কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন এর কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
মানবতার বাঁধনে
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০২.০৮.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
হিন্দু-মুসলিম শিখ, ঈশাই ভাই ভাই, হৃদয়েতে প্রেমের ঠাঁই,
একই মাটির মানুষ আমরা, ভালোবাসা ছড়িয়ে যাই।
রাম রহিম, জীশু বা আল্লা—নাম আলাদা, মন তো এক,
মানবধর্মই সবার আগে, তাতেই জুড়ে প্রেমের রেখ।
মন্দিরে বাজে ঘন্টার ধ্বনি, মসজিদে আজানের সুর,
দুই ধ্বনির মাঝে নেই তো ভেদ, ভালোবাসা দেয় পূর্ণ গুর।
একই আকাশ, একই বায়ু, একই সূর্য করে照,
মন যদি হয় নির্মল সবার, কোথা থাকে তফাৎ তবে?
রক্তে আমার তোমার নেই তো আলাদা কোনো রং,
সহিষ্ণুতা ভালোবাসায় গড়ে ওঠে শক্তি-সংগ।
একসাথে হাসি, একসাথে কাঁদি, বিপদে রাখি পাশে,
ধর্ম হোক না ভিন্ন ভাই, হৃদয় তো একি ভাষে।
তুমি পূজায় ফুল চাও, আমি নামাজে তসবি ধরি,
কিন্তু চোখে চোখে প্রেমের আলো, তাতেই জীবন গড়ি।
বৈচিত্র্যেই সৌন্দর্য আছে, ভিন্নতা নয় ভয়,
হিন্দু-মুসলিম হাতে হাত রেখে গাই মানবতার জয়।
প্রেম আর শান্তির বন্ধনে থাকুক দেশটা জুড়ে,
ঘৃণা নয়, মানবধর্ম থাকুক চিরসবুজ সুরে।
শত্রুতা নয়, ঐক্যগাথা হোক আমাদের গান,
মানবতার এই জোট বাঁধনে জ্বলুক আশার জান!
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০২.০৮.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
হিন্দু-মুসলিম শিখ, ঈশাই ভাই ভাই, হৃদয়েতে প্রেমের ঠাঁই,
একই মাটির মানুষ আমরা, ভালোবাসা ছড়িয়ে যাই।
রাম রহিম, জীশু বা আল্লা—নাম আলাদা, মন তো এক,
মানবধর্মই সবার আগে, তাতেই জুড়ে প্রেমের রেখ।
মন্দিরে বাজে ঘন্টার ধ্বনি, মসজিদে আজানের সুর,
দুই ধ্বনির মাঝে নেই তো ভেদ, ভালোবাসা দেয় পূর্ণ গুর।
একই আকাশ, একই বায়ু, একই সূর্য করে照,
মন যদি হয় নির্মল সবার, কোথা থাকে তফাৎ তবে?
রক্তে আমার তোমার নেই তো আলাদা কোনো রং,
সহিষ্ণুতা ভালোবাসায় গড়ে ওঠে শক্তি-সংগ।
একসাথে হাসি, একসাথে কাঁদি, বিপদে রাখি পাশে,
ধর্ম হোক না ভিন্ন ভাই, হৃদয় তো একি ভাষে।
তুমি পূজায় ফুল চাও, আমি নামাজে তসবি ধরি,
কিন্তু চোখে চোখে প্রেমের আলো, তাতেই জীবন গড়ি।
বৈচিত্র্যেই সৌন্দর্য আছে, ভিন্নতা নয় ভয়,
হিন্দু-মুসলিম হাতে হাত রেখে গাই মানবতার জয়।
প্রেম আর শান্তির বন্ধনে থাকুক দেশটা জুড়ে,
ঘৃণা নয়, মানবধর্ম থাকুক চিরসবুজ সুরে।
শত্রুতা নয়, ঐক্যগাথা হোক আমাদের গান,
মানবতার এই জোট বাঁধনে জ্বলুক আশার জান!
