ভবের খেলা
কবি শ্রীশ্রীঅন্নদা ঠাকুর
মিলনসাগরে প্রকাশ ১.৫.২০২৫।
জগজ্জননীর উদ্দেশ্যে মাতৃভাবের এবং জগদ্গুরু রামকৃষ্ণদেবের উদ্দেশ্যে গুরুভাবের সাধন সঙ্গীত গ্রন্থ, আদ্যাপীঠের, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের ব্রহ্মচারী নিরঞ্জনভাই দ্রারা ১৩৫৭ বঙ্গাব্দে (১৯৫০ খৃষ্টাব্দে) প্রকাশিত, “মা” কাব্যগ্রন্থের তৃতীয় সংস্করণের মাতৃভাবের কবিতা বা গীত। এই সংকলনটি প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত করেন ভদ্রকালী নিবাসী শ্রীমন্মথ নাথ পাল, কবির জীবদ্দশায় তাঁরই আদেশে। দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয় কবির দেহান্তের পরে, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের সভাপতি শ্রীআনন্দভাই দ্বারা। গ্রন্থটি আমরা পেয়েছি মিলনসাগরের শুভানুধ্যায়ী এবং উপদেষ্টা, দিল্লী নিবাসী ডঃ দিলীপ কুমার বসু ও ডঃ নন্দিতা বসুর কাছ থেকে। মিলনসাগরে কবি দিলীপ কুমার বসুর কবিতার পাতায় যেতে এখানে ক্লিক্ করুন . . .
ভবের খেলা খেল্ তে হবে
তাই ভেবে মোর ভয় বেড়েছে।
উদাস মনে আকুল প্রাণে
ভয়ে ভয়েই কাল কাটিছে।
ছিল জানা ভবের বায়না
যারা বারেক মাথে নিয়েছে
তাদের, নাইক আশা নাই ভরসা
আনাগোনাই সার হয়েছে।
সদাই তাঁদের হাহাকার,
দুঃখে ঘেরা চারিধার ;
মাগো, দারা পুত্র পরিবার
শক্র সাজেই ঘিরে রয়েছে।
বাঁধিয়ে মায়া নিগড়ে
রেখেছে রিপু কারাগারে
কেঁদে মরি (কেউ) চায় না ফিরে
তারা, মুখ বুজে সব সহিছে॥
জ্যোতির্ম্ময়ী
কবি শ্রীশ্রীঅন্নদা ঠাকুর
মিলনসাগরে প্রকাশ ১.৫.২০২৫।
জগজ্জননীর উদ্দেশ্যে মাতৃভাবের এবং জগদ্গুরু রামকৃষ্ণদেবের উদ্দেশ্যে গুরুভাবের সাধন সঙ্গীত গ্রন্থ, আদ্যাপীঠের, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের ব্রহ্মচারী নিরঞ্জনভাই দ্রারা ১৩৫৭ বঙ্গাব্দে (১৯৫০ খৃষ্টাব্দে) প্রকাশিত, “মা” কাব্যগ্রন্থের তৃতীয় সংস্করণের মাতৃভাবের কবিতা বা গীত। এই সংকলনটি প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত করেন ভদ্রকালী নিবাসী শ্রীমন্মথ নাথ পাল, কবির জীবদ্দশায় তাঁরই আদেশে। দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয় কবির দেহান্তের পরে, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের সভাপতি শ্রীআনন্দভাই দ্বারা। গ্রন্থটি আমরা পেয়েছি মিলনসাগরের শুভানুধ্যায়ী এবং উপদেষ্টা, দিল্লী নিবাসী ডঃ দিলীপ কুমার বসু ও ডঃ নন্দিতা বসুর কাছ থেকে। মিলনসাগরে কবি দিলীপ কুমার বসুর কবিতার পাতায় যেতে এখানে ক্লিক্ করুন . . .
মাকে কাল বলনা মন!
