কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন এর কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
মানুষ বদলাচ্ছে
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১১.০২.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
মানুষ বদলাচ্ছে ধীরে ধীরে,
চেনা মুখ আজ অচেনা ধারে।
হৃদয়ের কথা মুখে নাই,
স্বার্থ পেলেই কাঁদায় ভাই।
হাসি মুখে বিষের ছুরি,
ভালবাসা আজ অভিনয় ধরি।
একটি ভুলে দেয় আঘাত,
ভুলে যায় সব ভালোবাসার পাত।
বন্ধুত্ব যেন লেনদেন মাত্র,
স্মৃতি গুলোও আজ হল ব্যর্থ।
হাতে হাত নয়, ঠেকে ঠোঁট,
অন্তরে নেই স্নেহের ছোঁট।
বড় বড় কথা শুনায় সবাই,
কিন্তু পাশে থাকে না ভাই।
চাওয়া আর পাওয়ার হিসাব খাতা,
ভালোবাসা আজ হারায় গাঁথা।
যে আপন ছিল, হলো পর,
দৃষ্টি যেন বিদ্ধ করে শর।
এক ফোঁটা চোখের জলে,
ভেসে যায় মনের দুঃখে।
এই যুগের মানুষ মুখোশ পরে,
হাসি দিয়ে শত্রু ভাবে করে।
সত্য কথা হয় অগ্রাহ্য,
মিথ্যেতেই হয় প্রশংসা প্রার্থ্য।
তবু আশায় মানুষ বাঁচে,
ভালোবাসা খোঁজে ধুলো মাখে।
মানুষ বদলায়, সময় বদলায়,
তবু মানবতা যেন টিকে থাকে!
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১১.০২.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
মানুষ বদলাচ্ছে ধীরে ধীরে,
চেনা মুখ আজ অচেনা ধারে।
হৃদয়ের কথা মুখে নাই,
স্বার্থ পেলেই কাঁদায় ভাই।
হাসি মুখে বিষের ছুরি,
ভালবাসা আজ অভিনয় ধরি।
একটি ভুলে দেয় আঘাত,
ভুলে যায় সব ভালোবাসার পাত।
বন্ধুত্ব যেন লেনদেন মাত্র,
স্মৃতি গুলোও আজ হল ব্যর্থ।
হাতে হাত নয়, ঠেকে ঠোঁট,
অন্তরে নেই স্নেহের ছোঁট।
বড় বড় কথা শুনায় সবাই,
কিন্তু পাশে থাকে না ভাই।
চাওয়া আর পাওয়ার হিসাব খাতা,
ভালোবাসা আজ হারায় গাঁথা।
যে আপন ছিল, হলো পর,
দৃষ্টি যেন বিদ্ধ করে শর।
এক ফোঁটা চোখের জলে,
ভেসে যায় মনের দুঃখে।
এই যুগের মানুষ মুখোশ পরে,
হাসি দিয়ে শত্রু ভাবে করে।
সত্য কথা হয় অগ্রাহ্য,
মিথ্যেতেই হয় প্রশংসা প্রার্থ্য।
তবু আশায় মানুষ বাঁচে,
ভালোবাসা খোঁজে ধুলো মাখে।
মানুষ বদলায়, সময় বদলায়,
তবু মানবতা যেন টিকে থাকে!