*********************
নীরবতা
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০২.০৮.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
নীরব ছিল আকাশ আজি, ব্যথায় ভরা বুক,
ঝরা পাতার মাঝে লুকায়, শত শত সুখ।
নদীর জলে কথা নেই, তবু বাজে সুর,
চোখের ভাষায় বলে যায়, কত না জমা দূর।
নীরব প্রহর ভাঙে না, হৃদয় রাখে ছায়া,
ভাঙা মনের কোলাহলে, মেলে না আর মায়া।
নীরব চাঁদ ঝুলে থাকে, সন্ধ্যা নামে ধীরে,
ভেজা বাতাস জড়িয়ে ধরে, স্মৃতিগুলো ঘিরে।
নীরবতা হাঁটে একা, অচেনা সেই পথ,
কেউ নেই যে ডাকে ফিরে, কেউ নেই যে সত্য।
ঘাসে লেগে শিশির কাঁদে, প্রভাত নামে চুপে,
একাকীত্ব খোঁজে আশ্রয়, কারও বুকের তলে।
নীরব চোখে স্বপ্ন ডাকে, জেগে থাকা রাতে,
মনে পড়ে হঠাৎ কেউ, হারিয়ে যাওয়া সাথে।
নীরব গানে সুর উঠে, বোঝে না সে ভাষা,
তবু তাতে বাজে কোথাও, প্রেমের গোপন আশা।
নীরব ধ্বনি ভাঙে না, তবু বাজে ছন্দ,
ভালোবাসা বলে যায়, একান্ত গোপন বন্দ।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০২.০৮.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
নীরব ছিল আকাশ আজি, ব্যথায় ভরা বুক,
ঝরা পাতার মাঝে লুকায়, শত শত সুখ।
নদীর জলে কথা নেই, তবু বাজে সুর,
চোখের ভাষায় বলে যায়, কত না জমা দূর।
নীরব প্রহর ভাঙে না, হৃদয় রাখে ছায়া,
ভাঙা মনের কোলাহলে, মেলে না আর মায়া।
নীরব চাঁদ ঝুলে থাকে, সন্ধ্যা নামে ধীরে,
ভেজা বাতাস জড়িয়ে ধরে, স্মৃতিগুলো ঘিরে।
নীরবতা হাঁটে একা, অচেনা সেই পথ,
কেউ নেই যে ডাকে ফিরে, কেউ নেই যে সত্য।
ঘাসে লেগে শিশির কাঁদে, প্রভাত নামে চুপে,
একাকীত্ব খোঁজে আশ্রয়, কারও বুকের তলে।
নীরব চোখে স্বপ্ন ডাকে, জেগে থাকা রাতে,
মনে পড়ে হঠাৎ কেউ, হারিয়ে যাওয়া সাথে।
নীরব গানে সুর উঠে, বোঝে না সে ভাষা,
তবু তাতে বাজে কোথাও, প্রেমের গোপন আশা।
নীরব ধ্বনি ভাঙে না, তবু বাজে ছন্দ,
ভালোবাসা বলে যায়, একান্ত গোপন বন্দ।
*********************
কবিগুরুকে শ্রদ্ধাঞ্জলি
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৯.০৫.২০১৯। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
শ্রদ্ধা তোমায়, হে কবিগুরু, অমর কাব্য-শিল্পী,
তোমার বাণী হৃদয় ছুঁয়ে জাগায় আলো নিত্যি।
গানের সুরে, কথার গাঁথায়, ফুটে ওঠে যে প্রাণ,
বাংলার মুখ, বাংলা ভাষা পায় যে নতুন জান।
শান্তিনিকেতন তোমার স্বপ্ন, জ্ঞানের দীপ্ত আলো,
তোমার কবিতা যুগে যুগে ছুঁয়েছে হৃদয় ভালো।
"একলা চলো" বলেছ যিনি, সাহসে ভরাই মন,
তোমার কথায় জীবন পায় এক নতুন আশ্বাসন।
বিশ্বকবির মুকুট মাথায়, বাঙালির গৌরব তুমি,
তোমার রচনায় মিলেছে প্রেম, স্বাধীনতার ভূমি।
