কবি বিকাশ গুঁই এর কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কোনও একদিন
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১০.২০২৩।
চিল্কা হ্রদের রৌদ্র-স্নাত জলে
পানসি নাচে ঢেউয়ের তালে তালে,
তুমি কাছে থেকেও যাত্রী অনেক দূরের
অজান্তে সিঁদ কেটেছ মনের দেওয়ালে।
অন্তঃক্ষরণ হচ্ছে চুপিচুপি
বন্ধ কপাট খুলছে ধীরে ধীরে,
ভালোবাসা দেখতে কেমন হয় !
ভাবতে ভাবতে পানসি ভেড়ে তীরে।
সিগন্যালেতে দাঁড়িয়ে আছে ট্রেন
কলিংবেলটা জানিয়ে দিল রাতে,
দাঁড়িয়ে ছিলে এ.সি.কামরার গেটে
নাড়িয়ে রুমাল রাখলে নিজের হাতে।
ফিরে এসে নৈঃশব্দ্য রাখি বালিশ পেতে,
বেলাভূমি ডাকছে আকুল রাত্রি আড়াইটেতে।
*********************
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.১০.২০২৩।
চিল্কা হ্রদের রৌদ্র-স্নাত জলে
পানসি নাচে ঢেউয়ের তালে তালে,
তুমি কাছে থেকেও যাত্রী অনেক দূরের
অজান্তে সিঁদ কেটেছ মনের দেওয়ালে।
অন্তঃক্ষরণ হচ্ছে চুপিচুপি
বন্ধ কপাট খুলছে ধীরে ধীরে,
ভালোবাসা দেখতে কেমন হয় !
ভাবতে ভাবতে পানসি ভেড়ে তীরে।
সিগন্যালেতে দাঁড়িয়ে আছে ট্রেন
কলিংবেলটা জানিয়ে দিল রাতে,
দাঁড়িয়ে ছিলে এ.সি.কামরার গেটে
নাড়িয়ে রুমাল রাখলে নিজের হাতে।
ফিরে এসে নৈঃশব্দ্য রাখি বালিশ পেতে,
বেলাভূমি ডাকছে আকুল রাত্রি আড়াইটেতে।
*********************
পালাবদল
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৬.১০.২০২৩।
সময়ের সাথে ঋতুরাও নিয়মতান্ত্রিক
ফিরে গেছে অক্লেশে -
কোকিলেরা রেখে গেছে নতুন প্রজন্মকে
কাক-মায়েদের ক্রেশে।
অবসন্ন চৈত্র পাততাড়ি গুটোয়,রেখে যায়
কিছু না-বলা সংলাপ -
নব বৈশাখী এসে স্নেহের আঁচলে মোছায়
পুরাতন যত সন্তাপ।
মহীরূহ কাঁখে চুমঘুমে নিমীলিত কিশলয়
আকাশে মেলবে হাত -
ঝোড়ো বাতাসে ছিন্ন মেঘেরা অপেক্ষারত
কেটে যাবে অমারাত।
*********************
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৬.১০.২০২৩।
সময়ের সাথে ঋতুরাও নিয়মতান্ত্রিক
ফিরে গেছে অক্লেশে -
কোকিলেরা রেখে গেছে নতুন প্রজন্মকে
কাক-মায়েদের ক্রেশে।
অবসন্ন চৈত্র পাততাড়ি গুটোয়,রেখে যায়
কিছু না-বলা সংলাপ -
নব বৈশাখী এসে স্নেহের আঁচলে মোছায়
পুরাতন যত সন্তাপ।
মহীরূহ কাঁখে চুমঘুমে নিমীলিত কিশলয়
আকাশে মেলবে হাত -
ঝোড়ো বাতাসে ছিন্ন মেঘেরা অপেক্ষারত
কেটে যাবে অমারাত।
*********************
রোদ, বৃষ্টি, ঝরাপাতা
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৬.১০.২০২৩।
বেলাশেষে শরতের ভিজেছে আঁচল
হেমন্তের হলুদ পাতায় লাগে রোজা,
বৃষ্টির পেলবতায় পাতা ঝরে যায়
আধো-আধো ঘুমে মাটিতেই প্রাণ খোঁজা।
বৃষ্টি ফিরে যায় সীমান্তের কোনো গ্রামে
শুনসান পথে হাঁটে সোনালী পূবালী,
নবান্নের ঘ্রাণ নিতে নিতে ভোর নামে
খেজুর গাছে জিরেন কাটে শিউলী।
