কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন এর কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
জন্ম থেকে মৃত্যু পথ
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১৮.১০.২০২১। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
জন্মে জেগে উঠি প্রাণে, মায়ের কোলের চরণ তলে,
শিশু বেলায় হাসি ভরে, জীবন গানে সুরের ছলে।
ধীরে ধীরে শিখি চলা, পড়া-লেখা খেলা-ধুলা,
স্বপ্ন বোনার বেলা আসে, অঙ্ক কষি শত ভুলা।
যৌবন আসে দীপ্ত শিখায়, কর্মজীবন ডাকে তরে,
ভোরের আলো নিযুত আশা, দিন গোনে জীবনের রে।
ঘামে ভেজা মুখের রেখা, অন্ন খুঁজে পথে পথে,
স্বপ্ন থাকে চোখের কোণে, সংসার গাঁথি যত্নমতে।
বিয়ের পরে সংসার ঘরে, সন্তান আসে বর্ণ গানে,
ভালোবেসে জীবন গড়ি, ত্যাগে ভরি প্রত্যেক টানে।
হাসি-কান্না সুখ ও দুঃখ, বন্ধুর মত হাত ধরে,
একদিন তবু চলে যেতে হয়, মৃত্যুর সেই নীরব ঘরে।
শেষ বিকেলে ধরা পড়ে, ব্যর্থতা আর কিছু জয়,
কে কাঁদে, আর কে বা হাসে, সবই যেন সৃষ্টির কয়।
পেছন ফিরে দেখি যবে, আনন্দ-বিষাদ দোলা দেয়,
মৃত্যু বরণ করে বলি—“জীবন শুধু এক বিস্ময়!”
চলে যাই চুপচাপ পথে, রেখে যাই কেবল স্মৃতি,
এই তো ছিল জীবন আমার—হাসির মাঝে ছিল ভীতি।
জন্ম ও মৃত্যু মাঝখানে, কর্ম জীবন সোনালি রথ,
সত্য, মিথ্যা, প্রেম-বেদনায় লেখা এই মানবপথ।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১৮.১০.২০২১। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
জন্মে জেগে উঠি প্রাণে, মায়ের কোলের চরণ তলে,
শিশু বেলায় হাসি ভরে, জীবন গানে সুরের ছলে।
ধীরে ধীরে শিখি চলা, পড়া-লেখা খেলা-ধুলা,
স্বপ্ন বোনার বেলা আসে, অঙ্ক কষি শত ভুলা।
যৌবন আসে দীপ্ত শিখায়, কর্মজীবন ডাকে তরে,
ভোরের আলো নিযুত আশা, দিন গোনে জীবনের রে।
ঘামে ভেজা মুখের রেখা, অন্ন খুঁজে পথে পথে,
স্বপ্ন থাকে চোখের কোণে, সংসার গাঁথি যত্নমতে।
বিয়ের পরে সংসার ঘরে, সন্তান আসে বর্ণ গানে,
ভালোবেসে জীবন গড়ি, ত্যাগে ভরি প্রত্যেক টানে।
হাসি-কান্না সুখ ও দুঃখ, বন্ধুর মত হাত ধরে,
একদিন তবু চলে যেতে হয়, মৃত্যুর সেই নীরব ঘরে।
শেষ বিকেলে ধরা পড়ে, ব্যর্থতা আর কিছু জয়,
কে কাঁদে, আর কে বা হাসে, সবই যেন সৃষ্টির কয়।
পেছন ফিরে দেখি যবে, আনন্দ-বিষাদ দোলা দেয়,
মৃত্যু বরণ করে বলি—“জীবন শুধু এক বিস্ময়!”
