এই কবির ভণিতা...
প্রণবনন্দন
কবি অজয় কুমার দে - একজন গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মের অনুসরণকারী এবং শ্রীল গদাধর পণ্ডিত গোস্বামীর ভ্রাতুষ্পুত্র শ্রীল নয়নানন্দ গোস্বামী শাখায় আশ্রিত, ধর্ম প্রচারক ও ভাগবত পাঠক।
কবি জন্মগ্রহণ করেন মুর্শিদাবাদ জেলার অন্তর্গত বহরমপুর মহকুমার পোড়াডাঙ্গা গ্রামের অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারে। পিতা লক্ষ্মণ চন্দ্র দে এবং মাতা মমতা দেবী।
কবির শিক্ষাজীবনে তিনি পোড়াডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ২০০৪ সালে পঞ্চম শ্রেণী পাশ করে সাটুই রাজেন্দ্র নারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০০৯ সালে মাধ্যমিক এবং ২০১১ সালে বিজ্ঞান নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক উত্তীর্ণ হয়েছেন। এর পর তিনি ২০১৪ সালে শ্রীপত সিং মহাবিদ্যালয় (কল্যানী বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে বিজ্ঞান রসায়নে স্নাতক হন। কর্ম জীবনে তিনি দীর্ঘদিন সাটুই রাজেন্দ্র নারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয়ের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির রসায়ন বিষয়ে আংশিক শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি আমূল ডেইরী কো অপারেটিভে রসায়নবিদ হিসেব কর্মরত।
কবি এক উদীয়মান তরুণ বৈষ্ণব পদকর্তা এবং গৌড়ীয় বৈষ্ণব ভক্তি সাহিত্যের গবেষক ও কবি, প্রাবন্ধিক, সাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক, পত্রিকা সম্পাদক, শিল্পকলা ও ইতিহাস গবেষক হিসেবেও সুপরিচিত।
বাংলা সাহিত্যে তিনি কিশোর বয়স থেকেই অবদান রেখেছেন। তাঁর কবিতায় আধুনিক জীবনের সংগ্রাম, ভালোবাসা, বিচ্ছেদ, স্বপ্ন এবং বাস্তবতার মধ্যে সংঘাতের মতো বিষয় খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠে।
তিনি শ্রীপাট ভরতপুর এবং শ্রীল গদাধর পণ্ডিতের জীবনী এবং গৌড়ীয় বৈষ্ণব পদাবলীর গবেষণা পত্র এবং তথ্য প্রকাশ করেছেন যা সমাদৃত হয়েছে এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে।
কবির সম্মাননার সূচী বিশেষভাবে উল্লেখনীয়। কবি তাঁর স্কুল জীবন থেকেই কবিতা লিখে পুরস্কৃত হয়েছেন। তিনি বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকা এবং সংবাদ পত্রে বাংলা সাহিত্য চর্চা করে পুরস্কৃত ও সন্মানিত হয়েছেন। ২০০৭ সালে তিনি সাটুই ব্যোমকেশ স্মৃতি পাঠাগার আয়োজিত দেওয়াল পত্রিকায় কবিতা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন এবং ২০০৯ সালে সাটুই রাজেন্দ্র নারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিবেশ বিষয়ক দেওয়াল পত্রিকায় কবিতা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন।
কবি গদ্য রচনা ও গল্পকার হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত। ২০১৯ সালে সেখ আনসার আলী সম্পাদিত জিরো পয়েন্ট দৈনিক পত্রিকা আয়োজিত প্রতিযোগিতায় অনুগল্পকার হিসেবে তৃতীয় এবং নজরুল ইসলামের জীবনী রচনাকার হিসেবে 'নজরুল আওয়ার্ড' পেয়েছেন।
২০১৯ সালে কবি, পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি থেকে বিশিষ্ট কবি হিসেবে সন্মানিত হয়েছেন। এছাড়াও "অঙ্গাঙ্গি", "প্রাঙ্গণ", "বঙ্গীয় সাহিত্য দর্পণ", "যুথিকা সাহিত্য পত্রিকা", "পারিজাত সাহিত্য পত্রিকা", "মনভাষী পত্রিকা" প্রভৃতি পত্র-পত্রিকা থেকে বেশ কয়েকবার সন্মানিত হয়েছেন।
এ ছাড়াও কবি ২০১৪ সালে মুর্শিদাবাদ জেলার "ঝড়" পত্রিকায় বিশিষ্ট সাংবাদিক হিসেবে সন্মানিত হয়েছেন।
কবি তাঁর পদে “প্রণবনন্দন” ভণিতা দিয়ে থাকেন।
কবি অজয় কুমার দের কবিতা ও বৈষ্ণব পদাবলী তুলে মিলনসাগরে এই আধুনিক যুগের বৈষ্ণব পদকর্তাকে আসন দিতে পেরে আমরা আনন্দিত।
কবি অজয় কুমার দে মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।
কবির সঙ্গে যোগাযোগ -
ইমেল - deykrajay@gmail.com
চলভাষ - +৯১৮০১৬৮৪১২৬৯
হোয়াট্সঅ্যাপ - +৯১৮০১৬৮৪১২৬৯
কবির ফেসবুক -www.facebook.com/deykrajay
উৎস -
কবির সঙ্গে যোগাযোগ -
ইমেল - deykrajay@gmail.com
চলভাষ - +৯১৮০১৬৮৪১২৬৯
হোয়াট্সঅ্যাপ - +৯১৮০১৬৮৪১২৬৯
কবির ফেসবুক -www.facebook.com/deykrajay
উৎস -
-
কবির সঙ্গে হোয়াট্সঅ্যাপে যোগাযোগ।
আমাদের ই-মেল : srimilansengupta@yahoo.co.in
হোয়াটসঅ্যাপ : +৯১ ৯৮৩০৬৮১০১৭
এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ১৭.১২.২০২৪।