসে আসা তারারা কখনো উজ্জ্বল কখনো অন্ধকারাচ্ছন্ন,
তোমার সাথে একসঙ্গে পথচলা কখনো কি সম্ভব এ জীবনে সেটাই একমাত্র প্রশ্ন।
কিন্তু থামলে তো চলবেনা, এগোতে হবে অসম্ভব কে সম্ভব করেই বাকি পথটুকু অবশেষে,
তোমার ফুলের বাগান যদি পথে পরে সেটুকু হবে আমার উপরিপাওনা পরিশেষে।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
মুক্তি
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
রচনা ১৭ই আষাঢ় ১৪২৫ (১ জুলাই ২০১৮)
মুক্তি, ওভাই মুক্তি কোথায় পাবি,
মুক্তির দ্বার অবরুদ্ধ সেথায় প্রবেশ নারি।
দ্যুলোক হতে নামিল যে জ্যোতি,
পারাবারে তারা মিলিত হয়ে আনিল অপারশক্তি।
তবুও রুদ্ধ যে দ্বার তাকে খোলে কার সাধ্যি।
এ দ্বার অভিমানী, সকল চেষ্টায় সাবধানি,
গায়ের জোরে খুলবে না দ্বার বৃথাই হয়রানি।
তোমার চেষ্টায় হয়ত নেই কোনো ঘাটতি,
তবুও তা নয় যথেষ্ট যতই থাক তোমার প্রশ্নাতীত আকুতি।
জীবন দিয়ে ফিরিয়ে নিলে পাবে কি তার আস্থা?
এ আস্থা যতদিন না ফিরবে ততদিনই থাকবে স্থিতাবস্থা।
এ মুক্তির দ্বার থাকবে অবরুদ্ধ, হবে না অর্গলমুক্ত,
নিজের বিশ্বাসে যতই থাক শক্তি তবুও এ দ্বার হবে না উন্মুক্ত।
মরণের আলিঙ্গনে যেদিন তোমার অস্থি মিশবে আকাশ বাতাস জলে-
সেদিন মুক্তির স্বাদে উদ্বাহু নৃত্যে দেখবে দ্বার খুলে গেছে নিঃশব্দে।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
রচনা ১৭ই আষাঢ় ১৪২৫ (১ জুলাই ২০১৮)
মুক্তি, ওভাই মুক্তি কোথায় পাবি,
মুক্তির দ্বার অবরুদ্ধ সেথায় প্রবেশ নারি।
দ্যুলোক হতে নামিল যে জ্যোতি,
পারাবারে তারা মিলিত হয়ে আনিল অপারশক্তি।
তবুও রুদ্ধ যে দ্বার তাকে খোলে কার সাধ্যি।
এ দ্বার অভিমানী, সকল চেষ্টায় সাবধানি,
গায়ের জোরে খুলবে না দ্বার বৃথাই হয়রানি।
তোমার চেষ্টায় হয়ত নেই কোনো ঘাটতি,
তবুও তা নয় যথেষ্ট যতই থাক তোমার প্রশ্নাতীত আকুতি।
জীবন দিয়ে ফিরিয়ে নিলে পাবে কি তার আস্থা?