মা যে মোদের ভূবনমোহন।
মোহের ঘোরে আঁধার হেরে
তিমিরে গ্রাসিছে তোরে,
তাই দেখছিস্ রূপ অমন।
যে রংএর চস্ মাখানি
সেই রূপই (মার) হেরবে প্রাণী ;
মা যে হিয়ার উজল মণি
রূপের খনি অফুরণ।
রবি শশী গ্রহতারা
মায়ের রূপে উজল ধারা
মায়ের স্বরূপ জ্যোতি হেরা
মহেশও যে পারগ ন'ন।
অপারগ হন ত্রিলোচন
কে করে সে রূপ নির্ব্বাচন
বিন্দুরূপে আলো ভূবন
মা যে রূপের বৃন্দাবন।
তিলেক রূপ তাঁর পেল নারী
তাই হেরে নর প্রেমে তারি
বদ্ধ হয়ে ঘোর সংসারী
মোহনীরে নিমগন।
অকুলে
কবি শ্রীশ্রীঅন্নদা ঠাকুর
মিলনসাগরে প্রকাশ ১.৫.২০২৫।
জগজ্জননীর উদ্দেশ্যে মাতৃভাবের এবং জগদ্গুরু রামকৃষ্ণদেবের উদ্দেশ্যে গুরুভাবের সাধন সঙ্গীত গ্রন্থ, আদ্যাপীঠের, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের ব্রহ্মচারী নিরঞ্জনভাই দ্রারা ১৩৫৭ বঙ্গাব্দে (১৯৫০ খৃষ্টাব্দে) প্রকাশিত, “মা” কাব্যগ্রন্থের তৃতীয় সংস্করণের মাতৃভাবের কবিতা বা গীত। এই সংকলনটি প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত করেন ভদ্রকালী নিবাসী শ্রীমন্মথ নাথ পাল, কবির জীবদ্দশায় তাঁরই আদেশে। দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয় কবির দেহান্তের পরে, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের সভাপতি শ্রীআনন্দভাই দ্বারা। গ্রন্থটি আমরা পেয়েছি মিলনসাগরের শুভানুধ্যায়ী এবং উপদেষ্টা, দিল্লী নিবাসী ডঃ দিলীপ কুমার বসু ও ডঃ নন্দিতা বসুর কাছ থেকে। মিলনসাগরে কবি দিলীপ কুমার বসুর কবিতার পাতায় যেতে এখানে ক্লিক্ করুন . . .
কূল দে মা! এ দাসে কালী।
আমি অগাধ জলেই ভাস্ ছি খালি॥
ভেসে ভেসে যাচ্ছি চলে, কোথা যাব কে দেয় বলে ;
আমি, ডূব্ ব কি মা! অতল তলে হবে না দয়া পুত্র বলি?
মাগো, পুত্র এ যে পুত্র তোমার কেন এতই কঠিন বিচার?
মুখ তুলে চাও মা একবার আঁধার ঘরে আলো জ্বালি।
রিপুরা সব ঘিরে ধরে’ বুঝি এবার উদরে পোরে ;
ও মা! মা হয়ে কি এমন করে দিতে পারে পুত্রে ডালি?
যে জ্বালা মা এ অন্তরে, যে শক্র ধরেছে ঘিরে,
ওমা, কি করে আছি সংসারে সে দুঃখ আর কারে বলি?