"গীতাঞ্জলি"-র পদ্য ছুঁয়ে জয় করেছ বিশ্ব তুমি,
তোমার নামে গেয়ে চলে ইতিহাসের সাহিত্য ভূমি।
জন্মদিনে প্রণাম তোমায়, প্রিয় কবির স্মরণে,
তোমার আলো জ্বলুক চিরদিন, বাংলা প্রাণের ধরণে।
তুমি ছিলে, থাকবে চিরকাল, মননে আর চেতনায়,
বাংলার মাটি, বাংলার বাণী গাইবে তোমার ছায়ায়।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৯.০৫.২০১৯। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
শ্রদ্ধা তোমায়, হে কবিগুরু, অমর কাব্য-শিল্পী,
তোমার বাণী হৃদয় ছুঁয়ে জাগায় আলো নিত্যি।
গানের সুরে, কথার গাঁথায়, ফুটে ওঠে যে প্রাণ,
বাংলার মুখ, বাংলা ভাষা পায় যে নতুন জান।
শান্তিনিকেতন তোমার স্বপ্ন, জ্ঞানের দীপ্ত আলো,
তোমার কবিতা যুগে যুগে ছুঁয়েছে হৃদয় ভালো।
"একলা চলো" বলেছ যিনি, সাহসে ভরাই মন,
তোমার কথায় জীবন পায় এক নতুন আশ্বাসন।
বিশ্বকবির মুকুট মাথায়, বাঙালির গৌরব তুমি,
তোমার রচনায় মিলেছে প্রেম, স্বাধীনতার ভূমি।
"গীতাঞ্জলি"-র পদ্য ছুঁয়ে জয় করেছ বিশ্ব তুমি,
তোমার নামে গেয়ে চলে ইতিহাসের সাহিত্য ভূমি।
জন্মদিনে প্রণাম তোমায়, প্রিয় কবির স্মরণে,
তোমার আলো জ্বলুক চিরদিন, বাংলা প্রাণের ধরণে।
তুমি ছিলে, থাকবে চিরকাল, মননে আর চেতনায়,
বাংলার মাটি, বাংলার বাণী গাইবে তোমার ছায়ায়।
*********************
যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ২৫.৫.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাসে যুদ্ধ এক ভয়ঙ্কর অধ্যায়। হাজারো প্রাণহানি, ধ্বংসস্তূপ আর অশ্রুভেজা ইতিহাস যুদ্ধ আমাদের উপহার দিয়েছে। তবে সভ্য মানুষ কখনও যুদ্ধ চায় না, চায় শান্তি।
শান্তি মানে শুধু যুদ্ধ না থাকা নয়; শান্তি মানে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও ভালোবাসায় ভরা একটি সমাজ। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মানুষ যেমন স্বস্তিতে বসবাস করতে পারে, তেমনি উন্নয়নের পথও মসৃণ হয়। শিক্ষা, চিকিৎসা, শিল্পকলা ও অর্থনীতির অগ্রগতি তখনই সম্ভব, যখন সমাজে স্থিতিশীলতা থাকে।
যুদ্ধ যে কেবল ধ্বংস ডেকে আনে তা নয়, এটি মানুষের চেতনা ও মানবতাকেও নষ্ট করে দেয়। তাই সংঘাত নয়, আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্যের সমাধান হওয়া উচিত।
আজকের পৃথিবীকে শান্তির পথে নিতে হলে চাই রাজনৈতিক সদিচ্ছা, সামাজিক সচেতনতা এবং মানসিক পরিবর্তন। শিশুদের ছোটবেলা থেকেই শেখাতে হবে ভালোবাসা, সহানুভূতি আর সম্প্রীতির গুরুত্ব।