চলে যাই চুপচাপ পথে, রেখে যাই কেবল স্মৃতি,
এই তো ছিল জীবন আমার—হাসির মাঝে ছিল ভীতি।
জন্ম ও মৃত্যু মাঝখানে, কর্ম জীবন সোনালি রথ,
সত্য, মিথ্যা, প্রেম-বেদনায় লেখা এই মানবপথ।
*********************
মন আর সৌন্দর্য্য
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১৪.১২.২০২১। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
সৌন্দর্য্য যদি রূপে ঝলকে,
মন সে গানে নীরবে ঢলে।
চোখের আলো চমকে যায়,
মনের আলো অন্তরে ছায়।
রূপ দেখিলে ভালো লাগে,
মন দেখিলে হৃদয় জাগে।
সাজে-গোছানো মুখের হাসি,
মনের মতো না হলে ফাঁসি।
চুলের খোঁপা, চোখের কাজল,
রূপের মাঝে লুকায় ফাঁদ চল।
তবে মন যদি হয় নির্মল,
সেই রূপে জাগে রসাবল।
মন যেখানে ভালোবাসে,
রূপ সেথা শুধুই ছায়া আসে।
চেহারা মুছে যায় কালের ধারা,
মনের দীপ্তি অমল, সারা।
রূপের বয়স কমে চলে,
মনের রূপ জ্যোতিষ্কে দোলে।
চামড়ায় হয়ত হবে ভাঁজ,
কিন্তু মন রাখে প্রাণে সাজ।
সত্যিকারের ভালোবাসা,
মন দেখে—না রূপের ভাষা।
রূপ যদি হয় মনের বাহন,
তবেই হয় প্রাণের বন্ধন।
মন সুন্দর হোক, রূপ নয় বেশী,
এই তো জীবনের চিরসুন্দর দিশা।
রূপ মেলে আয়নায়, ক্ষণিকে ভুলে,
মন মেলে অন্তরে, হৃদয়ের কূলে।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১৪.১২.২০২১। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
সৌন্দর্য্য যদি রূপে ঝলকে,
মন সে গানে নীরবে ঢলে।
চোখের আলো চমকে যায়,
মনের আলো অন্তরে ছায়।
রূপ দেখিলে ভালো লাগে,
মন দেখিলে হৃদয় জাগে।
সাজে-গোছানো মুখের হাসি,
মনের মতো না হলে ফাঁসি।
চুলের খোঁপা, চোখের কাজল,
রূপের মাঝে লুকায় ফাঁদ চল।
তবে মন যদি হয় নির্মল,
সেই রূপে জাগে রসাবল।
মন যেখানে ভালোবাসে,
রূপ সেথা শুধুই ছায়া আসে।
চেহারা মুছে যায় কালের ধারা,
মনের দীপ্তি অমল, সারা।
রূপের বয়স কমে চলে,
মনের রূপ জ্যোতিষ্কে দোলে।
চামড়ায় হয়ত হবে ভাঁজ,
কিন্তু মন রাখে প্রাণে সাজ।
সত্যিকারের ভালোবাসা,
মন দেখে—না রূপের ভাষা।
রূপ যদি হয় মনের বাহন,
তবেই হয় প্রাণের বন্ধন।
মন সুন্দর হোক, রূপ নয় বেশী,
এই তো জীবনের চিরসুন্দর দিশা।
রূপ মেলে আয়নায়, ক্ষণিকে ভুলে,
মন মেলে অন্তরে, হৃদয়ের কূলে।
*********************
ম্যাচ্ছার সে বাঁচো ভাই
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১৫.০১.২০২১। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
এক ম্যাচ্ছার আদমি কো বিমার বানা দেতা হায়?
ম্যাচ্ছার আসে চুপিসারে,
রক্ত চুষে যায় কারে,
ডেঙ্গু-ম্যালেরিয়া পরে,
শরীর ধীরে ধ্বংস করে।
জল জমিতে ডিম পাড়ে,
নোংরা ঘরেই বাস গড়ে,
মশারি বিছাও রাতে,
না হলে বিপদ সাতে।
খোলা ড্রামটি ঢেকে দাও,
জমা জল সব ফেলে দাও,
বাড়ির চারপাশ ঝাড়ু দাও,
তবেই জীবন রক্ষা পাও।
সরকার বলে বারংবার,
ম্যাচ্ছার হ্যায় এক কিলার,
সতর্ক থাকো সবার পার,
স্বাস্থ্যই হোক আসল গার।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১৫.০১.২০২১। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
এক ম্যাচ্ছার আদমি কো বিমার বানা দেতা হায়?