এ আস্থা যতদিন না ফিরবে ততদিনই থাকবে স্থিতাবস্থা।
এ মুক্তির দ্বার থাকবে অবরুদ্ধ, হবে না অর্গলমুক্ত,
নিজের বিশ্বাসে যতই থাক শক্তি তবুও এ দ্বার হবে না উন্মুক্ত।
মরণের আলিঙ্গনে যেদিন তোমার অস্থি মিশবে আকাশ বাতাস জলে-
সেদিন মুক্তির স্বাদে উদ্বাহু নৃত্যে দেখবে দ্বার খুলে গেছে নিঃশব্দে।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
অবোধ্য
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
রচনা ১৭ই মাঘ ১৪২৪ (৩০ জানুয়ারী ২০১৮)
তোমার আমার একই আকাশ
তবে ভিন্ন কেন দেশ,
তোমার আমার একই বাতাস
তবে ভিন্ন কেন বেশ।
তোমার আমার একই সঙ্গীত
তবে ভিন্ন কেন সুর,
তুমি আমি পাশাপাশি
তবু কেন এত দূর।
তুমি আমি একই ভাবে
আকাশ পানে চাই,
তারি মাঝে আকূল হয়ে
দুটি আলো খুঁজে বেড়াই।
তুমি আমি একই ভাবে
বাতাস টানি সদা,
বহে চলে অহর্নিশি
মোদের জীবনরেখা।
তোমার আমার সঙ্গীতের
চরম মুহূর্তগুলো,
ভেসে আসে উজান বেয়ে
অনেক কষ্ট সয়ে।
ধরা দেয় একই সাথে
একই স'মে একই বার্তা,
তবে তোমার আমার ঈশ্বর
কেন আলাদা?
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
রচনা ১৭ই মাঘ ১৪২৪ (৩০ জানুয়ারী ২০১৮)
তোমার আমার একই আকাশ
তবে ভিন্ন কেন দেশ,
তোমার আমার একই বাতাস
তবে ভিন্ন কেন বেশ।
তোমার আমার একই সঙ্গীত
তবে ভিন্ন কেন সুর,
তুমি আমি পাশাপাশি
তবু কেন এত দূর।
তুমি আমি একই ভাবে
আকাশ পানে চাই,
তারি মাঝে আকূল হয়ে
দুটি আলো খুঁজে বেড়াই।
তুমি আমি একই ভাবে
বাতাস টানি সদা,
বহে চলে অহর্নিশি
মোদের জীবনরেখা।
তোমার আমার সঙ্গীতের
চরম মুহূর্তগুলো,
ভেসে আসে উজান বেয়ে
অনেক কষ্ট সয়ে।
ধরা দেয় একই সাথে
একই স'মে একই বার্তা,
তবে তোমার আমার ঈশ্বর
কেন আলাদা?
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
সংকল্প
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
রচনা ১১ই বৈশাখ ১৪২৫ (২৪ এপ্রিল ২০১৮)
স্বপ্নে আমি দেখতে পেলাম চলেছি ভেসে মেঘের মাঝে,
নেই কোনো বাধা বিপত্তি, ভারহীন আমি মুক্ত কেশে।
এগিয়ে চলেছি আপন স্রোতে কোন যে নিরুদ্দেশের পথে,
মেঘেদের সাথে একলা আমি আর যে কেউ নেই সাথে।
আকাশ আমার মাথার উপর নেমে এসেছে অনেক কাছে,
মনে হয় তাকে ছুয়ে ফেলব হাত বাড়িয়ে অসংকোচে।
তারাদের দেশ ডাকছে আমায় হাত নাড়িয়ে সর্বদা,
ভাবছি একবার ঘুরেই আসি, মিটিয়ে দিয়ে ইচ্ছেটা।
তারাদের থেকেও মনে ধরেছে চাঁদের ঐ গোলাপি রঙটা,
ইচ্ছে করছে জড়িয়ে ধরি দুহাত দিয়ে বুকে চাঁদটা।
চাঁদের বুড়ির চরকা কাটা শিখে নিই এই ফাঁকে,
সূযোগ পেলেই শিখিয়ে দেব যে শিখতে চায় তাকে।
কাকে ছেড়ে কার কাছে যাব হচ্ছি দিশাহারা,
তারার দেশের পথ আগলে রয়েছে অনেক গ্রহরা।
তাদের আহ্বানও আমার কাছে যথেষ্ট মর্যাদার,
কিন্তু সময় কি হবে সব যায়গায় একবার ঘুরে আসার।
খুঁজতে হবে.....