শান্তি যে কেবল একটা শব্দ নয়, এটি একটি শক্তি—যা জাতিকে গড়ে তোলে, ভবিষ্যৎকে আলোকিত করে। তাই আসুন, যুদ্ধ নয়, শান্তির জন্য কাজ করি। শান্তি হোক প্রতিটি হৃদয়ের অঙ্গীকার।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ২৫.৫.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাসে যুদ্ধ এক ভয়ঙ্কর অধ্যায়। হাজারো প্রাণহানি, ধ্বংসস্তূপ আর অশ্রুভেজা ইতিহাস যুদ্ধ আমাদের উপহার দিয়েছে। তবে সভ্য মানুষ কখনও যুদ্ধ চায় না, চায় শান্তি।
শান্তি মানে শুধু যুদ্ধ না থাকা নয়; শান্তি মানে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও ভালোবাসায় ভরা একটি সমাজ। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মানুষ যেমন স্বস্তিতে বসবাস করতে পারে, তেমনি উন্নয়নের পথও মসৃণ হয়। শিক্ষা, চিকিৎসা, শিল্পকলা ও অর্থনীতির অগ্রগতি তখনই সম্ভব, যখন সমাজে স্থিতিশীলতা থাকে।
যুদ্ধ যে কেবল ধ্বংস ডেকে আনে তা নয়, এটি মানুষের চেতনা ও মানবতাকেও নষ্ট করে দেয়। তাই সংঘাত নয়, আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্যের সমাধান হওয়া উচিত।
আজকের পৃথিবীকে শান্তির পথে নিতে হলে চাই রাজনৈতিক সদিচ্ছা, সামাজিক সচেতনতা এবং মানসিক পরিবর্তন। শিশুদের ছোটবেলা থেকেই শেখাতে হবে ভালোবাসা, সহানুভূতি আর সম্প্রীতির গুরুত্ব।
শান্তি যে কেবল একটা শব্দ নয়, এটি একটি শক্তি—যা জাতিকে গড়ে তোলে, ভবিষ্যৎকে আলোকিত করে। তাই আসুন, যুদ্ধ নয়, শান্তির জন্য কাজ করি। শান্তি হোক প্রতিটি হৃদয়ের অঙ্গীকার।
*********************
বাবার পথচলা
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৯.০৬.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
বাবা ছিলেন একদিন কারো আদরের ছেলে,
আজ তিনি আমার আশ্রয়, নির্ভরতার মূলে।
কোলে যিনি হেসেছিলেন আপন বাবার বুকে,
আজ আমি হাসি পাই তারই কঠিন মুখে।
ছোটবেলায় তিনি ছিল এক খোকা দাদা,
আজ তিনি সংসারের শক্ত মজবুত জ্যোতিদা।
দুষ্টুমি করতেন খেলার উঠোনে হেসে,
আজ তিনি কাঁদেন মন থেকে লুকিয়ে বসে।
তখনকার হাসি আজ দায়িত্বে ভরা,
কাঁধে সংসার, তবু চোখে ভালোবাসার ধরা।
শিশু ছিলেন একদিন, পেতেন আদর যত,
আজ আমায় মানুষ করার ব্যস্ততা শত।
বাবা মানে ছায়া, ত্যাগের উপাখ্যান,
নিজে না খেয়ে দেন আমার জন্য জান।
আমি তার ছেলে, গর্বে বুক ফুলে যায়,
বাবার ভালোবাসা ছায়ার মত প্রশান্ত ছায়া।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৯.০৬.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
বাবা ছিলেন একদিন কারো আদরের ছেলে,
আজ তিনি আমার আশ্রয়, নির্ভরতার মূলে।
কোলে যিনি হেসেছিলেন আপন বাবার বুকে,
আজ আমি হাসি পাই তারই কঠিন মুখে।
ছোটবেলায় তিনি ছিল এক খোকা দাদা,
আজ তিনি সংসারের শক্ত মজবুত জ্যোতিদা।
