কবি পলাশ দাসের কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
বাবা ও ছেলে
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
ভাঙা গেলাসের মতো একটা অদ্ভুত খাঁজ কাটা দাগে
ভিজে যাচ্ছে একটা সকাল
কয়েকটা শুকনো ফুল
খয়েরি ডালের গায়ে মাটির দিকে চেয়ে আছে
তাদের সে দৃষ্টির ভিতর পূর্বরাতের ছেঁড়া ছেঁড়া কালো
বিছানা জুড়ে অমীমাংসিত বিনয়ী ইচ্ছেরা
ঘুরে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর
সুযোগ পেলেই আকাশের গা থেকে পেড়ে আনছে পালক
স্বপ্ন সড়কপথ ধরে নেমে গেছে মাঠে
কাঁটা বিঁধে ছিঁড়ে গেছে জামা -- পায়ে প্রাচীন ছাই
ঘাস ছিঁড়ে ছিঁড়ে চলে গেছে সেই পথ
পথের শেষে মাথার পাশে সাজানো মাথা
মাথায় মাথা ছুঁয়ে যাচ্ছে আকাশের নীচে থেমে থাকা আবহমান ধোঁয়া
একঝাঁক পায়রা হাতে নিয়ে সেই ছায়া ভেঙে ভেঙে
ঘাস ছিঁড়ে ছিঁড়ে চলে যেতে চাইছে সকাল
*********************
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
ভাঙা গেলাসের মতো একটা অদ্ভুত খাঁজ কাটা দাগে
ভিজে যাচ্ছে একটা সকাল
কয়েকটা শুকনো ফুল
খয়েরি ডালের গায়ে মাটির দিকে চেয়ে আছে
তাদের সে দৃষ্টির ভিতর পূর্বরাতের ছেঁড়া ছেঁড়া কালো
বিছানা জুড়ে অমীমাংসিত বিনয়ী ইচ্ছেরা
ঘুরে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর
সুযোগ পেলেই আকাশের গা থেকে পেড়ে আনছে পালক
স্বপ্ন সড়কপথ ধরে নেমে গেছে মাঠে
কাঁটা বিঁধে ছিঁড়ে গেছে জামা -- পায়ে প্রাচীন ছাই
ঘাস ছিঁড়ে ছিঁড়ে চলে গেছে সেই পথ
পথের শেষে মাথার পাশে সাজানো মাথা
মাথায় মাথা ছুঁয়ে যাচ্ছে আকাশের নীচে থেমে থাকা আবহমান ধোঁয়া
একঝাঁক পায়রা হাতে নিয়ে সেই ছায়া ভেঙে ভেঙে
ঘাস ছিঁড়ে ছিঁড়ে চলে যেতে চাইছে সকাল
*********************
ঊমি আর আমরা কয়েকজন
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
ঊমি আর আমরা কয়েকজন হাঁটছিলাম এক সিগারেট দূরত্ব রেখে আমাদের চোখের সামনে হাতের সামনে ভোরের সাদা রং আমাদের পা ভিজে যাচ্ছিল সে মায়ার নিক্বণে -- তবুও উপেক্ষা ছিল -- আমাদের চোখে আগামী রোদের সাজ আকাশের মানচিত্রে তখন গতরাতের তারার দ্বীপের দারুচিনি গন্ধ -- সেই গন্ধের রুমালে মুখ ভিজিয়ে একটা জটলা জমেছিল দুরন্ত স্টেশনের নীচে -- ভোরের সাদা রং দূরে থাকলেও খুব স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিল কুয়াশাপাতের বিরামহীন ছপছপ
