কবি কৌশিক চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
শব্দের ঘাত প্রতিঘাত
কবি কৌশিক চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৮.৬.২০২৫।
॥ কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য॥
কয়েকটা শব্দ আমার বুকের মধ্যে
অনুরণন তোলে
কয়েকটা শব্দ আমাদের ভূগোল, ইতিহাস
বারেবারে ছারখার করে দেয়
কয়েকটা শব্দে যাযাবরেরা
নদী মাটির পিছুটানে ফেরে,
কয়েকটা শব্দের মায়ায় আমি এখনও
জংধরা সিন্দুকে বন্দি
কয়েকটা শব্দের জাদুতে অমাবস্যাতেও
আলোর বন্যায় ভাসে পাড়া
কয়েকটা শব্দের অভিঘাতে
বাড়িঘর ছেড়ে
আমি বিবাগী হই চিরতরে।
এদিকে আলু পটল ফলতে থাকে ক্ষেতে
লোহা, বিজলি হতে থাকে কারখানায়
ফুসফুস হাতে ছুটতে থাকে যীশুরা
আর্যাবর্তের হয়না কোন হেলদোল
শব্দেরা ছোটে শব্দের গোলোকধাঁধায়
রোদ্দুর হারায় পথ বাড়িগাছের ছায়ায়
যেহেতু রাজারা এখনও উলঙ্গ নৃত্য করেই চলেছে
তাই শব্দকে ছেড়ে যেতে পারেনা কবি।
*********************
কবি কৌশিক চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৮.৬.২০২৫।
॥ কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য॥
কয়েকটা শব্দ আমার বুকের মধ্যে
অনুরণন তোলে
কয়েকটা শব্দ আমাদের ভূগোল, ইতিহাস
বারেবারে ছারখার করে দেয়
কয়েকটা শব্দে যাযাবরেরা
নদী মাটির পিছুটানে ফেরে,
কয়েকটা শব্দের মায়ায় আমি এখনও
জংধরা সিন্দুকে বন্দি
কয়েকটা শব্দের জাদুতে অমাবস্যাতেও
আলোর বন্যায় ভাসে পাড়া
কয়েকটা শব্দের অভিঘাতে
বাড়িঘর ছেড়ে
আমি বিবাগী হই চিরতরে।
এদিকে আলু পটল ফলতে থাকে ক্ষেতে
লোহা, বিজলি হতে থাকে কারখানায়
ফুসফুস হাতে ছুটতে থাকে যীশুরা
আর্যাবর্তের হয়না কোন হেলদোল
শব্দেরা ছোটে শব্দের গোলোকধাঁধায়
রোদ্দুর হারায় পথ বাড়িগাছের ছায়ায়
যেহেতু রাজারা এখনও উলঙ্গ নৃত্য করেই চলেছে
তাই শব্দকে ছেড়ে যেতে পারেনা কবি।
*********************
দায়বদ্ধতা
কবি কৌশিক চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৮.৬.২০২৫।
পৃথিবীর নিটোল স্তনের আশকারা পেয়ে
নবীন হবার পাঠ নিচ্ছি,
এখনও কতো উপত্যকায় পদক্ষেপ বাকি
তাও কি জানি !
সোঁদা মাটির গন্ধ কোনো বোতলে পাওয়া যায় না
অভিজ্ঞতার ক্যাপসুল আজও নেই বাজারে,
আমি প্রতিদিন লাথি খাই পাছায়
প্রতিরাতে শোধ নিই সেই লাথের,
আমাদের প্রত্যেকের পাছায় আর গলায়
প্রভুর নামাবলী জড়িয়ে আছে,
তাই আমি পরিব্রাজক হয়ে চলি
যে পথে হেঁটে চলেছে সৌরকাল ধরে
মেগাস্থিনিস, সওদাগরেরা বা পীড়িত প্রজারা,
এখনও এখানে পথ চলতে অনেকে ভয় পায় ;
অনেক মেয়ে তার ঘর ছেড়ে চলে যায়
তবু নতুন ঘর পায় না,
অনেক পুরুষ প্রতিদিন পথ হারায়।
আসলে আমরা সবাই এক উপত্যকায় ঘুরে চলেছি।
প্রতিদিন অনেকেরই পাল্টে যায় ঠিকানা
নাগরিক হওয়ার আর দায় নেই কারো।
*********************
কবি কৌশিক চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৮.৬.২০২৫।
পৃথিবীর নিটোল স্তনের আশকারা পেয়ে
নবীন হবার পাঠ নিচ্ছি,
এখনও কতো উপত্যকায় পদক্ষেপ বাকি
তাও কি জানি !