*********************
আমি জ্বলন্ত আগুন
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১১.০৩.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
আমি জ্বলন্ত আগুন, আমি দাবানল,
শোষণের শিকল ভাঙি—আমি অনল।
নিপীড়িত জনতার জাগরণে জ্বলি,
ভয় পাই না কারও—আমি মীর মঞ্জুর আলি।
আমি রাতের বুক চিরে ওঠা বজ্রধ্বনি,
আমি নির্যাতিতের মুখে জমে থাকা ক্ষোভের বাণী।
রক্তের কালি দিয়ে লিখি ন্যায়ের গান,
আমি বঞ্চিতের কণ্ঠে প্রতিশোধের ডাকসান।
আমি বাতাসে ছড়াই বারুদের ঘ্রাণ,
পেছনে নয়, সামনে চেয়ে করি অভিমান।
অবিচারের অট্টহাসি থামাতে যে চলে,
আমি সেই কণ্ঠস্বর—আমি অন্ধকারে জ্বলে।
আমাকে কেউ থামাতে পারে না কখনো,
আমি ইতিহাসের পৃষ্ঠায় প্রতিবাদের রণচন্দ্রবো।
আমি সেই স্বর, যে স্বপ্ন দেখে জেগে,
আমি পথ হারানোদের পথ দেখাই বুকে।
পড়ুক বুলেট, আসুক শকুনের দল,
আমি অবিচল—আমি সত্যের ফল।
আমার বুকেই গড়ে উঠবে নতুন ভোর,
আমি মীর মঞ্জুর আলি—আমি বজ্রজোর।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১১.০৩.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
আমি জ্বলন্ত আগুন, আমি দাবানল,
শোষণের শিকল ভাঙি—আমি অনল।
নিপীড়িত জনতার জাগরণে জ্বলি,
ভয় পাই না কারও—আমি মীর মঞ্জুর আলি।
আমি রাতের বুক চিরে ওঠা বজ্রধ্বনি,
আমি নির্যাতিতের মুখে জমে থাকা ক্ষোভের বাণী।
রক্তের কালি দিয়ে লিখি ন্যায়ের গান,
আমি বঞ্চিতের কণ্ঠে প্রতিশোধের ডাকসান।
আমি বাতাসে ছড়াই বারুদের ঘ্রাণ,
পেছনে নয়, সামনে চেয়ে করি অভিমান।
অবিচারের অট্টহাসি থামাতে যে চলে,
আমি সেই কণ্ঠস্বর—আমি অন্ধকারে জ্বলে।
আমাকে কেউ থামাতে পারে না কখনো,
আমি ইতিহাসের পৃষ্ঠায় প্রতিবাদের রণচন্দ্রবো।
আমি সেই স্বর, যে স্বপ্ন দেখে জেগে,
আমি পথ হারানোদের পথ দেখাই বুকে।
পড়ুক বুলেট, আসুক শকুনের দল,
আমি অবিচল—আমি সত্যের ফল।
আমার বুকেই গড়ে উঠবে নতুন ভোর,
আমি মীর মঞ্জুর আলি—আমি বজ্রজোর।
*********************
সময়ের মূল্য
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ২৮.০৪.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
সময় থেমে থাকে না কারো জন্য,
সে চলে আপন গতিতে,
কখনো ধীরে, কখনো বেগে—
আমরা শুধু হাঁপিয়ে উঠি পেছনে ফেরা চেষ্টায়।
শৈশবের ঘুড়ি এখন আকাশে নেই,
তার সুতো ছিঁড়ে গেছে বহু আগেই,
যারা ধরেছিল হাতে হাত—কোরবানি
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ২৮.০৪.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
সময় থেমে থাকে না কারো জন্য,
সে চলে আপন গতিতে,
কখনো ধীরে, কখনো বেগে—
আমরা শুধু হাঁপিয়ে উঠি পেছনে ফেরা চেষ্টায়।
শৈশবের ঘুড়ি এখন আকাশে নেই,
তার সুতো ছিঁড়ে গেছে বহু আগেই,
যারা ধরেছিল হাতে হাত—কোরবানি
*********************
কোরবানি?
