কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল এর কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
মেঘের বাড়ি
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ২২.০৫.২০২২। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
ও মেঘ, দেখে এলাম তোমার বাড়ি
পাহাড় চূড়ায়
তোমার রূপের ঐ বিচিত্র রঙে
স্বপন জড়ায়
ও মেঘ, দেখে এলাম তোমার বাড়ি
পাহাড় চূড়ায় ।
মাথার কাছে আকাশ; পায়ের নীচে
সবুজ গভীর
বৃষ্টি ভেজা চপল কুয়াশা আর
বাতাস অস্থির
তোমার নরম অঙ্গ ছুঁতে আমি
দু’হাত বাড়াই
ও মেঘ, দেখে এলাম তোমার বাড়ি
পাহাড় চূড়ায় ।
সকালের লোভনীয় লাল আঁচল
ভীষণ প্রিয়
ঝিরিঝিরি ঝর্ণাধারা বড়ই
আকর্ষণীয়
এসবই আমার মনের শরীরে
দ্যুতি ছড়ায়
ও মেঘ, দেখে এলাম তোমার বাড়ি
পাহাড় চূড়ায় ।
*********************
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ২২.০৫.২০২২। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
ও মেঘ, দেখে এলাম তোমার বাড়ি
পাহাড় চূড়ায়
তোমার রূপের ঐ বিচিত্র রঙে
স্বপন জড়ায়
ও মেঘ, দেখে এলাম তোমার বাড়ি
পাহাড় চূড়ায় ।
মাথার কাছে আকাশ; পায়ের নীচে
সবুজ গভীর
বৃষ্টি ভেজা চপল কুয়াশা আর
বাতাস অস্থির
তোমার নরম অঙ্গ ছুঁতে আমি
দু’হাত বাড়াই
ও মেঘ, দেখে এলাম তোমার বাড়ি
পাহাড় চূড়ায় ।
সকালের লোভনীয় লাল আঁচল
ভীষণ প্রিয়
ঝিরিঝিরি ঝর্ণাধারা বড়ই
আকর্ষণীয়
এসবই আমার মনের শরীরে
দ্যুতি ছড়ায়
ও মেঘ, দেখে এলাম তোমার বাড়ি
পাহাড় চূড়ায় ।
*********************
ভালো থাকবো বলেই
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ০৪.১২.২০২২। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
আমি ভালো থাকব বলেই
তোমাকে ভালো রাখতে হবে
এমন কি কথা ছিল
সাদা হৃদয়ে হতাশার অক্ষরে?
অশ্রু ঝরে পড়বে বলে
মনের ঝড় যাবে থেমে
এমন কি বিধি আছে
রুগ্ন ভালোবাসার রুক্ষ চরে?
আমি ভালো থাকব বলেই
আগের মতোই রাখতে হবে
এমন কি সত্যিই হচ্ছে
হিরোশিমা ফিরছে আগের ছন্দে?
নিস্তব্ধতা ভেঙে পড়বে বলে
স্বপ্নের খোঁজ বন্ধ থাকবে
কড় কড় বজ্রের স্খলনে
আলো আর অন্ধকারের দ্বন্দ্বে?
আমি ভালো থাকব বলেই
তোমাকে সতেজ থাকতে হবে
অলস ঠোঁটে আগুনের প্রলেপে
ধৈর্য্যের সাথে ভীষণ অসুখে?
আমাকে ভালবাসবে বলে
রক্ত গোলাপ রাখতে হবে
এভাবেই কি চলতে হবে
হাতে হাত রেখে পৃথিবীর সম্মুখে?
*********************
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ০৪.১২.২০২২। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
আমি ভালো থাকব বলেই
তোমাকে ভালো রাখতে হবে
এমন কি কথা ছিল
সাদা হৃদয়ে হতাশার অক্ষরে?
অশ্রু ঝরে পড়বে বলে
মনের ঝড় যাবে থেমে
এমন কি বিধি আছে
রুগ্ন ভালোবাসার রুক্ষ চরে?
আমি ভালো থাকব বলেই
আগের মতোই রাখতে হবে
এমন কি সত্যিই হচ্ছে
হিরোশিমা ফিরছে আগের ছন্দে?