আমিও কোনোদিন ঝরাপাতা হ'ব
আমরণ অপেক্ষায় ধরে আছি ডাল,
হয়ত-বা থেকে যেতে পারি ক'টাদিন
বৃক্ষ অমর হলে হয়ত চিরকাল।
*********************
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৬.১০.২০২৩।
বেলাশেষে শরতের ভিজেছে আঁচল
হেমন্তের হলুদ পাতায় লাগে রোজা,
বৃষ্টির পেলবতায় পাতা ঝরে যায়
আধো-আধো ঘুমে মাটিতেই প্রাণ খোঁজা।
বৃষ্টি ফিরে যায় সীমান্তের কোনো গ্রামে
শুনসান পথে হাঁটে সোনালী পূবালী,
নবান্নের ঘ্রাণ নিতে নিতে ভোর নামে
খেজুর গাছে জিরেন কাটে শিউলী।
আমিও কোনোদিন ঝরাপাতা হ'ব
আমরণ অপেক্ষায় ধরে আছি ডাল,
হয়ত-বা থেকে যেতে পারি ক'টাদিন
বৃক্ষ অমর হলে হয়ত চিরকাল।
*********************
ছায়াপথ
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৬.১০.২০২৩।
শুনেছি সে কোনও এক স্বপ্নের পথ
ঝুলন শয্যায় মগন নীরব, নিথর,
পার্থিব আত্মারা সেখানে নেয় আশ্রয়
কাটায় জীবনকাল ছায়ার ভিতর।
শীতের কুয়াশা মেখে যত প্রিয়জন
ভিড় করে আছে যারা ফুটপাথ জুড়ে,
চাঁদের আলোয় খুঁজি মেঘের ভিতর
হয়ত! বেঁধেছে ঘর নীল চাদর মুড়ে।
জানি না তো, আর কত পথ হবে দূর !
ছায়াপথে কাটাব এক কুহক দুপুর।
*********************
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৬.১০.২০২৩।
শুনেছি সে কোনও এক স্বপ্নের পথ
ঝুলন শয্যায় মগন নীরব, নিথর,
পার্থিব আত্মারা সেখানে নেয় আশ্রয়
কাটায় জীবনকাল ছায়ার ভিতর।
শীতের কুয়াশা মেখে যত প্রিয়জন
ভিড় করে আছে যারা ফুটপাথ জুড়ে,
চাঁদের আলোয় খুঁজি মেঘের ভিতর
হয়ত! বেঁধেছে ঘর নীল চাদর মুড়ে।
জানি না তো, আর কত পথ হবে দূর !
ছায়াপথে কাটাব এক কুহক দুপুর।
*********************
জানালা
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৬.১০.২০২৩।
তোমার চোখে চোখ রেখে দেখি
দিগন্ত, সমুদ্র জলোচ্ছ্বাস -
তোমার খোলা বুকে মুখ রেখে
নিই, প্রাণভরা প্রশ্বাস।
তোমার চোখের পাতায় কান রেখে
শুনি, কামিনীর ফিসফাস -
ভোরের আলোয় দূর্বা শয্যায় দেখি
মুক্তোর সহবাস।
তোমার গরাদ ছুঁয়ে পাহাড়ী মেঘেরা
হেলেদুলে হেঁটে যায় -
তোমার মুক্ত কক্ষে পাহাড়ী বৃষ্টি
বিছানা ভিজিয়ে দেয়।
তোমাকে ছুঁয়ে কাঁকর বিছানো পুকুরপাড়ে
রবিঠাকুরকে মনে পড়ে -
তোমার কোলে বাদল দিনে টুপটুপ করে
সরেগামা ঝরে পড়ে।
অসুস্থ অমলের ডাকে তোমার পাশেই
ছুটে আসে দইওয়ালা-
তোমাকে আঁকড়ে কত যক্ষের কাটে
সকাল, সন্ধ্যাবেলা।
*********************
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৬.১০.২০২৩।
তোমার চোখে চোখ রেখে দেখি
দিগন্ত, সমুদ্র জলোচ্ছ্বাস -
তোমার খোলা বুকে মুখ রেখে
নিই, প্রাণভরা প্রশ্বাস।
তোমার চোখের পাতায় কান রেখে
শুনি, কামিনীর ফিসফাস -
ভোরের আলোয় দূর্বা শয্যায় দেখি
মুক্তোর সহবাস।
তোমার গরাদ ছুঁয়ে পাহাড়ী মেঘেরা
হেলেদুলে হেঁটে যায় -