এখন সব অতীত -- সে মানচিত্র আকাশে ছায়া ফেলে না -- এক সিগারেট দূরত্ব জুড়ে বরফে শীতল হচ্ছে হাত -- তবুও ছায়া পেরিয়ে কুয়াশার গন্ধে ভিজে ভোরের নীচে পা বাড়িয়েছি দুরন্ত সেই স্টেশনে --
*********************
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
ঊমি আর আমরা কয়েকজন হাঁটছিলাম এক সিগারেট দূরত্ব রেখে আমাদের চোখের সামনে হাতের সামনে ভোরের সাদা রং আমাদের পা ভিজে যাচ্ছিল সে মায়ার নিক্বণে -- তবুও উপেক্ষা ছিল -- আমাদের চোখে আগামী রোদের সাজ আকাশের মানচিত্রে তখন গতরাতের তারার দ্বীপের দারুচিনি গন্ধ -- সেই গন্ধের রুমালে মুখ ভিজিয়ে একটা জটলা জমেছিল দুরন্ত স্টেশনের নীচে -- ভোরের সাদা রং দূরে থাকলেও খুব স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিল কুয়াশাপাতের বিরামহীন ছপছপ
এখন সব অতীত -- সে মানচিত্র আকাশে ছায়া ফেলে না -- এক সিগারেট দূরত্ব জুড়ে বরফে শীতল হচ্ছে হাত -- তবুও ছায়া পেরিয়ে কুয়াশার গন্ধে ভিজে ভোরের নীচে পা বাড়িয়েছি দুরন্ত সেই স্টেশনে --
*********************
আলো-হাওয়া
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
তখনও হাওয়া বইছে থর থর
মৃদু শব্দ মৃদু আলো
জেগে আছে গাছের পাতায়
দু-একটা লোক
আলো হাওয়া
দু-এক খণ্ড ছড়িয়ে যাচ্ছে এদিক ওদিক
দু-এক খণ্ড তবুও কাছাকাছি
তারা খসা রাত ধ্বংস লিখছে খাতায়
ছাদের মতো রাতের রাজপথ
খণ্ড খণ্ড দিনের অবশেষ
খণ্ড খণ্ড দিনের আলো হাওয়া
আমরা আছি এই বিকেল জুড়ে
ঘোষণা মুগ্ধ রাতের সাইরেনে
*********************
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
তখনও হাওয়া বইছে থর থর
মৃদু শব্দ মৃদু আলো
জেগে আছে গাছের পাতায়
দু-একটা লোক
আলো হাওয়া
দু-এক খণ্ড ছড়িয়ে যাচ্ছে এদিক ওদিক
দু-এক খণ্ড তবুও কাছাকাছি
তারা খসা রাত ধ্বংস লিখছে খাতায়
ছাদের মতো রাতের রাজপথ
খণ্ড খণ্ড দিনের অবশেষ
খণ্ড খণ্ড দিনের আলো হাওয়া
আমরা আছি এই বিকেল জুড়ে
ঘোষণা মুগ্ধ রাতের সাইরেনে
*********************
ধূসর
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
প্লেটের তলদেশে পায়ের পাতা ডোবানোর মতো থিতিয়ে রয়েছে চা
তার মধ্যে পা ডুবিয়ে
ধীরে অতি ধীরে এগিয়ে যাচ্ছি ধূসর বিকেলের দিকে
আকাশে ঠেস দেওয়া সূর্য থেকে কয়েক টুকরো আলো ছিটকে আসছে
গায়ে মাথায় কোমরের পাশের নিম্নমুখী হাতে
প্রশস্ত পথ জুড়ে শূন্যতা
হাঁ করে আসছে একটা গভীর বনের সন্ধ্যা
ঝিঁঝির একরাশ চিৎকার
আমার চোখের ঠিক সামনে হাতের থেকে কিছুটা দূরে
সেইদিকে পিঁপড়ের মতো কিছু প্রাণী চলেছে
আমিও চলেছি...
