কবি কৃপাণ চক্রবর্তীর কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
*
কবি কৃপাণ চক্রবর্তীর পরিচিতির পাতায় . . .
মহান বিশ্ব তোমাকেই বলি
কবি কৃপাণ চক্রবর্তী
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১১.০৯.২০২৫।

মহান বিশ্ব চেতনার কথা শোনো কি?
মহান বিশ্ব কম্পন বুঝে মেশো কি?
খুবই দারুণ সমীকরন মহান বিশ্ব
রাগ ক্রোধ ভয় নিয়ে হয় কি বিচার।

মহান বিশ্ব, চিন্তা তরঙ্গ পৌঁছায় ঠিকঠাক?
যেমন দিকবালিকার উস্কানিতে মরশুমি সঞ্চার
তেমনই আমার রগুড়ে বালক কথা বলে যায়
তোমার কাছে তোমার কাছে

তাহলে তো তোমার পায়ে বিরাট ধন্যবাদ
তবু এখনো তো পায়ের বাঁধা দূর হয়নি মাগো
এখনো যে কুমিরে টানে পিছন থেকে
সমীকরণ নিপাতনে সিদ্ধ হয়

ভয় হয় নাকি সেও চলে যায়
অন্তরেতে ভাগাও তিমির
যন্তরেতে গন্ডগোল না হয়
ভয় হয়, বড় ভয় হয়

কেমন সুন্দর দিকবালিকার অন্বেষণে
মৌসুমী সঞ্চার ঘটে দিকপালে
প্রতিটি সঞ্চারই কি তোমারই নির্দেশে
কি বলবো, তোমার ঘরের মানুষ আমার
কেমন যেন তাথৈ লাগে গো

কেমন আছেন তাঁরা সবকিছু ভাসিয়ে
এ জীবন থেকে পুনর্জাগরণ
যেমন ঘুমিয়ে আছি তিমিরে মাটিতে
তাঁরা আছেন সিদ্ধ পুরুষ মগডালে

ওই যে কালো মেঘের শাড়ি
দূর থেকে বহুদূরে যায়
যেন দিকবালিকার আস্তরণে
তাঁদের প্রলেপ লাগিয়ে রাখা আছে

এখনো তারা আছেন এখনো
এ জীবন খুঁজলে পাওয়া যেতে পারে যেন
যেন মহাবিশ্বের কাছে প্রার্থনা
এসো, কাছে এসো প্রিয়

এই মানব যন্তরে সব ভরা আছে বলে
বলে সে অনুপাত একই
তবে কেন হয় না বিচার সঠিক
এ তরঙ্গে কেমনে পৌঁছায় না সংকেত

এই আছে এক বিগড়েল বাই
সবকিছুতে বাঁধা খেঁচকায়
উন্মুক্ত গ্রহতারার মতো ঘুরে বেড়াই
যেন ছাড়া গরু কিসের টানে দৌড়ায়

বাড়ি যাওয়ার পথে পথে বিশাল বাধা থাকে
দিকপালে গুরুগুরু গরজে গম্ভীর ধ্বনি
এদিকে সবার শ্রদ্ধা বসে আছে সেই মগডালে
দেখি বাড়ি ফেরার কালে শান্তির ওম লেখা আছে নাকি


*********************









*
কি করা যাবে তুমি এলে না
কবি কৃপাণ চক্রবর্তী
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১১.০৯.২০২৫।

যতই হোক তুমি কিন্তু এলে না
যা হয়ে যাক চলতে চলতে
তোমার কিছু যায় আসে না
এইটাই বুঝলাম

এ মনের সমস্যা কে বোঝাবে তোমাকে
তুমি তো অপারগতায় শান্তিলোকে
এইতো বুঝলাম আমি
তুমি কোথায়

অন্ধ বারান্দায় একলা পথিক
বৃষ্টি চাতক হয়ে দশদিক
দর্শনীয় নাচ দেখায়
যদিও সে আণবিক

দিকভ্রান্ত অণুকনা, সেজন্য
এখন ঋকবেদে বিশ্বাস করে
ঋকবেদে সাম রাখলো বলে
যজু হয়ে অথর্বকে ধরে পড়ে

আমার কি এলো গেলো তাতে
আমি আরো আণবিক হই
সন্তাপে প্রাণ জ্বলে যায় ঠিক
আলুথালু হয় বাসনা

এতদিন ধরে নিম্নগামীতা
সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে
সন্ধ্যাতারায় আলো জ্বালাবে না আর
চোখ বন্ধ করে রাখবে


জীবাশ্মরা কথা কয় আজকাল
রাগিনী আলাপ বন্ধ
গন্ধ কুকুর খুঁজে খুঁজে ঠিক
কামনায় আবদ্ধ