ম্যাচ্ছার আসে চুপিসারে,
রক্ত চুষে যায় কারে,
ডেঙ্গু-ম্যালেরিয়া পরে,
শরীর ধীরে ধ্বংস করে।
জল জমিতে ডিম পাড়ে,
নোংরা ঘরেই বাস গড়ে,
মশারি বিছাও রাতে,
না হলে বিপদ সাতে।
খোলা ড্রামটি ঢেকে দাও,
জমা জল সব ফেলে দাও,
বাড়ির চারপাশ ঝাড়ু দাও,
তবেই জীবন রক্ষা পাও।
সরকার বলে বারংবার,
ম্যাচ্ছার হ্যায় এক কিলার,
সতর্ক থাকো সবার পার,
স্বাস্থ্যই হোক আসল গার।
*********************
পেহলে তো ইনসান বানো
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ২৮.০৩.২০২২। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
পেহলে তো ইনসান বানো, বাদ মে তুম ধার্মিক,
নিয়ত রাখো সোজা, কোরো না পাপিক।
মন্দির-মসজিদ আগে নয়, আগে হও মানব,
মায়া-মমতা থাকুক মনে, নাহি থাকুক গর্ব।
ধর্ম যদি বিভাজন দেয়, সে ধর্মে কিবা লাভ?
মানবতা যেখানে নেই, সেথা শুধুই ঘৃণার ভাব।
প্রেম দাও প্রতিটা প্রাণে, জাতি কুল না চাও,
মানবিকতার দীপ জ্বালো, ঘৃণার আঁধার হাও।
তোমার রোজা-উপবাসে যদি ক্ষুধা ভাতে মরে,
সেই ধার্মিকতার অর্থ নেই, মন যে তখন ডরে।
তীর্থ নয়, তব সেবা হোক, অসহায়দের পাশে,
ভক্তি নয়, করুণা দাও, থাকো সৎ প্রকাশে।
জিহ্বায় নাম আর মুখে গীত, তব হৃদয় যদি শূন্য,
তবে সে ধর্মে কোন মহিমা? সে তো কেবল কূন্য।
যদি শিশু কাঁদে তব দরজায়, তব নামাজ ত্যাগ,
ভগবান বলেন, "তাকে দেখো, সেখানেই মোর ভাগ।"
হয় পাথরে লেখা নয় ধর্ম, হয় প্রাণের ভাষা,
যেখানে ভালবাসা থাকে, সেখানেই পরম আশা।
পেহলে তো ইনসান বানো, তারপর ধার্মিক হও,
প্রেমের পথে চলো আগে, পরে তীর্থ পথ গাঁও।
ভয় নয়, দয়া হয় ধর্মের মুখ্য বাণী,
হৃদয় ভরা মমতা রাখো, মুছে দাও অভিমানী।
পেহলে তো ইনসান বানো, হৃদয়ে জাগাও জ্যোতি,
তবেই তো সে ধর্ম সত্য, নয়তো কেবল রীতি।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ২৮.০৩.২০২২। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
পেহলে তো ইনসান বানো, বাদ মে তুম ধার্মিক,
নিয়ত রাখো সোজা, কোরো না পাপিক।
মন্দির-মসজিদ আগে নয়, আগে হও মানব,
মায়া-মমতা থাকুক মনে, নাহি থাকুক গর্ব।
ধর্ম যদি বিভাজন দেয়, সে ধর্মে কিবা লাভ?
মানবতা যেখানে নেই, সেথা শুধুই ঘৃণার ভাব।
প্রেম দাও প্রতিটা প্রাণে, জাতি কুল না চাও,
মানবিকতার দীপ জ্বালো, ঘৃণার আঁধার হাও।
তোমার রোজা-উপবাসে যদি ক্ষুধা ভাতে মরে,
সেই ধার্মিকতার অর্থ নেই, মন যে তখন ডরে।
তীর্থ নয়, তব সেবা হোক, অসহায়দের পাশে,
ভক্তি নয়, করুণা দাও, থাকো সৎ প্রকাশে।
জিহ্বায় নাম আর মুখে গীত, তব হৃদয় যদি শূন্য,
তবে সে ধর্মে কোন মহিমা? সে তো কেবল কূন্য।
যদি শিশু কাঁদে তব দরজায়, তব নামাজ ত্যাগ,
ভগবান বলেন, "তাকে দেখো, সেখানেই মোর ভাগ।"
হয় পাথরে লেখা নয় ধর্ম, হয় প্রাণের ভাষা,
যেখানে ভালবাসা থাকে, সেখানেই পরম আশা।
পেহলে তো ইনসান বানো, তারপর ধার্মিক হও,
প্রেমের পথে চলো আগে, পরে তীর্থ পথ গাঁও।
ভয় নয়, দয়া হয় ধর্মের মুখ্য বাণী,
হৃদয় ভরা মমতা রাখো, মুছে দাও অভিমানী।
পেহলে তো ইনসান বানো, হৃদয়ে জাগাও জ্যোতি,
তবেই তো সে ধর্ম সত্য, নয়তো কেবল রীতি।
*********************
নারী কোথায় নিরাপদ?