মাঝে মাঝে এমন কিছু সময় আসে যখন সব বুঝেও এগিয়ে যেতে হয়
অসার হয়ে মেনে নিতে হয় হাওয়ার পিঠে উড়ে আসা ধুলোদের
বসতে দিতে হয় গাছেরই মতো কোল পেতে
একে একে জমে ওঠে ধুলোর সংসার
তারপর শিরা-উপশিরা নিয়ে পাতার শরীরের মতো
হারিয়ে যেতে হয় ধূলোরই নীচে
আর অপেক্ষায় থাকতে হয় একটা তুমুল বৃষ্টিদিনের
প্লেটের তলদেশে থিতিয়ে আছে পায়ের পাতা ডোবানোর মতো চা
তার মধ্যে পা ডুবিয়ে
ধীরে এগিয়ে যাচ্ছি একটা ধূসর বিকেলের দিকে
*********************
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
প্লেটের তলদেশে পায়ের পাতা ডোবানোর মতো থিতিয়ে রয়েছে চা
তার মধ্যে পা ডুবিয়ে
ধীরে অতি ধীরে এগিয়ে যাচ্ছি ধূসর বিকেলের দিকে
আকাশে ঠেস দেওয়া সূর্য থেকে কয়েক টুকরো আলো ছিটকে আসছে
গায়ে মাথায় কোমরের পাশের নিম্নমুখী হাতে
প্রশস্ত পথ জুড়ে শূন্যতা
হাঁ করে আসছে একটা গভীর বনের সন্ধ্যা
ঝিঁঝির একরাশ চিৎকার
আমার চোখের ঠিক সামনে হাতের থেকে কিছুটা দূরে
সেইদিকে পিঁপড়ের মতো কিছু প্রাণী চলেছে
আমিও চলেছি...
মাঝে মাঝে এমন কিছু সময় আসে যখন সব বুঝেও এগিয়ে যেতে হয়
অসার হয়ে মেনে নিতে হয় হাওয়ার পিঠে উড়ে আসা ধুলোদের
বসতে দিতে হয় গাছেরই মতো কোল পেতে
একে একে জমে ওঠে ধুলোর সংসার
তারপর শিরা-উপশিরা নিয়ে পাতার শরীরের মতো
হারিয়ে যেতে হয় ধূলোরই নীচে
আর অপেক্ষায় থাকতে হয় একটা তুমুল বৃষ্টিদিনের
প্লেটের তলদেশে থিতিয়ে আছে পায়ের পাতা ডোবানোর মতো চা
তার মধ্যে পা ডুবিয়ে
ধীরে এগিয়ে যাচ্ছি একটা ধূসর বিকেলের দিকে
*********************
শেষ দৃশ্যে...
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
নাটকের শেষ দৃশ্যে অনিন্দিতা হাসতে হাসতে পিছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাবে ঠিক ছিল সেন্টারে আলো পড়বে তারপর সরে সরে গিয়ে আলো পড়বে মন্দির ঝাউয়ের উপর ঝলমল করে উঠবে ওর সমস্ত শরীর হালকা যান্ত্রিক আলোড়নের ভিতর দিয়ে ভোরের আলো ফুটবে -- অনিন্দিতা এই নাটকে সোমার চরিত্রে অভিনয় করছে-কিন্তু সব ব্যর্থ করে আলোর লোকটিকে হতভম্ব করে দিয়ে-মিউজিশিয়ানদের তাল ভুল করিয়ে দিয়ে একরাশ নিস্তব্ধতাকে দোলের আবিরের মতো উড়িয়ে অনিন্দিতা মঞ্চের সামনের অন্ধকারে মিলিয়ে গেল -- আলো হল না যান্ত্রিক আলোড়নে মুখরিত হল না মন্দির ঝাউ অন্ধকারে মাখামাখি হয়ে থাকল -- অনিন্দিতাও সোমা হয়ে উঠল না --
প্রতিদিনের মঞ্চের মতো এই মঞ্চের দিকেও পিছন না ফিরে সামনে হেঁটে গেল অনিন্দিতা !
*********************
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
নাটকের শেষ দৃশ্যে অনিন্দিতা হাসতে হাসতে পিছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাবে ঠিক ছিল সেন্টারে আলো পড়বে তারপর সরে সরে গিয়ে আলো পড়বে মন্দির ঝাউয়ের উপর ঝলমল করে উঠবে ওর সমস্ত শরীর হালকা যান্ত্রিক আলোড়নের ভিতর দিয়ে ভোরের আলো ফুটবে -- অনিন্দিতা এই নাটকে সোমার চরিত্রে অভিনয় করছে-কিন্তু সব ব্যর্থ করে আলোর লোকটিকে হতভম্ব করে দিয়ে-মিউজিশিয়ানদের তাল ভুল করিয়ে দিয়ে একরাশ নিস্তব্ধতাকে দোলের আবিরের মতো উড়িয়ে অনিন্দিতা মঞ্চের সামনের অন্ধকারে মিলিয়ে গেল -- আলো হল না যান্ত্রিক আলোড়নে মুখরিত হল না মন্দির ঝাউ অন্ধকারে মাখামাখি হয়ে থাকল -- অনিন্দিতাও সোমা হয়ে উঠল না --
প্রতিদিনের মঞ্চের মতো এই মঞ্চের দিকেও পিছন না ফিরে সামনে হেঁটে গেল অনিন্দিতা !
