রমাপদ চৌধুরীর শিক্ষা ও কর্মজীবন
রমাপদ চৌধুরীর সাহিত্য, শিশিরকুমার দাশ
রমাপদ চৌধুরীর সাহিত্যসম্ভার
রমাপদ চৌধুরীর সাহিত্য অবলম্বনে সিনেমা
রমাপদ চৌধুরীর প্রাপ্ত সম্মাননা
কবি রমাপদ চৌধুরীর কবিতা
রমাপদ চৌধুরীর সাহিত্য, শিশিরকুমার দাশ
রমাপদ চৌধুরীর সাহিত্যসম্ভার
রমাপদ চৌধুরীর সাহিত্য অবলম্বনে সিনেমা
রমাপদ চৌধুরীর প্রাপ্ত সম্মাননা
কবি রমাপদ চৌধুরীর কবিতা
কবি রমাপদ চৌধুরী - জন্মগ্রহণ করেন মেদিনীপুর জেলার খড়গপুরে। পিতা মহেশচন্দ্র চৌধুরী ও মাতা দুর্গাসুন্দরী দেবী।
.
রমাপদ চৌধুরীর শিক্ষা ও কর্মজীবন - ^^ উপরে ফেরত
খড়গপুরেই তার প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে, কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে তিনি ইংরেজি সাহিত্যে এম.এ ডিগ্রী লাভ করেন। কলেজ পাশ করে তিনি আনন্দবাজার পত্রিকায় যোগ দেন। তিনি ওই পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং পত্রিকার রবিবারের ক্রোড়পত্র “রবিবাসরীয়” বিভাগের সম্পাদক হন।
আমরা আবেদন করছি যদি তাঁর লেখা অন্য কোনো কবিতা কেউ আমাদের পাঠান তাহলে আমরা তা এখানে অবশ্যই তুলে দেবো, প্রেরকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে।
.
রমাপদ চৌধুরীর সাহিত্য, শিশিরকুমার দাশ - ^^ উপরে ফেরত
ডঃ শিশিকুমার দাশ তাঁর ২০০৩ সালে প্রকাশিত, “সংসদ বাংলা সাহিত্যসঙ্গী” গ্রন্থে রমাপদ চৌধুরীর সাহিত্য নিয়ে লিখেছেন . . .
“তাঁর ছোট গল্প ও উপন্যাসের জগৎ বৈচিত্রময় এবং কথনকৌশলের নানা পরীক্ষায় চিহ্নিত। তাঁর প্রথম উপন্যাস প্রথম প্রহর-এ দেখা যাবে নানা জাতি ও ধর্মের মানুষের সমাহার ও সম্পর্ক, লালবাঈ উপন্যাসে অতীত সামন্ত্রতন্ত্রের জৌলুস, দ্বীপের নাম টিয়ারঙ উপন্যাসে এক অপরিচিত ভূগোল ও মানব সম্প্রদায় আবার, এই পৃথিবী পান্থনিবাস-এ এক ছোট হোটেলের মধ্যে এক চেনা পৃথিবীর পরিচয়। গ্রাম ও শহর, আঞ্চলিকতা ও নাগরিক পরিশীলন দুইই তাঁর সাহিত্যজগতে মূল্যবান স্থান অধিকার করেছে। তাঁর এখনই উপন্যাসে সমকালের নাগরিক জীবন, বিশেষ যুব সম্প্রদায়ের অস্থির মানসিকতার এক সূক্ষ্ম পরিচয়। তাঁর উপন্যাসে কাহিনীর একটা আকর্ষণ থাকেই, কিন্তু তার চেয়ে বড়ো আকর্ষণ মানুষের জটিল মানসিকতার ক্রম উন্মেচন আর সেই উন্মোচনের রীতি।”
.
রমাপদ চৌধুরীর সাহিত্যসম্ভার - ^^ উপরে ফেরত
ছাত্রজীবনেই মাত্র ২৫ বছর বয়সে তাঁর প্রথম গল্প “উদয়াস্ত” প্রকাশিত হয় “যুগান্তর” পত্রিকায়। তাঁর অন্যান্য রচনার মধ্যে রয়েছে . . .
