শুন শুন মহাশয়, শুন দিয়া মন
গীতিকার কবি তরুণ মজুমদার।
সুরকার হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। শিল্পী মান্না দে। ১৯৭৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, তরুণ মজুমদার পরিচালিত, সন্ধ্যা রায় ও সমিত ভঞ্জ অভিনীত, “ফুলেশ্বরী” ছায়াছবির গান। এই গানটির কথা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তি যদি থাকে, তা মার্জনা করে ভ্রম সংশোধন করে দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। গানটি সৌজন্যে Vishal Ragav ইউটিউব চ্যানেল। নীচে দেয়া ভিডিওতে না শুনতে পারলে এখানে ক্লিক করুন . . . । মিলনসাগরে প্রকাশ - ২২.৮.২০২৫।
শুন শুন মহাশয়, শুন দিয়া মন —
বিচিত্র কাহিনি এক করি গো বর্ণন॥
শুন শুন মহাশয়, শুন দিয়া মন —
বিচিত্র কাহিনি এক করি গো বর্ণন॥
কোরাস : আহা বেশ বেশ বেশ,
আহা বেশ বেশ বেশ॥
যদিও জানি গো ইহা চুয়াত্তর সন —
দিকে দিকে প্রগতির কত না লক্ষণ॥
কোরাস : আহা বেশ বেশ বেশ,
আহা বেশ বেশ বেশ॥
এই জলেতে জাহাজ ওড়ে, আকাশে বিমান —
কলে-মিলে ধর্মঘট, মিছিল-স্লোগান॥
‘জন্ম নিয়ন্ত্রণ’ আর ‘গরিবি হাটাও’ —
ইন্দিরা-নিক্সন-ভুট্টো-কোসিজিন-মাও॥
কোরাস: আহা বেশ বেশ বেশ,
আহা বেশ বেশ বেশ॥
ফেলিনি-গোদার-ক্রুফো-সত্যজিৎ রায় —
ইহাদের সকলেরে রাখি গো মাথায়॥
কোরাস: আহা বেশ বেশ বেশ,
আহা বেশ বেশ বেশ
আহা বেশ বেশ বেশ॥
তবু মাঝে মাঝে মন যেতে চায় ফিরে ফিরে
ছায়া সুনিবিড় স্বপ্নমদির হারানো দিনের ভিড়ে।
তবু মাঝে মাঝে মন যেতে চায় ফিরে ফিরে॥
আকাশ যেথায় নীলিমায় নীল
তরু মর্মরে বিশ্ব নিখিল
গেয়ে ওঠে গান ---
জেগে ওঠে প্রাণ
উদাসী বাঁশির ডাকে
কলসীটি নিয়ে কাঁখে
পল্লীর মেয়ে জল নিতে যায়
ছায়া-ঘেরা পথ দিয়ে।
শুধু রূপকথা কী এ!
তবু সেই কথা আমার পরাণে
সোনার চেয়েও দামি
এইখানে এসে আমি
আমার 'আমি'রে খুঁজে পাই ফিরে ফিরে॥
ছায়ায় মায়ায় সুধায় মাখানো
সেই অতীতের তীরে
চলো চলে যাই
একবার ধীরে ধীরে
চলো চলে যাই
একবার ধীরে ধীরে
চলো চলে যাই
একবার ধীরে ধীরে॥
*********************
গীতিকার কবি তরুণ মজুমদার।
সুরকার হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। শিল্পী মান্না দে। ১৯৭৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, তরুণ মজুমদার পরিচালিত, সন্ধ্যা রায় ও সমিত ভঞ্জ অভিনীত, “ফুলেশ্বরী” ছায়াছবির গান। এই গানটির কথা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তি যদি থাকে, তা মার্জনা করে ভ্রম সংশোধন করে দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। গানটি সৌজন্যে Vishal Ragav ইউটিউব চ্যানেল। নীচে দেয়া ভিডিওতে না শুনতে পারলে এখানে ক্লিক করুন . . . । মিলনসাগরে প্রকাশ - ২২.৮.২০২৫।
শুন শুন মহাশয়, শুন দিয়া মন —
বিচিত্র কাহিনি এক করি গো বর্ণন॥
শুন শুন মহাশয়, শুন দিয়া মন —
বিচিত্র কাহিনি এক করি গো বর্ণন॥
কোরাস : আহা বেশ বেশ বেশ,
আহা বেশ বেশ বেশ॥
যদিও জানি গো ইহা চুয়াত্তর সন —
দিকে দিকে প্রগতির কত না লক্ষণ॥
কোরাস : আহা বেশ বেশ বেশ,
আহা বেশ বেশ বেশ॥
এই জলেতে জাহাজ ওড়ে, আকাশে বিমান —
কলে-মিলে ধর্মঘট, মিছিল-স্লোগান॥
‘জন্ম নিয়ন্ত্রণ’ আর ‘গরিবি হাটাও’ —
ইন্দিরা-নিক্সন-ভুট্টো-কোসিজিন-মাও॥
কোরাস: আহা বেশ বেশ বেশ,
আহা বেশ বেশ বেশ॥
ফেলিনি-গোদার-ক্রুফো-সত্যজিৎ রায় —
ইহাদের সকলেরে রাখি গো মাথায়॥
কোরাস: আহা বেশ বেশ বেশ,
আহা বেশ বেশ বেশ
আহা বেশ বেশ বেশ॥
তবু মাঝে মাঝে মন যেতে চায় ফিরে ফিরে
ছায়া সুনিবিড় স্বপ্নমদির হারানো দিনের ভিড়ে।
তবু মাঝে মাঝে মন যেতে চায় ফিরে ফিরে॥
আকাশ যেথায় নীলিমায় নীল
তরু মর্মরে বিশ্ব নিখিল
গেয়ে ওঠে গান ---
জেগে ওঠে প্রাণ
উদাসী বাঁশির ডাকে
কলসীটি নিয়ে কাঁখে
পল্লীর মেয়ে জল নিতে যায়
ছায়া-ঘেরা পথ দিয়ে।
শুধু রূপকথা কী এ!
তবু সেই কথা আমার পরাণে
সোনার চেয়েও দামি
এইখানে এসে আমি
আমার 'আমি'রে খুঁজে পাই ফিরে ফিরে॥
ছায়ায় মায়ায় সুধায় মাখানো
সেই অতীতের তীরে
চলো চলে যাই
একবার ধীরে ধীরে
চলো চলে যাই
একবার ধীরে ধীরে
চলো চলে যাই
একবার ধীরে ধীরে॥
*********************
যদি সেই গান চৈত্রের ঝরাপাতা
গীতিকার কবি তরুণ মজুমদার
সুরকার হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। শিল্পী আরতি মুখোপাধ্যায়। ১৯৭৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, তরুণ মজুমদার পরিচালিত, উৎপল দত্ত, সন্ধ্যা রায়, অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, অনুপ কুমার অভিনীত, “ঠগিনী” ছায়াছবির গান। এই গানটির কথা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তি যদি থাকে, তা মার্জনা করে ভ্রম সংশোধন করে দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। গানটি সৌজন্যে Aarti Mukherji - Topic ইউটিউব চ্যানেল। নীচে দেয়া ভিডিওতে না শুনতে পারলে এখানে ক্লিক করুন . . . । মিলনসাগরে প্রকাশ - ২২.৮.২০২৫।
যদি সেই গান,
যদি সেই গান চৈত্রের ঝরাপাতা হয়ে
ঝরে ঝরে উড়ে যায়,
তবু যেন বলে যায়,
মিথ্যে সে নয়
ক্ষণিকের এই খেলাঘর।
ভুল করে গড়া এই ফাগুনের ফুলের বাসর
ভুল যদি হয় তবু হোক
খেয়ালি খুশির এই পরিচয়।
যদি সেই গান...
হেথায় বসন্ত যে পথভোলা পথিক হয়ে
কানে কানে যায় সে কয়ে
সাতরঙা রামধনু ফোটে যবে দূর নীলিমায়,
তবু হায়, তারে হাত বাড়ালেই কি গো পাওয়া যায়?
তবু আমার আকাশ পারে
মুছে যাবে বলে যেন
রামধনু ওঠা আজ বন্ধ না হয়।
ভুল যদি হয় তবে হোক
খেয়ালি খুশির এই পরিচয়।
যদি সেই গান...