দুষ্টুমি করতেন খেলার উঠোনে হেসে,
আজ তিনি কাঁদেন মন থেকে লুকিয়ে বসে।
তখনকার হাসি আজ দায়িত্বে ভরা,
কাঁধে সংসার, তবু চোখে ভালোবাসার ধরা।
শিশু ছিলেন একদিন, পেতেন আদর যত,
আজ আমায় মানুষ করার ব্যস্ততা শত।
বাবা মানে ছায়া, ত্যাগের উপাখ্যান,
নিজে না খেয়ে দেন আমার জন্য জান।
আমি তার ছেলে, গর্বে বুক ফুলে যায়,
বাবার ভালোবাসা ছায়ার মত প্রশান্ত ছায়া।
*********************
মায়ের আদর
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১১.০৪.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
সকালে ওঠে ডাকে মা,
হাতে দেয় গরম চা,
চুল আঁচড়ে বেঁধে দেয়,
মিষ্টি করে কথা কয়।
টিফিনে দেয় রুটি-কলা,
চোখে তার মায়ার ছলা,
দরজায় দাঁড়িয়ে রয়,
আশীর্বাদে মনটা ভরে রয়।
স্কুল থেকে ফিরি যখন,
মা দৌড়ে আসে তখন,
হাত মুছে দেয় পরশ দিয়ে,
আদরে ভরে মুখটি নিয়ে।
রাতে গল্প শোনায় মা,
রূপকথার রাজা রা,
ঘুম পাড়াতে মন মাতায়,
হেসে হেসে ঘুমিয়ে যাই।
মা যে আমার আপন জন,
ভালোবাসায় ভরা মন,
জীবন পথে যখন যাই,
মায়ের ছায়া সাথে পাই।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১১.০৪.২০২৪। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
সকালে ওঠে ডাকে মা,
হাতে দেয় গরম চা,
চুল আঁচড়ে বেঁধে দেয়,
মিষ্টি করে কথা কয়।
টিফিনে দেয় রুটি-কলা,
চোখে তার মায়ার ছলা,
দরজায় দাঁড়িয়ে রয়,
আশীর্বাদে মনটা ভরে রয়।
স্কুল থেকে ফিরি যখন,
মা দৌড়ে আসে তখন,
হাত মুছে দেয় পরশ দিয়ে,
আদরে ভরে মুখটি নিয়ে।
রাতে গল্প শোনায় মা,
রূপকথার রাজা রা,
ঘুম পাড়াতে মন মাতায়,
হেসে হেসে ঘুমিয়ে যাই।
মা যে আমার আপন জন,
ভালোবাসায় ভরা মন,
জীবন পথে যখন যাই,
মায়ের ছায়া সাথে পাই।
*********************
পবিত্র ঈদুল আজহা
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৯.০৩.২০১৮। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
ঈদের খুশি এলো আবার, কোরবানির আহ্বান,
ইব্রাহিমের সেই ত্যাগে, জাগে প্রেমের গান।
আল্লাহর নাম মুখে নিয়ে, গরু-ছাগল হাঁটে,
ভক্তি ভরে কোরবানি হয়, হৃদয় জুড়ে নাতে।
মিনার পথে ধ্বনিত হয়, তাকবিরের সেই সুর,
মর্যাদায় ভরে উঠে, মুমিনদের মনপুর।
খুশির মাঝে ভুলে না কেউ, দরিদ্রদের স্মৃতি,
ভাগ করে দেয় কোরবানির মাংস, হৃদয় ভরা নীতি।
সাদাসিধে পোশাক পরে, শিশুরা হাসে প্রাণে,
মায়ের হাতে সুগন্ধ ভাত, থাকে সেমাই টানে।
নম্র হয়ে করি দোয়া, আল্লাহ যেন মানে,
কোরবানির এ শিক্ষা যেন, জীবনভরই টানে।
ত্যাগেই যে আনন্দ লুকায়, এ শিক্ষা পবিত্র,
ঈদের দিনে শিখি সবাই, করুণা হতে ভিন্ন।
হিংসা-দ্বেষ ভুলে যাই, ভালোবাসা গড়ি,