“স্বর্ণমারীচ” (১৯৪৯), “প্রথম প্রহর” (১৯৫৪), “প্রথম প্রহর” (১৯৫৪), “দ্বীপের নাম টিয়ারং”, “বনপলাশীর পদাবলী” (১৯৬০ / ১৯৬২), “যে যেখানে দাঁড়িয়ে”, “এখনই” (১৯৬৯), “খারিজ”, “বাড়ি বদলে যায়” (১৯৮৮), “অভিমন্যু” (১৯৮২), “বীজ”, “দরবারী”(১৯৫৩), “হারানো খাতা”, “লালবাঈ” (১৯৫৬), “পিকনিক”, “বাহিরি”, “ছাদ”, “শেষের সীমানা”, “আকাশপ্রদীপ” প্রভৃতি।
রমাপদ চৌধুরী ১৯৪৯ সালে “রমাপদ চৌধুরীর পত্রিকা” নামে একটি পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
.
রমাপদ চৌধুরীর সাহিত্য অবলম্বনে সিনেমা - ^^ উপরে ফেরত
তাঁর রচিত উপন্যাস ও গল্প অবলম্বনে করা চলচিত্রগুলির মধ্যে রয়েছে . . .
গুরুদাস বাগচীর পরিচালনায় “দ্বীপের নাম টিয়ারং” (১৯৬৩),
তপন সিংহের পরিচালনায় “এখনই” (১৯৭০),
ইন্দ্র সেনের পরিচালনায় “পিকনিক” (১৯৭২),
উত্তমকুমারের পরিচালনায় “বনপলাশীর পদাবলী” (১৯৭২),
অগ্রমীর পরিচালনায় “যে যেখানে দাঁড়িয়ে” (১৯৭৪),
মৃণাল সেনের পরিচালনায় “খারিজ” (১৯৮২),
মৃণাল সেনের পরিচালনায়, “বীজ” কাহিনি অবলম্বনে, হিন্দীতে “এক দিন আচানাক” (১৯৮৯),
তপন সিংহের পরিচালনায়, “অভিমন্যু” উপন্যাস অবলম্বনে, “এক ডক্টর কি মৌত” (১৯৯২),
গুলবাহার সিংহের পরিচালনায়, “আহ্লাদী” কাহিনি অবলম্বনে, “সুন্দরী” (১৯৯৯) প্রভৃতি।
.
রমাপদ চৌধুরীর প্রাপ্ত সম্মাননা - ^^ উপরে ফেরত
১৯৬৩ সালে তিনি আনন্দ পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭১ সালে “এখনই” উপন্যাসের জন্য তিনি রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হন। “বাড়ি বদলে যায়” উপন্যাসের জন্য তিনি ১৯৮৮ সালে সাহিত্য একাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। ২০১১ সালে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ প্ল্যানিং অ্যাণ্ড ম্যানেজমেন্টের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্মারক আন্তর্জাতিক পুরস্কারের প্রথম প্রাপক ছিলেন রমাপদ চৌধুরী তাঁর “বনপলাশী পদাবলী” উপন্যাসের জন্য। এছাড়া তাঁর প্রাপ্ত সম্মাননার মধ্যে রয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সম্মান জগত্তারিণী স্বর্ণপদক (১৯৮৭) এবং শরৎচন্দ্র পদক (১৯৮৪)।
পরিচালক রাজা মিত্র, সাহিত্য একাদেমির হয়ে রমাপদ চৌধুরীর জীবনের উপর একটি তথ্যচিত্র তৈরি করেন।
.
কবি রমাপদ চৌধুরীর কবিতা - ^^ উপরে ফেরত
তাঁর রচনা মূলত গদ্য সাহিত্য। তিনি গল্পকার ও ঔপন্যাসিক রূপেই খ্যাতি লাভ করেন। সাধরণতঃ লেখকরা প্রথম জীবনে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় কবিতা দিয়েই লেখা শুরু করেন। কিন্তু আমরা, আমাদের সংগ্রহের কোনো পত্র-পত্রিকাতেই তাঁর কোনো প্রকাশিত কবিতা খুঁজে পাইনি।
“বনপলাশীর পদাবলী” উপন্যাসে তাঁর লেখা দুটি গান রয়েছে, যা আমরা এখানে তাঁর কবিতা হিসেবে তুলে দিয়ে ধন্য হয়েছি।
মিলনসাগরে কবি রমাপদ চৌধুরীর কবিতা তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই প্রচেষ্টার সার্থকতা।
.