হেথায় খেলার ছলে হৃদয়ের সব কলতান
আজ রাতে হয়ে যায় গান।
রাত ভোর হলে যদি স্বপ্নের জোনাকিরা হায়,
চলে যায় ফেলে আমায় সীমাহীন কালিমায়
তবু দীপ নিভে যাবে বলে আমার আঁধার ঘরে
ক্ষণিকের এ দেয়ালী বন্ধ না হয়।
ভুল যদি হয় তবু হোক
খেয়ালি খুশির এই পরিচয়।
যদি সেই গান...
*********************
গীতিকার কবি তরুণ মজুমদার
সুরকার হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। শিল্পী আরতি মুখোপাধ্যায়। ১৯৭৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, তরুণ মজুমদার পরিচালিত, উৎপল দত্ত, সন্ধ্যা রায়, অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, অনুপ কুমার অভিনীত, “ঠগিনী” ছায়াছবির গান। এই গানটির কথা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তি যদি থাকে, তা মার্জনা করে ভ্রম সংশোধন করে দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। গানটি সৌজন্যে Aarti Mukherji - Topic ইউটিউব চ্যানেল। নীচে দেয়া ভিডিওতে না শুনতে পারলে এখানে ক্লিক করুন . . . । মিলনসাগরে প্রকাশ - ২২.৮.২০২৫।
যদি সেই গান,
যদি সেই গান চৈত্রের ঝরাপাতা হয়ে
ঝরে ঝরে উড়ে যায়,
তবু যেন বলে যায়,
মিথ্যে সে নয়
ক্ষণিকের এই খেলাঘর।
ভুল করে গড়া এই ফাগুনের ফুলের বাসর
ভুল যদি হয় তবু হোক
খেয়ালি খুশির এই পরিচয়।
যদি সেই গান...
হেথায় বসন্ত যে পথভোলা পথিক হয়ে
কানে কানে যায় সে কয়ে
সাতরঙা রামধনু ফোটে যবে দূর নীলিমায়,
তবু হায়, তারে হাত বাড়ালেই কি গো পাওয়া যায়?
তবু আমার আকাশ পারে
মুছে যাবে বলে যেন
রামধনু ওঠা আজ বন্ধ না হয়।
ভুল যদি হয় তবে হোক
খেয়ালি খুশির এই পরিচয়।
যদি সেই গান...
হেথায় খেলার ছলে হৃদয়ের সব কলতান
আজ রাতে হয়ে যায় গান।
রাত ভোর হলে যদি স্বপ্নের জোনাকিরা হায়,
চলে যায় ফেলে আমায় সীমাহীন কালিমায়
তবু দীপ নিভে যাবে বলে আমার আঁধার ঘরে
ক্ষণিকের এ দেয়ালী বন্ধ না হয়।
ভুল যদি হয় তবু হোক
খেয়ালি খুশির এই পরিচয়।
যদি সেই গান...
*********************
হে ঘোড়া টিক টিক টিক
গীতিকার কবি তরুণ মজুমদার
সুরকার হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। শিল্পী অমিত কুমার ও ডায়না দাস। ১৯৮৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, তরুণ মজুমদার পরিচালিত, তাপস পাল, শতাব্দী রায়, সন্তু মুখোপাধ্যায় অভিনীত, “পরশমণি” ছায়াছবির গান। কবি তরুণ মজুমদার এই ছবির জন্য ২টি গান লিখেছিলেন। এই ছবির জন্য ১৯৮৯ সালে “সেরা গীতিকার” হিসাবে কবি তরুণ মজুমদার “বিএফজেএ” বা “বেঙ্গলি ফিল্ম জার্নালিস্ট অ্যাসোশিয়েশন” পুরস্কারে ভূষিত হন। এই গানটির কথা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তি যদি থাকে, তা মার্জনা করে ভ্রম সংশোধন করে দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। গানটি সৌজন্যে Gathani Music ইউটিউব চ্যানেল। নীচে দেয়া ভিডিওতে না শুনতে পারলে এখানে ক্লিক করুন . . . । মিলনসাগরে প্রকাশ - ২২.৮.২০২৫।
হে ঘোড়া, টিক টিক টিক,
টিক টিক টিক, ঘোড়া টিক টিক টিক।
বেতো ঘোড়া খুঁড়িয়ে চলে,
ভুতোবাবু চালায় ঠিক।
হে ঘোড়া, টিক টিক টিক,
টিক টিক টিক, ঘোড়া টিক টিক টিক।
বেতো ঘোড়া খুঁড়িয়ে চলে,
ভুতোবাবু চালায় ঠিক॥
দে মা আমায় ফলার মেখে,
দে মা আমায় ফলার মেখে।
কলা, চিঁড়ে, দুধ-বাতাসা,
সাঁটবো আমি চেখে চেখে।
কলা, চিঁড়ে, দুধ-বাতাসা,
সাঁটবো আমি চেখে চেখে।
দে মা আমায় ফলার মেখে,
দে মা আমায় ফলার মেখে॥
সখী গো,
কেমনে ঘুচাবে কালি?
এ যে সোডা চাই, আর চুন চাই,
চাই মগরার বালি।
সখী, কেমনে ঘুচাবে কালি?
তবু যাবে কি না বলিতে পারি না,
মিছে খেটে মরা খালি।
ত...ত...তবু যাবে কি না বলিতে পারি না,
মিছে খেটে মরা খালি।
সখী, কে ঘুচাবে ও কালি?
যদি ভালো চাও এখনই পাঠাও
নন্দ ধোপার কাছে।
পাটেতে ফেলিয়া আছাড় মারিয়া
যদি ও কালিমা ঘোচে,
যদি ও কালিমা ঘোচে॥
সরস্বতীর বেজায় বিপদ
পড়তে বসেছে ভুতো,
স্বর্গে উঠেছে 'ত্রাহি ত্রাহি' রব,
এমনই পড়ার গুঁতো!
সরস্বতীর বেজায় বিপদ
পড়তে বসেছে ভুতো।
আহা! কী কথা শুনিনু কানে!
তব হাতে মার, কী যে স্বাদ তার
অমৃত হার মানে।
কী কথা শুনিনু কানে!
তোমার হাতের চড়েতে রয়েছে
রসগোল্লার স্বাদ।
কানমলা যেন জিলিপি সমান,
নিও নাকো অপরাধ।
ও হাতের কিলে ঝরে ঝরে পড়ে
পান্তুয়া মনোহরা,
বৌদি আমার বৌদি জগতে
সব বৌদির সেরা।
বৌদি আমার বৌদি জগতে
সব বৌদির সেরা॥
পেয়েছি পেয়েছি পেয়েছি পেয়েছি,
বহুদিন বাদে আবার নাগালে পেয়েছি,
নাগালে পেয়েছি।
ভুতো কেড়ে নিয়েছিলো,
আবার ফিরে পেয়েছি।
পেয়েছি পেয়েছি
পেয়েছি পেয়েছি॥
হে ঘোড়া, টিক টিক টিক,
টিক টিক টিক, ঘোড়া টিক টিক টিক।
বেতো ঘোড়া খুঁড়িয়ে চলে,
ভুতোবাবু চালায় ঠিক।
হে ঘোড়া, টিক টিক টিক,
টিক টিক টিক, ঘোড়া টিক টিক টিক।
টিক টিক টিক, ঘোড়া টিক টিক টিক।
টিক টিক টিক॥
*********************
গীতিকার কবি তরুণ মজুমদার
সুরকার হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। শিল্পী অমিত কুমার ও ডায়না দাস। ১৯৮৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, তরুণ মজুমদার পরিচালিত, তাপস পাল, শতাব্দী রায়, সন্তু মুখোপাধ্যায় অভিনীত, “পরশমণি” ছায়াছবির গান। কবি তরুণ মজুমদার এই ছবির জন্য ২টি গান লিখেছিলেন। এই ছবির জন্য ১৯৮৯ সালে “সেরা গীতিকার” হিসাবে কবি তরুণ মজুমদার “বিএফজেএ” বা “বেঙ্গলি ফিল্ম জার্নালিস্ট অ্যাসোশিয়েশন” পুরস্কারে ভূষিত হন। এই গানটির কথা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তি যদি থাকে, তা মার্জনা করে ভ্রম সংশোধন করে দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। গানটি সৌজন্যে Gathani Music ইউটিউব চ্যানেল। নীচে দেয়া ভিডিওতে না শুনতে পারলে এখানে ক্লিক করুন . . . । মিলনসাগরে প্রকাশ - ২২.৮.২০২৫।
হে ঘোড়া, টিক টিক টিক,
টিক টিক টিক, ঘোড়া টিক টিক টিক।
বেতো ঘোড়া খুঁড়িয়ে চলে,
ভুতোবাবু চালায় ঠিক।
হে ঘোড়া, টিক টিক টিক,
টিক টিক টিক, ঘোড়া টিক টিক টিক।
বেতো ঘোড়া খুঁড়িয়ে চলে,
ভুতোবাবু চালায় ঠিক॥
দে মা আমায় ফলার মেখে,
দে মা আমায় ফলার মেখে।
কলা, চিঁড়ে, দুধ-বাতাসা,
সাঁটবো আমি চেখে চেখে।
কলা, চিঁড়ে, দুধ-বাতাসা,
সাঁটবো আমি চেখে চেখে।
দে মা আমায় ফলার মেখে,
দে মা আমায় ফলার মেখে॥
সখী গো,
কেমনে ঘুচাবে কালি?
