কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত এর কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
এমব্রয়ডারি
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
"অর্যমা" পত্রিকার শারদ সংখ্যা ২০২৫-এ প্রকাশিত কবিতা। মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
মাথার ওপরে সূর্য
উত্তরপাড়া থেকে দক্ষিণপাড়ার রাস্তাটা
ভেবেছিলাম হাত ধরাধরি করে হেঁটেই পৌঁছে যাব
কালো মেঘ জমে ইশান কোণে
বৈষম্য মাঝ বরাবর
আমার নিজস্ব উচ্চারণ ভেসে যায় হাওয়ায়
ভীষ্মের পণের কাছে জিততে পারিনি সেদিন।
পরিমিত সুখ কিংবা স্ববোধ কিছুই নেই
বিলীন হয়েছে জেগে দেখা স্বপ্নগুলো
সুতো ছাড়াই ফোর দিয়ে চলেছি এমব্রয়ডারিতে
*********************
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
"অর্যমা" পত্রিকার শারদ সংখ্যা ২০২৫-এ প্রকাশিত কবিতা। মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
মাথার ওপরে সূর্য
উত্তরপাড়া থেকে দক্ষিণপাড়ার রাস্তাটা
ভেবেছিলাম হাত ধরাধরি করে হেঁটেই পৌঁছে যাব
কালো মেঘ জমে ইশান কোণে
বৈষম্য মাঝ বরাবর
আমার নিজস্ব উচ্চারণ ভেসে যায় হাওয়ায়
ভীষ্মের পণের কাছে জিততে পারিনি সেদিন।
পরিমিত সুখ কিংবা স্ববোধ কিছুই নেই
বিলীন হয়েছে জেগে দেখা স্বপ্নগুলো
সুতো ছাড়াই ফোর দিয়ে চলেছি এমব্রয়ডারিতে
*********************
জলছত্র
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
"কবিতা পাক্ষিক" পত্রিকায় প্রকাশিত কবিতা। মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
লাল বেনারসি পরিহিতা নতুন কনেকে দেখলে আমার বোতল ভর্তি টমেটো সসের কথা মনে হয়। অনুপ্রাসের অনুরোধে না, স্বভাবসিদ্ধ মিল দেখে।
চপ পকোড়ায় লাল টকটকে সস মাখিয়ে জিভ ঠেকালে টক ঝাল মিষ্টির স্বাদে ভরে ওঠে মন। অমৃত নেশায় বুদ হয়ে চোখ বন্ধ হয় আবেশে। সেরকমই আপাদ-মস্তক লাল রং দেখে চারপাশের পরিবেশ ঘটনা মেঘ কিংবা বসন্ত কিছুই চোখে পড়ে না। নির্লজ্জ মনে ঘোরাফেরা করে উত্তাপের জলছত্র। হয়তো এটা আধুনিক অপরাধ।
*********************
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
"কবিতা পাক্ষিক" পত্রিকায় প্রকাশিত কবিতা। মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
লাল বেনারসি পরিহিতা নতুন কনেকে দেখলে আমার বোতল ভর্তি টমেটো সসের কথা মনে হয়। অনুপ্রাসের অনুরোধে না, স্বভাবসিদ্ধ মিল দেখে।
চপ পকোড়ায় লাল টকটকে সস মাখিয়ে জিভ ঠেকালে টক ঝাল মিষ্টির স্বাদে ভরে ওঠে মন। অমৃত নেশায় বুদ হয়ে চোখ বন্ধ হয় আবেশে। সেরকমই আপাদ-মস্তক লাল রং দেখে চারপাশের পরিবেশ ঘটনা মেঘ কিংবা বসন্ত কিছুই চোখে পড়ে না। নির্লজ্জ মনে ঘোরাফেরা করে উত্তাপের জলছত্র। হয়তো এটা আধুনিক অপরাধ।
*********************
নিষ্ঠা
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
কিশোরী থেকেই –
সাদা আর কালোর পোঁচ
নেই রঙের চমক।
অবাক হয়ে যায়
প্রতিটা কাজেই দমিত করার
কী ভীষণ চেষ্টা!
তবে কি ঊষর স্বপ্নগুলো নিরাকার-ই থাকবে?