ঈদুল আজহা শেখায় যেন, আল্লাহর পথ ধরি।
চলুন সবাই মিলেমিশে, গড়ি নূরানী সমাজ,
ঈদের খুশি ছড়িয়ে পড়ুক, শান্তি হোক আজ।
আসুক ঈদ বারবার, বয়ে আনুক আলো,
ত্যাগের মর্ম হৃদয়ে রেখে, কোরবানি হোক ভালো।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৯.০৩.২০১৮। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
ঈদের খুশি এলো আবার, কোরবানির আহ্বান,
ইব্রাহিমের সেই ত্যাগে, জাগে প্রেমের গান।
আল্লাহর নাম মুখে নিয়ে, গরু-ছাগল হাঁটে,
ভক্তি ভরে কোরবানি হয়, হৃদয় জুড়ে নাতে।
মিনার পথে ধ্বনিত হয়, তাকবিরের সেই সুর,
মর্যাদায় ভরে উঠে, মুমিনদের মনপুর।
খুশির মাঝে ভুলে না কেউ, দরিদ্রদের স্মৃতি,
ভাগ করে দেয় কোরবানির মাংস, হৃদয় ভরা নীতি।
সাদাসিধে পোশাক পরে, শিশুরা হাসে প্রাণে,
মায়ের হাতে সুগন্ধ ভাত, থাকে সেমাই টানে।
নম্র হয়ে করি দোয়া, আল্লাহ যেন মানে,
কোরবানির এ শিক্ষা যেন, জীবনভরই টানে।
ত্যাগেই যে আনন্দ লুকায়, এ শিক্ষা পবিত্র,
ঈদের দিনে শিখি সবাই, করুণা হতে ভিন্ন।
হিংসা-দ্বেষ ভুলে যাই, ভালোবাসা গড়ি,
ঈদুল আজহা শেখায় যেন, আল্লাহর পথ ধরি।
চলুন সবাই মিলেমিশে, গড়ি নূরানী সমাজ,
ঈদের খুশি ছড়িয়ে পড়ুক, শান্তি হোক আজ।
আসুক ঈদ বারবার, বয়ে আনুক আলো,
ত্যাগের মর্ম হৃদয়ে রেখে, কোরবানি হোক ভালো।
*********************
অন্তর দেখি মানুষ চিনো
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ২৬.০৫.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
বাহির দেখে মানুষ চেনা, সত্যিকার কি যায়?
রঙিন মুখে লুকিয়ে থাকে, কত যে ছলনায়।
বেশভূষাতে না মিলে, অন্তরের সে টান,
চরিত্র দেখে বুঝতে হয়, কে আপন কে অজান।
যার মুখে মধুর ভাষা, অন্তরে বিষ জমান,
তারে চিনে লাভ কি ভাই? হৃদয় তো করে ক্ষয়।
যে নিঃশব্দে পাশে থাকে, দুঃখবেলায় হাসে,
তারে চিনতে অন্তর লাগে, নয়নে সে না ভাসে।
নম্র মুখে দাম্ভিকতা, অন্ধকারে ফাঁদ,
তারে বুঝে নিতে হয়, হৃদয়েরই সাদ।
চোখে যারে দেখো দূরে, হৃদয়ে সে কাছের,
মন না মিলে শত বার, কিসে হবে শ্রেষ্ঠর?
মনুষ্যত্বের আলয়ে, ভেতর হলো দামী,
বাহির যতই সুন্দর হোক, ঠকাও সে নির্লজ্জ বামি।
যারে দেখে গরিব ঠানে, তাচ্ছিল্য তুমি কর,
সে-ই পারে দিয়েছিলো, তোমায় অন্ন, ঘর।
মানুষ চেনার এই যে পথ, সহজে মেলে না,
চোখে চোখে নয়রে ভাই, অন্তরে সে জানা।
যদি চাও বিচার করতে, বুঝে নিও সবে,
মানুষ চেনার একটাই পথ— মনের মাঝে রবে।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ২৬.০৫.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
বাহির দেখে মানুষ চেনা, সত্যিকার কি যায়?