রমাপদ চৌধুরীর শিক্ষা ও কর্মজীবন - ^^ উপরে ফেরত
খড়গপুরেই তার প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে, কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে তিনি ইংরেজি সাহিত্যে এম.এ ডিগ্রী লাভ করেন। কলেজ পাশ করে তিনি আনন্দবাজার পত্রিকায় যোগ দেন। তিনি ওই পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং পত্রিকার রবিবারের ক্রোড়পত্র “রবিবাসরীয়” বিভাগের সম্পাদক হন।
আমরা আবেদন করছি যদি তাঁর লেখা অন্য কোনো কবিতা কেউ আমাদের পাঠান তাহলে আমরা তা এখানে অবশ্যই তুলে দেবো, প্রেরকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে।
.
রমাপদ চৌধুরীর সাহিত্য, শিশিরকুমার দাশ - ^^ উপরে ফেরত
ডঃ শিশিকুমার দাশ তাঁর ২০০৩ সালে প্রকাশিত, “সংসদ বাংলা সাহিত্যসঙ্গী” গ্রন্থে রমাপদ চৌধুরীর সাহিত্য নিয়ে লিখেছেন . . .
“তাঁর ছোট গল্প ও উপন্যাসের জগৎ বৈচিত্রময় এবং কথনকৌশলের নানা পরীক্ষায় চিহ্নিত। তাঁর প্রথম উপন্যাস প্রথম প্রহর-এ দেখা যাবে নানা জাতি ও ধর্মের মানুষের সমাহার ও সম্পর্ক, লালবাঈ উপন্যাসে অতীত সামন্ত্রতন্ত্রের জৌলুস, দ্বীপের নাম টিয়ারঙ উপন্যাসে এক অপরিচিত ভূগোল ও মানব সম্প্রদায় আবার, এই পৃথিবী পান্থনিবাস-এ এক ছোট হোটেলের মধ্যে এক চেনা পৃথিবীর পরিচয়। গ্রাম ও শহর, আঞ্চলিকতা ও নাগরিক পরিশীলন দুইই তাঁর সাহিত্যজগতে মূল্যবান স্থান অধিকার করেছে। তাঁর এখনই উপন্যাসে সমকালের নাগরিক জীবন, বিশেষ যুব সম্প্রদায়ের অস্থির মানসিকতার এক সূক্ষ্ম পরিচয়। তাঁর উপন্যাসে কাহিনীর একটা আকর্ষণ থাকেই, কিন্তু তার চেয়ে বড়ো আকর্ষণ মানুষের জটিল মানসিকতার ক্রম উন্মেচন আর সেই উন্মোচনের রীতি।”
.
রমাপদ চৌধুরীর সাহিত্যসম্ভার - ^^ উপরে ফেরত
ছাত্রজীবনেই মাত্র ২৫ বছর বয়সে তাঁর প্রথম গল্প “উদয়াস্ত” প্রকাশিত হয় “যুগান্তর” পত্রিকায়। তাঁর অন্যান্য রচনার মধ্যে রয়েছে . . .
“স্বর্ণমারীচ” (১৯৪৯), “প্রথম প্রহর” (১৯৫৪), “প্রথম প্রহর” (১৯৫৪), “দ্বীপের নাম টিয়ারং”, “বনপলাশীর পদাবলী” (১৯৬০ / ১৯৬২), “যে যেখানে দাঁড়িয়ে”, “এখনই” (১৯৬৯), “খারিজ”, “বাড়ি বদলে যায়” (১৯৮৮), “অভিমন্যু” (১৯৮২), “বীজ”, “দরবারী”(১৯৫৩), “হারানো খাতা”, “লালবাঈ” (১৯৫৬), “পিকনিক”, “বাহিরি”, “ছাদ”, “শেষের সীমানা”, “আকাশপ্রদীপ” প্রভৃতি।
রমাপদ চৌধুরী ১৯৪৯ সালে “রমাপদ চৌধুরীর পত্রিকা” নামে একটি পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
.