খুঁজতে হবে পথ যা নিয়ে যাবে সেখানে খুব দ্রুত,
আছে এক কৃষ্ণগহ্বর যা কিনা বেশ জনশ্রুত।
কিন্তু পাব কি সে পথ খুঁজে সময় যে খুব অল্প,
ঘুম ভাঙার আগে পেতেই হবে এটাই যে আমার সঙ্কল্প।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
রচনা ১১ই বৈশাখ ১৪২৫ (২৪ এপ্রিল ২০১৮)
স্বপ্নে আমি দেখতে পেলাম চলেছি ভেসে মেঘের মাঝে,
নেই কোনো বাধা বিপত্তি, ভারহীন আমি মুক্ত কেশে।
এগিয়ে চলেছি আপন স্রোতে কোন যে নিরুদ্দেশের পথে,
মেঘেদের সাথে একলা আমি আর যে কেউ নেই সাথে।
আকাশ আমার মাথার উপর নেমে এসেছে অনেক কাছে,
মনে হয় তাকে ছুয়ে ফেলব হাত বাড়িয়ে অসংকোচে।
তারাদের দেশ ডাকছে আমায় হাত নাড়িয়ে সর্বদা,
ভাবছি একবার ঘুরেই আসি, মিটিয়ে দিয়ে ইচ্ছেটা।
তারাদের থেকেও মনে ধরেছে চাঁদের ঐ গোলাপি রঙটা,
ইচ্ছে করছে জড়িয়ে ধরি দুহাত দিয়ে বুকে চাঁদটা।
চাঁদের বুড়ির চরকা কাটা শিখে নিই এই ফাঁকে,
সূযোগ পেলেই শিখিয়ে দেব যে শিখতে চায় তাকে।
কাকে ছেড়ে কার কাছে যাব হচ্ছি দিশাহারা,
তারার দেশের পথ আগলে রয়েছে অনেক গ্রহরা।
তাদের আহ্বানও আমার কাছে যথেষ্ট মর্যাদার,
কিন্তু সময় কি হবে সব যায়গায় একবার ঘুরে আসার।
খুঁজতে হবে.....
খুঁজতে হবে পথ যা নিয়ে যাবে সেখানে খুব দ্রুত,
আছে এক কৃষ্ণগহ্বর যা কিনা বেশ জনশ্রুত।
কিন্তু পাব কি সে পথ খুঁজে সময় যে খুব অল্প,
ঘুম ভাঙার আগে পেতেই হবে এটাই যে আমার সঙ্কল্প।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
কালপুরুষ
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
রচনা ১৭ই জৈষ্ঠ ১৪২৯ (৩১ মে ২০২২)
আমার যদি থাকতো তোমার মতো এক সৈনিক-
থাকতো যদি তার কটিবন্ধে তোমার মতো এক তলোয়ার ও হাতে থাকতো ঢাল,
চকিতে বুঝিয়ে দিতাম সবাইকে আর চলবে না কোনো চাল।
তরবারির অগ্রভাগ থেকে নির্গত তেজস্বী রশ্মিতে-
ছারখার করে দিতাম সব অনাচার,
পৃথিবী থেকে মুছে দিতাম সব অন্যায় অত্যাচার,
সমস্ত কোলাহল ও বিশৃঙ্খলা দমন করতাম নির্মম হাতে।
কিন্তু আমার তো কোনো কালপুরুষ নেই,
তাই সব অন্যায় অত্যাচার দেখেও
হয়ে থাকি স্থবির,
অক্ষম আক্রোশে হাত পা ছুঁড়েই
হয়ে যাই শান্ত।
কত ভাবি ভেঙে চুরমার করে দিই সব,
সবাইকে দিই শাস্তি-
কিন্তু আমার কাছে তো কোনো কালপুরুষ নেই।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
রচনা ১৭ই জৈষ্ঠ ১৪২৯ (৩১ মে ২০২২)
আমার যদি থাকতো তোমার মতো এক সৈনিক-