তোমার মুক্ত কক্ষে পাহাড়ী বৃষ্টি
বিছানা ভিজিয়ে দেয়।
তোমাকে ছুঁয়ে কাঁকর বিছানো পুকুরপাড়ে
রবিঠাকুরকে মনে পড়ে -
তোমার কোলে বাদল দিনে টুপটুপ করে
সরেগামা ঝরে পড়ে।
অসুস্থ অমলের ডাকে তোমার পাশেই
ছুটে আসে দইওয়ালা-
তোমাকে আঁকড়ে কত যক্ষের কাটে
সকাল, সন্ধ্যাবেলা।
*********************
কথা শুনি, কথা বলি প্রকৃতির সাথে
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৬.১০.২০২৩।
পাহাড়ের কোলে নদী হারিয়েছে পথ
পথেই বাঁধবে ঘর নিয়েছে শপথ।
নুড়িদল খেলা করে জলের বাগানে
ত্রস্ত স্রোতে নীলকই হাঁটে উজানে।
বিথার নীলিমায় মেঘ মেলেছে ডানা
মনে হয় আকাশ ঝিলে ধবল পানা।
হিমেল বাতাস বহে উত্তরাপণে
নীলকন্ঠ দিন গোনে আমলকী বনে।
আমি দেখি তারা খসা নির্জন রাতে
বিহঙ্গ পালক খসে সোহাগী প্রাতে।
পাহাড়ী ইশারায় মন থাকে না ঘরে
পাইনের হাতছানি মহা সমাদরে।
কথা শুনি, কথা বলি প্রকৃতির সাথে,
নদী,গাছ,পাখি বাঁচে ঘাত-প্রতিঘাতে।
*********************
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৬.১০.২০২৩।
পাহাড়ের কোলে নদী হারিয়েছে পথ
পথেই বাঁধবে ঘর নিয়েছে শপথ।
নুড়িদল খেলা করে জলের বাগানে
ত্রস্ত স্রোতে নীলকই হাঁটে উজানে।
বিথার নীলিমায় মেঘ মেলেছে ডানা
মনে হয় আকাশ ঝিলে ধবল পানা।
হিমেল বাতাস বহে উত্তরাপণে
নীলকন্ঠ দিন গোনে আমলকী বনে।
আমি দেখি তারা খসা নির্জন রাতে
বিহঙ্গ পালক খসে সোহাগী প্রাতে।
পাহাড়ী ইশারায় মন থাকে না ঘরে
পাইনের হাতছানি মহা সমাদরে।
কথা শুনি, কথা বলি প্রকৃতির সাথে,
নদী,গাছ,পাখি বাঁচে ঘাত-প্রতিঘাতে।
*********************
একটা নষ্ট মেয়ের গল্প
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৬.১০.২০২৩।
সে ছিল ফুল ফুল এক মিষ্টি মেয়ে
ড্রয়িং স্যার স্বপ্ন এঁকে দিয়েছিল দু'নয়নে ;
শিক্ষা, সাহচর্য ভালোবাসা দিয়ে
আরও কিছু! যা ছিল সৃষ্টির আলিঙ্গনে।
বর্ষন মুখর ঝঞ্ঝার এক অফুরান রাতে
বাবা-মা কালের আমন্ত্রণে, শূন্য ভিটেমাটি !
কৃষ্ণপক্ষের অবসানে, সূর্য প্রণাম প্রাতে
এল প্রেমিকের দেশান্তরের অমোঘ চিঠি।
তখনও সে ছিল একটা মিষ্টি, দুষ্টু মেয়ে
বিদায়বেলায় প্রণয়ীর হাতনাড়া ছিল সঙ্গী ;
বধূবেশে পিঁড়িতে বসার স্বপ্ন গেছে ধুয়ে
চারপাশে ছড়িয়ে কটুক্তি, অশ্লীল অঙ্গভঙ্গী।
ততদিনে শরীরের অভ্যন্তরে অব্যক্ত এক
মধুর যন্ত্রণা ! বিশাল পৃথিবীর রুদ্ধদ্বারে ;
খোলা চিঠিতে জানিয়ে দিয়েছে প্রেমিক
নব আগন্তুক যেন কখনও না আসে ফিরে।
*********************
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৬.১০.২০২৩।
সে ছিল ফুল ফুল এক মিষ্টি মেয়ে
ড্রয়িং স্যার স্বপ্ন এঁকে দিয়েছিল দু'নয়নে ;
শিক্ষা, সাহচর্য ভালোবাসা দিয়ে
আরও কিছু! যা ছিল সৃষ্টির আলিঙ্গনে।
বর্ষন মুখর ঝঞ্ঝার এক অফুরান রাতে
বাবা-মা কালের আমন্ত্রণে, শূন্য ভিটেমাটি !