রঙিন মুখে লুকিয়ে থাকে, কত যে ছলনায়।
বেশভূষাতে না মিলে, অন্তরের সে টান,
চরিত্র দেখে বুঝতে হয়, কে আপন কে অজান।
যার মুখে মধুর ভাষা, অন্তরে বিষ জমান,
তারে চিনে লাভ কি ভাই? হৃদয় তো করে ক্ষয়।
যে নিঃশব্দে পাশে থাকে, দুঃখবেলায় হাসে,
তারে চিনতে অন্তর লাগে, নয়নে সে না ভাসে।
নম্র মুখে দাম্ভিকতা, অন্ধকারে ফাঁদ,
তারে বুঝে নিতে হয়, হৃদয়েরই সাদ।
চোখে যারে দেখো দূরে, হৃদয়ে সে কাছের,
মন না মিলে শত বার, কিসে হবে শ্রেষ্ঠর?
মনুষ্যত্বের আলয়ে, ভেতর হলো দামী,
বাহির যতই সুন্দর হোক, ঠকাও সে নির্লজ্জ বামি।
যারে দেখে গরিব ঠানে, তাচ্ছিল্য তুমি কর,
সে-ই পারে দিয়েছিলো, তোমায় অন্ন, ঘর।
মানুষ চেনার এই যে পথ, সহজে মেলে না,
চোখে চোখে নয়রে ভাই, অন্তরে সে জানা।
যদি চাও বিচার করতে, বুঝে নিও সবে,
মানুষ চেনার একটাই পথ— মনের মাঝে রবে।
*********************
কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম দিবস
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৫.০৫.২০২৩। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
জাতির প্রাণে দীপ্ত জ্যোতি, বিদ্রোহী এক কবি,
তার কলমে জাগে স্বপ্ন, অন্ধকারে রবি।
তুমি হলে মানবতার মুক্তির দীপ্ত গান,
তোমার লেখায় জেগে ওঠে সাহসেরই বান।
আগুন ঝরায় তোমার কবিতা, ভাষায় থাকে তেজ,
অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিলো তোমার খরবেগ।
ধর্ম, জাতি, বর্ণভেদে করো নাকো ভেদ,
মানবতাই ছিলো তোমার মূল নেতৃত্ববেদ।
বাংলার মাটি, বাংলার জল — তোমার প্রাণে বাজে,
তুমি এসে জাগালে দেশ, নিঃস্বারে যে রাজে।
বিদ্রোহে তুমি লালায়িত, প্রেমেও ছিলে নরম,
তোমার গানেই জাগে প্রাণ, সাহসী এক ধ্বনি-ধম।
আজকে তোমার জন্মদিন, শ্রদ্ধায় করি স্মরণ,
তোমার কথা মনে পড়লে জাগে দীপ্ত সজীব মন।
তোমার গান, তোমার বাণী বাজে প্রাণে নিত্য,
তুমি ছিলে, থাকবে চিরকাল—কবি অমর পবিত্র।
সত্য ও প্রেমের দূত তুমি, কাঁপাও অন্যায়,
নজরুল নামটি আজও গায়ে গায়ে ছায়।
জন্মদিনে তোমায় নিয়ে গর্বিত গো বাংলা,
তুমি আছো জনহৃদয়ে, শত কালের কাঁধে ঝুলা।
চিরজীবী বিদ্রোহী তুমি, যুগে যুগে প্রেরণা,
তোমার ভাষায় বাঁচে এখনো জাগরণের বর্ণনা।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৫.০৫.২০২৩। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
জাতির প্রাণে দীপ্ত জ্যোতি, বিদ্রোহী এক কবি,
তার কলমে জাগে স্বপ্ন, অন্ধকারে রবি।
তুমি হলে মানবতার মুক্তির দীপ্ত গান,
তোমার লেখায় জেগে ওঠে সাহসেরই বান।
আগুন ঝরায় তোমার কবিতা, ভাষায় থাকে তেজ,
অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিলো তোমার খরবেগ।