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ২৮.০৬.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
আইনি কলেজ, ন্যায়ের ঘর,
সেখানেই ঘটে অশান্তি পর।
শিক্ষার ছায়া, অন্ধকার আজ,
ধর্ষকের হাতে রক্ত রাজ।
নারী তো এসেছিল স্বপ্ন নিয়ে,
পড়বে, বড় হবে জ্ঞান ছুঁয়ে।
কিন্তু হায়! ধরে নিলো ধর্ষক
আইনেই তারা লুকায় হিংস্রক।
জানি না কোথায় নিরাপদ সে?
ঘর? রাস্তায়? নাকি আদালতে?
যে হাতে বই, সে করে ধর্ষণ,
এই সমাজে আছে কি পবিত্র মন?
ধর্ষকের চোখে আগুন কেন?
কে দেয় তাদের সাহস বেনামি এত?
চোখের সামনে বিচার থেমে যায়,
আরো অনেক নারী তখন চুপ সই যায়।
প্রশ্ন করি আমি, প্রশ্ন করে প্রাণ,
কোথায় তোমার রাষ্ট্রীয় জ্ঞান?
শাসকেরা চুপ, থেমে থাকে আইন,
তবু নারীর কণ্ঠ চায় একদিন জয়গান।
জবাব চাই আজ, জবাব চাই ত্বরায়,
নারী যদি না বাঁচে, সভ্যতা কোথায়?
স্মরণ রাখো, এই নীরবতা পাপ,
ধর্ষক যত নয়, নীরবরাও শাপ।
নারী যেন হয় না আর শিকার,
আইন হোক শক্ত, ন্যায়ের বিচার।
এবার জাগুক গণপ্রতিরোধ,
নারীই হোক আগামী প্রভোদ।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ২৮.০৬.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
আইনি কলেজ, ন্যায়ের ঘর,
সেখানেই ঘটে অশান্তি পর।
শিক্ষার ছায়া, অন্ধকার আজ,
ধর্ষকের হাতে রক্ত রাজ।
নারী তো এসেছিল স্বপ্ন নিয়ে,
পড়বে, বড় হবে জ্ঞান ছুঁয়ে।
কিন্তু হায়! ধরে নিলো ধর্ষক
আইনেই তারা লুকায় হিংস্রক।
জানি না কোথায় নিরাপদ সে?
ঘর? রাস্তায়? নাকি আদালতে?
যে হাতে বই, সে করে ধর্ষণ,
এই সমাজে আছে কি পবিত্র মন?
ধর্ষকের চোখে আগুন কেন?
কে দেয় তাদের সাহস বেনামি এত?
চোখের সামনে বিচার থেমে যায়,
আরো অনেক নারী তখন চুপ সই যায়।
প্রশ্ন করি আমি, প্রশ্ন করে প্রাণ,
কোথায় তোমার রাষ্ট্রীয় জ্ঞান?
শাসকেরা চুপ, থেমে থাকে আইন,
তবু নারীর কণ্ঠ চায় একদিন জয়গান।
জবাব চাই আজ, জবাব চাই ত্বরায়,
নারী যদি না বাঁচে, সভ্যতা কোথায়?
স্মরণ রাখো, এই নীরবতা পাপ,
ধর্ষক যত নয়, নীরবরাও শাপ।
নারী যেন হয় না আর শিকার,
আইন হোক শক্ত, ন্যায়ের বিচার।
এবার জাগুক গণপ্রতিরোধ,
নারীই হোক আগামী প্রভোদ।
*********************
ভালো রাখার নাম পুরুষ?