সোঁদা মাটির গন্ধ কোনো বোতলে পাওয়া যায় না
অভিজ্ঞতার ক্যাপসুল আজও নেই বাজারে,
আমি প্রতিদিন লাথি খাই পাছায়
প্রতিরাতে শোধ নিই সেই লাথের,
আমাদের প্রত্যেকের পাছায় আর গলায়
প্রভুর নামাবলী জড়িয়ে আছে,
তাই আমি পরিব্রাজক হয়ে চলি
যে পথে হেঁটে চলেছে সৌরকাল ধরে
মেগাস্থিনিস, সওদাগরেরা বা পীড়িত প্রজারা,
এখনও এখানে পথ চলতে অনেকে ভয় পায় ;
অনেক মেয়ে তার ঘর ছেড়ে চলে যায়
তবু নতুন ঘর পায় না,
অনেক পুরুষ প্রতিদিন পথ হারায়।
আসলে আমরা সবাই এক উপত্যকায় ঘুরে চলেছি।
প্রতিদিন অনেকেরই পাল্টে যায় ঠিকানা
নাগরিক হওয়ার আর দায় নেই কারো।
*********************
শেষের পরে
কবি কৌশিক চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৮.৬.২০২৫।
বিষণ্ণ দরজার সামনে
অপেক্ষা করছে আমার মা,
আমি উঠোনে আনচান করছি,
আমার মন খারাপ করছে,
বুক জুড়ে প্রবল ব্যাথা হচ্ছে,
অথচ আমি কিছুতেই বলতে পারছিনা
আমার স্নেহভরা মা'কে যে
আমি আর আমার দেহের মধ্যে নেই।
একবার যদি আবার
ওই কোলে বসতে পারতাম !
মা'কে আলিঙ্গন করে বলতে পারতাম
"আমি তোমার চোখেই প্রথম
নড়বড়ে আকাশ ছুঁয়েছিলাম
আবার সেই আকাশের বুকেই
তোমাকে ছেড়ে এলাম !
এখন কোন নক্ষত্রের বুকে
খুঁজবো তোমার চালধোয়া হাত?"
এখন তোমার চোখ থেকে জলধারা
এসে ভিজিয়ে দিচ্ছে বাগানের মাটি
আমার ফেলে আসা দেহটাকে ঘিরে
কাঁদছে বন্ধুবান্ধব,আত্মীয়স্বজন,
আমার বুকের ভিতর নোনাজল
কেউ আর দেখতে পাচ্ছেনা,
ধীরে ধীরে সবকিছু ঝাপসা
হয়ে যাচ্ছে, ঝাপসা, অস্ফুট, নিরব
সীমারেখা মুছে, শব্দগুলো মুছে
সীমানাহীন এক সীমানায়
এক অনন্ত পেরিয়ে বিন্দু
*********************
কবি কৌশিক চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৮.৬.২০২৫।
বিষণ্ণ দরজার সামনে
অপেক্ষা করছে আমার মা,
আমি উঠোনে আনচান করছি,
আমার মন খারাপ করছে,
বুক জুড়ে প্রবল ব্যাথা হচ্ছে,
অথচ আমি কিছুতেই বলতে পারছিনা
আমার স্নেহভরা মা'কে যে
আমি আর আমার দেহের মধ্যে নেই।
একবার যদি আবার
ওই কোলে বসতে পারতাম !
মা'কে আলিঙ্গন করে বলতে পারতাম
"আমি তোমার চোখেই প্রথম
নড়বড়ে আকাশ ছুঁয়েছিলাম
আবার সেই আকাশের বুকেই
তোমাকে ছেড়ে এলাম !
এখন কোন নক্ষত্রের বুকে
খুঁজবো তোমার চালধোয়া হাত?"