ধর্ম, জাতি, বর্ণভেদে করো নাকো ভেদ,
মানবতাই ছিলো তোমার মূল নেতৃত্ববেদ।
বাংলার মাটি, বাংলার জল — তোমার প্রাণে বাজে,
তুমি এসে জাগালে দেশ, নিঃস্বারে যে রাজে।
বিদ্রোহে তুমি লালায়িত, প্রেমেও ছিলে নরম,
তোমার গানেই জাগে প্রাণ, সাহসী এক ধ্বনি-ধম।
আজকে তোমার জন্মদিন, শ্রদ্ধায় করি স্মরণ,
তোমার কথা মনে পড়লে জাগে দীপ্ত সজীব মন।
তোমার গান, তোমার বাণী বাজে প্রাণে নিত্য,
তুমি ছিলে, থাকবে চিরকাল—কবি অমর পবিত্র।
সত্য ও প্রেমের দূত তুমি, কাঁপাও অন্যায়,
নজরুল নামটি আজও গায়ে গায়ে ছায়।
জন্মদিনে তোমায় নিয়ে গর্বিত গো বাংলা,
তুমি আছো জনহৃদয়ে, শত কালের কাঁধে ঝুলা।
চিরজীবী বিদ্রোহী তুমি, যুগে যুগে প্রেরণা,
তোমার ভাষায় বাঁচে এখনো জাগরণের বর্ণনা।
*********************
নীরব ভাঙনের ব্যথা
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ৩১.০৭.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
কেউ গোপনে ভাঙো, নামের মূর্তি,
ঈর্ষার হাতুড়ি ধরে— বড়ই নিষ্ঠুর এই পুঁজি।
বাহবা নয়, ব্যঙ্গ ঝরে মুখের ভেজা হাসি,
কষ্টে গড়া একেক ইট— অপমানে পড়ে খসি।
শ্রমের গ্লানি জমে থাকে, বালিশে রাত পোহায়,
ঘুম নয়, জেগে থাকা— হৃদয় শুধুই কাঁদায়।
ঘামে লেখা নামটি যখন, নকল নামে ডুবে,
পিছনে চলে চক্রান্ত, সামনে ফুলের থুয়ে।
যে নামে খুঁটি পুঁতেছি, সে নামেই চলে খেলা,
চোরে বলে মালিক আমি— চলে তাদের মেলা।
তবু আমি চুপটি ধরি, ধরি শ্রমের কাঁধ,
যা গড়েছি অন্তরে, তা ভাঙে না সহজ বাঁধ।
ভাঙে শুধু বাহির খোলস, মুছে না হৃদয়ছাপ,
নিন্দার ছায়ায় ডুবে থাকি— জ্যোৎস্না দেখি চুপ চাপ।
এ ব্যথা কেউ বোঝে না ভাই, বোঝে শুধু যিনি গড়েন,
তবু আমি জিতে যাই, ভাঙা মূর্তির মাঝে লড়েন।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ৩১.০৭.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
কেউ গোপনে ভাঙো, নামের মূর্তি,
ঈর্ষার হাতুড়ি ধরে— বড়ই নিষ্ঠুর এই পুঁজি।
বাহবা নয়, ব্যঙ্গ ঝরে মুখের ভেজা হাসি,
কষ্টে গড়া একেক ইট— অপমানে পড়ে খসি।
শ্রমের গ্লানি জমে থাকে, বালিশে রাত পোহায়,
ঘুম নয়, জেগে থাকা— হৃদয় শুধুই কাঁদায়।
ঘামে লেখা নামটি যখন, নকল নামে ডুবে,
পিছনে চলে চক্রান্ত, সামনে ফুলের থুয়ে।
যে নামে খুঁটি পুঁতেছি, সে নামেই চলে খেলা,
চোরে বলে মালিক আমি— চলে তাদের মেলা।
তবু আমি চুপটি ধরি, ধরি শ্রমের কাঁধ,
যা গড়েছি অন্তরে, তা ভাঙে না সহজ বাঁধ।
ভাঙে শুধু বাহির খোলস, মুছে না হৃদয়ছাপ,
নিন্দার ছায়ায় ডুবে থাকি— জ্যোৎস্না দেখি চুপ চাপ।
এ ব্যথা কেউ বোঝে না ভাই, বোঝে শুধু যিনি গড়েন,
তবু আমি জিতে যাই, ভাঙা মূর্তির মাঝে লড়েন।
*********************