এ যে সোডা চাই, আর চুন চাই,
চাই মগরার বালি।
সখী, কেমনে ঘুচাবে কালি?
তবু যাবে কি না বলিতে পারি না,
মিছে খেটে মরা খালি।
ত...ত...তবু যাবে কি না বলিতে পারি না,
মিছে খেটে মরা খালি।
সখী, কে ঘুচাবে ও কালি?
যদি ভালো চাও এখনই পাঠাও
নন্দ ধোপার কাছে।
পাটেতে ফেলিয়া আছাড় মারিয়া
যদি ও কালিমা ঘোচে,
যদি ও কালিমা ঘোচে॥
সরস্বতীর বেজায় বিপদ
পড়তে বসেছে ভুতো,
স্বর্গে উঠেছে 'ত্রাহি ত্রাহি' রব,
এমনই পড়ার গুঁতো!
সরস্বতীর বেজায় বিপদ
পড়তে বসেছে ভুতো।
আহা! কী কথা শুনিনু কানে!
তব হাতে মার, কী যে স্বাদ তার
অমৃত হার মানে।
কী কথা শুনিনু কানে!
তোমার হাতের চড়েতে রয়েছে
রসগোল্লার স্বাদ।
কানমলা যেন জিলিপি সমান,
নিও নাকো অপরাধ।
ও হাতের কিলে ঝরে ঝরে পড়ে
পান্তুয়া মনোহরা,
বৌদি আমার বৌদি জগতে
সব বৌদির সেরা।
বৌদি আমার বৌদি জগতে
সব বৌদির সেরা॥
পেয়েছি পেয়েছি পেয়েছি পেয়েছি,
বহুদিন বাদে আবার নাগালে পেয়েছি,
নাগালে পেয়েছি।
ভুতো কেড়ে নিয়েছিলো,
আবার ফিরে পেয়েছি।
পেয়েছি পেয়েছি
পেয়েছি পেয়েছি॥
হে ঘোড়া, টিক টিক টিক,
টিক টিক টিক, ঘোড়া টিক টিক টিক।
বেতো ঘোড়া খুঁড়িয়ে চলে,
ভুতোবাবু চালায় ঠিক।
হে ঘোড়া, টিক টিক টিক,
টিক টিক টিক, ঘোড়া টিক টিক টিক।
টিক টিক টিক, ঘোড়া টিক টিক টিক।
টিক টিক টিক॥
*********************
ও বাবু ও বাবুমশাই
গীতিকার কবি তরুণ মজুমদার
সুরকার হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। শিল্পী সুজাতা সরকার ও ডায়না দাস। ১৯৮৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, তরুণ মজুমদার পরিচালিত, তাপস পাল, শতাব্দী রায়, সন্তু মুখোপাধ্যায় অভিনীত, “পরশমণি” ছায়াছবির গান। কবি তরুণ মজুমদার এই ছবির জন্য ২টি গান লিখেছিলেন। এই ছবির জন্য ১৯৮৯ সালে “সেরা গীতিকার” হিসাবে কবি তরুণ মজুমদার “বিএফজেএ” বা “বেঙ্গলি ফিল্ম জার্নালিস্ট অ্যাসোশিয়েশন” পুরস্কারে ভূষিত হন। এই গানটির কথা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তি যদি থাকে, তা মার্জনা করে ভ্রম সংশোধন করে দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। গানটি সৌজন্যে Gathani Music ইউটিউব চ্যানেল। নীচে দেয়া ভিডিওতে না শুনতে পারলে এখানে ক্লিক করুন . . .। মিলনসাগরে প্রকাশ - ২২.৮.২০২৫।
ও বাবু, ও বাবুমশাই
একটু থেমে যাও।
তোমার জুতো করবো পালিশ,
সুযোগটুকু দাও।
ও বাবু, ও বাবুমশাই
একটু থেমে যাও।
তোমার জুতো করবো পালিশ,
সুযোগটুকু দাও।
ও বাবু, ও বাবুমশাই॥
নোংরা পথে চলে চলে
ময়লা ধুলো যত
লেগেছে ওই জুতোর গায়ে
আমাদেরই মতো।
নোংরা পথে চলে চলে
ময়লা ধুলো যত
লেগেছে ওই জুতোর গায়ে
আমাদেরই মতো।
মোদের ধুলো কে মোছাবে
জানি নে তো বাবু,
মোদের ধুলো কে মোছাবে
জানি নে তো বাবু,
তোমার জুতোর জেল্লাটুকু
ফিরিয়ে নিয়ে যাও।
ও বাবু, ও বাবুমশাই
একটু থেমে যাও।
তোমার জুতো করবো পালিশ,
সুযোগটুকু দাও।
ও বাবু, ও বাবুমশাই॥
ভিক্ষে মোরা করবো না তো
এই করেছি পণ,
মাথারই ঘাম পায়ে ফেলে
কাটাবো জীবন।
ভিক্ষে মোরা করবো না তো
এই করেছি পণ,
মাথারই ঘাম পায়ে ফেলে
কাটাবো জীবন।
তোমার দেওয়া টাকা-সিকে
তার যে অনেক দাম,
তোমার দেওয়া টাকা-সিকে
তার যে অনেক দাম,
আমার মায়ের মুখের হাসিটুকু
কিনতে আমায় দাও।
ও বাবু, ও বাবুমশাই
একটু থেমে যাও।
তোমার জুতো করবো পালিশ,
সুযোগটুকু দাও।
ও বাবু, ও বাবুমশাই
ওরে ও বাবু, ও বাবুমশাই
ওরে ও বাবু, ও বাবুমশাই
ওরে ও বাবু, ও বাবুমশাই॥
*********************
গীতিকার কবি তরুণ মজুমদার
সুরকার হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। শিল্পী সুজাতা সরকার ও ডায়না দাস। ১৯৮৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, তরুণ মজুমদার পরিচালিত, তাপস পাল, শতাব্দী রায়, সন্তু মুখোপাধ্যায় অভিনীত, “পরশমণি” ছায়াছবির গান। কবি তরুণ মজুমদার এই ছবির জন্য ২টি গান লিখেছিলেন। এই ছবির জন্য ১৯৮৯ সালে “সেরা গীতিকার” হিসাবে কবি তরুণ মজুমদার “বিএফজেএ” বা “বেঙ্গলি ফিল্ম জার্নালিস্ট অ্যাসোশিয়েশন” পুরস্কারে ভূষিত হন। এই গানটির কথা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তি যদি থাকে, তা মার্জনা করে ভ্রম সংশোধন করে দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। গানটি সৌজন্যে Gathani Music ইউটিউব চ্যানেল। নীচে দেয়া ভিডিওতে না শুনতে পারলে এখানে ক্লিক করুন . . .। মিলনসাগরে প্রকাশ - ২২.৮.২০২৫।
ও বাবু, ও বাবুমশাই
একটু থেমে যাও।
তোমার জুতো করবো পালিশ,
সুযোগটুকু দাও।
ও বাবু, ও বাবুমশাই
একটু থেমে যাও।
তোমার জুতো করবো পালিশ,
সুযোগটুকু দাও।
ও বাবু, ও বাবুমশাই॥
নোংরা পথে চলে চলে
ময়লা ধুলো যত
লেগেছে ওই জুতোর গায়ে
আমাদেরই মতো।
নোংরা পথে চলে চলে
ময়লা ধুলো যত
লেগেছে ওই জুতোর গায়ে
আমাদেরই মতো।
মোদের ধুলো কে মোছাবে
জানি নে তো বাবু,
মোদের ধুলো কে মোছাবে
জানি নে তো বাবু,
তোমার জুতোর জেল্লাটুকু
ফিরিয়ে নিয়ে যাও।
ও বাবু, ও বাবুমশাই
একটু থেমে যাও।
তোমার জুতো করবো পালিশ,
সুযোগটুকু দাও।
ও বাবু, ও বাবুমশাই॥
ভিক্ষে মোরা করবো না তো
এই করেছি পণ,
মাথারই ঘাম পায়ে ফেলে
কাটাবো জীবন।
ভিক্ষে মোরা করবো না তো
এই করেছি পণ,
মাথারই ঘাম পায়ে ফেলে
কাটাবো জীবন।
তোমার দেওয়া টাকা-সিকে
তার যে অনেক দাম,
তোমার দেওয়া টাকা-সিকে
তার যে অনেক দাম,
আমার মায়ের মুখের হাসিটুকু
কিনতে আমায় দাও।
ও বাবু, ও বাবুমশাই
একটু থেমে যাও।
তোমার জুতো করবো পালিশ,
সুযোগটুকু দাও।
ও বাবু, ও বাবুমশাই
ওরে ও বাবু, ও বাবুমশাই
ওরে ও বাবু, ও বাবুমশাই
ওরে ও বাবু, ও বাবুমশাই॥