মনোবল ও নিষ্ঠা ক্রমশ স্ফীত হয়,
সম্মোহনে, আলোর সন্ধানে হাঁটি…
*********************
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
কিশোরী থেকেই –
সাদা আর কালোর পোঁচ
নেই রঙের চমক।
অবাক হয়ে যায়
প্রতিটা কাজেই দমিত করার
কী ভীষণ চেষ্টা!
তবে কি ঊষর স্বপ্নগুলো নিরাকার-ই থাকবে?
মনোবল ও নিষ্ঠা ক্রমশ স্ফীত হয়,
সম্মোহনে, আলোর সন্ধানে হাঁটি…
*********************
বুনিয়াদি গন্ধ
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
শহরের ঝা চকচকের ভেতরে লুকিয়ে আছে অজস্র কু-কথা
সম্পর্কের ভেতরে ঘনকালো অন্ধকার
কপট আস্তরণের তলায় চাপা পড়ে রূপকথারা।
পিছুটানহীন এই আরোপ সভ্যতা
শিখেছে গ্লানি
সারারাত বিধ্বস্ত হওয়ার পর
রাত শেষে ক্লান্ত হয়ে ঘুমোয় যখন কলগার্ল
জীর্ণ মন্দির পুরোনো স্থাপত্য নিয়ে চুপ করে দ্যাখে
শিউলির গন্ধ পিচ্ছিল পথ মাড়িয়ে
ভেসে বেড়ায় চারিদিকে
আবেশে ছুঁয়ে দ্যায় শরতের ভোরের বুক
উঠোন জুড়ে আল্পনা আঁকে প্রকৃতি
একঝাঁক বালিহাঁস ডানা ম্যালে আকাশে
সূর্য শুষে ন্যায় যাবতীয় দুঃখবোধ
পৃথিবীর যা কিছু হয়ে যায় শুদ্ধ
ফসল ফিসফিস করে বলে–
আমি আছি
দূষণহীন হাসি হাসে শারদীয়া
অধিষ্ঠাত্রী দেবী দুর্গাকে বরণ করতে
এগিয়ে আসে বুনিয়াদি গন্ধ
*********************
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
শহরের ঝা চকচকের ভেতরে লুকিয়ে আছে অজস্র কু-কথা
সম্পর্কের ভেতরে ঘনকালো অন্ধকার
কপট আস্তরণের তলায় চাপা পড়ে রূপকথারা।
পিছুটানহীন এই আরোপ সভ্যতা
শিখেছে গ্লানি
সারারাত বিধ্বস্ত হওয়ার পর
রাত শেষে ক্লান্ত হয়ে ঘুমোয় যখন কলগার্ল
জীর্ণ মন্দির পুরোনো স্থাপত্য নিয়ে চুপ করে দ্যাখে
শিউলির গন্ধ পিচ্ছিল পথ মাড়িয়ে
ভেসে বেড়ায় চারিদিকে
আবেশে ছুঁয়ে দ্যায় শরতের ভোরের বুক
উঠোন জুড়ে আল্পনা আঁকে প্রকৃতি
একঝাঁক বালিহাঁস ডানা ম্যালে আকাশে
সূর্য শুষে ন্যায় যাবতীয় দুঃখবোধ
পৃথিবীর যা কিছু হয়ে যায় শুদ্ধ
ফসল ফিসফিস করে বলে–
আমি আছি
দূষণহীন হাসি হাসে শারদীয়া
অধিষ্ঠাত্রী দেবী দুর্গাকে বরণ করতে
এগিয়ে আসে বুনিয়াদি গন্ধ
*********************
যৌথযাপন
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
সকালের রোদ গায়ে লাগতেই
ভিড় বাড়ে বাজারে
ক্রেতা আর বিক্রেতার দরাদরির
সহবস্থান জানিয়ে দ্যায়
যুদ্ধ চিরকাল চলতে পারে না।
ত্যাগের আসনে যে ছিল এতদিন
মুখোমুখি হলেই হাসি বিনিময়।
দুপুর হেঁটে সন্ধ্যার আঁধার ছুলেই
এলাকায় পড়ে থাকে ধোঁয়াশা
সারাদিনের প্রাপ্তিগুলোকে সঙ্গী করে
দোকানিদের ক্লান্ত পা বাড়ি চিনিয়ে দ্যায়
ফেলে রাখা আবর্জনার স্তূপের পাশে
ঘুমে মগ্ন কুকুরগুলো
অসীম শূন্যতাবোধে আক্রান্ত হয়ে
যে পাগলটা খোঁজে প্রাবল্য
তার মনের আনাচে কানাচের কামনাগুলো
চলে যায় ঢেকুর তুলে
নীরবতার শূন্যস্থান পূরণ করে
হাজার ওয়াটের আলো নিয়ে
নিঃসঙ্গ স্ট্রিট লাইট।
*********************
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