ক্রোধে পড়ে আছে জ্যান্ত সমাজ
শয়তান নাকি শিখিয়েছে
আমি শয়তান হলে কি আর
কুঁকিয়ে উঠি সবটাতে

রগড় হয়েছে শোনা এক বলি
দংস্টাকরাল খাবা বসিয়েছে
দিকভ্রান্ত গন্ধ কুকুর
মাঝে মাঝে এসি খায়

রাগ করোনা গো জীবনী শক্তি
দৃকপাত নেই ঋকবেদে
সিদ্ধহস্ত অমলতাসেতে
এই বসে বসে জীবনের কথা লিখি

*********************









*
কি অসহায় অবস্থা
কবি কৃপাণ চক্রবর্তী
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১১.০৯.২০২৫।

জমিদারের ভান
আবার সাধকেরও গান
কোথায় যাবে আদুল রতন
কোন দিকেতে টান
হ্যাঁগো, কোন দিকেতে টান

প্রকৃতি সতৃষ্ণ তোমার
পরিবেশও তীক্ষ্ণ তোমার
বুঝে নাও হে অন্ধ হোমার
মরন মরন টান
বাছা মরণ মরণ টান

আদুল চরণ এখনো হয়নি
পচা পাদুকায় পা হেজে মরে
দীপ্ত চলন কোথা থেকে পাবে
হতাশার সন্তান
ওগো হতাশার সন্তান

আদুল আদুল গাত্র হয়নি
পরনে পোশাক জম্পেশ ভারী
চরণ লালিত পচা পাদুকায়
ফুটো মস্তান ঘোরে
ওরে, ফুটো মস্তান ঘোরে

এই চায় বুঝি ঈশ্বরী বিটি
সিটি মেরে মেরে ভ্যাটিকান সিটি
গুটিগুটি পায়ে তৃষ্ণ নয়নে
আমি ঝুলে পড়ি পায়ে
হ্যাঁগো, আমি ঝুলে পড়ি পায়ে

দ্রংস্ট্রাকরাল খেয়েছে আমারে
সুখ সুখ নেশা পেয়েছে আমারে
দুখ দুখ করে আগমনী গান
আর গাইবো না শোনো
বুঝেছ, আর গাইবো না শোনো

আমি অগভীর
চীনের প্রাচীর
শিড়শিড় করে গা হাত-পা বীর
চিরচিরাপন এখনো গোপন
শুনেছ, সে এখনো গোপন

মনের মতন মনের মতন
ডোবানো গেছে তারে পাপে, বদনামে
অন্ধ ভালবাসা পায়
দুহাত মুচড়ে কদাকার ঘুসি
বুঝেছ, হে কদাকার ঘুসি

কোথায় গেছে সে ভালোবাসা পাবলিক
কোথায় গেছে সে প্রাকৃতিক দিক
বৌদ্ধিক বাণী সেই যে তিমিরে
আর দেখা নাই তার
না: আর দেখা নাই তার

*********************









*
আমি সাহারা
কবি কৃপাণ চক্রবর্তী
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১১.০৯.২০২৫।

সাহারায় চলে ফিরে বেড়াই
অচিন কষ্ট তাকলামাকানে
অথবা এক বিভুই অথৈ সাগরে
একলা একা প্রভুর সাথে

সে লীন হয়ে থাকে দুরপনেও
আর আমি ছাগল ছাগল
এতটা লীন যে আপন মনে
খামখেয়ালি সৃষ্টিতেও গোপন

সব দেখে সব জানে
তাও কি কিছু করে
অনন্ত জিজ্ঞাসা বুঝি
কিছু কানে যায় না

সে এক নতুন দেশে
নিয়ে যাবে বলেছে
বলেছে করূন হও
তবে গিয়ে করূনা

এদিকে বাধা তো দুর্নিবার মহাশয়
কে সরাবে তুমি
তুমি সরিয়ে দেবে এই বাধা
এই পিছনে কুমিরের টান

হতে পারে আবার নাও
হতে পারে কোন জীবন্ত সংগ্রাম
হতে পারে দৃষ্টিকুটিল বিভেদ রণভূমি
হতে পারে কোন কৃষকের দুঃখ ভরা কথা

আবার হতে পারে কোন শবদেহ
ঘাড়ে করে ঘুরে বেড়ানোর সমাচার
হতে পারে কোন কিশোরীর বুক ভরা ব্যথা
রাত্রির বুকে সঁপে দেওয়া কোন ধর্ষণ

কে জানি কি আছে কপালে
কে জানি কি বান্ময় হবে ভবিষ্যতে
রথে চড়ে অথবা রশি টানতে টানতে
গুনতে হবে আবার ভবিষ্যতে ঠিকানা