নিস্তব্ধতা ভেঙে পড়বে বলে
স্বপ্নের খোঁজ বন্ধ থাকবে
কড় কড় বজ্রের স্খলনে
আলো আর অন্ধকারের দ্বন্দ্বে?
আমি ভালো থাকব বলেই
তোমাকে সতেজ থাকতে হবে
অলস ঠোঁটে আগুনের প্রলেপে
ধৈর্য্যের সাথে ভীষণ অসুখে?
আমাকে ভালবাসবে বলে
রক্ত গোলাপ রাখতে হবে
এভাবেই কি চলতে হবে
হাতে হাত রেখে পৃথিবীর সম্মুখে?
*********************
আজি এ বসন্তে
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ০৭.০৩.২০২৩। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
ঐ সেজেছে কৃষ্ণচূড়া
পলাশ বনে পলাশ।
কোকিল সুরে মাতলো ধরা
নব ফুলের সুবাস।
রঙের প্রলেপ দিকে দিকে
দখিন হাওয়ার স্রোতে।
বউ কথা কও পাখির ডাকে
আনন্দে মন মাতে।
আবির রঙে হৃদয় রাঙে
অচিনপুরের দেশে।
প্রেমের ভেলা স্বপ্ন গাঙে
চলে ভেসে ভেসে।
পাঞ্জাবি আর শাড়ির ঝলক
হলুদ কিংবা নীল।
প্রথম দেখায় নিথর পলক
নিষ্পাপ অনাবিল।
ফাগুন মাসের ইচ্ছে আগুন
মন পোড়ায় অজান্তে।
আঙুল ছুঁই ছুঁই লাজুক আঙুল
আজি এ বসন্তে।
*********************
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ০৭.০৩.২০২৩। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
ঐ সেজেছে কৃষ্ণচূড়া
পলাশ বনে পলাশ।
কোকিল সুরে মাতলো ধরা
নব ফুলের সুবাস।
রঙের প্রলেপ দিকে দিকে
দখিন হাওয়ার স্রোতে।
বউ কথা কও পাখির ডাকে
আনন্দে মন মাতে।
আবির রঙে হৃদয় রাঙে
অচিনপুরের দেশে।
প্রেমের ভেলা স্বপ্ন গাঙে
চলে ভেসে ভেসে।
পাঞ্জাবি আর শাড়ির ঝলক
হলুদ কিংবা নীল।
প্রথম দেখায় নিথর পলক
নিষ্পাপ অনাবিল।
ফাগুন মাসের ইচ্ছে আগুন
মন পোড়ায় অজান্তে।
আঙুল ছুঁই ছুঁই লাজুক আঙুল
আজি এ বসন্তে।
*********************
মহীনের ঘোড়াগুলি
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ০৮.০৬.২০২৩। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
মহীনের ঘোড়াগুলি চিরকাল রয়ে যাবে
আমাদেরই মাঝে -
বিষন্ন আস্তাবলে বিপন্ন উঁকি মারে
সকাল থেকে সাঁঝে!
আমরা কি কেবলই নির্বাক আতঙ্কিত শ্রোতা
দিশাহীন প্রান্তরে?
শুকনো খড়ের আকালে শূন্য নাদের রিক্ততা
ধুকছে তা অন্তরে!
মহীনের ঘোড়াগুলি ছুটছে ক্লান্তিহীন পথে
সবুজ স্বপ্ন নিয়ে –
মানুষকে সাথে নিয়ে আগামীর গানে গানে
জনপদ ডিঙিয়ে!
আমরা কি কেবলই হরিলুটের লোভী শ্রোতা
বাতাসা প্রত্যাশী?
সময়ের চোরাস্রোতে সভ্যতার শব সভ্যতা
আজ যেন বানভাসি।
মহীনের ঘোড়াগুলি আজও গান বাঁধছে প্রবাহের
আকালের সর্বনাশ -
পরোয়ানা থাকুক না জারি মৃত্যুর বিচারে
তাদের তাই পরিহাস!
আমরা কি কেবলই জ্যোৎস্না পিয়াসী অতিথি
পালহীন নৌকার যাত্রী?
আস্তাবলটা কাছেই, তাদের দেখা পাবো নিশ্চয়
যদি কাটে রাত্রি!