সকালের রোদ গায়ে লাগতেই
ভিড় বাড়ে বাজারে
ক্রেতা আর বিক্রেতার দরাদরির
সহবস্থান জানিয়ে দ্যায়
যুদ্ধ চিরকাল চলতে পারে না।
ত্যাগের আসনে যে ছিল এতদিন
মুখোমুখি হলেই হাসি বিনিময়।
দুপুর হেঁটে সন্ধ্যার আঁধার ছুলেই
এলাকায় পড়ে থাকে ধোঁয়াশা
সারাদিনের প্রাপ্তিগুলোকে সঙ্গী করে
দোকানিদের ক্লান্ত পা বাড়ি চিনিয়ে দ্যায়
ফেলে রাখা আবর্জনার স্তূপের পাশে
ঘুমে মগ্ন কুকুরগুলো
অসীম শূন্যতাবোধে আক্রান্ত হয়ে
যে পাগলটা খোঁজে প্রাবল্য
তার মনের আনাচে কানাচের কামনাগুলো
চলে যায় ঢেকুর তুলে
নীরবতার শূন্যস্থান পূরণ করে
হাজার ওয়াটের আলো নিয়ে
নিঃসঙ্গ স্ট্রিট লাইট।
*********************
গাছের অভিশাপ
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
"শতানিক" পত্রিকার শারদ সংখ্যা ১৪৩২-এ প্রকাশিত কবিতা। মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
ড্রয়িংরুমটি সাজানো গোছানো
দামী কাঠের আসবাবপত্র ধরে রেখেছে ঐতিহ্য
এক কোণে কৃত্রিম বটগাছ
যেন এক প্রাচীন অরণ্য।
দেখে, রুচির পরিচয় পাওয়া যায় বাড়ির মালিকের
অতিথিদের প্রশংসা শুনে মনে আসে দাম্ভিকতা।
রাত গভীর হলে চারপাশ হয়ে যায় নিশুতি
মহা বিষাদের অন্ধকারে
কাঠেদের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে যন্ত্রণা আর কান্না
তাদের মৃত্যুর জন্য দায়ী
মানুষকে অভিশাপ ছড়িয়ে দ্যায়।
এসব আমরা দেখিনা
শুনতেও পাইনা
যদি দেখতাম তাহলেও
আমাদের কোনো যায় আসতো না
*********************
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
"শতানিক" পত্রিকার শারদ সংখ্যা ১৪৩২-এ প্রকাশিত কবিতা। মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
ড্রয়িংরুমটি সাজানো গোছানো
দামী কাঠের আসবাবপত্র ধরে রেখেছে ঐতিহ্য
এক কোণে কৃত্রিম বটগাছ
যেন এক প্রাচীন অরণ্য।
দেখে, রুচির পরিচয় পাওয়া যায় বাড়ির মালিকের
অতিথিদের প্রশংসা শুনে মনে আসে দাম্ভিকতা।
রাত গভীর হলে চারপাশ হয়ে যায় নিশুতি
মহা বিষাদের অন্ধকারে
কাঠেদের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে যন্ত্রণা আর কান্না
তাদের মৃত্যুর জন্য দায়ী
মানুষকে অভিশাপ ছড়িয়ে দ্যায়।
এসব আমরা দেখিনা
শুনতেও পাইনা
যদি দেখতাম তাহলেও
আমাদের কোনো যায় আসতো না
*********************
দীর্ঘ অপেক্ষায়
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
সম্পর্কের অস্ত্রে শান দিয়েও টিকিয়ে রাখা যাচ্ছে না
সব কথা প্রকাশের নয়, সব ভাব ভাগাভাগির নয়
যেখানে ছিল খুশির প্রাসাদ
ধস নেমে তা হয়েছে বিশাল খাদ
ধীরে ধীরে স্বপ্নের ভূ-স্বর্গ বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়ছে
আস্থা নিয়ে গড়ে তোলা রংধনুর সাতরঙে
কত ডিগ্রি বিচ্ছেদ জ্বরে
আগুন লাগে, কেউ মাপেনি
যে প্রথম তুষের স্তূপে জ্বলন্ত একটা দেশলাই কাঠি ফেলেছিল
সে জানতো একদিন না একদিন
ভয়ংকর রূপ নেবে
নগ্ন সভ্যতার বুকে জমা কঠিন অন্ধকারে
ভালো খবরের আশায় দীর্ঘ অপেক্ষায়...