*********************
সুবর্ণরেখা একটা নদীর নাম
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
মাঝেমধ্যে এই শরীর থেকে ভিন্ন একটা আমিকে খুঁজে পাই
মাঝেমধ্যে আমি তার জন্য কাঁদি
তার জন্য নিজের বেখেয়ালে হাসিও
সে আমার বিপরীতে হাত ধরে
টানাটানি করে নিয়েও যায় তার পছন্দের দিকে
আমার ইচ্ছে না থাকলেও, যাই
কেন যাই, জানি না, চলে যাওয়ার পর খেয়াল হয়
মনে হয়, কেন এলাম ?
মাঝেমধ্যে এমন হয়
মাঝেমধ্যে এই শরীর থেকে ভিন্ন একটা
আমিকে খুঁজে পাই
আর নদীর মত আপন পথে বয়ে যাই, তারই হাত ধরে
*********************
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
মাঝেমধ্যে এই শরীর থেকে ভিন্ন একটা আমিকে খুঁজে পাই
মাঝেমধ্যে আমি তার জন্য কাঁদি
তার জন্য নিজের বেখেয়ালে হাসিও
সে আমার বিপরীতে হাত ধরে
টানাটানি করে নিয়েও যায় তার পছন্দের দিকে
আমার ইচ্ছে না থাকলেও, যাই
কেন যাই, জানি না, চলে যাওয়ার পর খেয়াল হয়
মনে হয়, কেন এলাম ?
মাঝেমধ্যে এমন হয়
মাঝেমধ্যে এই শরীর থেকে ভিন্ন একটা
আমিকে খুঁজে পাই
আর নদীর মত আপন পথে বয়ে যাই, তারই হাত ধরে
*********************
প্রেমিকা
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
আকাশ মেঘলা থাকলে এখনও খুব ইচ্ছে করে
চারকোণা এই ঘরের আলো নিভিয়ে বেরিয়ে যাই
টিপ টিপ বৃষ্টির অপেক্ষায়
বৃষ্টি এখনও অসত্য বলতে শেখেনি
বৃষ্টি এখনও অন্তর্মুখী হয়ে যায়নি
ইশারার মতো নরম অভিধায় ভিজে যেতে যেতে
আজও শরীর বেয়ে নেমে যায় যাবতীয় প্রত্যাখান
*********************
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
আকাশ মেঘলা থাকলে এখনও খুব ইচ্ছে করে
চারকোণা এই ঘরের আলো নিভিয়ে বেরিয়ে যাই
টিপ টিপ বৃষ্টির অপেক্ষায়
বৃষ্টি এখনও অসত্য বলতে শেখেনি
বৃষ্টি এখনও অন্তর্মুখী হয়ে যায়নি
ইশারার মতো নরম অভিধায় ভিজে যেতে যেতে
আজও শরীর বেয়ে নেমে যায় যাবতীয় প্রত্যাখান
*********************
ছাঁচতলা
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
হাঁটতে হাঁটতে অভিনেতা আসছে মাঝ মঞ্চে
সংলাপ বলছেন, কিন্তু অর্ধেক সংলাপের পর
হঠাৎ নেমে যাচ্ছেন
সাথীরা এলোমেলো
ছেঁড়া কাগজের মত
কয়েকটা ছেঁড়া ছেঁড়া সংলাপ
আলো ছিটিয়ে পড়ছে মঞ্চে ছাঁচের জলের মত
কেউ কেউ হাত সরিয়ে নিচ্ছে
কেউ আবার রাখছে হাত
কার তাতে কী
শুধু থমকাচ্ছ আমার দিনরাত
*********************
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
হাঁটতে হাঁটতে অভিনেতা আসছে মাঝ মঞ্চে
সংলাপ বলছেন, কিন্তু অর্ধেক সংলাপের পর