থাকতো যদি তার কটিবন্ধে তোমার মতো এক তলোয়ার ও হাতে থাকতো ঢাল,
চকিতে বুঝিয়ে দিতাম সবাইকে আর চলবে না কোনো চাল।
তরবারির অগ্রভাগ থেকে নির্গত তেজস্বী রশ্মিতে-
ছারখার করে দিতাম সব অনাচার,
পৃথিবী থেকে মুছে দিতাম সব অন্যায় অত্যাচার,
সমস্ত কোলাহল ও বিশৃঙ্খলা দমন করতাম নির্মম হাতে।
কিন্তু আমার তো কোনো কালপুরুষ নেই,
তাই সব অন্যায় অত্যাচার দেখেও
হয়ে থাকি স্থবির,
অক্ষম আক্রোশে হাত পা ছুঁড়েই
হয়ে যাই শান্ত।
কত ভাবি ভেঙে চুরমার করে দিই সব,
সবাইকে দিই শাস্তি-
কিন্তু আমার কাছে তো কোনো কালপুরুষ নেই।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
আধুনিক কবিতা
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
রচনা ১২ই জৈষ্ঠ ১৪২২ (২৬ মে ২০১৫)
আমি উন্মাদ নই, নই আমি চলমান fossil
তবু আমি আমিই, এই মহাকালের গণ্ডি
পার হয়ে হতবাক অতীত।
খোঁজা অসম্ভব, তাই খুঁজতে যেও না,
হয়ত তাহলেই সম্ভব হবে নির্বিকার প্রাণহীন এই পরিক্রমা।
হোঁচট খেলে সহ্য করতে হবে ব্যাথা,
না খেলে করতে হবে আরো বেশী।
তবুও প্রত্যাশা থেকে সরানো যাবে না দৃষ্টি,
যে দৃষ্টি নিয়ে যাবে বহু যুগের ওপারে
বিচিত্র সেই চারণভূমিতে।
জারজ সন্তানের ন্যায় নির্নিমেষ নয়নে
খুঁজতে থাকা সেই একই উত্তর,
বিশ্বব্যাপী চরাচরে প্রতিধ্বনিত হয়ে
ফিরে আসে সেই চিরপরিচিত অবয়ব।
এরপর প্রশ্ন ছিল,
সবই তো বুঝলাম
তা এই ‘আমি’ টা কে?
ঝটিতি উত্তর এল,
কোনো প্রশ্ন করা চলবে না Boss
এটা আধুনিক কবিতা।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
রচনা ১২ই জৈষ্ঠ ১৪২২ (২৬ মে ২০১৫)
আমি উন্মাদ নই, নই আমি চলমান fossil
তবু আমি আমিই, এই মহাকালের গণ্ডি
পার হয়ে হতবাক অতীত।
খোঁজা অসম্ভব, তাই খুঁজতে যেও না,
হয়ত তাহলেই সম্ভব হবে নির্বিকার প্রাণহীন এই পরিক্রমা।
হোঁচট খেলে সহ্য করতে হবে ব্যাথা,
না খেলে করতে হবে আরো বেশী।
তবুও প্রত্যাশা থেকে সরানো যাবে না দৃষ্টি,
যে দৃষ্টি নিয়ে যাবে বহু যুগের ওপারে
বিচিত্র সেই চারণভূমিতে।
জারজ সন্তানের ন্যায় নির্নিমেষ নয়নে
খুঁজতে থাকা সেই একই উত্তর,
বিশ্বব্যাপী চরাচরে প্রতিধ্বনিত হয়ে
ফিরে আসে সেই চিরপরিচিত অবয়ব।
এরপর প্রশ্ন ছিল,
সবই তো বুঝলাম
তা এই ‘আমি’ টা কে?
ঝটিতি উত্তর এল,
কোনো প্রশ্ন করা চলবে না Boss
এটা আধুনিক কবিতা।
. ****************
. সূচীতে . . .
মিলনসাগর