*********************









*
অট্টভৌতিক
কবি কৃপাণ চক্রবর্তী
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১১.০৯.২০২৫।

জঘন্য এক পানসী চড়ে
চলেছি আঁধার পথে।
মরু সাহারায় বুঝি এত আঁধার হয়
কোত্থাও কিছু নেই জনমানব।
চলেছি জঘন্য এক মরুরবাসী
চলেছি নাকি আলোর পথে।
"ওই দেখা যায় মায়ের মূর্তি"
বললেও আসে না
মায়ের কাছে থাকলেও আসে না
কি মধুর প্রতিশোধ পানসীর।
দয়াময় তবুও আছেন সাথে ভাগ্যিস।
পানসী ধরে আছেন তিনি কান্ডের কান্ডারী

কি ভীষণ বংশী বদন
বলে যদি বগল বাজাই
বলে যদি দিনটো কাটাই
একটানা কথা বলে যাই
অথবা নিশ্চুপ
একদিনও না কাটে অপমানে
একরাতও না কাটে অপমানে

আবার দেখো বিশাল সমুদ্র অন্ধকার
মাঝখানে ছোট্ট পানসীতে ছোট আমি
হাবুডুবু খাই না কিন্তু লাবডুব শুনি দ্রুত
বড় আমি মগ্ন রসে
অমৃত টইটুম্বুর

যদিও তার চেষ্টাতেই নৌকা বাওয়া চলে
প্রতিপক্ষ হাওয়ার বিরুদ্ধে
দিক বদলে যেতে চায়
নিভে যেতে চায় এ দীপ, হে কান্ডারী
তবু কান্ডারী হুঁশিয়ার
কান্ডারী হুঁশিয়ার অলখে অমৃতে

আলো!
একমাত্র কান্ডারী দেখা যায়
আর কোথাও কিচ্ছু নেই
তোমার আদেশ তোমার বিদেশ
পরবাসে তো নও
হর কথা শুনি
মায়ের নাম গো
ক্লান্ত নরেশ পায়ে পড়ে বারবার
আর তো উপায় নাই
কোত্থাও কিচ্ছু নাই

*********************









*
ত্রিভঙ্গমুরারি
কবি কৃপাণ চক্রবর্তী
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১১.০৯.২০২৫।

আদিকালের বদ্দিবুড়ো
ভাবতে বসে সদাই কাশে
খকর খকর খক
কোথায় ওড়ে কোথায় খায়
কি জানি সে কোথায় যায়
পঞ্চাননের পাড়ে এসে
ঈশ্বর নাম সদাই গায়

ত্রিভঙ্গ শ্যাম কবের থেকেই
রাত করে সেই পালাবদল
মা বললেন মাটিতে তাকা
শিব মহাদেব ফুর্তিতে

আমার মনের ত্রিভঙ্গ যে
দুম করে সে লাফিয়ে ওঠে
মাটির পানে চাইতে পারেনা
এদিকে শিব মহাদেব ফুর্তিতে

সে কোন নদীর কোন কিনারে
কোন সে পথের প্রান্তে
ঝর্ণাতলায় বসে শুধোই
কোন দিকেতে যাবে তুমি
কোন দিকে তোর পথ
অন্তিমকালে কোথায় বসে
চড়বে জয়রথ

অস্তিত্ব হারাবে কোথায়
দিগন্ত বিস্তৃত হয়ে বসে আছে
বিষন্ন দুপুরের মতো মহাকাশ
অতুল বৈভব নিয়ে

এ চলার জ্বালা ফুরোলে
তুমি কি তাকে পাবে বন্ধু
এই তো দেখো বন্ধু হয় কত প্রকার যেমন
কবিরাজি হোমিওপ্যাথি অ্যালোপ্যাথি
প্রকৃত বন্ধু আছে কজনা
ওহো বলে নাকি সেজনা
যে নাকি চালায় আমাদের

তবে হে বৈভব
ভৈরব হয়ে এসো
মিচকি হেসে বল "আছি"
আমায় ভালোবেসো

আমিও বলি ঋদ্ধ জিনিস
শুদ্ধ হয়ে এসো
প্রেম উছলে ভালোবেসে
আমার জন্য কাশো

এ কাশি আর সইতে নারী
বয়স হয়েছে বারোয়ারি
পিছন থেকে কুমির ধরে
পা দুখানা নাড়াতে নারি

*********************









*
একলা একা
কবি কৃপাণ চক্রবর্তী
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১১.০৯.২০২৫।