হঠাৎ নেমে যাচ্ছেন
সাথীরা এলোমেলো
ছেঁড়া কাগজের মত
কয়েকটা ছেঁড়া ছেঁড়া সংলাপ
আলো ছিটিয়ে পড়ছে মঞ্চে ছাঁচের জলের মত
কেউ কেউ হাত সরিয়ে নিচ্ছে
কেউ আবার রাখছে হাত
কার তাতে কী
শুধু থমকাচ্ছ আমার দিনরাত
*********************
পা টিপে টিপে
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
পিঁপড়ের সভ্যতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল
তাই
পা টিপে টিপে -
লাইনের পর লাইন
মুখ ভিজে আছে ঘামে
মুখ ভিজে আছে রোদের অন্য নামে
মা-বাবা-পরিবার
বাড়ির পাঁচিল জুড়ে রন্ধ্র
আর আকাশের মতো ঘর
রাত্রি তাড়াতে তাড়াতে ভোর নিভে আসে সন্ধ্যায়
*********************
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
পিঁপড়ের সভ্যতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল
তাই
পা টিপে টিপে -
লাইনের পর লাইন
মুখ ভিজে আছে ঘামে
মুখ ভিজে আছে রোদের অন্য নামে
মা-বাবা-পরিবার
বাড়ির পাঁচিল জুড়ে রন্ধ্র
আর আকাশের মতো ঘর
রাত্রি তাড়াতে তাড়াতে ভোর নিভে আসে সন্ধ্যায়
*********************
কীর্তনখোলা নেমে এসেছে চুল বেয়ে
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
তোমাকে দেখলাম -- সূর্যোদয় সূর্যাস্ত পেরিয়ে
তোমাকে দেখলাম
শুভ্র শালোয়ারে তুমি দাঁড়িয়ে আছো
সন্ধ্যার দিকে পিঠ ফেলে
কোথাও কোলাহল নেই, হুল্লোড় নেই
তোমার শরীরের স্নিগ্ধতার ভিতর, তারা স্নান করতে নেমেছে
তোমার দু-চোখে মোহন শুকতারা
কোনো এক কীর্তনখোলা নেমে আসছে চুল বেয়ে
বুকের কামিনী নিয়ে ফুটে উঠেছে সন্ধ্যার চাঁদ
এমন স্নিগ্ধতার ভিতর স্নানে নেমে পড়া যায়
দু-এক পা সিঁড়ি বেয়ে নেমে যাই জলে
তুমি দাঁড়িয়ে আছো -- সন্ধ্যার দিকে পিঠ ফেলে
সন্ধ্যার চাঁদ ধুয়ে দিচ্ছে আমার দু-হাত
কীর্তনখোলা নেমে এসেছে চুল বেয়ে
*********************
কবি পলাশ দাস
মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২৫।
তোমাকে দেখলাম -- সূর্যোদয় সূর্যাস্ত পেরিয়ে
তোমাকে দেখলাম
শুভ্র শালোয়ারে তুমি দাঁড়িয়ে আছো
সন্ধ্যার দিকে পিঠ ফেলে
কোথাও কোলাহল নেই, হুল্লোড় নেই
তোমার শরীরের স্নিগ্ধতার ভিতর, তারা স্নান করতে নেমেছে
তোমার দু-চোখে মোহন শুকতারা
কোনো এক কীর্তনখোলা নেমে আসছে চুল বেয়ে
বুকের কামিনী নিয়ে ফুটে উঠেছে সন্ধ্যার চাঁদ
এমন স্নিগ্ধতার ভিতর স্নানে নেমে পড়া যায়
দু-এক পা সিঁড়ি বেয়ে নেমে যাই জলে
তুমি দাঁড়িয়ে আছো -- সন্ধ্যার দিকে পিঠ ফেলে
সন্ধ্যার চাঁদ ধুয়ে দিচ্ছে আমার দু-হাত
কীর্তনখোলা নেমে এসেছে চুল বেয়ে
*********************