*********************
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ০৮.০৬.২০২৩। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
মহীনের ঘোড়াগুলি চিরকাল রয়ে যাবে
আমাদেরই মাঝে -
বিষন্ন আস্তাবলে বিপন্ন উঁকি মারে
সকাল থেকে সাঁঝে!
আমরা কি কেবলই নির্বাক আতঙ্কিত শ্রোতা
দিশাহীন প্রান্তরে?
শুকনো খড়ের আকালে শূন্য নাদের রিক্ততা
ধুকছে তা অন্তরে!
মহীনের ঘোড়াগুলি ছুটছে ক্লান্তিহীন পথে
সবুজ স্বপ্ন নিয়ে –
মানুষকে সাথে নিয়ে আগামীর গানে গানে
জনপদ ডিঙিয়ে!
আমরা কি কেবলই হরিলুটের লোভী শ্রোতা
বাতাসা প্রত্যাশী?
সময়ের চোরাস্রোতে সভ্যতার শব সভ্যতা
আজ যেন বানভাসি।
মহীনের ঘোড়াগুলি আজও গান বাঁধছে প্রবাহের
আকালের সর্বনাশ -
পরোয়ানা থাকুক না জারি মৃত্যুর বিচারে
তাদের তাই পরিহাস!
আমরা কি কেবলই জ্যোৎস্না পিয়াসী অতিথি
পালহীন নৌকার যাত্রী?
আস্তাবলটা কাছেই, তাদের দেখা পাবো নিশ্চয়
যদি কাটে রাত্রি!
*********************
হিরোশিমা, তুমি কেমন আছো?
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ০৬.০৮.২০২৩। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
আজ ছয় আগষ্ট
তবে উনিশ শো পঁয়তাল্লিশ নয়
দুহাজার তেইশ!
হিরোশিমা, তুমি কেমন আছো?
ওপেনহাইমার কোথায়?
আজ যে শত শত ওপেনহাইমার
হাই তুলতে তুলতে তোমাকে স্মরণ করছে
সভ্যতার পায়ে পায়ে অসভ্য বর্বর
সবুজের ধ্বংসের সাথে সাথে
আগুনের ক্ষতে আরো গভীর বাড়াতে
সদায় ব্যস্ত দু’পায়ার মস্তিষ্ক
আর
অসহ্য চিৎকার – মারো মারো
মেরে ফেল ওদের, ওরা বিধর্মী
হায় রে নেশা!
একেই কী বলে সভ্যতা?
হিরোশিমা, তুমি কেমন আছো?
রুগ্ন মুখের অভিশাপে
সভ্যতার কি এমন এসে যায়?
ওপেনহাইমাররা নব নব উদ্যমে
আরো অনেক সাবাশির অপেক্ষায়
হয়তো পুরোটাকেই নিমূলীকরণ
তখন ঘাসের রং পাল্টে হবে কালো
পাখিদের ডাকে শব্দ হবে না
দূরে ঐ পুড়ে চলেছে অর্ধদ্বগ্ধ দেহ
বাতাস দুর্গন্ধের প্লাবনে প্লাবিত
মন্দির, মসজিদ, গির্জা থাকবে জনশূন্য
আহ, কত শান্তি নির্জন এই পৃথিবীতে!
আজ ছয় আগষ্ট
তবে উনিশ শো পঁয়তাল্লিশ নয়।
দুহাজার তেইশ!
হিরোশিমা, তুমি কেমন আছো?
*********************
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ০৬.০৮.২০২৩। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
আজ ছয় আগষ্ট
তবে উনিশ শো পঁয়তাল্লিশ নয়
দুহাজার তেইশ!
হিরোশিমা, তুমি কেমন আছো?
ওপেনহাইমার কোথায়?
আজ যে শত শত ওপেনহাইমার
হাই তুলতে তুলতে তোমাকে স্মরণ করছে
সভ্যতার পায়ে পায়ে অসভ্য বর্বর
সবুজের ধ্বংসের সাথে সাথে
আগুনের ক্ষতে আরো গভীর বাড়াতে
সদায় ব্যস্ত দু’পায়ার মস্তিষ্ক
আর
অসহ্য চিৎকার – মারো মারো
মেরে ফেল ওদের, ওরা বিধর্মী
হায় রে নেশা!