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ২৯.০৫.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
মন পশুকে কোরবানি দাও,
অহংকারের জ্বালা নেভাও।
বনের পশু নয় রে ভাই,
মন জয়েই মূল শান্তি পাই।
তারা এখন ব্যস্ত ব্যস্ততায় গাঁথা।
সময় যেন পাথরের ঢেলা,
একবার ছুড়ে দিলে ফিরে আসে না,
আমরা কুড়িয়ে বেড়াই তার ভাঙা টুকরো—
আর সাজাই স্মৃতির দেয়াল।
পৃথিবীর সব চাওয়ার মূল্য হয়ত টাকা,
কিন্তু সময়ের দাম অনির্বচনীয়,
হারিয়ে গেলে কেবল আফসোস জোটে—
তবু কেউ শেখে না ঠিকমতো বাঁচতে।
সময় মানে জীবন, সময় মানে সত্য,
এটি হারালে হারায় আত্মা, স্বপ্ন, সত্তা,
তাই সময়কে ভালোবাসো, আঁকড়ে ধরো—
নইলে সময় তোমাকে ভুলে যাবে চিরতরে।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ২৯.০৫.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
মন পশুকে কোরবানি দাও,
অহংকারের জ্বালা নেভাও।
বনের পশু নয় রে ভাই,
মন জয়েই মূল শান্তি পাই।
তারা এখন ব্যস্ত ব্যস্ততায় গাঁথা।
সময় যেন পাথরের ঢেলা,
একবার ছুড়ে দিলে ফিরে আসে না,
আমরা কুড়িয়ে বেড়াই তার ভাঙা টুকরো—
আর সাজাই স্মৃতির দেয়াল।
পৃথিবীর সব চাওয়ার মূল্য হয়ত টাকা,
কিন্তু সময়ের দাম অনির্বচনীয়,
হারিয়ে গেলে কেবল আফসোস জোটে—
তবু কেউ শেখে না ঠিকমতো বাঁচতে।
সময় মানে জীবন, সময় মানে সত্য,
এটি হারালে হারায় আত্মা, স্বপ্ন, সত্তা,
তাই সময়কে ভালোবাসো, আঁকড়ে ধরো—
নইলে সময় তোমাকে ভুলে যাবে চিরতরে।
*********************
মুখোশের আড়ালে
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১০.০৬.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
সন্ত্রাসীর মুখে ধর্মের বুলি,
ভেতরটা তার নরকের চুলি।
শান্তির নামে গড়ে যে ভয়,
সে-ই তো শয়তানের সংশয়।
হাসির দেশে ঢেলে রক্ত,
মানবতার করে নষ্ট।
শিশুর চোখে আগুন রাখে,
বুকে কাঁদে জননীর বাঁকে।
গির্জা-মসজিদ-টেম্পল জ্বলে,
ভ্রাতৃত্ব সব পুড়ে চলে।
নামে জিহাদ, কাজে ঘৃণা,
পথ হারায় শতজন প্রণা।
না! তারা নয় ধর্মের লোক,
তাদের হাতে শান্তি শোক।
যে বোমা ফাটায়, ছিন্ন দেহ,
সে কেবলই মৃত্যুর গেহ।
মানবতাকে মারছে কেটে,
পশুতা দেয় মাথার টেটে।
তাদের রুখো, লেখো গান,
জাগাও আবার সত্যি প্রাণ।
কলম হোক আজ হাতিয়ার,