এখন তোমার চোখ থেকে জলধারা
এসে ভিজিয়ে দিচ্ছে বাগানের মাটি
আমার ফেলে আসা দেহটাকে ঘিরে
কাঁদছে বন্ধুবান্ধব,আত্মীয়স্বজন,
আমার বুকের ভিতর নোনাজল
কেউ আর দেখতে পাচ্ছেনা,
ধীরে ধীরে সবকিছু ঝাপসা
হয়ে যাচ্ছে, ঝাপসা, অস্ফুট, নিরব
সীমারেখা মুছে, শব্দগুলো মুছে
সীমানাহীন এক সীমানায়
এক অনন্ত পেরিয়ে বিন্দু
*********************
মৃত্যুহীন চিতা
কবি কৌশিক চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৮.৬.২০২৫।
আমার যেসব পরলোকগত স্বজনেরা
প্রত্যাশা নিয়ে আজো চিতার পাশে বসে আছে
তাদের কাছে যেতে পারিনি এখনও
সেইসব মৃত মানুষেরা উৎসবের দিনে
ফিরে ফিরে আসে আমাদের পাশে।
বহুদিন হয়ে গেলো চুমুহীন
বহুদিন হয়ে গেলো অনিদ্রাহীন
ট্যাঁরা চোখে চেয়ে চলে যায় চাঁদ
দলা পাকানো সময়ের হিসেবী ভালোবাসা
তবু বেঁচে থাকতে হয় বাধ্যকতায়
শ্মশাননদীর পাড়ে পাথরেরা উদাসীন থাকে
চিতার সংখ্যায় হেলদোল হয় না তাদের
গাছেরাও কি খুব মায়াময় হয়?
চরমতম বেদনার দিনেও তারা
আনন্দে ডালপালা মেলে উল্লাস করে
চলে যাওয়া আর বেঁচে থাকার মধ্যে একটা ক্ষীণ রেখা
হীমশীতল বরফের গহ্বর আর লেলিহান আগুন
দুইয়ের মধ্যেই মৃত্যুর নাম লেখা থাকে।
শতাব্দী আগে কিছু মহাপুরুষ আমাদের রোদ্দুর দিয়েছিলেন
বর্তমান মহাপুরুষেরা শেষ আলোটুকুও কেড়ে নিচ্ছে
আমি এখনও পূর্বপুরুষের বিছানায় শুয়ে,
চাদরে নকশী কাঁথার নকশা
ঠাকুমার গায়ের ওমে উজ্জ্বল।
আমার অবিচুয়ারি লিখবে যে
সে এখন এন্ড্রয়ডে গভীর নিমগ্ন,
নিতান্তই এলোমেলো চলে গেলে
একটা আক্ষেপ থেকে যাবে, তাই
নিজের চিতা নিজেই সাজিয়ে নিচ্ছি।
মৃত্যুহীন এক জগতে চলে যাবো
সাদাকালো এক ছবি এঁকে নেবো
কালোয়-সাদায়, সাদায়-কালোয়
শেষে মিশে যাবো, তবে রেখে যাবো ---
*********************
কবি কৌশিক চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৮.৬.২০২৫।
আমার যেসব পরলোকগত স্বজনেরা
প্রত্যাশা নিয়ে আজো চিতার পাশে বসে আছে
তাদের কাছে যেতে পারিনি এখনও
সেইসব মৃত মানুষেরা উৎসবের দিনে
ফিরে ফিরে আসে আমাদের পাশে।
বহুদিন হয়ে গেলো চুমুহীন
বহুদিন হয়ে গেলো অনিদ্রাহীন
ট্যাঁরা চোখে চেয়ে চলে যায় চাঁদ
দলা পাকানো সময়ের হিসেবী ভালোবাসা
তবু বেঁচে থাকতে হয় বাধ্যকতায়
শ্মশাননদীর পাড়ে পাথরেরা উদাসীন থাকে
চিতার সংখ্যায় হেলদোল হয় না তাদের
গাছেরাও কি খুব মায়াময় হয়?