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০২.০৫.২০২২। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
পুরুষের জীবন ত্যাগের গান,
হাসি লুকিয়ে রাখে সে প্রাণ।
নিজে জ্বলে আলো দেয়,
পরিবারের সুখ সে চায়।
ভালো থাকা মানে নয় আরাম,
ভালো থাকা মানে পরিবারের কাম।
নিজের কষ্ট চাপা দেয়,
সন্তান হাসে, তাতেই সে খেলে।
বৃষ্টির রাতে ভিজে যায় পথ,
তবু সে ফেরে দায়িত্বে মোহ।
পকেট ফাঁকা, মন ভরা আশা,
পরিবারের মুখেই তার ভাষা।
শখ-আহ্লাদ সব বিসর্জন,
সন্তানের বই, স্ত্রীর সম্ভরণ।
পেটে ক্ষুধা, মুখে হাসি,
এই তো পুরুষের ভালোবাসা।
রাত জাগে, স্বপ্ন বোনে,
শান্তি খোঁজে সন্তানের কোলে।
পরিশ্রমে গাঁথা জীবন-ফুল,
চুপচাপ হজম করে ভুল।
তুমি ভাবো সে শক্ত-পাথর,
আসলে সে নদীর মত বহর।
ভালো থাকা মানে তার ত্যাগ,
পরিবারে সে সুখের ফাগ।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০২.০৫.২০২২। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
পুরুষের জীবন ত্যাগের গান,
হাসি লুকিয়ে রাখে সে প্রাণ।
নিজে জ্বলে আলো দেয়,
পরিবারের সুখ সে চায়।
ভালো থাকা মানে নয় আরাম,
ভালো থাকা মানে পরিবারের কাম।
নিজের কষ্ট চাপা দেয়,
সন্তান হাসে, তাতেই সে খেলে।
বৃষ্টির রাতে ভিজে যায় পথ,
তবু সে ফেরে দায়িত্বে মোহ।
পকেট ফাঁকা, মন ভরা আশা,
পরিবারের মুখেই তার ভাষা।
শখ-আহ্লাদ সব বিসর্জন,
সন্তানের বই, স্ত্রীর সম্ভরণ।
পেটে ক্ষুধা, মুখে হাসি,
এই তো পুরুষের ভালোবাসা।
রাত জাগে, স্বপ্ন বোনে,
শান্তি খোঁজে সন্তানের কোলে।
পরিশ্রমে গাঁথা জীবন-ফুল,
চুপচাপ হজম করে ভুল।
তুমি ভাবো সে শক্ত-পাথর,
আসলে সে নদীর মত বহর।
ভালো থাকা মানে তার ত্যাগ,
পরিবারে সে সুখের ফাগ।
*********************
জমিন ও আসমান
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১৬.০৭.২০২২। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
জমিন পায়ের নিচে থাকে, আসমান মাথায় ছায়া,
জীবনের হিসাব মিলে না, সুখের থাকে মায়া।
কেউ জমিনে ফসল বোনে, কেউ খোঁজে নীলে পথ,
কেউ হারায় স্বপ্ন ধরে, কেউ পায় সোনালি রথ।
আসমানে চায় তাকাতে, মাটিতে পড়ে হোঁচট,
জীবন চলে ওঠা-নামা, বাঁকে বাঁকে মোচড়।
জমিন চায় শ্রমের দান, আসমান দেয় আশা,
কষ্টে গড়া জীবন যখন, সত্যে পায় ভাষা।
জমিনে বয়ে ঘাম-শ্রম, আসমানে দোয়ার ধারা,
তবু জীবন তর্ক করে, কবে মিলবে সারা?