ভালোবাসাই আসল যুদ্ধের ধার।
সন্ত্রাস নয়, চাই আলোর ডানা,
সুখী হোক ধরা, হোক শান্তি গাথা।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১০.০৬.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
সন্ত্রাসীর মুখে ধর্মের বুলি,
ভেতরটা তার নরকের চুলি।
শান্তির নামে গড়ে যে ভয়,
সে-ই তো শয়তানের সংশয়।
হাসির দেশে ঢেলে রক্ত,
মানবতার করে নষ্ট।
শিশুর চোখে আগুন রাখে,
বুকে কাঁদে জননীর বাঁকে।
গির্জা-মসজিদ-টেম্পল জ্বলে,
ভ্রাতৃত্ব সব পুড়ে চলে।
নামে জিহাদ, কাজে ঘৃণা,
পথ হারায় শতজন প্রণা।
না! তারা নয় ধর্মের লোক,
তাদের হাতে শান্তি শোক।
যে বোমা ফাটায়, ছিন্ন দেহ,
সে কেবলই মৃত্যুর গেহ।
মানবতাকে মারছে কেটে,
পশুতা দেয় মাথার টেটে।
তাদের রুখো, লেখো গান,
জাগাও আবার সত্যি প্রাণ।
কলম হোক আজ হাতিয়ার,
ভালোবাসাই আসল যুদ্ধের ধার।
সন্ত্রাস নয়, চাই আলোর ডানা,
সুখী হোক ধরা, হোক শান্তি গাথা।
*********************
রক্ষা করো পরিবেশ
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৮.১২.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
নদী কাঁদে, বনভূমি ডাকে,
সবুজ পাতায় কান্না ফাঁকে।
পাখির ডানা ভেঙে পড়ে,
ধোঁয়ার মাঝে সূর্য ঝরে।
হিমালয়ও গলছে ধীরে,
উষ্ণতা চায় গ্রহ ঘিরে।
গ্লোবাল ওয়ার্মিং ছড়ায় বিষ,
জীবন যেন দুঃখের নিঃশ্বাস।
গাছ কেটে বানাও রাস্তাঘাট,
শেষে কী তবে বাঁচার ছাট?
যে মাটি দেয় ফসল ফল,
সেই মাটিকেই দাও আজ গোল।
পলিথিনে ভরেছে নদী,
মাছের মুখে কষ্ট খুঁদি।
আকাশ কাঁদে ধোঁয়ার ছায়ায়,
পাখি ঘরে ফিরতে চায় না।
পৃথিবী চায় একটু নিঃশ্বাস,
সবুজ বাঁচাও, রুখো সর্বনাশ।
গাছ লাগাও প্রতিটা কোণে,
প্রাণ ফিরিয়ে আনো এই বনে।
পরিবেশই জীবন সাথী,
রক্ষা করো, করো না হ্যাঁসি।
আজকের যত্ন, ভবিষ্যতের আশা,
সবুজেই গাঁথা বাঁচার ভাষা।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৮.১২.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
নদী কাঁদে, বনভূমি ডাকে,
সবুজ পাতায় কান্না ফাঁকে।
পাখির ডানা ভেঙে পড়ে,
ধোঁয়ার মাঝে সূর্য ঝরে।
হিমালয়ও গলছে ধীরে,
উষ্ণতা চায় গ্রহ ঘিরে।
গ্লোবাল ওয়ার্মিং ছড়ায় বিষ,
জীবন যেন দুঃখের নিঃশ্বাস।
গাছ কেটে বানাও রাস্তাঘাট,
শেষে কী তবে বাঁচার ছাট?
