কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন - জন্মগ্রহণ করেন পশ্চিমবঙ্গের অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর থানার কসবা গ্রামে। পিতা দেলাবর খাঁন, মাতা নূর হায়াৎ বিবি। পিতা দেলাবর খাঁন ছিলেন পেশায় কৃষক। কবি তাঁর পিতাকে হারান মাত্র ৪ বছর বয়সে এবং মাকে হারান ২৮ বছর বয়েস। তিনি বর্তমানে পটাশপুর তুপচিবাড় গ্রামে বসবাস করেন সপরিবারে। স্ত্রী উম্মাতুন বিবি, পুত্র উম্মিদ রাজা খাঁন এবং কন্যা সিদরাতুন খাতুন।
কবির শিক্ষাজীবন শুরু হয় সেলামপুর প্রাইমারি স্কুলে। পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণী পড়েন পটাশপুর হাড়ো চরণ বিদ্যাপীঠে। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী পাশ করেন ১৯৯৯ সালে পটাশপুর নৈপুর শান্তি সুধা ইনস্টিটিউশন থেকে। ২০০১ সালে তিনি পালপাড়া যোগদা সৎসঙ্গ মহাবিদ্যালয় থেকে দর্শন শাস্ত্রে অনার্স নিয়ে পাশ করেন। ২০০৫ সালে দর্শন শাস্ত্রে এম এ-তে ভর্তি হয়েছিলেন মেদিনীপুর বিদ্যাসাগর ইউনিভার্সিটিতে। ২০০৬-এ আর্থিক কারণে লেখাপড়ার ইতি টানতে বাধ্য হন।
কর্মজীবনে কবি, অর্থনৈতিক কারণে পটাশপুর উল্কা সংঘ ক্লাবের ভ্রাম্যমান পাঠাগারে স্বল্প বেতনের কাজে নিযুক্ত হয়েছিলেন ১৯৯৭ সালে। ২০০০ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে প্রাইভেট টিউশনি করেছিলেন। ২০০৭ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত গুজরাটের সুরাট শহরে এল এন্ড টি কোম্পানির কনস্ট্রাকশন লাইনের স্টোরকিপার নিযুক্ত ছিলেন। ২০১০ থেকে তিনি পটাশপুরের পীরবাবা ভান্ডার লোহা স্ক্র্যাপ দোকানে ম্যানেজারের পদে কাজ করছেন।
কবির শখের মধ্যে রয়েছে বই পড়া, ডায়েরি লেখা, জলরঙে ছবি আঁকা, নির্জন গ্রাম্য পথ ধরে হাঁটা, সমাজের কল্যান মূলক কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখা।
কবি শৈশব থেকেই প্রকৃতি, মানুষ, সমাজ এবং ইতিহাসের প্রতি এক নিগূঢ় ভালোবাসা পোষণ করে এসেছেন। জীবনের প্রাত্যহিক টানাপোড়েন, মানুষের হাসি-কান্না, আশা-নিরাশা তাঁর লেখার প্রধান অনুপ্রেরণা।
ব্যক্তিগত জীবনে কবি একজন নিবেদিত প্রাণ, পটাশপুরের পির বাবা ভান্ডার স্ক্র্যাপ কোম্পানির ম্যানেজার পদে যুক্ত থেকেও সাহিত্যচর্চায় নিজের আলাদা একটা পৃথিবী গড়ে তুলেছেন। তাঁর পরিবারের আন্তরিকতা, ছাত্রছাত্রীদের ভালোবাসা এবং নিঃস্বার্থ পাঠকপ্রিয়তাই তাঁকে অনুপ্রাণিত করে প্রতিনিয়ত কলম চালাতে। তিনি বিশ্বাস করেন, “শব্দের চেয়ে বড় অস্ত্র নেই, আর কলমের চেয়ে নির্ভরযোগ্য সঙ্গী আর কেউ হতে পারে না।”
কবি মনে করেন যে লেখক শুধু শব্দের জাদুকর নন, তিনি সময়ের সাক্ষী, সমাজের দর্পণ এবং হৃদয়ের অনুবাদক। তাঁর কলমের আঁচড়ে উঠে আসে জীবনের প্রতিটি টুকরো, প্রতিটি অনুভব। জীবনের ছোট ছোট দৃশ্যপটগুলোকে সাহিত্যের রূপে রাঙিয়ে তোলার এক গভীর আগ্রহ থেকেই তাঁর সাহিত্যচর্চার শুরু। তিনি মনে করেন, প্রতিটি লেখকই মূলত একাকী নাবিক, যিনি শব্দের সাগরে ভেসে চলেন অদৃশ্য তীরের সন্ধানে।
কবির নিজস্ব উক্তির মধ্যে রয়েছে --- “আমি লিখি, কারণ হৃদয় অনেক কথা বলে—যা মুখে বলা যায় না।” “আমার প্রতিটি লেখা এক একটি নীরব চিৎকার, যা শব্দ হয়ে পাঠকের হৃদয়ে আলোড়ন তোলে।”