এ দাস বলে চরণ তলে, পড়ে আছি কালী বলে
এখন, তরে যাই ঐ চরণ পেলে, তরাও মা চরণে দলি॥
মায়ের খেলা
কবি শ্রীশ্রীঅন্নদা ঠাকুর
মিলনসাগরে প্রকাশ ১.৫.২০২৫।
কবি শ্রীশ্রীঅন্নদা ঠাকুর।
জগজ্জননীর উদ্দেশ্যে মাতৃভাবের এবং জগদ্গুরু রামকৃষ্ণদেবের উদ্দেশ্যে গুরুভাবের সাধন সঙ্গীত গ্রন্থ, আদ্যাপীঠের, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের ব্রহ্মচারী নিরঞ্জনভাই দ্রারা ১৩৫৭ বঙ্গাব্দে (১৯৫০ খৃষ্টাব্দে) প্রকাশিত, “মা” কাব্যগ্রন্থের তৃতীয় সংস্করণের মাতৃভাবের কবিতা বা গীত। এই সংকলনটি প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত করেন ভদ্রকালী নিবাসী শ্রীমন্মথ নাথ পাল, কবির জীবদ্দশায় তাঁরই আদেশে। দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয় কবির দেহান্তের পরে, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের সভাপতি শ্রীআনন্দভাই দ্বারা। গ্রন্থটি আমরা পেয়েছি মিলনসাগরের শুভানুধ্যায়ী এবং উপদেষ্টা, দিল্লী নিবাসী ডঃ দিলীপ কুমার বসু ও ডঃ নন্দিতা বসুর কাছ থেকে। মিলনসাগরে কবি দিলীপ কুমার বসুর কবিতার পাতায় যেতে এখানে ক্লিক্ করুন . . .
ছায়ার বুকে লুকিয়ে থেকে
দেখ্ ছিস্ দুঃখ মা আমার।
শুন্ ছিস্ কত কান্না হাসি
শোক ও তাপের হাহাকার।
তুমি আমারে করিতে বড়
আমারই পরীক্ষা কর
বুঝেও বুঝি না মাতঃ
কি রহস্য এ তোমার?
আলো আঁধার সবই মিছে,
আছ আমার আগে পিছে ;
তবু ভাবি কোথায় তুমি?
তোমার সত্ত্বা বুঝা ভার॥
চিত্রে ও চরিত্রে
কবি শ্রীশ্রীঅন্নদা ঠাকুর
মিলনসাগরে প্রকাশ ১.৫.২০২৫।
জগজ্জননীর উদ্দেশ্যে মাতৃভাবের এবং জগদ্গুরু রামকৃষ্ণদেবের উদ্দেশ্যে গুরুভাবের সাধন সঙ্গীত গ্রন্থ, আদ্যাপীঠের, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের ব্রহ্মচারী নিরঞ্জনভাই দ্রারা ১৩৫৭ বঙ্গাব্দে (১৯৫০ খৃষ্টাব্দে) প্রকাশিত, “মা” কাব্যগ্রন্থের তৃতীয় সংস্করণের মাতৃভাবের কবিতা বা গীত। এই সংকলনটি প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত করেন ভদ্রকালী নিবাসী শ্রীমন্মথ নাথ পাল, কবির জীবদ্দশায় তাঁরই আদেশে। দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয় কবির দেহান্তের পরে, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের সভাপতি শ্রীআনন্দভাই দ্বারা। গ্রন্থটি আমরা পেয়েছি মিলনসাগরের শুভানুধ্যায়ী এবং উপদেষ্টা, দিল্লী নিবাসী ডঃ দিলীপ কুমার বসু ও ডঃ নন্দিতা বসুর কাছ থেকে। মিলনসাগরে কবি দিলীপ কুমার বসুর কবিতার পাতায় যেতে এখানে ক্লিক্ করুন . . .