যে মাটি দেয় ফসল ফল,
সেই মাটিকেই দাও আজ গোল।
পলিথিনে ভরেছে নদী,
মাছের মুখে কষ্ট খুঁদি।
আকাশ কাঁদে ধোঁয়ার ছায়ায়,
পাখি ঘরে ফিরতে চায় না।
পৃথিবী চায় একটু নিঃশ্বাস,
সবুজ বাঁচাও, রুখো সর্বনাশ।
গাছ লাগাও প্রতিটা কোণে,
প্রাণ ফিরিয়ে আনো এই বনে।
পরিবেশই জীবন সাথী,
রক্ষা করো, করো না হ্যাঁসি।
আজকের যত্ন, ভবিষ্যতের আশা,
সবুজেই গাঁথা বাঁচার ভাষা।
*********************
ছোবলের সমাজ
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১১.০৪.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
এক ফোঁটা বিষ নয়, এক ছোবলে লাশ,
অমানুষের মন বুঝে কে রাখে আশ।
চোখে মুখে ভদ্রতা, ভিতরে বিষধর,
মানুষরূপী দানব আজ সর্বঘরে ঘর।
ভালোবাসার মুখোশে প্রতারণার ছায়া,
বিশ্বাসের বাগানে পুঁতে রাখে মায়া।
একটা ভুল সিদ্ধান্ত—ভেঙে যায় ঘর,
ভেসে যায় সংসার, কান্নায় ভেজে পর।
মিছে স্বপ্ন দেখিয়ে দেয় দাহের আগুন,
পোড়ায় সম্পর্ক, ছিন্ন করে জীবনরাগুন।
আপনজনের বেশে আসে নষ্ট রাজা,
হারায় মনুষ্যত্ব, বেচে দেয় বাজা।
মানুষের ঘ্রাণে লুকিয়ে শকুন,
চুপিচুপি খায়—ভাঙে সব বুনন।
সিদ্ধান্তের নাম নিয়ে চালায় খেলা,
বেঁচে থাকে ক্ষত, মরে যায় মেলা।
তারা ঠিকই জানে কাকে কোথায় ছোবল,
যাতে সবকিছু হয় শুধুই বিকল।
এক পলকের ভুলে নিঃশেষ স্বপ্নের দল,
অমানুষের হাতে সমাজ আজ জল।
রক্তহীন খুন তারা করে প্রতিদিন,
জীবন সংসার হয় তাদের বলির রিন।
ভালো মানুষ গিলে ফেলে সহজ ছলে,
তবু তারা সমাজে মাথা তোলে।
সাবধান সমাজ, চোখ রাখো ঠিক,
অমানুষের মুখোশ চেনো বাস্তবিক।
এক ছোবলের ক্ষত সারে না ওষুধে,
মানবতার স্বপ্ন আজ পড়ে ছারখারে।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১১.০৪.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
এক ফোঁটা বিষ নয়, এক ছোবলে লাশ,
অমানুষের মন বুঝে কে রাখে আশ।
চোখে মুখে ভদ্রতা, ভিতরে বিষধর,
মানুষরূপী দানব আজ সর্বঘরে ঘর।
ভালোবাসার মুখোশে প্রতারণার ছায়া,
বিশ্বাসের বাগানে পুঁতে রাখে মায়া।
একটা ভুল সিদ্ধান্ত—ভেঙে যায় ঘর,
ভেসে যায় সংসার, কান্নায় ভেজে পর।
মিছে স্বপ্ন দেখিয়ে দেয় দাহের আগুন,
পোড়ায় সম্পর্ক, ছিন্ন করে জীবনরাগুন।
আপনজনের বেশে আসে নষ্ট রাজা,
হারায় মনুষ্যত্ব, বেচে দেয় বাজা।
মানুষের ঘ্রাণে লুকিয়ে শকুন,
চুপিচুপি খায়—ভাঙে সব বুনন।
সিদ্ধান্তের নাম নিয়ে চালায় খেলা,
বেঁচে থাকে ক্ষত, মরে যায় মেলা।
তারা ঠিকই জানে কাকে কোথায় ছোবল,
যাতে সবকিছু হয় শুধুই বিকল।
এক পলকের ভুলে নিঃশেষ স্বপ্নের দল,
অমানুষের হাতে সমাজ আজ জল।
রক্তহীন খুন তারা করে প্রতিদিন,
জীবন সংসার হয় তাদের বলির রিন।
ভালো মানুষ গিলে ফেলে সহজ ছলে,
তবু তারা সমাজে মাথা তোলে।
সাবধান সমাজ, চোখ রাখো ঠিক,
অমানুষের মুখোশ চেনো বাস্তবিক।
এক ছোবলের ক্ষত সারে না ওষুধে,
মানবতার স্বপ্ন আজ পড়ে ছারখারে।
*********************
বাবু গো আমি খেতে ভালোবাসি
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০২.০৬.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
বাবু গো আমি খেতে ভালোবাসি,
মনের সুখে গিলি পায়েস আর খাসি।
যাহা খাবে অঙ্গে সে যাবে সঙ্গে,
তাই খাই বুঝে, রাখি ভাবনার রঙ্গে।
চকলেট দেখি, চোখ হয় গোল,
মিষ্টির পটে যেন রাজা-মহারাজা চল।
আইসক্রিম এলেই মন গলায় গান,
পেটেরও লাগে আনন্দের টান।
লুচি-আলুর দমে চলে ভোরবেলা,
মা ডাকে, “আর খাবি না!” — কানে না গেল।
পুলি-পিঠায় ঝরে সোনালি ছটা,
খেয়ে বলি, “আরেকটা দে মা, জটা!”