চরমতম বেদনার দিনেও তারা
আনন্দে ডালপালা মেলে উল্লাস করে
চলে যাওয়া আর বেঁচে থাকার মধ্যে একটা ক্ষীণ রেখা
হীমশীতল বরফের গহ্বর আর লেলিহান আগুন
দুইয়ের মধ্যেই মৃত্যুর নাম লেখা থাকে।
শতাব্দী আগে কিছু মহাপুরুষ আমাদের রোদ্দুর দিয়েছিলেন
বর্তমান মহাপুরুষেরা শেষ আলোটুকুও কেড়ে নিচ্ছে
আমি এখনও পূর্বপুরুষের বিছানায় শুয়ে,
চাদরে নকশী কাঁথার নকশা
ঠাকুমার গায়ের ওমে উজ্জ্বল।
আমার অবিচুয়ারি লিখবে যে
সে এখন এন্ড্রয়ডে গভীর নিমগ্ন,
নিতান্তই এলোমেলো চলে গেলে
একটা আক্ষেপ থেকে যাবে, তাই
নিজের চিতা নিজেই সাজিয়ে নিচ্ছি।
মৃত্যুহীন এক জগতে চলে যাবো
সাদাকালো এক ছবি এঁকে নেবো
কালোয়-সাদায়, সাদায়-কালোয়
শেষে মিশে যাবো, তবে রেখে যাবো ---
*********************
গোলকিপার
কবি কৌশিক চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৮.৬.২০২৫।
এইমাত্র ঠাকুর বিসর্জন হয়ে গেল
মন্ডপ থেকে সরে এসেছি দূরে
এখন শূন্য হলুদ স্কুলমাঠে বসে আছি
অডিটোরিয়াম থেকে একে একে নেমে আসছে
স্কুলব্যাগ, আলুকাবলি, ডাস্টার, খাতা, চক
এডমিশন ফর্ম, মার্কশিট আর হল্লা অনর্গল,
এই স্কুলের নাকি কাজ শেষ হয়ে গেছে !
মোমবাতি জ্বলতে জ্বলতে সলতেটুকুও নেই,
অথচ আমাদের ছাত্রসত্বা এই স্কুলমাঠেই চারিয়ে গেছে।
মাঠজোড়া এক ধূধূ ব্ল্যাক বোর্ডে
অঙ্ক শেখানোর চেষ্টা করে চলেছেন শিক্ষক
অমনোযোগী ছাত্রছাত্রীরা পিছনে কাটাকুটি খেলছে
কয়েকটা ফড়িং উড়ে বেড়ানোর মন্ত্রগুপ্তি শেখাচ্ছে
অবাক বিস্ময়ে দেখছি একটা স্কুল কতো বড়ো হতে পারে !
মুদ্রারাক্ষস এসে রবীন্দ্রনাথের পিন্ডি চটকে দিয়েছে
হাওয়ায় মিলিয়ে যাচ্ছে স্যারদের কথাগুলো।
আমাদের বুকের ভিতর এক নিরন্তর নদীধারা,
বয়ে চলার তাগিদে লকারে স্বপ্ন থাকে,
এক এক করে নদীদের বিসর্জন হয়
সর্বগ্রাসী পূর্ণিমার চাঁদ জোনাকির শেষ আলোটুকুও কেড়ে নিতে চায়,
অনুতাপহীন, অনুভবহীন, স্কুলমাঠের
গোলপোষ্টের আগে বুক চিতিয়ে পজিশন নিই।
*********************
কবি কৌশিক চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৮.৬.২০২৫।
এইমাত্র ঠাকুর বিসর্জন হয়ে গেল
মন্ডপ থেকে সরে এসেছি দূরে
এখন শূন্য হলুদ স্কুলমাঠে বসে আছি
অডিটোরিয়াম থেকে একে একে নেমে আসছে
স্কুলব্যাগ, আলুকাবলি, ডাস্টার, খাতা, চক
এডমিশন ফর্ম, মার্কশিট আর হল্লা অনর্গল,
এই স্কুলের নাকি কাজ শেষ হয়ে গেছে !
মোমবাতি জ্বলতে জ্বলতে সলতেটুকুও নেই,
অথচ আমাদের ছাত্রসত্বা এই স্কুলমাঠেই চারিয়ে গেছে।
মাঠজোড়া এক ধূধূ ব্ল্যাক বোর্ডে
অঙ্ক শেখানোর চেষ্টা করে চলেছেন শিক্ষক
অমনোযোগী ছাত্রছাত্রীরা পিছনে কাটাকুটি খেলছে
কয়েকটা ফড়িং উড়ে বেড়ানোর মন্ত্রগুপ্তি শেখাচ্ছে
অবাক বিস্ময়ে দেখছি একটা স্কুল কতো বড়ো হতে পারে !