বিরহ ব্যাকুল রুদ্ধকণ্ঠে কে আছে দেখ না চাহিয়া ;
নিজ নিভৃত হৃদয়কুঞ্জে নিখিল বিশ্ব ভুলিয়া ;
দীরঘ নিঃশ্বাস যেতেছে বহিয়া,
ঘন ঘন হৃদি উঠিছে কাঁপিয়া ;
কি যেন ব্যথা মরমে গাঁথা সারাটি জীবন ভরিয়া।
অলক্ত রঞ্জিত শুভ্র কোমল,
কাঁপিতেছে ধীরে চরণ যুগল,
সতত শঙ্কিত সতত কুণ্ঠিত কি যেন কি ভাব লইয়া।
হেরি না অধরে মধুর হাস্য,
ছল ছল আঁখি মলিন আস্য,
করুণ আহ্বান কিজানি কিযেন, হেরে হৃদি যায় গলিয়া।
হের, তপ্ত অশ্রু কপোল বহিয়া,
ঝরিয়া দুকুল যেতেছে তিতিয়া,
মলিনবেশা রুক্ষ্মকেশা (যত) সুখসাধ আশা নাশিয়া।
বিবেক বুদ্ধি
কবি শ্রীশ্রীঅন্নদা ঠাকুর
জগজ্জননীর উদ্দেশ্যে মাতৃভাবের এবং জগদ্গুরু রামকৃষ্ণদেবের উদ্দেশ্যে গুরুভাবের সাধন সঙ্গীত গ্রন্থ, আদ্যাপীঠের, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের ব্রহ্মচারী নিরঞ্জনভাই দ্রারা ১৩৫৭ বঙ্গাব্দে (১৯৫০ খৃষ্টাব্দে) প্রকাশিত, “মা” কাব্যগ্রন্থের তৃতীয় সংস্করণের মাতৃভাবের কবিতা বা গীত। এই সংকলনটি প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত করেন ভদ্রকালী নিবাসী শ্রীমন্মথ নাথ পাল, কবির জীবদ্দশায় তাঁরই আদেশে। দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয় কবির দেহান্তের পরে, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের সভাপতি শ্রীআনন্দভাই দ্বারা। গ্রন্থটি আমরা পেয়েছি মিলনসাগরের শুভানুধ্যায়ী এবং উপদেষ্টা, দিল্লী নিবাসী ডঃ দিলীপ কুমার বসু ও ডঃ নন্দিতা বসুর কাছ থেকে। মিলনসাগরে কবি দিলীপ কুমার বসুর কবিতার পাতায় যেতে এখানে ক্লিক্ করুন . . .
তোরা এ ভবের হাসি হাস্ বি ক'দিন আর?
এ নহে পবিত্র হাসি, এরা নয় সু পরিবার।
আস্ বে যখন নিতে শমন, ঘুচ্ বে তোর এ মায়ার বাঁধন
আর, মোহ বশে হোস্ নে মগন, দুয়ের মায়ায় দুনিয়ার।
হাব ভাবে তার যে জন রয় গাঁথা
পেয়ে প্রাণের ভ্রাতা বন্ধু শুনে কুকথা
তারা শেষে যায় গো ভেসে
পাপের স্রোতে ভবের ত্রাসে
তখন, পায় না খুঁজে বেঁধে কাউকে,
কাছে রাখ্ তে আপনার।
দীন কয় এ হাসিতে মজে
রোস্ নে বাঁধা আর মোহপাশে
সঁপে দে প্রাণ মায়ের কাজে
ফুটবে হাসি আপনার।
শেষ সম্বল
কবি শ্রীশ্রীঅন্নদা ঠাকুর
মিলনসাগরে প্রকাশ ১.৫.২০২৫।
জগজ্জননীর উদ্দেশ্যে মাতৃভাবের এবং জগদ্গুরু রামকৃষ্ণদেবের উদ্দেশ্যে গুরুভাবের সাধন সঙ্গীত গ্রন্থ, আদ্যাপীঠের, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের ব্রহ্মচারী নিরঞ্জনভাই দ্রারা ১৩৫৭ বঙ্গাব্দে (১৯৫০ খৃষ্টাব্দে) প্রকাশিত, “মা” কাব্যগ্রন্থের তৃতীয় সংস্করণের মাতৃভাবের কবিতা বা গীত। এই সংকলনটি প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত করেন ভদ্রকালী নিবাসী শ্রীমন্মথ নাথ পাল, কবির জীবদ্দশায় তাঁরই আদেশে। দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয় কবির দেহান্তের পরে, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের সভাপতি শ্রীআনন্দভাই দ্বারা। গ্রন্থটি আমরা পেয়েছি মিলনসাগরের শুভানুধ্যায়ী এবং উপদেষ্টা, দিল্লী নিবাসী ডঃ দিলীপ কুমার বসু ও ডঃ নন্দিতা বসুর কাছ থেকে। মিলনসাগরে কবি দিলীপ কুমার বসুর কবিতার পাতায় যেতে এখানে ক্লিক্ করুন . . .