কাটলেট হলে থামে না হাত,
মাংসের ঝোলে বাজে তৃপ্তির রাত।
ডিমের তরকারি, ভুনা খিচুড়ি,
খেতে খেতে গেয়ে ফেলি গান খুড়ি।
আম খেতে গেলে লাজ নাই গালে,
টক-মিষ্টি স্বাদে প্রাণ নাচে ডালে।
পেট ভরলেও মন চায় আরও,
খাবার নিয়ে আমার প্রেম যেন নাও।
তাই বাবু গো বলি মন খুলে,
যে খেতে ভালবাসে, সে হাসে দুলে।
পেট ভরে গেলে মনও হাসে,
খাবারেই আছে জীবনের বাসে।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০২.০৬.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
বাবু গো আমি খেতে ভালোবাসি,
মনের সুখে গিলি পায়েস আর খাসি।
যাহা খাবে অঙ্গে সে যাবে সঙ্গে,
তাই খাই বুঝে, রাখি ভাবনার রঙ্গে।
চকলেট দেখি, চোখ হয় গোল,
মিষ্টির পটে যেন রাজা-মহারাজা চল।
আইসক্রিম এলেই মন গলায় গান,
পেটেরও লাগে আনন্দের টান।
লুচি-আলুর দমে চলে ভোরবেলা,
মা ডাকে, “আর খাবি না!” — কানে না গেল।
পুলি-পিঠায় ঝরে সোনালি ছটা,
খেয়ে বলি, “আরেকটা দে মা, জটা!”
কাটলেট হলে থামে না হাত,
মাংসের ঝোলে বাজে তৃপ্তির রাত।
ডিমের তরকারি, ভুনা খিচুড়ি,
খেতে খেতে গেয়ে ফেলি গান খুড়ি।
আম খেতে গেলে লাজ নাই গালে,
টক-মিষ্টি স্বাদে প্রাণ নাচে ডালে।
পেট ভরলেও মন চায় আরও,
খাবার নিয়ে আমার প্রেম যেন নাও।
তাই বাবু গো বলি মন খুলে,
যে খেতে ভালবাসে, সে হাসে দুলে।
পেট ভরে গেলে মনও হাসে,
খাবারেই আছে জীবনের বাসে।
*********************
নবী মুস্তাফা (সা) প্রশংসা
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৯.০৬.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
চাঁদের চেয়েও জ্যোতি যার, নামটি মোহাম্মদ,
সত্য-ধর্মের আলো হাতে এনেছেন উম্মত সদ।
তাইমার মরু শুষ্ক বুকে ফুটালেন ফুলের বাগান,
তরক-তলোয়ার নয়, দিলেন শান্তির মহান বাগান।
আয়েশা খাতুন বলতেন যাঁকে ছিল সবচেয়ে মৃদু,
শত্রুকেও ভালোবাসতেন, ছিলেন যেন ঋষি সিদ্ধু।
বৃদ্ধ নারী গালি দিত, তবু দিতেন পানি,
মুখে ছিল সদা দোয়া, অন্তরে না ছিল হানি।
গরিব-দুখির বন্ধু তিনি, এতিমের রাখাল,
সত্য-মিথ্যার পার্থক্য জানাতেন বুদ্ধিমত চাল।
বণিক হয়ে ব্যবসা করেও ঠকাননি কখনো কাউকে,
আমানতদারের বিশ্বস্ত তিনি, জীবন ছিল নরম দয়ার।
মেরাজের রাত পেরিয়ে গেছেন সিদরাতুল মুনতাহা,