*********************
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
সম্পর্কের অস্ত্রে শান দিয়েও টিকিয়ে রাখা যাচ্ছে না
সব কথা প্রকাশের নয়, সব ভাব ভাগাভাগির নয়
যেখানে ছিল খুশির প্রাসাদ
ধস নেমে তা হয়েছে বিশাল খাদ
ধীরে ধীরে স্বপ্নের ভূ-স্বর্গ বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়ছে
আস্থা নিয়ে গড়ে তোলা রংধনুর সাতরঙে
কত ডিগ্রি বিচ্ছেদ জ্বরে
আগুন লাগে, কেউ মাপেনি
যে প্রথম তুষের স্তূপে জ্বলন্ত একটা দেশলাই কাঠি ফেলেছিল
সে জানতো একদিন না একদিন
ভয়ংকর রূপ নেবে
নগ্ন সভ্যতার বুকে জমা কঠিন অন্ধকারে
ভালো খবরের আশায় দীর্ঘ অপেক্ষায়...
*********************
সঞ্জীবনী সুধা
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
"কবি সম্মেলন" পত্রিকার আগষ্ট ২০২৪ সংখ্যায় প্রকাশিত কবিতা। মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
আপেক্ষিক আর্দ্রতায় সব আলো নেভেনি আকাশে
বিকেলের উত্তাপে এখনও আড়বাঁশি
অফুসফুসীয় শরীরে স্নিগ্ধতা
বিমুগ্ধতায় ম্লান মুখের ছবি
শব্দের ভিড়ে তারার কোলে মুখ
বিনোদনের হাসির আড়ালে
ঘুম ঘুম চোখে তারারা হাসে
নেশার গন্ধ ভারী অলপ্পেয়ে রাতের ঠোঁটে
ভিজতে চেয়ে অসহ তাপে পোড়া বাতাস
পারি না বুঝতে বশ্যতা। থাক না অভিসন্ধি
প্রতিশ্রুতির মুগ্ধবসত স্বল্পমেয়াদ
বৃন্দাবনে রাসলীলা
সঞ্চিত স্থিতিজাড্যে থাকে চলনের ক্ষুধা
নিশ্চুপে গাঁথি শব্দের সাথে কল্কে ফুল
পরাবো না গলায়। নিয়ে যাবো মুগ্ধতা
সঞ্জীবনী সুধা!
*********************
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
"কবি সম্মেলন" পত্রিকার আগষ্ট ২০২৪ সংখ্যায় প্রকাশিত কবিতা। মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
আপেক্ষিক আর্দ্রতায় সব আলো নেভেনি আকাশে
বিকেলের উত্তাপে এখনও আড়বাঁশি
অফুসফুসীয় শরীরে স্নিগ্ধতা
বিমুগ্ধতায় ম্লান মুখের ছবি
শব্দের ভিড়ে তারার কোলে মুখ
বিনোদনের হাসির আড়ালে
ঘুম ঘুম চোখে তারারা হাসে
নেশার গন্ধ ভারী অলপ্পেয়ে রাতের ঠোঁটে
ভিজতে চেয়ে অসহ তাপে পোড়া বাতাস
পারি না বুঝতে বশ্যতা। থাক না অভিসন্ধি
প্রতিশ্রুতির মুগ্ধবসত স্বল্পমেয়াদ
বৃন্দাবনে রাসলীলা
সঞ্চিত স্থিতিজাড্যে থাকে চলনের ক্ষুধা
নিশ্চুপে গাঁথি শব্দের সাথে কল্কে ফুল
পরাবো না গলায়। নিয়ে যাবো মুগ্ধতা
সঞ্জীবনী সুধা!