একেই কী বলে সভ্যতা?
হিরোশিমা, তুমি কেমন আছো?
রুগ্ন মুখের অভিশাপে
সভ্যতার কি এমন এসে যায়?
ওপেনহাইমাররা নব নব উদ্যমে
আরো অনেক সাবাশির অপেক্ষায়
হয়তো পুরোটাকেই নিমূলীকরণ
তখন ঘাসের রং পাল্টে হবে কালো
পাখিদের ডাকে শব্দ হবে না
দূরে ঐ পুড়ে চলেছে অর্ধদ্বগ্ধ দেহ
বাতাস দুর্গন্ধের প্লাবনে প্লাবিত
মন্দির, মসজিদ, গির্জা থাকবে জনশূন্য
আহ, কত শান্তি নির্জন এই পৃথিবীতে!
আজ ছয় আগষ্ট
তবে উনিশ শো পঁয়তাল্লিশ নয়।
দুহাজার তেইশ!
হিরোশিমা, তুমি কেমন আছো?
*********************
ভোঁতা মস্তিষ্ক
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ১৭.১২.২০২৩। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
অতি আধুনিক কবিতাতে আমার ভোঁতা মস্তিষ্ক।
যতবারই অতি আধুনিক কবিতার ভিতর নিজেকে নিয়ে যেতে চেয়েছি ঠিক ততবারই প্রচলিত শব্দসমূহ পাহারাদার হয়ে দাঁড়িয়েছে আমার কলমের অগ্রভাগে। মস্তিষ্ক এতটাই ভোঁতা!
যখনই বিভিন্ন শব্দ ভান্ডার হতে টুকরো টুকরো জটিল শব্দ নিয়ে সযত্নে একটি চরণ রচনা করার চেষ্টা করেছি, তখনই আমার চিন্তাশক্তির সর্বোময় কর্তা মস্তিষ্ক নামক অস্তিত্বটি ঝিমঝিম করতে থাকে।
যখনই দুনিয়ার সব দুর্বোধ্য শব্দ চয়ন করে বেছে বেছে কিছু শব্দকে প্রাণ দান করিয়ে অন্তমিল গোঁজামিল যত মিল আছে তা দিয়ে কবিতার রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, তখনই যে সৃজনশীল পদার্থটি ভূমিষ্ট হয় তাতে আমি নিজেও (অন্যদের কথা বলতে পারছি না) তার সারবত্তা ঠিকমত ধরতে পারি না তখন বুঝতে আর অসুবিধা হয় না যে আমার সৃষ্টি কবিতাটি একটি উচ্চমার্গীয় অতি আধুনিক কবিতাতে পরিণত হয়েছে।
আনন্দে গদগদ হয়ে মনের ভিতর বলতে থাকি: সাবাস ভোঁতা মস্তিষ্ক, সাবাস!
*********************
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ১৭.১২.২০২৩। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
অতি আধুনিক কবিতাতে আমার ভোঁতা মস্তিষ্ক।
যতবারই অতি আধুনিক কবিতার ভিতর নিজেকে নিয়ে যেতে চেয়েছি ঠিক ততবারই প্রচলিত শব্দসমূহ পাহারাদার হয়ে দাঁড়িয়েছে আমার কলমের অগ্রভাগে। মস্তিষ্ক এতটাই ভোঁতা!
যখনই বিভিন্ন শব্দ ভান্ডার হতে টুকরো টুকরো জটিল শব্দ নিয়ে সযত্নে একটি চরণ রচনা করার চেষ্টা করেছি, তখনই আমার চিন্তাশক্তির সর্বোময় কর্তা মস্তিষ্ক নামক অস্তিত্বটি ঝিমঝিম করতে থাকে।
যখনই দুনিয়ার সব দুর্বোধ্য শব্দ চয়ন করে বেছে বেছে কিছু শব্দকে প্রাণ দান করিয়ে অন্তমিল গোঁজামিল যত মিল আছে তা দিয়ে কবিতার রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, তখনই যে সৃজনশীল পদার্থটি ভূমিষ্ট হয় তাতে আমি নিজেও (অন্যদের কথা বলতে পারছি না) তার সারবত্তা ঠিকমত ধরতে পারি না তখন বুঝতে আর অসুবিধা হয় না যে আমার সৃষ্টি কবিতাটি একটি উচ্চমার্গীয় অতি আধুনিক কবিতাতে পরিণত হয়েছে।
আনন্দে গদগদ হয়ে মনের ভিতর বলতে থাকি: সাবাস ভোঁতা মস্তিষ্ক, সাবাস!