রমাপদ চৌধুরীর সাহিত্য অবলম্বনে সিনেমা - ^^ উপরে ফেরত
তাঁর রচিত উপন্যাস ও গল্প অবলম্বনে করা চলচিত্রগুলির মধ্যে রয়েছে . . .
গুরুদাস বাগচীর পরিচালনায় “দ্বীপের নাম টিয়ারং” (১৯৬৩),
তপন সিংহের পরিচালনায় “এখনই” (১৯৭০),
ইন্দ্র সেনের পরিচালনায় “পিকনিক” (১৯৭২),
উত্তমকুমারের পরিচালনায় “বনপলাশীর পদাবলী” (১৯৭২),
অগ্রমীর পরিচালনায় “যে যেখানে দাঁড়িয়ে” (১৯৭৪),
মৃণাল সেনের পরিচালনায় “খারিজ” (১৯৮২),
মৃণাল সেনের পরিচালনায়, “বীজ” কাহিনি অবলম্বনে, হিন্দীতে “এক দিন আচানাক” (১৯৮৯),
তপন সিংহের পরিচালনায়, “অভিমন্যু” উপন্যাস অবলম্বনে, “এক ডক্টর কি মৌত” (১৯৯২),
গুলবাহার সিংহের পরিচালনায়, “আহ্লাদী” কাহিনি অবলম্বনে, “সুন্দরী” (১৯৯৯) প্রভৃতি।
.
রমাপদ চৌধুরীর প্রাপ্ত সম্মাননা - ^^ উপরে ফেরত
১৯৬৩ সালে তিনি আনন্দ পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭১ সালে “এখনই” উপন্যাসের জন্য তিনি রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হন। “বাড়ি বদলে যায়” উপন্যাসের জন্য তিনি ১৯৮৮ সালে সাহিত্য একাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। ২০১১ সালে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ প্ল্যানিং অ্যাণ্ড ম্যানেজমেন্টের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্মারক আন্তর্জাতিক পুরস্কারের প্রথম প্রাপক ছিলেন রমাপদ চৌধুরী তাঁর “বনপলাশী পদাবলী” উপন্যাসের জন্য। এছাড়া তাঁর প্রাপ্ত সম্মাননার মধ্যে রয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সম্মান জগত্তারিণী স্বর্ণপদক (১৯৮৭) এবং শরৎচন্দ্র পদক (১৯৮৪)।
পরিচালক রাজা মিত্র, সাহিত্য একাদেমির হয়ে রমাপদ চৌধুরীর জীবনের উপর একটি তথ্যচিত্র তৈরি করেন।
.
কবি রমাপদ চৌধুরীর কবিতা - ^^ উপরে ফেরত
তাঁর রচনা মূলত গদ্য সাহিত্য। তিনি গল্পকার ও ঔপন্যাসিক রূপেই খ্যাতি লাভ করেন। সাধরণতঃ লেখকরা প্রথম জীবনে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় কবিতা দিয়েই লেখা শুরু করেন। কিন্তু আমরা, আমাদের সংগ্রহের কোনো পত্র-পত্রিকাতেই তাঁর কোনো প্রকাশিত কবিতা খুঁজে পাইনি।
“বনপলাশীর পদাবলী” উপন্যাসে তাঁর লেখা দুটি গান রয়েছে, যা আমরা এখানে তাঁর কবিতা হিসেবে তুলে দিয়ে ধন্য হয়েছি।
মিলনসাগরে কবি রমাপদ চৌধুরীর কবিতা তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই প্রচেষ্টার সার্থকতা।
কবি রমাপদ চৌধুরীর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।
উৎস :
আমাদের ই-মেল : srimilansengupta@yahoo.co.in
হোয়াটসঅ্যাপ : +৯১ ৯৮৩০৬৮১০১৭
এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ১৩.৪.২০২৩
উৎস :
- কবি শিশিরকুমার দাশ, “সংসদ বাংলা সাহিত্যসঙ্গী”, ২০০৩।
- বাংলা উইকিপেডিয়া।
- আনন্দবাজার পত্রিকা।
আমাদের ই-মেল : srimilansengupta@yahoo.co.in
হোয়াটসঅ্যাপ : +৯১ ৯৮৩০৬৮১০১৭
এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ১৩.৪.২০২৩