*********************
শুনুন শুনুন বাবুমশাই আজব কাহিনি
গীতিকার কবি তরুণ মজুমদার
সুরকার হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। শিল্পী শিবাজী চ্যাটার্জী। ১৯৮৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, তরুণ মজুমদার পরিচালিত, উৎপল দত্ত, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সন্ধ্যা রায়, তাপস পাল, দেবশ্রী রায় অভিনীত, “আগমন” ছায়াছবির গান। এই গানটির কথা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তি যদি থাকে, তা মার্জনা করে ভ্রম সংশোধন করে দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। গানটি সৌজন্যে Angel Bengali Songs ইউটিউব চ্যানেল। নীচে দেয়া ভিডিওতে না শুনতে পারলে এখানে ক্লিক করুন . . .। মিলনসাগরে প্রকাশ - ২২.৮.২০২৫।
শুনুন শুনুন বাবুমশাই, আজব কাহিনি
শুনুন শুনুন বাবুমশাই, আজব কাহিনি ---
মধুমতী নদীর ধারে মুকুন্দপুর গ্রাম,
সেইখানে এক দামাল ছেলে বিনোদচন্দ্র নাম।
আহা, বিনোদচন্দ্র নাম
আহা, বিনোদচন্দ্র নাম॥
'বিনু' ব’লে ডাকে সবাই ডানপিটেমির রাজা,
তার জ্বালাতে গাঁয়ের লোকের হাড়টি ভাজা ভাজা।
ওরে, হাড়টি ভাজা ভাজা
ওরে, হাড়টি ভাজা ভাজা॥
কার গাছে আজ ফল ধরেছে, কার পুকুরে মাছ,
এক পলকে লোপাট হবে কেউ পাবে না আঁচ,
আহা, কেউ পাবে না আঁচ
আহা, কেউ পাবে না আঁচ॥
কোন কোটরে পাখির ছানা, কোথায় বেজির ছা,
বিনুর সাথে পাল্লা দিয়ে কেউ তো পারে না।
ওরে, কেউ তো পারে না
ওরে, কেউ তো পারে না॥
বিশাল নদী এপার ওপার করতো দিনে দু'বার,
ইচ্ছে ছিলো বড়ো হয়ে রঘু ডাকাত হবার।
ওরে, রঘু ডাকাত হবার
ওরে, রঘু ডাকাত হবার॥
একলা সে নয় সঙ্গে আবার একজোড়া তার চ্যালা,
একটির নাম গোবিন্দ আর একটির নাম ভোলা।
শোনো, গোবিন্দ আর ভোলা
শোনো, গোবিন্দ আর ভোলা॥
ছায়ার মতো বিনুর পিছে ঘুরতো সদাই তারা,
তিনমূর্তি যেথায় যেতো চমকে উঠতো পাড়া।
আহা, চমকে উঠতো পাড়া
আহা, চমকে উঠতো পাড়া॥
সামাল সামাল, ওই এলো দ্যাখ দস্যি বাহিনী ---
শুনুন শুনুন বাবুমশাই, আজব কাহিনি।
নষ্টচন্দ্রে পরের বাগান করে দিতো সাফ,
বিজয়চন্দ্র তার বড়ো ভাই বলতেন --- পাপ! পাপ!
বুদ্ধি কিনা কুবুদ্ধি, সে সবার আছে জানা
ভুলেও মাড়ায় না যে সরস্বতীর ত্রিসীমানা।
সরস্বতীর ত্রিসীমানা
সরস্বতীর ত্রিসীমানা॥
বইগুলো তার সারা বছর উই পোকাতে খায়,
অবাক কাণ্ড পরীক্ষাতে উতরে তবু যায়!
আহা, উতরে তবু যায়
আহা উতরে তবু যায়॥
সবাই বলে মন দিয়ে সে করলে পড়াশুনা,
বাঁজা মাটির বুকে নাকি ফলিয়ে দিতো সোনা ।
ওরে, ফলিয়ে দিতো সোনা
ওরে, ফলিয়ে দিতো সোনা॥
এসব কথায় থোড়াই কেয়ার করে বিনোদ রায়,
নতুন নতুন দুষ্টুমিতে বছর কেটে যায়।
আহা, বছর কেটে যায়
আহা, বছর কেটে যায়॥
ইস্কুলে সে লাস্ট বেঞ্চের বাঁধা খরিদ্দার,
কারণ অকারণে জোটে বেদম গাধার মার।
ওরে, বেদম গাধার মার
ওরে, বেদম গাধার মার॥
দোষ কিছু সে না করলেও বরাদ্দ তার বাঁধা,
তার উপরে বাড়তি ইনাম --- পাজি! শুয়োর! গাধা!
দোষের ভাগী নয় তো বিনু তবুও মার খায়,
ছুটির পরে তিন বন্ধু নদীর ধারে যায়।
আহা, নদীর ধারে যায়
আহা, নদীর ধারে যায়॥
একটা কিছু করতে হবে যুক্তি তারা করে,
আর যেন না উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে পড়ে।
ওরে, বুধোর ঘাড়ে পড়ে
ওরে, বুধোর ঘাড়ে পড়ে॥
অন্ধকারে ফিরে আসে দস্যি বাহিনী ---
শুনুন শুনুন বাবুমশাই, আজব কাহিনি
শুনুন আজব কাহিনি
শুনুন আজব কাহিনি॥
*********************
গীতিকার কবি তরুণ মজুমদার
সুরকার হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। শিল্পী শিবাজী চ্যাটার্জী। ১৯৮৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, তরুণ মজুমদার পরিচালিত, উৎপল দত্ত, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সন্ধ্যা রায়, তাপস পাল, দেবশ্রী রায় অভিনীত, “আগমন” ছায়াছবির গান। এই গানটির কথা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তি যদি থাকে, তা মার্জনা করে ভ্রম সংশোধন করে দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। গানটি সৌজন্যে Angel Bengali Songs ইউটিউব চ্যানেল। নীচে দেয়া ভিডিওতে না শুনতে পারলে এখানে ক্লিক করুন . . .। মিলনসাগরে প্রকাশ - ২২.৮.২০২৫।
শুনুন শুনুন বাবুমশাই, আজব কাহিনি
শুনুন শুনুন বাবুমশাই, আজব কাহিনি ---
মধুমতী নদীর ধারে মুকুন্দপুর গ্রাম,
সেইখানে এক দামাল ছেলে বিনোদচন্দ্র নাম।
আহা, বিনোদচন্দ্র নাম
আহা, বিনোদচন্দ্র নাম॥
'বিনু' ব’লে ডাকে সবাই ডানপিটেমির রাজা,
তার জ্বালাতে গাঁয়ের লোকের হাড়টি ভাজা ভাজা।
ওরে, হাড়টি ভাজা ভাজা
ওরে, হাড়টি ভাজা ভাজা॥
কার গাছে আজ ফল ধরেছে, কার পুকুরে মাছ,
এক পলকে লোপাট হবে কেউ পাবে না আঁচ,
আহা, কেউ পাবে না আঁচ
আহা, কেউ পাবে না আঁচ॥
কোন কোটরে পাখির ছানা, কোথায় বেজির ছা,
বিনুর সাথে পাল্লা দিয়ে কেউ তো পারে না।
ওরে, কেউ তো পারে না
ওরে, কেউ তো পারে না॥
বিশাল নদী এপার ওপার করতো দিনে দু'বার,
ইচ্ছে ছিলো বড়ো হয়ে রঘু ডাকাত হবার।
ওরে, রঘু ডাকাত হবার
ওরে, রঘু ডাকাত হবার॥
একলা সে নয় সঙ্গে আবার একজোড়া তার চ্যালা,
একটির নাম গোবিন্দ আর একটির নাম ভোলা।
শোনো, গোবিন্দ আর ভোলা
শোনো, গোবিন্দ আর ভোলা॥
ছায়ার মতো বিনুর পিছে ঘুরতো সদাই তারা,
তিনমূর্তি যেথায় যেতো চমকে উঠতো পাড়া।
আহা, চমকে উঠতো পাড়া
আহা, চমকে উঠতো পাড়া॥
সামাল সামাল, ওই এলো দ্যাখ দস্যি বাহিনী ---
শুনুন শুনুন বাবুমশাই, আজব কাহিনি।
নষ্টচন্দ্রে পরের বাগান করে দিতো সাফ,
বিজয়চন্দ্র তার বড়ো ভাই বলতেন --- পাপ! পাপ!