কৃষ্ণপক্ষের অবসানে, সূর্য প্রণাম প্রাতে
এল প্রেমিকের দেশান্তরের অমোঘ চিঠি।
তখনও সে ছিল একটা মিষ্টি, দুষ্টু মেয়ে
বিদায়বেলায় প্রণয়ীর হাতনাড়া ছিল সঙ্গী ;
বধূবেশে পিঁড়িতে বসার স্বপ্ন গেছে ধুয়ে
চারপাশে ছড়িয়ে কটুক্তি, অশ্লীল অঙ্গভঙ্গী।
ততদিনে শরীরের অভ্যন্তরে অব্যক্ত এক
মধুর যন্ত্রণা ! বিশাল পৃথিবীর রুদ্ধদ্বারে ;
খোলা চিঠিতে জানিয়ে দিয়েছে প্রেমিক
নব আগন্তুক যেন কখনও না আসে ফিরে।
*********************
পুরুষ
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৬.১০.২০২৩।
আমি নারী দিবসে নারীবাদী মুখ
কপচাই বুলি, করি অঙ্গীকার
সুখেদুখে চিরদিন নারীর পাশে থাকার ;
আমার পরিচয়, আমি পুরুষ।
আমি ধর্ষক-খুনি, কামদুনি,রাজধানী
তথা হাথরস বুকে,
আমিও আছি ধর্ষক বাঁচাতে
আদালতে, আইনের ফাঁকে।
আমি প্রেমিক প্রবর।
মিথ্যা প্রলোভনে প্রেমবতী করি ফলবতী।
আমি পিছনের দরজা খুঁজি।
আমি পুরুষ।
আমি বেহেড মাতাল প্রতিরাতে
প্রিয়তমা বধূ ফুলেফুলে কাঁদে
হররোজ, আমারই পদাঘাতে।
আমি পুরুষ।
আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে
রক্তে ভাসাই বিস্ফোরণে,
শিউলি শুভ্র ফুলসম প্রাণে।
আমি পুরুষ।
আমি মহাধার্মিক। ধর্মমঞ্চে গাই তরজা।
আমি মন্দির ভাঙি, মসজিদ ভাঙি
আগুনে রাঙাই গীর্জা।
আমি মহা-পূরুষ।
*********************
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৬.১০.২০২৩।
আমি নারী দিবসে নারীবাদী মুখ
কপচাই বুলি, করি অঙ্গীকার
সুখেদুখে চিরদিন নারীর পাশে থাকার ;
আমার পরিচয়, আমি পুরুষ।
আমি ধর্ষক-খুনি, কামদুনি,রাজধানী
তথা হাথরস বুকে,
আমিও আছি ধর্ষক বাঁচাতে
আদালতে, আইনের ফাঁকে।
আমি প্রেমিক প্রবর।
মিথ্যা প্রলোভনে প্রেমবতী করি ফলবতী।
আমি পিছনের দরজা খুঁজি।
আমি পুরুষ।
আমি বেহেড মাতাল প্রতিরাতে
প্রিয়তমা বধূ ফুলেফুলে কাঁদে
হররোজ, আমারই পদাঘাতে।
আমি পুরুষ।
আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে
রক্তে ভাসাই বিস্ফোরণে,
শিউলি শুভ্র ফুলসম প্রাণে।
আমি পুরুষ।
আমি মহাধার্মিক। ধর্মমঞ্চে গাই তরজা।
আমি মন্দির ভাঙি, মসজিদ ভাঙি
আগুনে রাঙাই গীর্জা।
আমি মহা-পূরুষ।
*********************
মেলা
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৬.১০.২০২৩।
উত্তুরে বাতাসের হাত ধরে আসে
মেলা, ফেরিওয়ালা হাঁক পাড়ে,
শীত মাখা রোদেলা প্রান্তরে
ক'টাদিন মানুষের ভিড় বাড়ে।
কখনও চেনা মুখে অচেনার ভান
কখনও অচেনাও কাঁধে রাখে হাত,