তাঁর কবিতা বিভিন্ন স্কুল ও ক্লাবের পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়ে আসছে নিয়মিত। তিনি কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ সবই লিখতে ভালবাসেন। ক্লাবে, স্কুলের অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠের জন্য তিনি আমন্ত্রিত হয়ে থাকেন।
কবির প্রাপ্ত সম্মাননার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকা থেকে পাওয়া সাহিত্য সম্মাননা সার্টিফিকেট। তাদের মধ্যে রয়েছে “মৃন্ময়ী সাহিত্য পত্রিকা”, “সাহিত্য সংস্কৃতি ভুবন”, “আন্তর্জাতিক অরণী সাহিত্য পত্রিকা”, “আন্তর্জাতিক সাহিত্য বার্তা” বাংলাদেশ, “বনলতা সাহিত্য একাডেমী”, “কবিতায় বিমুর্ত তারার কুঞ্জ সাহিত্য পরিষদ”, “যশ সাহিত্য পরিবার”, “আন্তর্জাতিক সাহিত্য বাসর”, “আমার কবিতা আমার স্বপ্ন”. “আন্তর্জাতিক স্বপ্ন মায়া হিংলা সাহিত্য চর্চা”, “আন্তর্জাতিক সাহিত্য সংঘ পরিষদ” রিসিং সান, “সুনাই সাহিত্য সংসদ”, “খেজুরী সৈকতে সাহিত্য পত্রিকা”, “শব্দেরা স্বাধীন বাংলা সাহিত্য পত্রিকা”, “কবি শ্রী সাহিত্য চর্চা”, “আন্তর্জাতিক সাহিত্য বাসর স্বপ্ন ছোঁয়া”, “মানসলোক সাহিত্য পরিবার”, “দুমকি উপজেলা সাহিত্য পরিষদ”, “সূর্য তরণ সাহিত্য পরিবার”, “কবিতা সাহিত্য গ্রুপ”, “মনের পাতায় সাহিত্য পত্রিকা”, সোনার বাংলা সাহিত্য পরিষদ খুলনা”, “সাহিত্যবাজার পত্রিকা”, “কবিতার কুঁড়েঘর সাহিত্য পরিষদ”, “বুধবারের সাহিত্য বাসর সাপ্তাহিক সমৃদ্ধি পত্রিকা”, “জীবনের ছন্দে নির্মল আনন্দে সাহিত্য পরিবার”, “প্রত্যুষা সাহিত্য পরিবার”, “আমার কবিতা আমার স্বপ্ন সাহিত্য পরিষদ”, “আন্তর্জাতিক অরণী সাহিত্য পত্রিকায় হৃদয়ের বন্ধন পরিবার”, “আন্তর্জাতিক অভিরূপ সাহিত্য পরিবার”, “জাতীয় কবি ও সাহিত্য সংসদ” প্রভৃতি।
মিলনসাগরে কবি -মোহাম্মদ সামসের খাঁন এর কবিতার পাতা তৈরী করে আমরা আনন্দিত।
বাঙালীদের বহু বদনাম আছে। তাঁরা অলস, তাঁরা আড্ডাবাজ, ফাঁকিবাজ, আরও অনেক কিছু। কিন্তু বাঙালীর যে ভাল গুণগুলি আছে, তার মধ্যে একটা হলো কবিতা লেখা! প্রায় সব বাঙালীই জীবনে দু-এক লাইন কবিতা লেখেন বা লিখেছেন। মিলনসাগরে আমাদের চেষ্টা সেই কবিতার মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক বাঙালীদের মিলনসাগরের কবিদের সভায় ধরা। মিলনসাগরের বাংলা কবিতার কালানুক্রমিক সূচী আসলে বাঙালীর ইতিহাস হয়ে উঠছে, কবিদের জীবনীর মধ্য দিয়ে।
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন এর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।
কবির সঙ্গে যোগাযোগ -
চলভাষ ও হোয়াটসঅ্যাপ : +৯১ ৬২৯৫১৮১৫৯৯
আমাদের ই-মেল : srimilansengupta@yahoo.co.in
হোয়াটসঅ্যাপ : +৯১ ৯৮৩০৬৮১০১৭
এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ৩০.৮.২০২৫।
কবির সঙ্গে যোগাযোগ -
চলভাষ ও হোয়াটসঅ্যাপ : +৯১ ৬২৯৫১৮১৫৯৯
আমাদের ই-মেল : srimilansengupta@yahoo.co.in
হোয়াটসঅ্যাপ : +৯১ ৯৮৩০৬৮১০১৭
এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ৩০.৮.২০২৫।