জমিনে মৃত শুয়ে থাকে, আসমানে আত্মা যায়,
জীবনের এ দ্বন্দ্ব দেখি, হৃদয় কাঁদে চায়।
জমিন জানে মানুষের রাগ, আসমান দেখে ধৈর্য,
কখনো হাসি, কখনো কান্না, জীবন চির অস্থির।
জমিনে পা, আসমানে চাহনি—এ দুইয়ে মানুষ গড়া,
মাঝে তবু ছোট্ট মন, দেয় সুখ-দুঃখ ধরা।
জমিনে যদি ভালো করো, আসমান দেয় দাম,
সত্যের পথে যারা চলে, তাদের মেটে ঘাম।
জমিন আর আসমান মাঝে, মানুষ বাঁচে জেনে,
একদিন সবাই মিশে যাবে, একেই জীবন কেনে।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১৬.০৭.২০২২। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
জমিন পায়ের নিচে থাকে, আসমান মাথায় ছায়া,
জীবনের হিসাব মিলে না, সুখের থাকে মায়া।
কেউ জমিনে ফসল বোনে, কেউ খোঁজে নীলে পথ,
কেউ হারায় স্বপ্ন ধরে, কেউ পায় সোনালি রথ।
আসমানে চায় তাকাতে, মাটিতে পড়ে হোঁচট,
জীবন চলে ওঠা-নামা, বাঁকে বাঁকে মোচড়।
জমিন চায় শ্রমের দান, আসমান দেয় আশা,
কষ্টে গড়া জীবন যখন, সত্যে পায় ভাষা।
জমিনে বয়ে ঘাম-শ্রম, আসমানে দোয়ার ধারা,
তবু জীবন তর্ক করে, কবে মিলবে সারা?
জমিনে মৃত শুয়ে থাকে, আসমানে আত্মা যায়,
জীবনের এ দ্বন্দ্ব দেখি, হৃদয় কাঁদে চায়।
জমিন জানে মানুষের রাগ, আসমান দেখে ধৈর্য,
কখনো হাসি, কখনো কান্না, জীবন চির অস্থির।
জমিনে পা, আসমানে চাহনি—এ দুইয়ে মানুষ গড়া,
মাঝে তবু ছোট্ট মন, দেয় সুখ-দুঃখ ধরা।
জমিনে যদি ভালো করো, আসমান দেয় দাম,
সত্যের পথে যারা চলে, তাদের মেটে ঘাম।
জমিন আর আসমান মাঝে, মানুষ বাঁচে জেনে,
একদিন সবাই মিশে যাবে, একেই জীবন কেনে।
*********************
কারবালার শপথ
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০১.০১০.২০২২। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
কারবালার তপ্ত বালু — রক্তে হলো সিক্ত,
সত্যের তরে হোসাইন দিলো আত্মার অর্পিত।
রাজত্ব নয়, চাইলেন কেবল দ্বীনের স্বাধীনতা,
প্রতি ফোঁটা রক্তে ফুটল ঈমানের মহিমা।
নানাজির ইসলাম ছিল বুকের ধন,
যুলমের বদলে বেছে নিলেন জীবন দান।
না ছিল সেনা, না ছিল শক্তির বাহার,
তবু নামাজে কাঁপল জালিমের পোহার।
আলী মাওলার সন্তান, শেরে খোদা নির্ভীক,
হক রক্ষায় হোসাইন ছিলেন আকাশ সম ঈক্ব।
ইমাম হাসান ভাই হয়ে ছিলেন স্মৃতির আলো,
একই রক্তে ছিলো দোস্তি, ছিলো ক্বালেমা ভালো।
পঞ্চশক্তি যার বাহুতে, যদি উঠত গর্জনে,
সমস্ত দুনিয়া কাঁপত, লুপ্ত হতো মুনাফিক রণে।
তবুও শান্তি ছিল তাঁর প্রতিটি নিঃশ্বাসে,
কারবালায় লেখা নাম — “শহীদ” উজ্জ্বল ইতিহাসে।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০১.০১০.২০২২। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
কারবালার তপ্ত বালু — রক্তে হলো সিক্ত,
সত্যের তরে হোসাইন দিলো আত্মার অর্পিত।
রাজত্ব নয়, চাইলেন কেবল দ্বীনের স্বাধীনতা,
প্রতি ফোঁটা রক্তে ফুটল ঈমানের মহিমা।
নানাজির ইসলাম ছিল বুকের ধন,
যুলমের বদলে বেছে নিলেন জীবন দান।