*********************
লেখার উঠানে
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ০১.০২.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
অপেক্ষার মুহূর্তরা বড়ই অস্থির
চলমান চিন্তাদের পায়চারী
উদ্ভ্রান্ত শীত বাতাস ভীষণ অস্বস্তিকর
বিরহিত স্বপ্নের পাইকারি।
ভাবনারা যখন মাথায় করে নৃত্য
বেয়ারা ইচ্ছা নাছোরবান্দা
মানুষ ভাবুক, বলতে থাকুক মুখ মুখে –
এসব নাকি উজবুকের ধান্দা।
তবু কলম চলে কলমের মতো
সম্মুখে অনন্ত জিজ্ঞাসা
পৃথিবীর নিদ্রাতেও হচ্ছে রচিত
কলমনামার আখ্যান প্রত্যাশা।
নির্বোধ কলমেরা কলহপ্রিয়
খাতার পাতায় আঁচড়ানোর সময়
দলাদলি ভাব-ভণিতার পাতনামা
লেখার উঠানে থাক পরিচয়।
*********************
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ০১.০২.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
অপেক্ষার মুহূর্তরা বড়ই অস্থির
চলমান চিন্তাদের পায়চারী
উদ্ভ্রান্ত শীত বাতাস ভীষণ অস্বস্তিকর
বিরহিত স্বপ্নের পাইকারি।
ভাবনারা যখন মাথায় করে নৃত্য
বেয়ারা ইচ্ছা নাছোরবান্দা
মানুষ ভাবুক, বলতে থাকুক মুখ মুখে –
এসব নাকি উজবুকের ধান্দা।
তবু কলম চলে কলমের মতো
সম্মুখে অনন্ত জিজ্ঞাসা
পৃথিবীর নিদ্রাতেও হচ্ছে রচিত
কলমনামার আখ্যান প্রত্যাশা।
নির্বোধ কলমেরা কলহপ্রিয়
খাতার পাতায় আঁচড়ানোর সময়
দলাদলি ভাব-ভণিতার পাতনামা
লেখার উঠানে থাক পরিচয়।
*********************
শ্মশান ভ্রমণ
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ০২.০৪.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
দুঃখরা যখন বুকের ভেতর করে আনচান
তাদের পোড়াতে খুঁজে ফিরি সতেজ শ্মশান
চুল্লীর ভিতর বাহির বিবিধ লাশের সারি
পরিজন কিছু কাঁদে – হয়তো তা দরকারি
নয়তো দুঃখ শেষে সান্ত্বনার সহাবস্থান।
এখানে বৃদ্ধ অশ্বত্থে আত্মারা অস্থির
এখানে উদাসীন চিত্ত অপেক্ষায় অধীর
এখানে শান্ত পাখিরা দুঃখের ভাগীদার
এখানে কোলাহলহীন কৃত্রিম শোকের দরবার
এখানে বাতাস ভীষণ থমথমে অস্বস্তির।
তবুও দুঃখের ঝুলি বুকে আমি আসি
কিছুটা দুঃখ পোড়াতে মন কষাকষি
শান্তির শ্মশানে সুস্থ দুঃখদের ভবিষ্যৎ
কে নেবে ওদের ভার? নেই কোন জীবন-শপথ
দুঃখদের পোড়াতেই শ্মশান ভ্রমণ ভালোবাসি।
*********************
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ০২.০৪.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
দুঃখরা যখন বুকের ভেতর করে আনচান
তাদের পোড়াতে খুঁজে ফিরি সতেজ শ্মশান
চুল্লীর ভিতর বাহির বিবিধ লাশের সারি
পরিজন কিছু কাঁদে – হয়তো তা দরকারি
নয়তো দুঃখ শেষে সান্ত্বনার সহাবস্থান।
এখানে বৃদ্ধ অশ্বত্থে আত্মারা অস্থির
এখানে উদাসীন চিত্ত অপেক্ষায় অধীর
এখানে শান্ত পাখিরা দুঃখের ভাগীদার
এখানে কোলাহলহীন কৃত্রিম শোকের দরবার