এখনও একলা কোন জলপিপি
পুকুরপাড়ে চুপটি করে বসে থাকে
এই শহরের ধারেই কোথাও কোনস্থানে
এই কি শেষ তাদের প্রজাতি
আমাদেরই মত আমার মত
বড় ভয় হয় ভয় হয়

এখনো সাপ এখনো ব্যাঙ
এখনো ইঁদুর দৌড়য় আশেপাশে
জল পিপিটার মতই
তারাও কিন্তু একলা ভীষণ
বাঁচার লড়াই লড়ছে
বড় ভয় হয় ভয় হয়

আমিও যেমন সবুজ ঘাসে জড়িয়ে থাকি
আমার অস্তিত্বের একলা থাকার অস্বস্তিতে
ওই রোয়াহীন সবুজ শুয়োপোকাটার মত
অস্বস্তিতে এগিয়ে চলার রাস্তা খুঁজি
আমিও যেমন এক ঢিলে জলপিপিটার
অস্তিত্বের সংকটে জড়োসড়ো থাকি

আমিও যেমন নানা রূপে ক্রিয়া করি
কখনো অফিসে দৌড়াচ্ছি
অথবা কখনো ভাতঘুমে
এভাবে জরিপ করি মনটাকে
রাত নিশুত হয় কুকুরের চিৎকারে
খান খান হয়ে যাই নৈঃশব্দের আর্তিতে

*********************









*
আমি অমানিশা
কবি কৃপাণ চক্রবর্তী
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১১.০৯.২০২৫।

এক প্রান্ত বলে ওঠে যা চলে যা
আরেক প্রান্তে আওয়াজ ওঠে না না না
অন্য প্রান্ত বলে ওঠে যাব কেন হা
কটা প্রান্ত আছে তোমার উড়ে বসছ গা

সবার মাঝে বসে থেকে প্রান্তে উড়ে বেড়াই
ভিজে চোখ তুলে সন্ধ্যে তারায় আলো জ্বালাই
আমার কথা ময়না শোনে, টিয়া উড়ে পালায়
মনের মধ্যে রয় না সে গো, উড়ে উড়ে জ্বালায়

রক্তনদীর তীর ধরে ধরে অসংখ্য জনপদ
দাঁড় টেনে যাই হয়তো দেখবো তোমার জয়রথ
রাগ করে আছে সিন্ধু সমাজ এমনিই কিছু হয় না
কারণ আছে কারণ আছে সবুরেও মেওয়া ফলে না

রোগুরে বালক মাস্তুলে বসে কাঁদো কাঁদো ভাব করে
ও যে আনন্দময় অসীম সময়, তাও কিছু ভাবে মরে
রক্ত নদীর সীমা ধরে ধরে আমার নৌকা চলে
কখনও অচিন সাগরে আবার মরু সাহারায় বলে

এমনি ভাবেই আমি হলাম তথাগত স
"ক" না "চন্দ্রবিন্দু" কোন প্রান্তে গ
এমনি কত প্রান্ত আছে আমার এটি ল
আমি যখন দাঁড়াই এসে কান্নাকাটি হ

*********************









*
যবে থেকে
কবি কৃপাণ চক্রবর্তী
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১১.০৯.২০২৫।

জঘন্য যন্ত্রণা পিচ্ছিল
আছে এক সীমাহীন মতিঝিল
হারালে পথ খুঁজে পাবে না
কেউ কোত্থাও কিছু জানবে না

যবে থেকে মাকে ছেড়ে দিল
তবে থেকে বুদ্ধি হারালো
বিদ্যা হারালো আর শিক্ষা হারালো
চমকাল জমযন্ত্রণা

বাকিটুকু থাক আর বেশি না
মন থেকে এইটুকু বাদ দাও
চাবিটাবি তার হাতে এখনো
মায়ে কি নেবে আর কখনো

*********************









*
সহস্র টুকরোয়
কবি কৃপাণ চক্রবর্তী
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১১.০৯.২০২৫।

আর ভাঙা যাবে না নিজেকে
ভেঙে পড়েছি সহস্র টুকরোয়
তবুও যদি নিস্তার হয়
এ বিষাক্ত অবগাহন, কোলাহল
টৈটুম্বুর সমুদ্র, পার নাই
রাত্রির অমানিশায় চলি
এসময়ে আর নিস্তার নাই
ভেঙে পড়েছি সহস্র টুকরো হয়ে
জোড়া লাগানোর ক্ষমতাও নাই

জোড়া কি লাগবে সই
মনের আবেগ কথা বলে
ঐ পাগলে কিনা বলে
ঐ ঐরকম আর কি

মনের ভাবসাব এরকম হয়
এ সমুদ্রে হাপুরহুপুর
এর থেকে ছাড় নাই
মনের মানুষ কোথায় থাকে
কে জানে কি ভাই

*********************