না ছিল সেনা, না ছিল শক্তির বাহার,
তবু নামাজে কাঁপল জালিমের পোহার।
আলী মাওলার সন্তান, শেরে খোদা নির্ভীক,
হক রক্ষায় হোসাইন ছিলেন আকাশ সম ঈক্ব।
ইমাম হাসান ভাই হয়ে ছিলেন স্মৃতির আলো,
একই রক্তে ছিলো দোস্তি, ছিলো ক্বালেমা ভালো।
পঞ্চশক্তি যার বাহুতে, যদি উঠত গর্জনে,
সমস্ত দুনিয়া কাঁপত, লুপ্ত হতো মুনাফিক রণে।
তবুও শান্তি ছিল তাঁর প্রতিটি নিঃশ্বাসে,
কারবালায় লেখা নাম — “শহীদ” উজ্জ্বল ইতিহাসে।
*********************
বানভাসি ছবি
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১২.১১.২০২২। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
নদীটা উঠেছে রণে, কূল ছেড়ে ভাসায় ভিটে,
পানির ঢেউয়ে ভেসে চলে, সব স্মৃতি ঝাপসা মিঠে।
ঘরবাড়ি নেই, মাঠ-ঘাট নাই, চোখে জল আর কাদা,
শিশুরা কাঁদে কোলে উঠে, বুকে দুধ নেই সাদা।
চুলা নিভে গিয়েছে বহুদিন, রান্না শুধু স্বপ্ন,
চালচুলো সব হারিয়ে গেছে, জীবনের ব্যাখ্যা ব্যর্থ।
কারও হাতে হাঁড়ি ভাসে, কারও হাতে ছবি,
গ্রামের সেই মন্দির, এখন নীরব নিভৃতে নাবি।
গরু ভাসে, পাখি উড়ে যায়, কোথাও নেই থামা,
এক কোণে ঠাঁই পায় না কেউ, নেই কোন বাঁধা খামা।
বন্যার ছবি আঁকা যায় না, তবু ক্যামেরা ধরে,
চোখের জল জমে ফ্রেমে, ব্যথা তারই চোক্ষে ঘরে।
মা হারালো সন্তানেরে, বাবা হারায় ঘর,
বানভাসি সে ছবিখানি, বুক কাঁপায় পরপর।
দাদির হাতে পুঁটুলি এক, স্মৃতি যার ভিতরে,
জীবনের কাহিনী ভাসে, মেঘলা এক মন্ত্রে।
কে দেবে ভাত, কে দেবে শান্তি, কে দেবে ঠিকানা?
সরকার আসে, ছবি তোলে, কথা রাখে না জানা।
স্কুলখানা ভেসে গিয়েছে, বইখাতা আর নাই,
ছেলেটা চায় পড়তে আবার, ভিজে পাতায় স্বপ্ন নাই।
তবু বাঁচে আশার আলো, গরিবের সে ছবি,
বাঁশের ভেলায় ভেসে আসে, রোদ্দুরের রবি।
বানভাসি ছবিগুলি, শুধু কান্নার গল্প নয়,
সেখানে জেগে আছে জীবন, সাহসে রচিত পরিচয়।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১২.১১.২০২২। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
নদীটা উঠেছে রণে, কূল ছেড়ে ভাসায় ভিটে,
পানির ঢেউয়ে ভেসে চলে, সব স্মৃতি ঝাপসা মিঠে।
ঘরবাড়ি নেই, মাঠ-ঘাট নাই, চোখে জল আর কাদা,
শিশুরা কাঁদে কোলে উঠে, বুকে দুধ নেই সাদা।
চুলা নিভে গিয়েছে বহুদিন, রান্না শুধু স্বপ্ন,
চালচুলো সব হারিয়ে গেছে, জীবনের ব্যাখ্যা ব্যর্থ।
কারও হাতে হাঁড়ি ভাসে, কারও হাতে ছবি,
গ্রামের সেই মন্দির, এখন নীরব নিভৃতে নাবি।
গরু ভাসে, পাখি উড়ে যায়, কোথাও নেই থামা,
এক কোণে ঠাঁই পায় না কেউ, নেই কোন বাঁধা খামা।
বন্যার ছবি আঁকা যায় না, তবু ক্যামেরা ধরে,
চোখের জল জমে ফ্রেমে, ব্যথা তারই চোক্ষে ঘরে।
মা হারালো সন্তানেরে, বাবা হারায় ঘর,
বানভাসি সে ছবিখানি, বুক কাঁপায় পরপর।
দাদির হাতে পুঁটুলি এক, স্মৃতি যার ভিতরে,
জীবনের কাহিনী ভাসে, মেঘলা এক মন্ত্রে।
কে দেবে ভাত, কে দেবে শান্তি, কে দেবে ঠিকানা?