বুদ্ধি কিনা কুবুদ্ধি, সে সবার আছে জানা
ভুলেও মাড়ায় না যে সরস্বতীর ত্রিসীমানা।
সরস্বতীর ত্রিসীমানা
সরস্বতীর ত্রিসীমানা॥
বইগুলো তার সারা বছর উই পোকাতে খায়,
অবাক কাণ্ড পরীক্ষাতে উতরে তবু যায়!
আহা, উতরে তবু যায়
আহা উতরে তবু যায়॥
সবাই বলে মন দিয়ে সে করলে পড়াশুনা,
বাঁজা মাটির বুকে নাকি ফলিয়ে দিতো সোনা ।
ওরে, ফলিয়ে দিতো সোনা
ওরে, ফলিয়ে দিতো সোনা॥
এসব কথায় থোড়াই কেয়ার করে বিনোদ রায়,
নতুন নতুন দুষ্টুমিতে বছর কেটে যায়।
আহা, বছর কেটে যায়
আহা, বছর কেটে যায়॥
ইস্কুলে সে লাস্ট বেঞ্চের বাঁধা খরিদ্দার,
কারণ অকারণে জোটে বেদম গাধার মার।
ওরে, বেদম গাধার মার
ওরে, বেদম গাধার মার॥
দোষ কিছু সে না করলেও বরাদ্দ তার বাঁধা,
তার উপরে বাড়তি ইনাম --- পাজি! শুয়োর! গাধা!
দোষের ভাগী নয় তো বিনু তবুও মার খায়,
ছুটির পরে তিন বন্ধু নদীর ধারে যায়।
আহা, নদীর ধারে যায়
আহা, নদীর ধারে যায়॥
একটা কিছু করতে হবে যুক্তি তারা করে,
আর যেন না উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে পড়ে।
ওরে, বুধোর ঘাড়ে পড়ে
ওরে, বুধোর ঘাড়ে পড়ে॥
অন্ধকারে ফিরে আসে দস্যি বাহিনী ---
শুনুন শুনুন বাবুমশাই, আজব কাহিনি
শুনুন আজব কাহিনি
শুনুন আজব কাহিনি॥
*********************
ভালোবাসার এই কি রে খাজনা
গীতিকার কবি তরুণ মজুমদার
সুরকার হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। শিল্পী মান্না দে ও আশা ভোঁসলে। ১৯৮৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, তরুণ মজুমদার পরিচালিত, উৎপল দত্ত, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সন্ধ্যা রায়, তাপস পাল, দেবশ্রী রায় অভিনীত, “আগমন” ছায়াছবির গান। এই গানটির কথা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তি যদি থাকে, তা মার্জনা করে ভ্রম সংশোধন করে দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। গানটি সৌজন্যে Angel Bengali Songs ইউটিউব চ্যানেল। নীচে দেয়া ভিডিওতে না শুনতে পারলে এখানে ক্লিক করুন . . .। মিলনসাগরে প্রকাশ - ২২.৮.২০২৫।
ভালোবাসার এই কি রে খাজনা?
ভালোবাসার এই কি রে খাজনা?
দিয়ে ফাঁকি ওড়ে পাখি,
যতই ডাকি আর ফেরে না।
ভালোবাসার এই কি রে খাজনা?
মায়ার খড়কুটা দিয়া যে বাসা বাঁধিলি,
আকাশের ডাক শুনে কি তারে ভুলে গেলি?
মায়ার খড়কুটা দিয়া যে বাসা বাঁধিলাম,
আকাশের ডাক শুনে হায় তারে ভুলে গেলাম।
সেই শূন্য ঘরে বাজে রে শোন
বিসর্জনের বাজনা।
ভালোবাসার এই কি রে খাজনা?
তবে কেন আপন আপন ক’রে মিছে মরি,
ছায়ারে বাঁধিতে চাই দু'বাহু আঁকড়ি।
তবে কেন আপন আপন ক’রে মিছে মরি,
ছায়ারে বাঁধিতে চাই দু'বাহু আঁকড়ি।
ফাঁকি দিয়ে পালায় ছায়া, রেখে যায় কান্না।
ভালোবাসার এই কি রে খাজনা?
বিফল স্বপন নিয়া অচেনা আকাশে
উড়ে উড়ে ডানা যে তোর অবশ হয়ে আসে।
বিফল স্বপন নিয়া অচেনা আকাশে
উড়ে উড়ে ডানা আমার অবশ হয়ে আসে।
একবারও ঘরের কথা তোর কি মনে হয় না?
ভালোবাসার এই কি রে খাজনা?
দিয়ে ফাঁকি ওড়ে পাখি,
যতই ডাকি আর ফেরে না।
ভালোবাসার এই কি রে খাজনা?
ভালোবাসার এই কি রে খাজনা?
*********************
গীতিকার কবি তরুণ মজুমদার
সুরকার হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। শিল্পী মান্না দে ও আশা ভোঁসলে। ১৯৮৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, তরুণ মজুমদার পরিচালিত, উৎপল দত্ত, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সন্ধ্যা রায়, তাপস পাল, দেবশ্রী রায় অভিনীত, “আগমন” ছায়াছবির গান। এই গানটির কথা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তি যদি থাকে, তা মার্জনা করে ভ্রম সংশোধন করে দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। গানটি সৌজন্যে Angel Bengali Songs ইউটিউব চ্যানেল। নীচে দেয়া ভিডিওতে না শুনতে পারলে এখানে ক্লিক করুন . . .। মিলনসাগরে প্রকাশ - ২২.৮.২০২৫।
ভালোবাসার এই কি রে খাজনা?
ভালোবাসার এই কি রে খাজনা?
দিয়ে ফাঁকি ওড়ে পাখি,
যতই ডাকি আর ফেরে না।
ভালোবাসার এই কি রে খাজনা?
মায়ার খড়কুটা দিয়া যে বাসা বাঁধিলি,
আকাশের ডাক শুনে কি তারে ভুলে গেলি?
মায়ার খড়কুটা দিয়া যে বাসা বাঁধিলাম,
আকাশের ডাক শুনে হায় তারে ভুলে গেলাম।
সেই শূন্য ঘরে বাজে রে শোন
বিসর্জনের বাজনা।
ভালোবাসার এই কি রে খাজনা?