আল্লাহর প্রিয় হাবীব তিনি, রহমত আল্লাহ্র সাথা।
যে ঘরে যেতেন, আলো ছড়াতো, মিষ্টি থাকত সুবাস,
নবীজির মুখখানি ছিল, ভালোবাসার কাব্যবিশ্বাস।
দুশমনকেও ক্ষমা করতেন, ছিলেন রহমতদ্রষ্টা,
তাই তো দুনিয়াজুড়ে আজও, তিনিই সবচেয়ে পবিত্রপন্থা।
কুরআন যাঁর বুকে নাজিল, আলো যার পথনির্দেশ,
তাঁর অনুসরণে জীবন হয় পূণ্য, শান্তির পরিমার্জনেশ।
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম—শান্তি তাঁর উপরে,
চলুন আমরা আঁকি জীবন, তাঁর দেখানো রূপে ভরে।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৯.০৬.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
চাঁদের চেয়েও জ্যোতি যার, নামটি মোহাম্মদ,
সত্য-ধর্মের আলো হাতে এনেছেন উম্মত সদ।
তাইমার মরু শুষ্ক বুকে ফুটালেন ফুলের বাগান,
তরক-তলোয়ার নয়, দিলেন শান্তির মহান বাগান।
আয়েশা খাতুন বলতেন যাঁকে ছিল সবচেয়ে মৃদু,
শত্রুকেও ভালোবাসতেন, ছিলেন যেন ঋষি সিদ্ধু।
বৃদ্ধ নারী গালি দিত, তবু দিতেন পানি,
মুখে ছিল সদা দোয়া, অন্তরে না ছিল হানি।
গরিব-দুখির বন্ধু তিনি, এতিমের রাখাল,
সত্য-মিথ্যার পার্থক্য জানাতেন বুদ্ধিমত চাল।
বণিক হয়ে ব্যবসা করেও ঠকাননি কখনো কাউকে,
আমানতদারের বিশ্বস্ত তিনি, জীবন ছিল নরম দয়ার।
মেরাজের রাত পেরিয়ে গেছেন সিদরাতুল মুনতাহা,
আল্লাহর প্রিয় হাবীব তিনি, রহমত আল্লাহ্র সাথা।
যে ঘরে যেতেন, আলো ছড়াতো, মিষ্টি থাকত সুবাস,
নবীজির মুখখানি ছিল, ভালোবাসার কাব্যবিশ্বাস।
দুশমনকেও ক্ষমা করতেন, ছিলেন রহমতদ্রষ্টা,
তাই তো দুনিয়াজুড়ে আজও, তিনিই সবচেয়ে পবিত্রপন্থা।
কুরআন যাঁর বুকে নাজিল, আলো যার পথনির্দেশ,
তাঁর অনুসরণে জীবন হয় পূণ্য, শান্তির পরিমার্জনেশ।
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম—শান্তি তাঁর উপরে,
চলুন আমরা আঁকি জীবন, তাঁর দেখানো রূপে ভরে।
*********************
গতি নয়, জীবন চাই
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ২২.০৭.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
চাকুরি করে না! ব্যবসাও না, বাড়ির কাজেও নয়,
বাপের হোটেলে রাজপুত্র, কেবল দেমাগ রয়।
মাথায় হেলমেট নেই, তবু ছুটে বজ্রবেগে,
জানে না সামনে কে আছে, কে লুকিয়ে কবে রেগে।
কোথায় যায় সে ইমারজেন্সি? এমন কী দরকার?