ভুল করে দুঃখিত বলে,চিনে রাখে মন
কখনো চায়ের পেয়ালা অতিথিপরায়ণ।
সরকারি পন্য দেদার ভিড় টানে
সবাই কেনে না, কেউ কেউ কেনে,
সবাই নাড়েচাড়ে। কিছু পন্য নজর কাড়ে।
ফিক্সড প্রাইসে বেলা বাড়ে।
এক সন্ধ্যায় মেলা শাঁখ ফোঁকে
ভাঙা মেলা ঘোমটায় মুখ ঢাকে।
পথভোলা রাধারাণী গোলোক ধাঁধায়
মানুষের হাটে কিছু মানুষও বিকোয়।
*********************
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৬.১০.২০২৩।
উত্তুরে বাতাসের হাত ধরে আসে
মেলা, ফেরিওয়ালা হাঁক পাড়ে,
শীত মাখা রোদেলা প্রান্তরে
ক'টাদিন মানুষের ভিড় বাড়ে।
কখনও চেনা মুখে অচেনার ভান
কখনও অচেনাও কাঁধে রাখে হাত,
ভুল করে দুঃখিত বলে,চিনে রাখে মন
কখনো চায়ের পেয়ালা অতিথিপরায়ণ।
সরকারি পন্য দেদার ভিড় টানে
সবাই কেনে না, কেউ কেউ কেনে,
সবাই নাড়েচাড়ে। কিছু পন্য নজর কাড়ে।
ফিক্সড প্রাইসে বেলা বাড়ে।
এক সন্ধ্যায় মেলা শাঁখ ফোঁকে
ভাঙা মেলা ঘোমটায় মুখ ঢাকে।
পথভোলা রাধারাণী গোলোক ধাঁধায়
মানুষের হাটে কিছু মানুষও বিকোয়।
*********************
সন্ধ্যাদের জীবন
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৬.১০.২০২৩।
দিনের আলো নিভু নিভু, সূর্য বসে পাটে
সন্ধ্যা কাঁদে, সন্ধ্যা সাজে, সন্ধ্যা নামে হাটে।
কপালে টিপ চোখে কাজল,মুখে হাসি এনে
কুপি জ্বেলে দরজা পাশে সন্ধ্যা আপনমনে।
ভাবতে থাকে আজ বুঝি-বা,বিফল গেল রাতি
কাল সকালে বাছার আমার কী যে হবে গতি !
আসা যাওয়ার বাবুরা সব ভালোবাসে কত !
তুই একা নোস আমরা আছি,এত ভাবিস না-তো !
বাবুগো, অপারেশনের খরচ দিলে,ছেলের প্রাণটা বাঁচে
বাবু শুধু লুটতে থাকে - হবে হবে,এত বলার কী আছে ?
জীবন যেমন চলছে তেমন, এই দুনিয়ার চালে
বাবুর ঘুঁটি মাৎ করে দেয়, ছেলের জীবন অস্তাচলে।
*********************
কবি বিকাশ গুঁই
মিলনসাগরে প্রকাশ ১৬.১০.২০২৩।
দিনের আলো নিভু নিভু, সূর্য বসে পাটে
সন্ধ্যা কাঁদে, সন্ধ্যা সাজে, সন্ধ্যা নামে হাটে।
কপালে টিপ চোখে কাজল,মুখে হাসি এনে
কুপি জ্বেলে দরজা পাশে সন্ধ্যা আপনমনে।
ভাবতে থাকে আজ বুঝি-বা,বিফল গেল রাতি
কাল সকালে বাছার আমার কী যে হবে গতি !
আসা যাওয়ার বাবুরা সব ভালোবাসে কত !
তুই একা নোস আমরা আছি,এত ভাবিস না-তো !
বাবুগো, অপারেশনের খরচ দিলে,ছেলের প্রাণটা বাঁচে
বাবু শুধু লুটতে থাকে - হবে হবে,এত বলার কী আছে ?
জীবন যেমন চলছে তেমন, এই দুনিয়ার চালে
বাবুর ঘুঁটি মাৎ করে দেয়, ছেলের জীবন অস্তাচলে।
*********************