তবে কেন আপন আপন ক’রে মিছে মরি,
ছায়ারে বাঁধিতে চাই দু'বাহু আঁকড়ি।
তবে কেন আপন আপন ক’রে মিছে মরি,
ছায়ারে বাঁধিতে চাই দু'বাহু আঁকড়ি।
ফাঁকি দিয়ে পালায় ছায়া, রেখে যায় কান্না।
ভালোবাসার এই কি রে খাজনা?
বিফল স্বপন নিয়া অচেনা আকাশে
উড়ে উড়ে ডানা যে তোর অবশ হয়ে আসে।
বিফল স্বপন নিয়া অচেনা আকাশে
উড়ে উড়ে ডানা আমার অবশ হয়ে আসে।
একবারও ঘরের কথা তোর কি মনে হয় না?
ভালোবাসার এই কি রে খাজনা?
দিয়ে ফাঁকি ওড়ে পাখি,
যতই ডাকি আর ফেরে না।
ভালোবাসার এই কি রে খাজনা?
ভালোবাসার এই কি রে খাজনা?
*********************
এক যে ছিল মেলগাড়ি
গীতিকার কবি তরুণ মজুমদার
সুরকার ও শিল্পী রাহুল দেববর্মন। ১৯৯০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, তরুণ মজুমদার পরিচালিত, তাপস পাল, প্রসেঞ্জিৎ, দেবশ্রী রায় অভিনীত, “আপন আমার আপন” ছায়াছবির গান। এই গানটির কথা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তি যদি থাকে, তা মার্জনা করে ভ্রম সংশোধন করে দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। গানটি সৌজন্যে Gathani Music ইউটিউব চ্যানেল। নীচে দেয়া ভিডিওতে না শুনতে পারলে এখানে ক্লিক করুন . . .। মিলনসাগরে প্রকাশ - ২২.৮.২০২৫।
এই যাঃ! এই যাঃ! গোল!
মণ্ডল ভণ্ডুল আর গণ্ডগোল!
শোনো শোনো, হায় হায়, শোনো শোনো
শোনো শোনো গপ্পো শোনো ভীষণ যে মজার ---
এক যে ছিল মেলগাড়ি মেজাজ ভারি তার,
হুশহুশিয়ে চলে যখন কাঁপে রে সংসার।
আ... ডারারা... আরে ডাডা ডাডাডা...
আ... লালালা... আরে লালা লালালা...
এক যে ছিল মেলগাড়ি মেজাজ ভারি তার,
হুশহুশিয়ে চলে যখন কাঁপে রে সংসার।
এক যে ছিল মেলগাড়ি মেজাজ ভারি তার,
হুশহুশিয়ে চলে যখন কাঁপে রে সংসার॥
আর ছিলো এক মালগাড়ি ---
ঝক্ ঝক্ ঝক্ ঝুকু ঝুকু ঝুকু ঝক্ ঝক্ ঝক্ ঝক্ ঝাক্
আর ছিলো এক মালগাড়ি তার জনম কাটে দুখে,
ঘুটুর ঘুটুর এই চলে আর এই থেমে যায় রুকে।
আর ছিলো এক মালগাড়ি তার জনম কাটে দুখে,
ঘুটুর ঘুটুর এই চলে আর এইখানে যায় রুকে।
মুলাকাতের পয়লা ধাপেই, ধাপেই ভাই ---
মুলাকাতের পয়লা ধাপেই ভীষণ গণ্ডগোল।
এই দুনিয়ায় আরে কী যে গ্যাঁড়াকল!
বল রে হরিবোল, আরে বল রে হরিবোল,
বল রে হরিবোল।
এই দুনিয়ায় আরে কী যে গ্যাঁড়াকল!
গ্যাঁড়াকল!
বল রে হরিবোল, আরে বল রে হরিবোল।
এই যাঃ! এই যাঃ!
ওই আসছে, ওই আসছে ---
দ্যাখো দ্যাখো দ্যাখো দ্যাখো
দ্যাখো দ্যাখো দ্যাখো দ্যাখো
ওই আসছে ---
একদিন এক জংশনে সে কী কাণ্ড হলো!
মেলগাড়িটা দাঁড়িয়ে আছে, মালগাড়িটা এলো।
ঝুকু ঝুকু ঝুকু ঝুকু ঝুকু ঝুকু ঝুকু ঝুকু
ঝক্ ঝক্ ঝক্ ঝক্ ঝক্ ঝক্ হাস্ হাস্
একদিন এক জংশনে সে কী কাণ্ড হলো!
একদিন এক জংশনে সে কী কাণ্ড হলো!
মেলগাড়িটা দাঁড়িয়ে আছে, মালগাড়িটা এলো।
যেই না দ্যাখা মেলের মেজাজ ---
যেই না দ্যাখা মেলের মেজাজ ওমনি গেল চড়ে,
চেঁচিয়ে বলে --- ওটা কি তোর বাপের স্টেশন ওরে?
খিস্তি-খাস্তা ফুটছে যেন মধু বৃন্দাবনে,
ও মধু বৃন্দাবনে দোলে রাধা,
মধু বৃন্দাবনে, মধু… ...
এ কী! এ কী ! আমি তো রাগ নষ্ট করে দিলাম গো!
খিস্তি-খাস্তা পড়ছে যেন মৃদঙ্গের বোল।
এই দুনিয়ায় আরে কী যে গ্যাঁড়াকল!
বল রে হরিবোল, বল রে হরিবোল।
এই যাঃ! এই যাঃ!
ও হায় রে বলো মালগাড়িটা ---
ও হায় রে বলো মালগাড়িটা এখন কী বা করে?
দানাপানি নেই রে পেটে, কেমন করে নড়ে?
ও হোঃ হোঃ হোঃ হোঃ!
ও হায় রে বলো মালগাড়িটা এখন কী বা করে?
দানাপানি নেই রে পেটে, কেমন করে নড়ে?
এই দুনিয়ায় গরিব বলে সবাই মারে লাথি,
বড়লোক আর গরিব লোকের অলগ অলগ জাতি।
তাই তো বলি প্রেম কোরো না, কক্ষনো কোরো না
তাই তো বলি প্রেম কোরো না, তুলিবে পটল।
এই দুনিয়ায় আরে কী যে গ্যাঁড়াকল!
আরে বল রে হরিবোল, বল রে হরিবোল।
এই যাঃ! এই যাঃ!
হাঃ হাঃ হাঃ! এবার তোমাদের কী শোনাবো বলো তো?
এবার শোনাই টাকার পাঁচালি, টাকার পাঁচালি।
টাকার গরম বেজায় গরম, ওই গরমের ঠ্যালায়
জনমদাতা বাপকে ভুলে টাকাকে বাপ বলায়।
টাকা গয়া টাকা কাশী,
টাকা গয়া টাকা কাশী টাকা বৃন্দাবন!
কালী টাকা দুর্গা টাকা, টাকাই নারায়ণ!
ঝাঁপতাল থেকে দাদরা যাবো,
যাবো গো, যাবো যাবো।
হেঃ হেঃ হেঃ হেঃ হেঃ হেঃ
থাকলে টাকা আর সবই তো যায় দুনিয়ায় কেনা,
বাড়ি গাড়ি শাড়ী নারী কিছুই আটকাবে না।
কেতাব বলো, রোয়াব বলো, নয়তো নেতাগিরি
টাকার জোরে কিনতে পারো বৈকুণ্ঠের সিঁড়ি।
লাট্টু নন্দ স্বামী বলে কী?
লাট্টু নন্দ স্বামী বলে আবোল-তাবোল।
এই দুনিয়ায় হায়রে কী যে গ্যাঁড়াকল!
বল রে হরিবোল, আরে বল রে হরিবোল,
বল রে হরিবোল।
এই দুনিয়ায় আরে কী যে গ্যাঁড়াকল!
বল রে হরিবোল, আরে বল রে হরিবোল
সব হরিবোল!
গণ্ডগোল, সব গণ্ডগোল॥
*********************
গীতিকার কবি তরুণ মজুমদার
সুরকার ও শিল্পী রাহুল দেববর্মন। ১৯৯০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, তরুণ মজুমদার পরিচালিত, তাপস পাল, প্রসেঞ্জিৎ, দেবশ্রী রায় অভিনীত, “আপন আমার আপন” ছায়াছবির গান। এই গানটির কথা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তি যদি থাকে, তা মার্জনা করে ভ্রম সংশোধন করে দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। গানটি সৌজন্যে Gathani Music ইউটিউব চ্যানেল। নীচে দেয়া ভিডিওতে না শুনতে পারলে এখানে ক্লিক করুন . . .। মিলনসাগরে প্রকাশ - ২২.৮.২০২৫।
এই যাঃ! এই যাঃ! গোল!
