কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত - জন্মগ্রহণ করেন পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়ায়। পিতা নেপালচন্দ্র সেনগুপ্ত এবং মাতা লীলা দেবী। চার ভাইয়ের মধ্যে কবি সেজ।

কবির শিক্ষা জীবন শুরু হয় কলকাতার বাঁশদ‍্রোণীতে স্থিত সেন্ট মেরিজ স্কুলে। এরপর ভর্তি হন নাকতলা হাই স্কুলে। খানপুর হাইস্কুল থেকে তিনি উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন। এর পর তিনি রাঁচির সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে স্নাতক হন এবং কলকাতার যোগেশ চন্দ্র চৌধুরী কলেজ অফ 'ল' থেকে আইন পাশ করেন।

কবির কর্মজীবন কাটে ভারতীয় রেলে, বিহারের সাহেবগঞ্জ, জামালপুর, পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের নলহাটি, ঝাড়খণ্ডের পাকুড়, বারহারওয়া, পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া প্রভৃতি জায়গায়। সব শেষে তিনি অবসর গ্রহণ করেন কোলকাতায় পূর্বরেলের হেড অফিস, বিনয় বাদল দীনেশ বাগের (ডালহাউসি স্কোয়ার) ফেয়ারলি প্লেস থেকে।

কৈশোর ও যৌবনের শুরুতে ফুটবল খেলা ও গানের প্রতি তাঁর আকর্ষণ দেখে পরিবারের অনেকেই খুব আশান্বিত হয়েছিলেন। কিন্তু কর্মজীবনের ব্যস্ততা, ও জীবনযুদ্ধের নির্দয় ঘাত-প্রতিঘাতে সেই দিকে আর বেশী এগুতে পারেন নি। কিন্তু গান তাঁর আজীবন সঙ্গী হয়ে থেকেছে ছবি আঁকার মতন। কবিতা তাঁর সঙ্গে সঙ্গে থাকলেও অবসর গ্রহণ করার পর থেকে বড় আকার ধারণ করে এবং কবি হিসেবে তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে।

কবির জীবন দর্শন এই কয়েকটি লাইনে খুব সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে . . .

ঈশ্বর তুমি বাহিরে থেকো
আমায় রেখো মায়ার কারাগারে বন্দী।
আমার যদি কারাবাস শেষও হয়
তবুও দিও না মুক্তি।
এ মুক্তি আমার নয় কাঙ্ক্ষিত,
মায়ার বাঁধনেই আমি সুরক্ষিত,
একমাত্র অগ্নিই আমার সঙ্গী মৃত‍্যুতে-
সেদিনই চাই তোমার সাথে মৃত‍্যুর আনন্দ
ভাগ করে নিতে।

মিলনসাগরে আমরা কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্তর কবিতা প্রকাশ করে আনন্দিত এবং আগামী প্রজন্মের কাছে তাঁর কবিতা পৌঁছে দিতে পারলে এই প্রয়াসের সার্থকতা।


কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্তর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন


কবির সঙ্গে যোগাযোগ - -
চলভাষ - ৯১ ৮২৪০৫০০৪৫২

ফেসবুক -  
httpsss://www.facebook.com/rajatshubhra.sengupta          





আমাদের ই-মেল
: srimilansengupta@yahoo.co.in
হোয়াটসঅ্যাপ
: +৯১ ৯৮৩০৬৮১০১৭       



২৪টি কবিতা নিয়ে এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ১৫.৩.২০২৩
১০টি কবিতা নিয়ে এই পাতার পরিবর্ধিত সংস্করণ - ২.৬.২০২৩
^^ উপরে ফেরত