মুদ্রারাক্ষস এসে রবীন্দ্রনাথের পিন্ডি চটকে দিয়েছে
হাওয়ায় মিলিয়ে যাচ্ছে স্যারদের কথাগুলো।
আমাদের বুকের ভিতর এক নিরন্তর নদীধারা,
বয়ে চলার তাগিদে লকারে স্বপ্ন থাকে,
এক এক করে নদীদের বিসর্জন হয়
সর্বগ্রাসী পূর্ণিমার চাঁদ জোনাকির শেষ আলোটুকুও কেড়ে নিতে চায়,
অনুতাপহীন, অনুভবহীন, স্কুলমাঠের
গোলপোষ্টের আগে বুক চিতিয়ে পজিশন নিই।
*********************
গভীর অবগাহন
কবি কৌশিক চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৮.৬.২০২৫।
তুমি এই চোখ, নাক, কান সম্বলিত
খাঁচার মধ্যে আমাকে খুঁজে চলেছো,
আই এম সরি !
ওটা আমার দেহ হতে পারে
আমি ওর মধ্যে নেই !
আমি এখানে সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছি,
এখনই ধরা দেবার ইচ্ছা নেই,
তুমি আমাকে খুঁজে বেড়াচ্ছো
কারণ তোমার বদ্ধমূল ধারণা
আমি তোমার তালে তালে নাচবো
তোমার একটা হাতের পুতুল চাই।
আই এম সরি !
তোমার কাছে ধরা দেবো না।
তুমি এই হাত, পা সম্বলিত নামটাকে
খুঁজে চলেছো দিনভর,
তোমার হাতে উদ্যত তলোয়ার
তাই আমি ফেরারী হই,
শহর থেকে যে গ্রামে যাবো
সেই গ্রামও খুঁজে পাই না,
এখানে কোনো বটগাছ নেই
তাই নেই কোনও ছায়া,
ঘড়ির ওয়ার্নিং বেল বাজে না।
আমি যুৎসই একটা দেহ খুঁজে বেড়াই
আমার নির্জনতা বড়ো বিপন্ন
আমার সরবতা এখন রক্তাক্ত
নূপুর দুপুরে ভাতঘুম দিয়েছে আমার দেহ
আই এম সরি !
ওটা আমি নই।
আমিই তখন থেকে খুঁজে চলেছি
কোন খরস্রোতা নদীর নীচতলায়
লুকিয়ে আছে ভণিতাহীন, নিরাভরণ
সমাজচ্যুত সেই ভাইরাসহীন বোধশক্তি।
আই এম সরি।
করোর কাছেই ধরা দেবো না।
*********************
কবি কৌশিক চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরে প্রকাশ ২৮.৬.২০২৫।
তুমি এই চোখ, নাক, কান সম্বলিত
খাঁচার মধ্যে আমাকে খুঁজে চলেছো,
আই এম সরি !
ওটা আমার দেহ হতে পারে
আমি ওর মধ্যে নেই !
আমি এখানে সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছি,
এখনই ধরা দেবার ইচ্ছা নেই,
তুমি আমাকে খুঁজে বেড়াচ্ছো
কারণ তোমার বদ্ধমূল ধারণা
আমি তোমার তালে তালে নাচবো
তোমার একটা হাতের পুতুল চাই।
আই এম সরি !
তোমার কাছে ধরা দেবো না।
তুমি এই হাত, পা সম্বলিত নামটাকে
খুঁজে চলেছো দিনভর,
তোমার হাতে উদ্যত তলোয়ার
তাই আমি ফেরারী হই,
শহর থেকে যে গ্রামে যাবো
সেই গ্রামও খুঁজে পাই না,
এখানে কোনো বটগাছ নেই
তাই নেই কোনও ছায়া,
ঘড়ির ওয়ার্নিং বেল বাজে না।
আমি যুৎসই একটা দেহ খুঁজে বেড়াই
আমার নির্জনতা বড়ো বিপন্ন
আমার সরবতা এখন রক্তাক্ত
নূপুর দুপুরে ভাতঘুম দিয়েছে আমার দেহ
আই এম সরি !
ওটা আমি নই।
আমিই তখন থেকে খুঁজে চলেছি
কোন খরস্রোতা নদীর নীচতলায়
লুকিয়ে আছে ভণিতাহীন, নিরাভরণ
সমাজচ্যুত সেই ভাইরাসহীন বোধশক্তি।
আই এম সরি।
করোর কাছেই ধরা দেবো না।
*********************