মণ্ডল ভণ্ডুল আর গণ্ডগোল!
শোনো শোনো, হায় হায়, শোনো শোনো
শোনো শোনো গপ্পো শোনো ভীষণ যে মজার ---
এক যে ছিল মেলগাড়ি মেজাজ ভারি তার,
হুশহুশিয়ে চলে যখন কাঁপে রে সংসার।
আ... ডারারা... আরে ডাডা ডাডাডা...
আ... লালালা... আরে লালা লালালা...
এক যে ছিল মেলগাড়ি মেজাজ ভারি তার,
হুশহুশিয়ে চলে যখন কাঁপে রে সংসার।
এক যে ছিল মেলগাড়ি মেজাজ ভারি তার,
হুশহুশিয়ে চলে যখন কাঁপে রে সংসার॥
আর ছিলো এক মালগাড়ি ---
ঝক্ ঝক্ ঝক্ ঝুকু ঝুকু ঝুকু ঝক্ ঝক্ ঝক্ ঝক্ ঝাক্
আর ছিলো এক মালগাড়ি তার জনম কাটে দুখে,
ঘুটুর ঘুটুর এই চলে আর এই থেমে যায় রুকে।
আর ছিলো এক মালগাড়ি তার জনম কাটে দুখে,
ঘুটুর ঘুটুর এই চলে আর এইখানে যায় রুকে।
মুলাকাতের পয়লা ধাপেই, ধাপেই ভাই ---
মুলাকাতের পয়লা ধাপেই ভীষণ গণ্ডগোল।
এই দুনিয়ায় আরে কী যে গ্যাঁড়াকল!
বল রে হরিবোল, আরে বল রে হরিবোল,
বল রে হরিবোল।
এই দুনিয়ায় আরে কী যে গ্যাঁড়াকল!
গ্যাঁড়াকল!
বল রে হরিবোল, আরে বল রে হরিবোল।
এই যাঃ! এই যাঃ!
ওই আসছে, ওই আসছে ---
দ্যাখো দ্যাখো দ্যাখো দ্যাখো
দ্যাখো দ্যাখো দ্যাখো দ্যাখো
ওই আসছে ---
একদিন এক জংশনে সে কী কাণ্ড হলো!
মেলগাড়িটা দাঁড়িয়ে আছে, মালগাড়িটা এলো।
ঝুকু ঝুকু ঝুকু ঝুকু ঝুকু ঝুকু ঝুকু ঝুকু
ঝক্ ঝক্ ঝক্ ঝক্ ঝক্ ঝক্ হাস্ হাস্
একদিন এক জংশনে সে কী কাণ্ড হলো!
একদিন এক জংশনে সে কী কাণ্ড হলো!
মেলগাড়িটা দাঁড়িয়ে আছে, মালগাড়িটা এলো।
যেই না দ্যাখা মেলের মেজাজ ---
যেই না দ্যাখা মেলের মেজাজ ওমনি গেল চড়ে,
চেঁচিয়ে বলে --- ওটা কি তোর বাপের স্টেশন ওরে?
খিস্তি-খাস্তা ফুটছে যেন মধু বৃন্দাবনে,
ও মধু বৃন্দাবনে দোলে রাধা,
মধু বৃন্দাবনে, মধু… ...
এ কী! এ কী ! আমি তো রাগ নষ্ট করে দিলাম গো!
খিস্তি-খাস্তা পড়ছে যেন মৃদঙ্গের বোল।
এই দুনিয়ায় আরে কী যে গ্যাঁড়াকল!
বল রে হরিবোল, বল রে হরিবোল।
এই যাঃ! এই যাঃ!
ও হায় রে বলো মালগাড়িটা ---
ও হায় রে বলো মালগাড়িটা এখন কী বা করে?
দানাপানি নেই রে পেটে, কেমন করে নড়ে?
ও হোঃ হোঃ হোঃ হোঃ!
ও হায় রে বলো মালগাড়িটা এখন কী বা করে?
দানাপানি নেই রে পেটে, কেমন করে নড়ে?
এই দুনিয়ায় গরিব বলে সবাই মারে লাথি,
বড়লোক আর গরিব লোকের অলগ অলগ জাতি।
তাই তো বলি প্রেম কোরো না, কক্ষনো কোরো না
তাই তো বলি প্রেম কোরো না, তুলিবে পটল।
এই দুনিয়ায় আরে কী যে গ্যাঁড়াকল!
আরে বল রে হরিবোল, বল রে হরিবোল।
এই যাঃ! এই যাঃ!
হাঃ হাঃ হাঃ! এবার তোমাদের কী শোনাবো বলো তো?
এবার শোনাই টাকার পাঁচালি, টাকার পাঁচালি।
টাকার গরম বেজায় গরম, ওই গরমের ঠ্যালায়
জনমদাতা বাপকে ভুলে টাকাকে বাপ বলায়।
টাকা গয়া টাকা কাশী,
টাকা গয়া টাকা কাশী টাকা বৃন্দাবন!
কালী টাকা দুর্গা টাকা, টাকাই নারায়ণ!
ঝাঁপতাল থেকে দাদরা যাবো,
যাবো গো, যাবো যাবো।
হেঃ হেঃ হেঃ হেঃ হেঃ হেঃ
থাকলে টাকা আর সবই তো যায় দুনিয়ায় কেনা,
বাড়ি গাড়ি শাড়ী নারী কিছুই আটকাবে না।
কেতাব বলো, রোয়াব বলো, নয়তো নেতাগিরি
টাকার জোরে কিনতে পারো বৈকুণ্ঠের সিঁড়ি।
লাট্টু নন্দ স্বামী বলে কী?
লাট্টু নন্দ স্বামী বলে আবোল-তাবোল।
এই দুনিয়ায় হায়রে কী যে গ্যাঁড়াকল!
বল রে হরিবোল, আরে বল রে হরিবোল,
বল রে হরিবোল।
এই দুনিয়ায় আরে কী যে গ্যাঁড়াকল!
বল রে হরিবোল, আরে বল রে হরিবোল
সব হরিবোল!
গণ্ডগোল, সব গণ্ডগোল॥
*********************
এক যে গম্ভীরবাবু হরদম ব্যস্তবাগীশ
গীতিকার কবি তরুণ মজুমদার
সুরকার ভি বালসারা। শিল্পী বনশ্রী সেনগুপ্ত। ১৯৯১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, তরুণ মজুমদার পরিচালিত, উৎপল দত্ত, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সন্ধ্যা রায়, অনুপ কুমার, অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, খেয়ালী ঘোষ দস্তিদার অভিনীত, “পথ ও প্রাসাদ” ছায়াছবির গান। এই গানটির কথা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তি যদি থাকে, তা মার্জনা করে ভ্রম সংশোধন করে দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। গানটি সৌজন্যে Angel Bengali Songs ইউটিউব চ্যানেল। নীচে দেয়া ভিডিওতে না শুনতে পারলে এখানে ক্লিক করুন . . .। মিলনসাগরে প্রকাশ - ২২.৮.২০২৫।
এক যে গম্ভীরবাবু হরদম ব্যস্তবাগীশ,
মুখে তার হাসি নেই, বুকে কোনো খুশি নেই
দিনরাত করে শুধু ইস্!
এক যে গম্ভীরবাবু হরদম ব্যস্তবাগীশ,
মুখে তার হাসি নেই, বুকে কোনো খুশি নেই
দিনরাত করে শুধু ইস্!
উঠতে বসতে করে ইস্ ,
ঘুমের মধ্যে করে ইস্ ,
বাড়িতেও ইস্ অফিসেও ইস্ ,
যখন যেখানে থাকে -- ইস্!
উঠতে বসতে করে ইস্ ,
ঘুমের মধ্যে করে ইস্ ,
বাড়িতেও ইস্ অফিসেও ইস্ ,
যখন যেখানে থাকে -- ইস্!
এদিকে যে স্বপ্নেরা ডেকে ডেকে ফিরে যায়,
গোমড়াবাবু তা করে যায় মিস্।
ইস্! ইস্!