যার গতি দেখে পথচারীর মুখে উঠে ধিক্কার!
বন্ধু শুনো, এই রাস্তাটা কারো বাপের নয়,
এখানে সবাই সমান হক, সাবধানে চলতেই হয়।
গতি মানে দম্ভ নয়, গতি মানে মৃত্যু ডাকে,
ছোট্ট ভুলেই চোখের সামনে জীবন মুছে যায় কাকে।
ছবি নয়, রক্ত ঝরে, স্ট্যাটাস নয়, কান্না হয়,
তোমার খেলা এক নিমিষে কারো বুকটা ক্ষয়।
উঠতি বয়সি ভাই আমার, অনুরোধ করি শোনো,
এই জীবনটা একটাই, বাঁচতে হলে জেনো।
নিজে চালাও ধীরে ধীরে, হেলমেট মাথায় রাখো,
দোষ যদি অন্য করে, তার প্রতিশোধ কিসে দেখো?
তোমায় দেখে চলতে শেখে ছোট ভাই কিংবা বন্ধু,
ভুল দেখালে তারও জীবন যাবে কোন এক নিঃসন্দে।
মা-বাবার মুখটা ভেবে চালাও হুশে গাড়ি,
একটি দুর্ঘটনা করতে পারে জীবন টারি।
স্মরণ রেখো, রাস্তার রাজা হতে হলে চাই ধৈর্য,
গতি দিয়ে নয়, শিষ্টতা দিয়ে গড়ো জীবনের সৌন্দর্য।
সবার জন্য নয় এই কথা, যারা বুঝে তারা জানে,
কিন্তু যারা ভাবেন অমর, তারা ইতিহাসে টানে।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ২২.০৭.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
চাকুরি করে না! ব্যবসাও না, বাড়ির কাজেও নয়,
বাপের হোটেলে রাজপুত্র, কেবল দেমাগ রয়।
মাথায় হেলমেট নেই, তবু ছুটে বজ্রবেগে,
জানে না সামনে কে আছে, কে লুকিয়ে কবে রেগে।
কোথায় যায় সে ইমারজেন্সি? এমন কী দরকার?
যার গতি দেখে পথচারীর মুখে উঠে ধিক্কার!
বন্ধু শুনো, এই রাস্তাটা কারো বাপের নয়,
এখানে সবাই সমান হক, সাবধানে চলতেই হয়।
গতি মানে দম্ভ নয়, গতি মানে মৃত্যু ডাকে,
ছোট্ট ভুলেই চোখের সামনে জীবন মুছে যায় কাকে।
ছবি নয়, রক্ত ঝরে, স্ট্যাটাস নয়, কান্না হয়,
তোমার খেলা এক নিমিষে কারো বুকটা ক্ষয়।
উঠতি বয়সি ভাই আমার, অনুরোধ করি শোনো,
এই জীবনটা একটাই, বাঁচতে হলে জেনো।
নিজে চালাও ধীরে ধীরে, হেলমেট মাথায় রাখো,
দোষ যদি অন্য করে, তার প্রতিশোধ কিসে দেখো?
তোমায় দেখে চলতে শেখে ছোট ভাই কিংবা বন্ধু,
ভুল দেখালে তারও জীবন যাবে কোন এক নিঃসন্দে।
মা-বাবার মুখটা ভেবে চালাও হুশে গাড়ি,
একটি দুর্ঘটনা করতে পারে জীবন টারি।
স্মরণ রেখো, রাস্তার রাজা হতে হলে চাই ধৈর্য,
গতি দিয়ে নয়, শিষ্টতা দিয়ে গড়ো জীবনের সৌন্দর্য।
সবার জন্য নয় এই কথা, যারা বুঝে তারা জানে,
কিন্তু যারা ভাবেন অমর, তারা ইতিহাসে টানে।
*********************