সরকার আসে, ছবি তোলে, কথা রাখে না জানা।
স্কুলখানা ভেসে গিয়েছে, বইখাতা আর নাই,
ছেলেটা চায় পড়তে আবার, ভিজে পাতায় স্বপ্ন নাই।
তবু বাঁচে আশার আলো, গরিবের সে ছবি,
বাঁশের ভেলায় ভেসে আসে, রোদ্দুরের রবি।
বানভাসি ছবিগুলি, শুধু কান্নার গল্প নয়,
সেখানে জেগে আছে জীবন, সাহসে রচিত পরিচয়।
*********************
আশুরা ও কারবালা
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৯.০১.২০২৩। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
আশুরা এলো, নতুন বছর,
মুহাররমের প্রথম সুর।
হিজরি বর্ষের শুভ সূচনা,
আনে ত্যাগের মহা শিক্ষা।
ইমাম হুসাইন কারবালাতে,
দাঁড়ায়েছিলেন সত্যের পথে।
জুলুমের সামনে নতি নয়,
আল্লাহর পথে দিয়েছিলেন জয়।
ফুরাত নদীর পাড়ে গিয়ে,
নিশ্চুপ রইল বিশ্ব এ দুনিয়া।
তৃষ্ণার্ত শিশু কাঁদে বুকে,
তবু হুসাইন রাখেন হিম্মতে।
জুলুম, লোভ, মিথ্যা-ভ্রান্তি,
রুখে দিলেন শান্তি-নৈবেদ্য।
আলে নবীর রক্ত ঝরে,
ইসলামের মান বাঁচে পরে।
মাস মুহাররম, ত্যাগের ধারা,
গর্বে ভরে মুসলিম যারা।
হুসাইনের এই ত্যাগ-স্মৃতি,
জাগায় সত্য, ন্যায় ও গীতি।
রাত্রি নামে, চাঁদ ওঠে,
মসজিদের মিনার ডাকে সুখে।
কিন্তু মনে গাঁথা রয়ে,
কারবালার ব্যথা ওঠে বইয়ে।
আশুরা মানে নয় উৎসব,
আশুরা মানে জীবনের সব।
বিপদে পড়েও সত্য বল,
হুসাইনের মতো মাথা তোল।
ধর্ম নয় কেবল কিছু নিয়ম,
ধর্ম মানে আত্মার বিমল গন্ধ।
কারবালা শেখায় এক মূল কথা,
ন্যায়ের পক্ষে লড়াই চির সত্তা।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৯.০১.২০২৩। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
আশুরা এলো, নতুন বছর,
মুহাররমের প্রথম সুর।
হিজরি বর্ষের শুভ সূচনা,
আনে ত্যাগের মহা শিক্ষা।
ইমাম হুসাইন কারবালাতে,
দাঁড়ায়েছিলেন সত্যের পথে।
জুলুমের সামনে নতি নয়,
আল্লাহর পথে দিয়েছিলেন জয়।
ফুরাত নদীর পাড়ে গিয়ে,
নিশ্চুপ রইল বিশ্ব এ দুনিয়া।
তৃষ্ণার্ত শিশু কাঁদে বুকে,
তবু হুসাইন রাখেন হিম্মতে।
জুলুম, লোভ, মিথ্যা-ভ্রান্তি,
রুখে দিলেন শান্তি-নৈবেদ্য।
আলে নবীর রক্ত ঝরে,
ইসলামের মান বাঁচে পরে।
মাস মুহাররম, ত্যাগের ধারা,
গর্বে ভরে মুসলিম যারা।
হুসাইনের এই ত্যাগ-স্মৃতি,
জাগায় সত্য, ন্যায় ও গীতি।
রাত্রি নামে, চাঁদ ওঠে,
মসজিদের মিনার ডাকে সুখে।
কিন্তু মনে গাঁথা রয়ে,
কারবালার ব্যথা ওঠে বইয়ে।
আশুরা মানে নয় উৎসব,
আশুরা মানে জীবনের সব।
বিপদে পড়েও সত্য বল,
হুসাইনের মতো মাথা তোল।
ধর্ম নয় কেবল কিছু নিয়ম,
ধর্ম মানে আত্মার বিমল গন্ধ।
কারবালা শেখায় এক মূল কথা,
ন্যায়ের পক্ষে লড়াই চির সত্তা।
*********************