এক যে গম্ভীরবাবু হরদম ব্যস্তবাগীশ,
মুখে তার হাসি নেই, বুকে কোনো খুশি নেই
দিনরাত করে শুধু ইস্!
আকাশের রামধনু সাত রঙে সাত সুরে
ডেকে ডেকে যায়,
গুরুগম্ভীরবাবু নিজেকে আটকে রাখে ইটের খাঁচায়।
আকাশের রামধনু সাত রঙে সাত সুরে
ডেকে ডেকে যায়,
গুরুগম্ভীরবাবু নিজেকে আটকে রাখে ইটের খাঁচায়।
ফুল কেন ফোটে বলো, ইস্!
অলি কেন জোটে বলো, ইস্!
বসন্তে ইস্, বর্ষায় ইস্!
ঠাণ্ডা কি গরমেও ইস্!
ফুল কেন ফোটে বলো, ইস্!
অলি কেন জোটে বলো, ইস্!
বসন্তে ইস্, বর্ষায় ইস্!
ঠাণ্ডা কি গরমেও ইস্!
জীবনের ফুলবনে বুলবুলি ডেকে যায়,
ঠুলি আঁটা বাবু তার রাখে কি হদিস্?
ইস্! ইস্!
এক যে গম্ভীরবাবু হরদম ব্যস্তবাগীশ,
মুখে তার হাসি নেই, বুকে কোনো খুশি নেই
দিনরাত করে শুধু ইস্!
*********************
গীতিকার কবি তরুণ মজুমদার
সুরকার ভি বালসারা। শিল্পী বনশ্রী সেনগুপ্ত। ১৯৯১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, তরুণ মজুমদার পরিচালিত, উৎপল দত্ত, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সন্ধ্যা রায়, অনুপ কুমার, অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, খেয়ালী ঘোষ দস্তিদার অভিনীত, “পথ ও প্রাসাদ” ছায়াছবির গান। এই গানটির কথা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তি যদি থাকে, তা মার্জনা করে ভ্রম সংশোধন করে দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। গানটি সৌজন্যে Angel Bengali Songs ইউটিউব চ্যানেল। নীচে দেয়া ভিডিওতে না শুনতে পারলে এখানে ক্লিক করুন . . .। মিলনসাগরে প্রকাশ - ২২.৮.২০২৫।
এক যে গম্ভীরবাবু হরদম ব্যস্তবাগীশ,
মুখে তার হাসি নেই, বুকে কোনো খুশি নেই
দিনরাত করে শুধু ইস্!
এক যে গম্ভীরবাবু হরদম ব্যস্তবাগীশ,
মুখে তার হাসি নেই, বুকে কোনো খুশি নেই
দিনরাত করে শুধু ইস্!
উঠতে বসতে করে ইস্ ,
ঘুমের মধ্যে করে ইস্ ,
বাড়িতেও ইস্ অফিসেও ইস্ ,
যখন যেখানে থাকে -- ইস্!
উঠতে বসতে করে ইস্ ,
ঘুমের মধ্যে করে ইস্ ,
বাড়িতেও ইস্ অফিসেও ইস্ ,
যখন যেখানে থাকে -- ইস্!
এদিকে যে স্বপ্নেরা ডেকে ডেকে ফিরে যায়,
গোমড়াবাবু তা করে যায় মিস্।
ইস্! ইস্!
এক যে গম্ভীরবাবু হরদম ব্যস্তবাগীশ,
মুখে তার হাসি নেই, বুকে কোনো খুশি নেই
দিনরাত করে শুধু ইস্!
আকাশের রামধনু সাত রঙে সাত সুরে
ডেকে ডেকে যায়,
গুরুগম্ভীরবাবু নিজেকে আটকে রাখে ইটের খাঁচায়।
আকাশের রামধনু সাত রঙে সাত সুরে
ডেকে ডেকে যায়,
গুরুগম্ভীরবাবু নিজেকে আটকে রাখে ইটের খাঁচায়।
ফুল কেন ফোটে বলো, ইস্!
অলি কেন জোটে বলো, ইস্!
বসন্তে ইস্, বর্ষায় ইস্!
ঠাণ্ডা কি গরমেও ইস্!
ফুল কেন ফোটে বলো, ইস্!
অলি কেন জোটে বলো, ইস্!
বসন্তে ইস্, বর্ষায় ইস্!
ঠাণ্ডা কি গরমেও ইস্!
জীবনের ফুলবনে বুলবুলি ডেকে যায়,
ঠুলি আঁটা বাবু তার রাখে কি হদিস্?
ইস্! ইস্!
এক যে গম্ভীরবাবু হরদম ব্যস্তবাগীশ,
মুখে তার হাসি নেই, বুকে কোনো খুশি নেই
দিনরাত করে শুধু ইস্!
*********************
সুজন কাণ্ডারী
গীতিকার কবি তরুণ মজুমদার
সুরকার ও শিল্পী - হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। ১৯৭৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, তরুণ মজুমদার পরিচালিত, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সন্ধ্যা রায়, শেখর চ্যাটার্জি অভিনীত, “সংসার সীমান্তে” ছায়াছবির গান। এই গানটির কথা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তি যদি থাকে, তা মার্জনা করে ভ্রম সংশোধন করে দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। গানটি সৌজন্যে ANANDADHARA - HEMANTAYAPON ইউটিউব চ্যানেল। নীচে দেয়া ভিডিওতে না শুনতে পারলে এখানে ক্লিক করুন . . .। মিলনসাগরে প্রকাশ - ২২.৮.২০২৫।
সুজন কাণ্ডারী,
আমারে নি নিয়া দিবা সাত সাগরে পাড়ি?
আনচান আনচান করে নদী,
আন্ চান্ নদীর ঢেউ,
আমার বুকে কিসের আনচান
নেয় কি খবর কেউ?
ভাঁটির বাঁকে পারের ঘাটে
আর কত কাল একা কাটে,
তুমি বন্ধু না তরাইলে আমি কাইন্দা মরি।
বন্ধুর বাড়ি আমার বাড়ি,
মধ্যে অগাধ নদী,
উইড়া যাইবার সাধ ছিল হায়,
পঙ্খ দেয় নাই বিধি।
এমন কপাল হইত যদি
ভাসতাম তোমার সাথে,
আমার জীবন মরণ সব ভাসাইতাম
তুমি বইঠা নিলে হাতে।
তুমি যদি ডুবাও মোরে,
ডুবতে আমার ভয় কি ওরে,
এক ডুবেতেই সব কলঙ্ক
ধুইয়া লইতে পারি।
*********************
গীতিকার কবি তরুণ মজুমদার
সুরকার ও শিল্পী - হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। ১৯৭৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত, তরুণ মজুমদার পরিচালিত, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সন্ধ্যা রায়, শেখর চ্যাটার্জি অভিনীত, “সংসার সীমান্তে” ছায়াছবির গান। এই গানটির কথা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। তাই অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তি যদি থাকে, তা মার্জনা করে ভ্রম সংশোধন করে দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকব। গানটি সৌজন্যে ANANDADHARA - HEMANTAYAPON ইউটিউব চ্যানেল। নীচে দেয়া ভিডিওতে না শুনতে পারলে এখানে ক্লিক করুন . . .। মিলনসাগরে প্রকাশ - ২২.৮.২০২৫।
সুজন কাণ্ডারী,
আমারে নি নিয়া দিবা সাত সাগরে পাড়ি?
আনচান আনচান করে নদী,
আন্ চান্ নদীর ঢেউ,
আমার বুকে কিসের আনচান
নেয় কি খবর কেউ?
ভাঁটির বাঁকে পারের ঘাটে
আর কত কাল একা কাটে,
তুমি বন্ধু না তরাইলে আমি কাইন্দা মরি।
বন্ধুর বাড়ি আমার বাড়ি,
মধ্যে অগাধ নদী,
উইড়া যাইবার সাধ ছিল হায়,
পঙ্খ দেয় নাই বিধি।
এমন কপাল হইত যদি
ভাসতাম তোমার সাথে,
আমার জীবন মরণ সব ভাসাইতাম
তুমি বইঠা নিলে হাতে।
তুমি যদি ডুবাও মোরে,
ডুবতে আমার ভয় কি ওরে,
এক ডুবেতেই সব কলঙ্ক
ধুইয়া লইতে পারি।
*********************