এখানে বাতাস ভীষণ থমথমে অস্বস্তির।
তবুও দুঃখের ঝুলি বুকে আমি আসি
কিছুটা দুঃখ পোড়াতে মন কষাকষি
শান্তির শ্মশানে সুস্থ দুঃখদের ভবিষ্যৎ
কে নেবে ওদের ভার? নেই কোন জীবন-শপথ
দুঃখদের পোড়াতেই শ্মশান ভ্রমণ ভালোবাসি।
*********************
গ্রীষ্ম দুপুর
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ০৬.০৬.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
গ্রীষ্ম দুপুর অলস বেলা
বাইরে তখন যায় না খেলা
বন্দী ঘরের মাঝে।
প্যাঁচ প্যাঁচে ঘাম শরীর জুড়ে
বাড়ির চাতাল যাচ্ছে পুড়ে
মন লাগে না কাজে।
ভ্যাপসা গরম বিরক্তিকর
প্রখর তাপে পুড়ছে ভূধর
জীবন ওষ্ঠাগত।
ভেজা শয্যা ঘামের শরিক
চোখে তখন ঘুমের বাতিক
ভাবনা ইতস্তত।
*********************
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ০৬.০৬.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
গ্রীষ্ম দুপুর অলস বেলা
বাইরে তখন যায় না খেলা
বন্দী ঘরের মাঝে।
প্যাঁচ প্যাঁচে ঘাম শরীর জুড়ে
বাড়ির চাতাল যাচ্ছে পুড়ে
মন লাগে না কাজে।
ভ্যাপসা গরম বিরক্তিকর
প্রখর তাপে পুড়ছে ভূধর
জীবন ওষ্ঠাগত।
ভেজা শয্যা ঘামের শরিক
চোখে তখন ঘুমের বাতিক
ভাবনা ইতস্তত।
*********************
সান্তা ক্লজ
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ২৩.১২.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
খিদের পেটে আগুন জ্বলে শীতে একটু বেশি
সান্তা ক্লজ আসবে কি? না কোনো ছদ্মবেশী?
যেই বা আসুক! আসবে তো সে এক পোশাকধারী নর
এইটুকুই তো সান্তনা: ভাবে না সে কাউকে পর।
হোক অভিনয়, মুখে থাকে লেগে বিরল হাসি
ভালোবাসার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি রাশি রাশি।
সান্তা আসবে বলে চেয়ে থাকে পথ পানে
সান্তা যে দেয় সান্তনা, বাচ্চারা তা জানে।
বড় মনের মানুষ যারা সান্তা সাজে তারা
সাধ্যমত চেষ্টা করে আনতে খুশির ধারা।
বড়লোকরা সান্তা হলে ভাবনা থাকে না
কিন্তু তারা হয় না কেন? উত্তর খুঁজে পাই না।
*********************
কবি প্রভাত কুমার মণ্ডল
রচনা - ২৩.১২.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ০৮.০৯.২০২৫।
খিদের পেটে আগুন জ্বলে শীতে একটু বেশি
সান্তা ক্লজ আসবে কি? না কোনো ছদ্মবেশী?
যেই বা আসুক! আসবে তো সে এক পোশাকধারী নর
এইটুকুই তো সান্তনা: ভাবে না সে কাউকে পর।
হোক অভিনয়, মুখে থাকে লেগে বিরল হাসি
ভালোবাসার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি রাশি রাশি।
সান্তা আসবে বলে চেয়ে থাকে পথ পানে
সান্তা যে দেয় সান্তনা, বাচ্চারা তা জানে।
বড় মনের মানুষ যারা সান্তা সাজে তারা
সাধ্যমত চেষ্টা করে আনতে খুশির ধারা।
বড়লোকরা সান্তা হলে ভাবনা থাকে না
কিন্তু তারা হয় না কেন? উত্তর খুঁজে পাই না।
*********************