ভূলে গিয়ে মন! ভবের আলাপন,
সঁপ প্রাণ মন মায়ের পায়।
এ, মায়ামরুমাঝে, রয়েছ কি আশে?
হেথা, আপশোষে শেষে প্রাণ যায়।
ভেবে দেখ মন! সঙ্গী কোন জন
কেবা আপনার প্রায় ;
শেষের সে পথে রবে সাথে সাথে
যাতে, দুখচয় দূরে যায়।
যে মোহান্ধকারে মর ঘুরে ফিরে
যাদের, আপনার ভেবে হায়!
তারা যে তখন ছোঁবে না রে মন!
(উড়ে) যাবে যবে প্রাণবায়।
অপবিত্র ভেবে কাছে নাহি যাবে
ভয়ে না হেরিবে বদন হায়!
তাই বলি মন! চিন্ত অনুক্ষণ
বিপদে যে জন হবে সহায়॥
জাগরণ
কবি শ্রীশ্রীঅন্নদা ঠাকুর
মিলনসাগরে প্রকাশ ১.৫.২০২৫।
জগজ্জননীর উদ্দেশ্যে মাতৃভাবের এবং জগদ্গুরু রামকৃষ্ণদেবের উদ্দেশ্যে গুরুভাবের সাধন সঙ্গীত গ্রন্থ, আদ্যাপীঠের, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের ব্রহ্মচারী নিরঞ্জনভাই দ্রারা ১৩৫৭ বঙ্গাব্দে (১৯৫০ খৃষ্টাব্দে) প্রকাশিত, “মা” কাব্যগ্রন্থের তৃতীয় সংস্করণের মাতৃভাবের কবিতা বা গীত। এই সংকলনটি প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত করেন ভদ্রকালী নিবাসী শ্রীমন্মথ নাথ পাল, কবির জীবদ্দশায় তাঁরই আদেশে। দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয় কবির দেহান্তের পরে, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের সভাপতি শ্রীআনন্দভাই দ্বারা। গ্রন্থটি আমরা পেয়েছি মিলনসাগরের শুভানুধ্যায়ী এবং উপদেষ্টা, দিল্লী নিবাসী ডঃ দিলীপ কুমার বসু ও ডঃ নন্দিতা বসুর কাছ থেকে। মিলনসাগরে কবি দিলীপ কুমার বসুর কবিতার পাতায় যেতে এখানে ক্লিক্ করুন . . .
তোরা সব ঘুমিয়ে কেন আর?
ঘনিয়ে এল যাবার সে দিন,
তবু, ঘুচ্ ল না কি অন্ধকার?
(তোদের ঘুচ্ ল না মোহ অন্ধকার ?)
উঠে পড়ে’ লাগ্ না কাজে,
কেন কাল কাটাস্ বাজে,
কার মুখে চেয়ে কোন লাজে
ব’য়ে মরিস্ জীবন ভার?
(তোরা ব’য়ে মরিস্ জীবন ভার ?)
চোখ চেয়ে ‘জয় দুর্গা' ব’লে,
মোহাবরণ দিয়ে ফেলে,
ওঠ্ না সবাই দলে বলে
ভাঙতে যত ভূতের ঘাড়।
(তোরা ভাঙবি যদি ভূতের ঘাড়।)
ভেঙ্গে যাবে ভয়ের বাঁধন,
লাগ্ বে কাজে অলস ভীষণ,
ধমনীতে বইবে তখন,
ক্ষিপ্ত তপ্ত রক্ত ধার।
(তোদের ক্ষিপ্ত তপ্ত রক্ত ধার।)
‘জয় কালী’ ‘জয় কালী’ ব’লে,
হাতের খাঁড়া নে না খুলে,
দাঁড়া না দেখি কলির কালে,
কি কর্ তে পারে অবিচার?
(তোদের কি কর্ তে পারে অবিচার?)