*********************
গণিকা
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
"হাইওয়ে" পত্রিকার শারদ ১৪৩১ সংখ্যায় প্রকাশিত কবিতা। মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
তৃষ্ণা মেটাতে
ধুঁকতে ধুঁকতে কাছে আসে
পুড়ে যাওয়া লাশ
শূণ্য নিধি হয়েও
ভাটিয়ালী সুরে শুশ্রূষা করে
এঁকে দেয় রোদ ঝাঁক ঝাঁক
চিত্রগুপ্তের হিসেবের খাতায় ওর নাম নেই
মিথ্যে অভিমান করে না
জানে, আম্রপালি সে হবে না
বুদ্ধের দেখাও পাবে না
*********************
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
"হাইওয়ে" পত্রিকার শারদ ১৪৩১ সংখ্যায় প্রকাশিত কবিতা। মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
তৃষ্ণা মেটাতে
ধুঁকতে ধুঁকতে কাছে আসে
পুড়ে যাওয়া লাশ
শূণ্য নিধি হয়েও
ভাটিয়ালী সুরে শুশ্রূষা করে
এঁকে দেয় রোদ ঝাঁক ঝাঁক
চিত্রগুপ্তের হিসেবের খাতায় ওর নাম নেই
মিথ্যে অভিমান করে না
জানে, আম্রপালি সে হবে না
বুদ্ধের দেখাও পাবে না
*********************
বিসর্জিত হয় দুঃখ
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
"সৃষ্টির একুশ শতক" পত্রিকার সেপ্টেম্বর ২০২৪ সংখ্যায় প্রকাশিত কবিতা। মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
সময়ের ফাঁকে হারিয়ে যায়নি স্মৃতি
অদ্ভুত সব ধ্যানেরা শুরু করলে গানের রেওয়াজ
বিন্দু জোছনায় লিখে রাখা যৌবন নির্লজ্জভাবে উঁকি দেয় প্রতিনিয়ত
কথা বলে ইশারায়
আয়নায় দেখি নিজেকে
পরখ করি নিজের অবয়ব
শুকনো পাতায় হাঁটছে মায়া
একটু একটু করে ফসিল খুঁড়ে আলো খোঁজার চেষ্টা
ভেতর ঘরে চুপিসাড়ে বয়ে চলে ফল্গু
মুখে মেলানিনে আঁকা ছবিগুলোই শুধু জানে
দাঁড়িপাল্লার এদিকের পাল্লা হচ্ছে হালকা
ফিকে হয়ে আসে দৃষ্টির শোক
অনুভব থেকে বিসর্জিত হয় দুঃখ
এবং আমি সুখি হয়ে উঠি
*********************
কবি অর্পিতা ঘোষ পালিত
"সৃষ্টির একুশ শতক" পত্রিকার সেপ্টেম্বর ২০২৪ সংখ্যায় প্রকাশিত কবিতা। মিলনসাগরে প্রকাশ ৫.৪.২০২৬।
সময়ের ফাঁকে হারিয়ে যায়নি স্মৃতি
অদ্ভুত সব ধ্যানেরা শুরু করলে গানের রেওয়াজ
বিন্দু জোছনায় লিখে রাখা যৌবন নির্লজ্জভাবে উঁকি দেয় প্রতিনিয়ত
কথা বলে ইশারায়
আয়নায় দেখি নিজেকে
পরখ করি নিজের অবয়ব
শুকনো পাতায় হাঁটছে মায়া
একটু একটু করে ফসিল খুঁড়ে আলো খোঁজার চেষ্টা
ভেতর ঘরে চুপিসাড়ে বয়ে চলে ফল্গু
মুখে মেলানিনে আঁকা ছবিগুলোই শুধু জানে
দাঁড়িপাল্লার এদিকের পাল্লা হচ্ছে হালকা
ফিকে হয়ে আসে দৃষ্টির শোক
অনুভব থেকে বিসর্জিত হয় দুঃখ
এবং আমি সুখি হয়ে উঠি
*********************