মায়ের খাঁড়া পাগল পারা,
শক্র বংশ ধ্বংস করা ;
মা যে সর্ব্ব দুঃখ হরা
কাছে দাঁড়ায় সাধ্য কার?
(তোদের সামনে দাঁড়ায় শক্তি কার?)
গুণগান
কবি শ্রীশ্রীঅন্নদা ঠাকুর
মিলনসাগরে প্রকাশ ১.৫.২০২৫।
জগজ্জননীর উদ্দেশ্যে মাতৃভাবের এবং জগদ্গুরু রামকৃষ্ণদেবের উদ্দেশ্যে গুরুভাবের সাধন সঙ্গীত গ্রন্থ, আদ্যাপীঠের, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের ব্রহ্মচারী নিরঞ্জনভাই দ্রারা ১৩৫৭ বঙ্গাব্দে (১৯৫০ খৃষ্টাব্দে) প্রকাশিত, “মা” কাব্যগ্রন্থের তৃতীয় সংস্করণের গুরুভাবের কবিতা বা গীত। এই সংকলনটি প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত করেন ভদ্রকালী নিবাসী শ্রীমন্মথ নাথ পাল, কবির জীবদ্দশায় তাঁরই আদেশে। দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয় কবির দেহান্তের পরে, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের সভাপতি শ্রীআনন্দভাই দ্বারা। গ্রন্থটি আমরা পেয়েছি মিলনসাগরের শুভানুধ্যায়ী এবং উপদেষ্টা, দিল্লী নিবাসী ডঃ দিলীপ কুমার বসু ও ডঃ নন্দিতা বসুর কাছ থেকে। মিলনসাগরে কবি দিলীপ কুমার বসুর কবিতার পাতায় যেতে এখানে ক্লিক্ করুন . . .
জপ অবিরাম রামকৃষ্ণ নাম
গুণগান তাঁর গাও রে!
জীব শিব যিনি মহাজ্ঞানী গুণী
গুণাতীত বিশ্বমাঝারে!
এসেছিল ধরে মানব মূরতি,
ধরা মাঝে জ্বেলে দিতে জ্ঞানবাতি,
লুপ্ত প্রায় হায়! যবে হিন্দু রীতি,
ধর্ম্ম মর্ম্ম কেহ বোঝে না রে!
ধর্ম লুপ্ত হতে এল দেখা দিতে,
ধার্ম্মিকের সদা মর্য্যাদা বাড়াতে,
তাই বলি জীব রাখ সদা চিতে,
শান্ত স্নিগ্ধ মূরতিরে।
রূপমুগ্ধ
কবি শ্রীশ্রীঅন্নদা ঠাকুর
মিলনসাগরে প্রকাশ ১.৫.২০২৫।
জগজ্জননীর উদ্দেশ্যে মাতৃভাবের এবং জগদ্গুরু রামকৃষ্ণদেবের উদ্দেশ্যে গুরুভাবের সাধন সঙ্গীত গ্রন্থ, আদ্যাপীঠের, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের ব্রহ্মচারী নিরঞ্জনভাই দ্রারা ১৩৫৭ বঙ্গাব্দে (১৯৫০ খৃষ্টাব্দে) প্রকাশিত, “মা” কাব্যগ্রন্থের তৃতীয় সংস্করণের গুরুভাবের কবিতা বা গীত। এই সংকলনটি প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত করেন ভদ্রকালী নিবাসী শ্রীমন্মথ নাথ পাল, কবির জীবদ্দশায় তাঁরই আদেশে। দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয় কবির দেহান্তের পরে, দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের সভাপতি শ্রীআনন্দভাই দ্বারা। গ্রন্থটি আমরা পেয়েছি মিলনসাগরের শুভানুধ্যায়ী এবং উপদেষ্টা, দিল্লী নিবাসী ডঃ দিলীপ কুমার বসু ও ডঃ নন্দিতা বসুর কাছ থেকে। মিলনসাগরে কবি দিলীপ কুমার বসুর কবিতার পাতায় যেতে এখানে ক্লিক্ করুন . . .